ছায়াছবি

তুমি হলে তুমি,

তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তাই তো কিছুই মানি না।
কোথা হতে শুরু কোথা সেষ হবে,
তুমি হলে তুমি—-

ছিলাম আমি একা, তোমারই সাথে হলো দেখা।
একটু দুটি কথা,কখন একটু নীরবতা।
প্রেম এলো—–

প্রেম এলো জীবনে, জীবনে, জীবনে,
ঘর শেষ দারে, দার শেষ পথে,
প্রেম শেষ কোথায় যানিনা।
তুমি হলে তুমি—-

স্বপ্নের অভিসারে, চিনেছি আমার অচেনারে,
দেখি আঁখি মেলে, নিজেরে কখন গেছি ভুলে।
সুখ এলো——–

সুখ এলো জীবনে, জীবনে, জীবনে,
কথা শেষ সুরে, সুর শেষ গানে,
সুখ শেষ কোথায় যানিনা।

তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তাই তো কিছুই মানি না।
কোথা হতে শুরু কোথা সেষ হবে,
তুমি হলে তুমি—-

আধুনিক

আমার সব কথা মরে গেছে হায়! কিছুই বলা হলো না তোমায়।

আমার সব কথা মরে গেছে হায়!
কিছুই বলা হলো না তোমায়।
আমার সব কথা মরে গেছে হায়!
কিছুই বলা হলো না তোমায়।

মনের ক্যানভাসে আমি, কত ছবি আঁকি!
চোখের জলে মুছে, হারিয়ে যায় সবই।
মনের ক্যানভাসে আমি, কত ছবি আঁকি!
চোখের জলে মুছে, হারিয়ে যায় সবই।
কি করে মনের কথা
কি করে মনের কথা জানাবো তোমায় হায়!!
কিছুই বলা হলো না তোমায়।
আমার সব কথা মরে গেছে হায়!
কিছুই বলা হলো না তোমায়।

এ পৃথিবীর সবাই পর, কেউ আপন নয়।
এ পৃথিবীর সবাই পর, কেউ আপন নয়।
ওটা তোমার মনের কথা,
আমার মনের নয়!
এ পৃথিবীর সবাই পর, কেউ আপন নয়।
ওটা তোমার মনের কথা,
আমার মনের নয়!
আমার মন তো মরেই গেছে,
আমার মন তো মরেই গেছে,
তোমার অবহেলায় হায়!!
কিছুই বলা হলো না তোমায়।
আমার সব কথা মরে গেছে হায়!
কিছুই বলা হলো না তোমায়।।
উৎসর্গ: সজনী

আধুনিক

সজনী সজনী সজনী

সজনী সজনী সজনী,
তোমার ভালবাসায় আমি সিক্ত ঋনী!!
সজনী সজনী সজনী,
তোমার ভালবাসায় আমি সিক্ত ঋনী!!

প্রতি ক্ষণে ক্ষণে বাজে কানে,
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে বাজে কানে,
তোমার হাসির ঝিলিক
চুড়ির রিনিঝিনি!!
সজনী সজনী সজনী,
তোমার ভালবাসায় আমি সিক্ত ঋনী!!

আ আ আ আ আ….
চৌচিড় এ হৃদয়ে তুমিই রাণী,
চোখে বর্ষা ঝরে প্রতি দিন-রজনী;
চৌচিড় এ হৃদয়ে তুমিই রাণী,
চোখে বর্ষা ঝরে প্রতি দিন-রজনী।
সজনী!
সজনী সজনী সজনী সজনী
তোমার ভালবাসায় আমি সিক্ত ঋনী!!

একদিন তোমার ভুল ভাংবেই জানি,
কাটবে আধাঁর তুমি মুছবে অশ্রু জানি।
একদিন তোমার ভুল ভাংবেই জানি,
কাটবে আধাঁর তুমি মুছবে অশ্রু জানি।
সেই ভাবনায় অাজো প্রহর গুনি,
সেই আশাতেই অাজো প্রহর গুনি;
শুনি তোমার আগমনী প্রতিধ্বনি!!!
সজনী,
সজনী সজনী সজনী সজনী
তোমার ভালবাসায় আমি সিক্ত ঋনী!!
সজনী সজনী সজনী,
তোমার ভালবাসায় আমি সিক্ত ঋনী!!
সজনী,
সজনী সজনী সজনী সজনী
তোমার ভালবাসায় আমি রিক্ত ঋনী!!

ছায়াছবি

ইশারায় শীষ দিয়ে,

ইশারায় শীষ দিয়ে,আমাকে ডেকো না,
কামনার চোখ নিয়ে,আমাকে দেখো না।
লাজে মরি, মরি মরি গো।

ইশারায় শীষ দিয়ে,আমাকে ডেকো না,
কামনার চোখ নিয়ে,আমাকে দেখো না।

ষোলটি বছর পার হয়েছে,
বুজিনি কখন ও আগে।
জীবনে কখন ও ফাগুন এলে,
মনেতে আগুন লাগে।

সে আগুন তুমি লাগালে যখন,
এখন আমি কি করি,
লাজে মরি, মরি গো।

ইশারায় শীষ দিয়ে,আমাকে ডেকো না,
কামনার চোখ নিয়ে,আমাকে দেখো না।

না পারি রইতে, নাপারি সইতে,
পাগল করে যে দিলে।
নেভে না জ্বালা, এ কোন জ্বালা,
অঙ্গে ছড়িয়ে দিলে।

সে জুড়াতে প্রেমের সাগরে,
দুজনেই ডুবে মরি।
লাজে মরি মরি গো।

ইশারায় শীষ দিয়ে,আমাকে ডেকো না,
কামনার চোখ নিয়ে,আমাকে দেখো না।
লাজে মরি মরি মরি মরি গো।

ছায়াছবি

তুমি আমার হৃদয়ে যদি থাকো,

তুমি আমার হৃদয়ে যদি থাকো,
একদিন যানি কাছে আসবে।
তুমি আমার হৃদয়ে যদি থাকো,
একদিন যানি কাছে আসবে।

এই আমাকেই ভালবাসবে,
যানি আমাকেই শুধু ভালবাসবে,
যানি আমাকেই শুধু ভালবাসবে।
তুমি আমার হৃদয়ে যদি থাকো,
একদিন যানি কাছে আসবে।

এলো মেলো আশা গুলো প্রানে দোলা দেয়,
দুটি চোখে সৃতি গুলো দ্রুব তারা হয়।
এলো মেলো আশা গুলো প্রানে দোলা দেয়,

স্বপ্ন যে সত্যি হয় হয়ে গেলে মন বিনিময়,
স্বপ্ন যে সত্যি হয় হয়ে গেলে মন বিনিময়,
সেই শুখে এই মন ভাসবে,

যানি আমাকে শুধু ভালবাসবে,
যানি আমাকেই শুধু ভালবাসবে
তুমিয়ামার হৃদয়ে যদি থাকো।

গানে গানে দুটি প্রাণ প্রেম খুজে পায়,
সাগরের কাছে নদী তাই ছুটে যায়।
গানে গানে দুটি প্রাণ প্রেম খুজে পায়,
সাগরের কাছে নদী তাই ছুটে যায়।

স্বপ্ন যে সত্যি হয় হয়ে গেলে মন বিনিময়,
স্বপ্ন যে সত্যি হয় হয়ে গেলে মন বিনিময়,
সেই শুভ দিন ফিরে আসবে,

যানি আমাকে শুধু ভালো বাসবে,
যানি আমাকেই শুধু ভালবাসবে।
তুমি আমার হৃদয়ে যদি থাকো,
একদিন যানি কাছে আসবে।
তুমি আমার হৃদয়ে যদি থাকো,
একদিন যানি কাছে আসবে।

ছায়াছবি

পৃথিবীকে ভালোবেসে সুরে সুরে কাছে এসে,

পৃথিবীকে ভালোবেসে সুরে সুরে কাছে এসে,
কত যে আপন হয়েছো।
পৃথিবীকে ভালোবেসে সুরে সুরে কাছে এসে,
কত যে আপন হয়েছো।

যেখানেই থাকো তুমি সেখানেই যাবো আমি,
তুমি তো আমারই রয়েছো।
পৃথিবীকে ভালোবেসে সুরে সুরে কাছে এসে,
কত যে আপন হয়েছো।

তুমি এলে ফুল ফোটে মেঘ ভেঙ্গে চাঁদ ওঠে,
তুমি আছো সবই আছে জীবনে আমার।
তুমি এলে ফুল ফোটে মেঘ ভেঙ্গে চাঁদ ওঠে,
তুমি আছো সবই আছে জীবনে আমার।

যেখানেই থাকো তুমি সেখানেই যাবো আমি,
তুমি তো আমারই রয়েছো।
তুমি এলে ফুল ফোটে মেঘ ভেঙ্গে চাঁদ ওঠে,
তুমি আছো সবই আছে জীবনে আমার।

তুমি এলে ফুল ফোটে মেঘ ভেঙ্গে চাঁদ ওঠে,
তুমি আছো সবই আছে জীবনে আমার।
তুমি সুখ তুমি আশা বুক ভরা ভালোবাসা,
তুমি ছাড়া দুটি চোখে নাই কিছু আর।

যেখানেই থাকো তুমি সেখানেই যাবো আমি,
তুমি তো আমারই রয়েছো।
তুমি এলে ফুল ফোটে মেঘ ভেঙ্গে চাঁদ ওঠে,
তুমি আছো সবই আছে জীবনে আমার।

তুমি এলে ফুল ফোটে মেঘ ভেঙ্গে চাঁদ ওঠে,
তুমি আছো সবই আছে জীবনে আমার।

নজরুল গীতি

শাওন আসিল ফিরে সে ফিরে এল না

শাওন আসিল ফিরে সে ফিরে এল না
বরষা ফুরায়ে গেল আশা তবু গেল না।

ধানী রং ঘাগরি, মেঘ–রং ওড়না
পরিতে আমারে মাগো, অনুরোধ ক’রো না
কাজরির কাজল মেঘ পথ পেল খুঁজিয়া
সে কি ফেরার পথ পেল না মা, পেল না।।

আমার বিদেশিরে খুঁজিতে অনুক্ষণ
বুনো হাঁসের পাখার মত উড়ু উড়ু করে মন।

অথৈ জলে মাগো, মাঠ–ঘাট থৈ থৈ
আমার হিয়ার আগুন নিভিল কই?
কদম–কেশর বলে, ‘কোথা তোর কিশোর’,
চম্পাডালে ঝুলে শূন্য দোলনা।।

আধুনিক

সুন্দরীগো দোহাই দোহাই মান করোনা

সুন্দরীগো দোহাই দোহাই
মান করোনা
আজ নিশিথে কাছে থাকো
না বলো না

অনেক শিখা পুড়ে তবে
এমন প্রদীপ জ্বলে
অনেক কথার মরণ হলে
হৃদয় কথা বলে
না না
চন্দ্রহারে কাজলধোঁয়া
জল ফেলোনা

একেই তো এই জীবন ভরে
কাজের বোঝাই জমে
আজ পৃথিবীর ভালোবাসার
সময় গেছে কমে
একটু ফাগুন আগুন দিয়ে
না জ্বেলোনা

নজরুল গীতি

এসো বঁধু ফিরে এসো, ভোলো ভোলো অভিমান

এসো বঁধু ফিরে এসো, ভোলো ভোলো অভিমান।
দিব ও চরণে ডারি মোর তনু-মন-প্রাণ॥

জানি আমি অপরাধী তাই দিবানিশি কাঁদি,
নিমিষের অপরাধের কবে হবে অবসান॥

ফিরে গেলে দ্বারে আসি বাসি কিনা ভালোবাসি,
কাঁদে আজ তব দাসী, তুমি তার হৃদে ধ্যান॥

ফিরিয়া আসিয়া হেথা দিয়ো দুখ দিয়ো ব্যথা,
সহে না এ নীরবতা হে দেবতা পাষাণ॥

নজরুল গীতি

বাহির দুয়ার মোর বন্ধ হে প্রিয়

বাহির দুয়ার মোর বন্ধ হে প্রিয়,
মনের দুয়ার আজি খোলা,
সেই পথে এসো হে মোর চিতচোর,
হে দেবতা পথ ভোলা।।

সেথা নাহি কুল-লাজ, কলংক ভয়,
নাহি গুরুজন গঞ্জনা নিরদয় ।।
তাই গোপন মানস তমাল কুঞ্জে
বাঁধিয়াছি ঝুলন দোলা।।

মোর অন্তরে বহে সদা অন্তঃসলিলা অশ্রু নদী,
সেই যমুনার তীরে কর তুমি লীলা নিরবধি ।।
সে মিলন মন্দিরে জাগাবেনা কেহ,
তব দেহে বিলীন হবে মোর দেহ,
অনন্ত বাসর শয্যা রচিয়া অনন্ত মিলনে রহিবো উতলা।।

বাহির দুয়ার মোর বন্ধ হে প্রিয়,
মনের দুয়ার আজি খোলা,
সেই পথে এসো হে মোর চিতচোর,
হে দেবতা পথ ভোলা।।

নজরুল গীতি

আমি কৃষ্ণচূড়া হতাম যদি হতাম ময়ূর পাখা

আমি কৃষ্ণচূড়া হতাম যদি হতাম ময়ূর পাখা (সখা হে)
তোমার বাঁকা চূড়ায় শোভা পেতাম ওগো শ্যামল বাঁকা ।।

আমি হলে গোপীচন্দন শ্যাম, অলকা-তিলকা হতাম;
শ্যাম, ও চান্দমুখে অলকা-তিলকা হতাম।
শ্রীঅঙ্গের পরশ পেতাম হ’লে কদম শাখা ।।

আমি বৃন্দাবনে বন-কুসুম হতাম যদি কালা,
কণ্ঠ ধ’রে ঝ’রে যেতাম হয়ে বনমালা ।।

আমি নূপুর যদি হতাম হরি/ কাঁদতাম শ্রীচরণ ধরি
ব্রজবুলি হলে রইত বুকে চরণ-চিহ্ন আঁকা।।

নজরুল গীতি

নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়

নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়
কে যায় কে যায় কে যায়
যেন জলে চলে থল-কমলিনী
ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।

কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে
চমকায় উন্মন চম্পা বনকে
দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে
পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।

অঙ্গের ছন্দে পলাশ মাধবী অশোক ফোটে
নূপুর শুনি বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে।

মেঘ বিজড়িত রাঙা গোধূলি
নামিয়া এল বুঝি পথ ভুলি
তাহার অঙ্গ তরঙ্গ বিভঙ্গে
কুলে কুলে নদীজল উথলায়।।

নজরুল গীতি

সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে তুমি

সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে তুমি আমারে ছুঁইয়াছিলে।
অনুরাগ–কুম্কুম দিলে দেহে মনে, বুকে প্রেম কেন নাহি দিলে।।

বাঁশি বাজাইয়া লুকালে তুমি কোথায় —
যে ফুল ফোটালে সে ফুল শুকায়ে যায়
কী যেন হারায়ে প্রাণ করে হায় হায় —
কী চেয়েছিলে — কেন কেড়ে নাহি নিলে।।

জড়ায়ে ধরিয়া কেন ফিরে গেলে বল কোন্ অভিমানে,
কেন জাগে নাকো আর সে মাধুরী রস–আনন্দ–প্রাণে।

তোমারে বুঝি গো বুঝেছিনু আমি ভুল
এসেছিলে তুমি ফোটাতে প্রেম–মুকুল,
কেন আঘাত করিয়া প্রিয়তম, সেই ভুল নাহি ভাঙাইলে।।