নজরুল গীতি

রুম ঝুম রুম ঝুম

রুম ঝুম রুম ঝুম ঝুম ঝুম
নূপুর বাজে আসিল রে প্রিয়
আসিল রে।
কদম্ব-কলি শিয়রে আবেশে
বিরহ যমুনা উথলি ওঠে
রোদন ভুলের আধার গাহিয়া ওঠে
সুন্দর মোর ভালোবাসিল রে।

জীবনমুখী গান

পাবে সামান্যে কি তার দেখা!

পাবে সামান্যে কি তার দেখা!
(ওরে) বেদে নাই যার রূপ-রেখা।।
কেউ বলে, পরম মিষ্টি কারো না হইল দৃষ্টি ।।
বরাতে দুনিয়া সৃষ্টি ।।
তাই নিয়ে লেখাজোখা।
(ওরে) তাই নিয়ে লেখাজোখা।
নিরাকার ব্রহ্ম হয় সে সদাই ফেরে অচিন দেশে ।।
দোসর তাই নাইকো পাশে ।।
ফেরে সে একা একা।
(ওরে) ফেরে সে একা একা।
কিঞ্চিৎ ধ্যানে মহাদেব, সে তুলনা কি আর দেবো ।।
লালন বলে, গুরু ভাবো
যাবে রে মনের ধোঁকা।
(ওরে) যাবে রে মনের ধোঁকা।

আধুনিক

Pablo’s Rock Song

ফুল পাখি চাঁদ
বিলকুল বাদ
ইমোশন মাখো মাখো
নিজের পকেটে রাখো
ন্যাকা কথা ন্যাকা সুর ন্যাকা ন্যাকা গান
দিতে পারবো না গুরু জনতা যা চায়
যতই বলো না বস পাবলিক খাবে
গান হবে হিট আর অ্যাওয়ার্ড পাবে
আমি গাইবো প্যাশনেট লাভ সং
যাতে নেই ন্যাকামি নেই কোনো ঢং
ফুল পাখি চাঁদ
বিলকুল বাদ
ইমোশন মাখো মাখো
নিজের পকেটে রাখো
ন্যাকা কথা ন্যাকা সুর ন্যাকা ন্যাকা গান
দিতে পারবো না গুরু জনতা যা চায়
আমাদের গান নাকি আবোল তাবোল
চিৎকার চেঁচামেচি পাগল পাগল
আগেকার মতো নাকি আর গান হয় না
রক ভেতো বাঙালির পেটে সয় না
মাখো মাখো কথা
বলি না অযথা
তোমাকে চাই চাই শরীর প্রেম
তাই ফুল পরীর দেশে
আজ অবশেষে
নিজেই অশরীরী সেটাই প্রবলেম

পল্লীগীতি

ওগো পরানের প্রিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)

নৈশ-সাঝেঁ যাব আমি বন্ধু তোমার বাড়ি,
তোমার অঙ্গে সেদিন প্রিয়া থাকবে লাল শাড়ি

নৈশ-সাঝেঁ যাব আমি বন্ধু তোমার বাড়ি,
তোমার অঙ্গে সেদিন প্রিয়া থাকবে লাল শাড়ি
বিয়ার সাজন সাজিবে আমার পাশে বসিবে,
আদর দিমু তোমারে বাসর নিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)

বিয়ের পরে হানিমুনে যাব কক্সবাজার,
সেইখানে সাগরে আমরা পানি-ত দিমু সাতাঁর

বিয়ের পরে হানিমুনে যামু কক্সবাজার,
সেইখানে সাগরে আমরা পানি-ত দিমু সাতাঁর
করবো প্রেম-আলিঙ্গন,
কিযে মধুর ও লগন
ভয় লাগিলে আমারে ধরিয়ো জড়াইয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)

রাঙ্গামাটি যাব মোরা আঁকাবাকা পথে,
গাছতলায় বলিব কথা হাত রাখিয়া হাতে

রাঙ্গামাটি যাব মোরা আঁকাবাকা পথে,
গাছতলায় বলিব কথা হাত রাখিয়া হাতে
মাসুদ হাসান তখন এ,
প্রেমের কোন যৌবনে,
দিবে তোমার অঙ্গের মাঝে ধূল ছিটাইয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)
.
.
.

ছায়াছবি

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

সেই অঙ্গীকারের রাখী পরিয়ে দিতে,
কিছু সময় রেখো তোমার হাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

কিছু স্বপ্নে দেখা, কিছু গল্পে শুনা,
ছিলো কল্পনা জাল এই প্রানে বূনা।
কিছু স্বপ্নে দেখা, কিছু গল্পে শুনা,
ছিলো কল্পনা জাল এই প্রানে বূনা।

তার অনুরাগে রাঙা তুলির ছুয়ায়,
নাও বুলিয়ে নয়ন ও পাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

তুমি ভাসাও আমায় এই চলার স্রোতে,
চিরসাথী রইবো পথে।
তুমি ভাসাও আমায় এই চলার স্রোতে,
চিরসাথী রইবো পথে।

তাই যা দেখি আজ সবই ভাললাগে,
এই নতুন গানের সুরে ছন্দ রাগে।
তাই যা দেখি আজ সবই ভাললাগে,
এই নতুন গানের সুরে ছন্দ রাগে।

কেন দিনের আলোর মতো সহজ হয়ে,
এলে আমার গহন ও রাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

সেই অঙ্গীকারের রাখী পরিয়ে দিতে,
কিছু সময় রেখো তোমার হাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

আধুনিক

আমার বলার কিছু ছিলো না,

আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে,
তুমি চলে গেলে চেয়ে চেয়ে দেখলাম,
আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

সব কিছু নিয়ে গেলে যা দিয়েছিলে,
আনন্দ,হাঁসি,গান, সব তুমি নীলে।
সব কিছু নিয়ে গেলে যা দিয়েছিলে,
আনন্দ হাঁসি গান সব তুমি নীলে।

যাবার বেলায় শুধু নিজেরই অজান্তে,
সৃতিটাই গেলে তুমি ফেলে, তুমি চলে গেলে-
আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

দুঁহাতে তোমার ওগো এতো কিছু ধরে গেলো,
ধরলো না শুধু এই সৃতিটা,রয়ে গেলো শেষ দিন,
রয়ে গেলো সেদিনের প্রথম দেখার সেই ইতি টা।

কোথা থেকে কখন যে কি হয়ে গেলো,
সাজানো ফুলের বনে ঝড় বয়ে গেলো।
কোথা থেকে কখন যে কি হয়ে গেলো,
সাজানো ফুলের বনে ঝড় বয়ে গেলো।

সে ঝড় থামার পরে, পৃথিবী আঁধার হলো,
তবু দেখি দীপ গেছো জ্বেলে, তুমি চলে গেলে-
আমার বলার কিছু ছিলো না,

চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে,
তুমি চলে গেলে চেয়ে চেয়ে দেখলাম,
আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

ছায়াছবি

তুমি ছিলে না যখন,

তুমি ছিলে না যখন—
তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।

রঙে রঙে ভরা, এই যে পৃথিবী তুমি আছো বলে,
এতো আসা দোলে এই যে হৃদয়ে তুমি আছো বলে।
ওগো তুমি আমার শুধু তুমি আমার,
শত অনুরাগের জোছনা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।

আমি চেয়ে থাকি মুখদ্দ নয়নে, তোমার চোখের পানে,
যতো কথা আছে বন্দু তোমাকে বলি গানে গানে।
আমি তোমার বুকে, রবো চিরো সুখে,
ওগো এইতো আমার সাধনা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।।

ব্যান্ড

হারানো পদক

মাঝরাতে লাইব্রেরীতে ,
তারই অপেক্ষায় বসে
ভাবছি কতক্ষনে সে আসবে
আমার নিদ্রাহীনতার দেশে
সঙ্গীনী অশরীরি
কখনো এতটা করেনা দেরি
সে চুরি করে হৃদয়, হৃদয়ে বন্দীনী
সে এক অভিশপ্ত জাদুকরী
কখনো জীবীত তাকে ভালোবাসিনি
আমি অদৃশ্য দেহের পরেছি প্রেমে
রাতে তার উপস্থিতির অনুভূতি চুরির রিনিঝিনি
দিনে তৈলচিত্র বাধানো ফ্রেমে…..

মণিহারা সুন্দরী দোহাই দোহাই
হয়ে সাতনোহলা হার চাই ছুতে হৃদয়ের খোয়ায়
এ বস্তুবাদের আবাদে তোমার পূণর্জন্ম হোক
পরে মৃত্যুপুরিতে তোমার হারানো পদক

একা এ প্রাসাদে আমি
যে প্রাসাদ আমার থেকেও দামী
কাউন্ট ড্রাকুলার মত ব্যাকুল আসামী
জেলখানা খা খা শূন্যস্থান
তার আগমনী ধ্বনিতে
প্লাবন ওঠে আমার শোণিতে
সে বোধ হয় জন্ম নেয় আমার ভূতযোনিতে
সে আমার ক্ষুধিত পাষাণ
আত্মাকে পিছু ফিরতে মানা করিনি
কোন তীর্থে দেয়া হয়নি পিণ্ড দান
কবরে চিতাতে তার দেহ আমি নষ্ট করিনি
তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গে সাজিয়েছি মাকান

দেহ হারা সুন্দরী, দোহায় দোহায়
করুক অবাধ্য বুলেট বিদ্ধ এ হৃদয়ের খোয়ায়
এ বস্তুবাদের আবাদে তোমার পুনর্জন্ম হোক
পরে মৃত্যুপুরীতে তোমার হারানো পদক

মণিহারা সুন্দরী দোহাই দোহাই
হয়ে সাতনোহলা হার চাই ছুতে হৃদয়ের খোয়ায়
এ বস্তুবাদের আবাদে তোমার পূণর্জন্ম হোক
পরে মৃত্যুপুরিতে তোমার হারানো পদক।

ছায়াছবি

চাঁদের সাথে আমি দেবো না,

ছেলে=
চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
মেয়ে=
নদির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
ছেলে=
তুমি চাঁদ হতে যদি দুরেই চলে যেতে,
মেয়ে=
তুমি নদী হতে যদি দূরে চলে যেতে,
সে কথা যেন ভুলনা, তুমি যে তোমারই তুলনা।
ছেলে=
ও চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
মেয়ে=
নদির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
ছেলে=
ফুলের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
ওলির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
ছেলে=
তুমি ফুল হতে যদি ঝরে পড়ে যেতে,
মেয়ে=
তুমি ওলি হতে যদি দূরে উড়ে যেতে,
ছেলে=
সে কথা যেন ভুলনা, তুমি যে তোমার ই তুলনা।
মেয়ে=
ও নদির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
ছেলে=
চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
কবির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
ছেলে=
ছবির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
তুমি কবি হতে যদি সবার হয়ে যেতে।
ছেলে=
তুমি ছবি হতে যদি তবেই মুছে যেতে।
সে কথা যেন ভুলনা,তুমি যে তোমার ই তুলনা।
ও চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
নদির সাথে আমি দেবো না তয়াম্র তুলনা।
ছেলে=
তুমি চাঁদ হতে যদি দূরে চলে যেতে।
মেয়ে=
তুমি নদী হতে যদি দূরে চলে যেতে।
সে কথা যেন ভুলনা, তুমি যে তোমার ই তুলনা।

ছায়াছবি

আমি হবো পর, যেদিন আসবে রে তোর বর,

আমি হবো পর যেদিন আসবে রে তোর বর,
আমার এ ঘর শুন্য করে যাবি অন্য ঘর।
ওরে পাষাণী আমার চোখের ও পানি,
আচল দিয়ে মুছে তখন যাস মামুনী।

ওরে মায়ের বুকে সুখে দুঃখে নানা রঙের দিন,
সে তো রয়না চিরদীন,
ওরে খেয়ায় খেলায় যায় যে বেলা ফুরায় সুখের দিন,
থাকে ভালোবাসার ঋণ।

ওরে চাঁদের কণা আমার লক্ষ্মী সোনা,
দিনে দিনে বড় হবি আসবে শুভদিন।
ওরে পাষাণী আমার চোখের ও পানি,
আচল দিয়ে মুছে তখন যাস মামুনী।

ওরে স্নেহের বাধন যায় ছিড়া চোখের পলোকে,
সে যে থাকে অলোকে।
যেমন চাঁদের আলো যায় না ডাকা মেঘের পালোকে,
সে যে থাকে আলোকে।

ওরে মায়ের আদর থাকে জীবন ও ভর,
সন্তানেরা দুঃখ দিলেও হয় না মলিন।

আমি হবো পর যেদিন আসবে রে তোর বর,
আমার এ ঘর শুন্য করে যাবি অন্য ঘর।
ওরে পাষাণী আমার চোখের ও পানি,
আচল দিয়ে মুছে তখন যাস মামুনী।

ছায়াছবি

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে,

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,
ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া।
সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,

একটি দুটি তারা জ্বলে আকাশের ও কোলে,
ভিরু ভিরু চোখে কোন স্বপ্ন যে দোলে।
একটি দুটি তারা জ্বলে আকাশের ও কোলে,
ভিরু ভিরু চোখে কোন স্বপ্ন যে দোলে।

সাত রঙ্গা সেই রঙে মন হলে চাওয়া,
এই মন কখন ও কি যায় ফিরে পাওয়া।

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,
ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া।
সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,

আধারের ও শেষে যানি আছে শুধু আলো,
অচেনাকে চিনে নিতে তাই লাগে ভালো।
আধারের ও শেষে যানি আছে শুধু আলো,
অচেনাকে চিনে নিতে তাই লাগে ভালো।

সে চেনায় হয় যদি আরো কিছু পাওয়া,
এ মনের সাধ্য কি আর পিছু ফিরে যাওয়া।

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,
ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া।
সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,

ছায়াছবি

বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি,

বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।
বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

আরে ও ও ও বেলা যায় বয়ে যায় রে যায়–
আরে ও ও ও বেলা যায় বয়ে যায় রে যায়,
খেতে আর খামারে কে চিনে আমারে,
একা একা রবো কোন ভরসায়।

খেতে আর খামারে কে চিনে আমারে,
একা একা রবো কোন ভরসায়।

কোথায় আছি কেমন আছি খবর নিলো না,
চিঠি দিলাম পত্র দিলাম মামা এলো না।
কোথায় আছি কেমন আছি খবর নিলো না,
চিঠি দিলাম পত্র দিলাম মামা এলো না।

অভাগিনির ভাগ্য আহা কত চমৎকার–
বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

আরে ও ও ও আমার নাই কেহ নাই রে নাই–
আরে ও ও ও আমার নাই কেহ নাই রে নাই,
এখানে সেখানে কি যানি কোন খানে,
ঢেউয়ের মতো আমি ভেসে বেড়াই।

এখানে সেখানে কি যানি কোন খানে,
ঢেউয়ের মতো আমি ভেসে বেড়াই।

কপাল দোষে ছোট্ট কালে মরে গেলো মা,
গর্বে থাকতে মরলো পিতা চোখে দেখলাম না।
কপাল দোষে ছোট্ট কালে মরে গেলো মা,
গর্বে থাকতে মরলো পিতা চোখে দেখলাম না।

এই দুঃখের কথা আমি বলবো কত আর–
বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

ছায়াছবি

সে যে কেন এলো না,

দূর ছাই, কখন যে আসবে, কিচ্ছুই ভাল্লাগাছে না,
দেখা পেলেই হয়, আচ্ছা করে মজা দেখাবো।

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না,
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো।
যদি ফুল গুলো হায়, অভিমানে ঝরে যায়,
আমি মালা গেথে বলো কারে পরাবো।

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না—–

প্রজাপতি উড়ে গিয়ে বলনা,
আমি নই তার হাতের খেলনা, বলনা।
প্রজাপতি উড়ে গিয়ে বলনা,
আমি নই তার হাতের খেলনা।

সে যে যখন তখন, মোরে করে জ্বালাতন,
ভালোবাসা কারে বলে তারে সিখাবো।
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো।

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না——

যারে পাখী তারে গিয়ে বলনা,
আমি কি এমনতর খেলনা।
যারে পাখী তারে গিয়ে বলনা,
আমি কি এমনতর খেলনা।

এই উতালা ফাগুন মনে জ্বেলেছে আগুন,
এই উতালা ফাগুন মনে জ্বেলেছে আগুন,
আমি কেমন করে বল তারে নিভাবো,
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো।

সে যে কেন এলোনা কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না—-

চিঠি নিয়ে ওরে মেঘ চলনা,
তার কানে কানে গিয়ে বলনা।
চিঠি নিয়ে ওরে মেঘ চলনা,
তার কানে কানে গিয়ে বলনা।

এই মধু অভিসার মিছে হবে কি আমার,
এই মধু অভিসার মিছে হবে কি আমার,
আমি কি গো পথ চেয়ে দিন কাটাবো,
আমি মালা গেথে বলো কারে পরাবো,

সে যে কেন এলো না কিছু ভালো লাগে না,
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো,
যদি ফুল গুলো হায় অভিমানে ঝরে যায়,
আমি মালা গেথে বলো কারে পরাব।

সে যে কেন এলো না কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না—-

ছায়াছবি

দুধে আলতা বদন তোমার,

দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

তোমার নরম দুটি ঠোটে ফোটে লতার পদ্ম ফুল,
যেন রেশমি সূতার বোজা, তোমার মাথার ওইনা
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

তুমি ফেলবে যেথা চরন, সেই মাটি হবে ধন্য।
ধুলো হয়ে আসবে উড়ে, তোমার চরন ছোয়ার জন্য।
তোমার হাঁসি দেখে মুখ হিরশা হবে মন,
লজ্জাতে পড়বে ঝরে, যেও নাতো ফুল ও বোন।

তুমি নারী নাকি পরী, বিধি নিজেই করবে ভুল,
আমি তো হায় একটি মানুষ, খুজে পাইনা কোন কূল।
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

তোমার কন্ঠ শুনে কোকিল, যেন বোবা হয়ে যাবে,
এতো মিষ্টি সুর ও সারগাম, ও সে কোথায় খুজে পাবে।
তোমার মুখটি দেখে চাঁদের, মুখ হয়ে যাবে কালো,
ডুবে যাবে কালো মেঘে, বুজি দেবে না আর আলো।

তুমি নারী নাকি পরী, বিধি নিজেই করবে ভুল,
আমি তো হায় একটি মানুষ, খুজে পাইনা কোন কূল।
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।