ছায়াছবি

চলো বৃষ্টিতে ভিজি

বাদলা দিনে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান

যদি ডেকে বলি, এসো হাত ধরো
চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে
এসো গান করি মেঘো মল্লারে
করুনাধারা দৃষ্টিতে
আসবে না তুমি; জানি আমি জানি
অকারনে তবু কেন কাছে ডাকি
কেন মরে যাই তৃষ্ণাতে
এইই এসো না চলো জলে ভিজি
শ্রাবণ রাতের বৃষ্টিতে

কত না প্রণয়, ভালোবাসাবাসি
অশ্রু সজল কত হাসাহাসি
চোখে চোখ রাখা জলছবি আঁকা
বকুল কোন ধাগাতে
কাছে থেকেও তুমি কত দূরে
আমি মরে যাই তৃষ্ণাতে
চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে

যদি ডেকে বলি, এসো হাত ধরো
চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে
এসো গান করি মেঘো মল্লারে
করুনাধারা দৃষ্টিতে
আসবে না তুমি; জানি আমি জানি
অকারনে তবু কেন কাছে ডাকি
কেন মরে যাই তৃষ্ণাতে
এইই এসো না চলো জলে ভিজি
শ্রাবণ রাতের বৃষ্টিতে

বাদলা দিনে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান

আধুনিক

এখুনি নামবে বৃষ্টি

একটু দাঁড়াবে কী?
এখুনি নামবে বৃষ্টি
মেঘে আকাশ থমথম
নীড়ে ফিরে যাচ্ছে পাখি।

খেয়ালী আকাশের বুকে
ফুটে থাকা তারার মেলা।
ঢেকে দিয়ে যাচ্ছে যেন
কালো কালো মেঘের ভেলা

এখুনি যেওনা তুমি
ভালবাসা অনেক বাকি।
চারদিকে নামছে আঁধার
থাক না আরো কিছুক্ষন

ভালবেসে যাব দু’জনে
ঝড়ে যাবে ব্যথার শ্রাবণ।
এখুনি যেওনা তুমি
ভালবাসা অনেক বাকি।।

আধুনিক

জলস্বপ্ন

জল কনা উড়ে যায়
পথ ভুলে দূরে যায়
জলজ স্বপ্নে আকা
জল কনা উড়ে যায়
পথ ভুলে দূরে যায়
জল ছবি পাবে পাখা
আষাঢ় মেঘের কোলে
বৃষ্টি স্বাধীন হলে
চির অচেনা বর্ষায়
সহজাত কৌশলে
ভিজুক আমার এ দেহ
ভেসে যাক সন্দেহ
স্বপ্ন যে আনমনেও
জলের অতলে……
জলের অতলে……

জলজ গল্প লেখা কাগজি
বুনো সবুজ ঘাস
ছড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস
যা খোঁজে
ছড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস
আষাঢ় মেঘের কোলে
বৃষ্টি স্বাধীন হলে
চির অচেনা বর্ষায়
সহজাত কৌশলে
ভিজুক আমার এ দেহ
ভেসে যাক সন্দেহ
স্বপ্ন যে আনমনেও
জলের অতলে……

ছুয়ে রোজ জলকনা
হয়ে যায় আনমনা
সহজে……
আষাঢ় মেঘের কোলে
বৃষ্টি স্বাধীন হলে
চির অচেনা বর্ষায়
সহজাত কৌশলে
ভিজুক আমার এ দেহ
ভেসে যাক সন্দেহ
স্বপ্ন যে আনমনেও
জলের অতলে……
জলের অতলে……
আষাঢ় মেঘের কোলে
বৃষ্টি স্বাধীন হলে
চির অচেনা বর্ষায়
সহজাত কৌশলে……

তোমার কোন নিঃশ্বাসে
ভিজি আমি বিশ্বাসে
বৃষ্টি হয়ে ছুয়ে যাই
আমার মত করে….

আধুনিক

শোন গো দখিনো হাওয়া

শোন গো দখিনো হাওয়া, প্রেম করেছি আমি
লেগেছে চোখেতে নেশা দিক ভুলেছি আমি

মনেতে লুকানো ছিল সুপ্ত যে পিয়াসা
জাগিল মধু লগনে বাড়ালো কি আশা
উতলা করেছে মোরে, আমারি ভালবাসা
অনুরাগে প্রেম শরীরে ডুব দিয়েছি আমি
শোনগো মধুর হাওয়া প্রেম করেছি আমি

দহনো বেলাতে আমি, প্রেমেরো তাপসী
বরষাতে প্রেম ধারা, শরতের শশী

রচিগো হেমন্তে মায়া, শীতেতে উদাসী
হয়েছি বসন্তে আমি বাসনা বিলাসী

শোনগো মধুর হাওয়া প্রেম করেছি আমি
লেগেছে চোখেতে নেশা দিক ভুলেছি আমি

বাউল

বসুন্ধরার বুকে

বসুন্ধরার বুকে বরষারি ধারা
ধারা ভরা হাহাকার (২)
বসুন্ধরার বুকে

তেরশো পঁচাশি সালে দামোদরের বান্ধ
ভেঙ্গে পড়ে (২)
বালক ছেলে কোলে করে
বালক ছেলে কোলে করে
স্কুলে পলাই

বসুন্ধরার বুকে বরষারি ধারা
ধারা ভরা হাহাকার
বসুন্ধরার বুকে

স্রোতি ঘাটায় দেখলাম বিরাট এক সাকু
লুহার খুটি খাম্বা, তলে আছে ফাটুল (২)
কত গরুর গাড়ি, কত ঘুরোঘুরি
কত গরুর গাড়ি, কত ঘুরোঘুরি
নদ-নদী গেলো ভেসে

বসুন্ধরার বুকে বরষারি ধারা
ধারা ভরা হাহাকার
বসুন্ধরার বুকে

বান উঠলো ভাই ঘরে ঘরে
দেওয়াল চাপা মানুষ মরে(২)
বালক ছেলে কোলে করে
বালক ছেলে কোলে করে
স্কুলে পলাই

বসুন্ধরার বুকে বরষারি ধারা
ধারা ভরা হাহাকার
বসুন্ধরার বুকে

বর্ধমান পাকুরা মেদিনীপুর মানভুম
দুমকা পাটনা আর মুর্শিদাবাদ বীরভূম(২)
ষোলো ক্রোশ জুড়ে লুহার খুটি মেরে
ষোলো ক্রোশ জুড়ে লুহার খুটি মেরে
জলকে রেখেছে ঘেরে

বসুন্ধরার বুকে বরষারি ধারা
ধারা ভরা হাহাকার (২)
বসুন্ধরার বুকে……

বাউল

কেন পিড়িতি বাড়াইলা রে বন্ধু

কেন পিড়িতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি
কেমনে রাখিব তর মন
আমার আপন ঘরে বাদী রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি

পাড়া পড়শী বাদী আমার
বাদী কালন নদী
মরম-জ্বালা সইতে না’রি
দিবানিশি কাঁদি রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি

কারে কি বলিব আমি
নিজে অপরাধী
কেঁদে কেঁদে চোখের জলে
বহাইলাম নদী রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি

বাউল আব্দুল করিম বলে
হল এ কী ব্যাধি
তুমি বিনে এ ভুবনে
কে আছে ঔষধি রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি
কেন পিড়িতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি

বাউল

মন আমার দেড় ঘড়ি

একটি চাবি মাইরা দিলা ছাইড়া
জনম ভরি চলিতেছে।
মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি
কোন মিস্ত্ররী বানাইয়াছে।

থাকের একটা কেস বানাইয়া মেশিন দিলো তার ভিতর
ওরে রং বেরংয়ের বার্নিশ করা দেখতে ঘড়ি কি সুন্দর।

ঘড়ির তিন পাটে তে গড়ন সারা
এই বয়লারের মেশিনের গড়া।
তিনশ ষাটটি ইশকুররম মারা ষোলজন পাহারা আছে।

ঘড়ি হেয়ার স্প্রিং ফ্যাপসা কেচিং লিভার হইলো কলিজায়
আর ছয়টি বলে
আজব কলে দিবানিশি প্রেম খেলায়।

ঘড়ি তিন কাটা বার জুয়েলে মিনিট কাটা হইলো দিলে
ঘন্টার কাটা হয় আক্কেলে
মনটারে সেকেন্ডে দিসে।

ঘড়ির কেসটা বত্রিশ চাকের, কলে কব্জা বেসুমার
দুইশো ছয়টা হাড়ের জোড়া, বাহাত্তর হাজারও তার।

ও মন, দেহঘড়ি চৌদ্দতলা, তার ভিতরে দশটি নালা,
একটা বন্ধ নয়টা খোলা গোপনে এক তালা আছে।

ঘড়ি দেখতে যদি হয় বাসনা
চলে যান ঘড়ির কাছে,
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে ঘড়ির ভিতর লুকাইছে,
ঘড়ির ভিতর লুকাইছে।

পর্দারও সত্তর হাজারে
তার ভিতলে লড়ে চড়ে
জ্ঞান নয়ন ফুটলে পরে দেখতে পারবেন চোখের কাছে।

ওস্তাদ আলাউদ্দিনে ভেবে বলছেন,
ওরে আমার মনবোকা,
বাউল রহমান মিয়ার কর্মদোষে হইল না ঘড়ির দেখা।

আমি যদি ঘড়ি চিনতে পারতাম,
ঘড়ির জুয়েল বদলাইতাম,
ঘড়ির জুয়েল বদলাইবো
কেমন যাই মিস্ত্ররীর কাছে?

মন আমার দেহঘড়ি
সন্ধান করি, কোন মিস্ত্রী বানাইছে।
মন আমার দেহঘড়ি
একটি চাবি মাইরা দিলা ছাইড়া
জনম ভরি চলিতেছে।
মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি
কোন মিস্ত্ররী বানাইয়াছে।

আধুনিক

প্রিয়তম কি লিখি তোমায়

কি লিখি তোমায়?
প্রিয়তম……
কি লিখি তোমায়?
কি লিখি তোমায়?
তুমি ছাড়া আর কোন কিছু ভাল লাগেনা আমার
কি লিখি তোমায়?
কি লিখি তোমায়?

কৃষ্ণচূড়ার বনে ছাঁয়াঘন পথ
আঁকা-বাঁকা পায়
আমার আঙিনা থেকে চলে গেছে তোমার মনে
কৃষ্ণচূড়ার বনে ছাঁয়াঘন পথ
আমার আঙিনা থেকে চলে গেছে তোমার মনে
বসে আছি বাতায়নে
তোমারি আশায়

কি লিখি তোমায়?
কি লিখি তোমায়?

ভালবাসা নিশিরাতে ডাক দিয়ে যায়
কত কথা কয়
তোমার আসার কথা লেখা আছে সব কিনারায়
ভালবাসা নিশিরাতে ডাক দিয়ে যায়
তোমার আসার কথা লেখা আছে সব কিনারায়
গুন গুন করে মন
ব্যথারও ছাঁয়ায়

কি লিখি তোমায়?
কি লিখি তোমায়?

তুমি ছাড়া কোন কিছু ভাল লাগেনা আমার
কি লিখি তোমায়?

ছায়াছবি

একবার বল

যেখানে শুরুর কথা বলার আগেই শেষ
সেখানেই মুখ ডুবিয়ে খুঁজতে চাওয়া আমারি অভ্যেস।
যেখানে রোদ পালানো বিকেল বেলার ঘাস
সেখানেই ছুটবো ভাবি কিনব গল্প ভুল হবে বলার।
এই বুঝি ফসকাল হাত আর কালো রাত
করে সময় গেল আয়োজনে।
প্রত্যেক দিন ভয় পাওয়া সব ইচ্ছেগুলো
অনেক ঝড়ের শব্দ শোনে

একবার বল নেই তোর কেউ নেই, কেউ নেই, কেউ নেই
একবার বল নেই তোর কেউ নেই, কেউ নেই, কেউ নেই
একবার বল নেই তোর কেউ নেই, তোর কেউ নেই

যেভাবে দৃশ্য অনেক গিলছে আমায় রোজ
সেভাবেই আড়াল পেলে ভাঙছি আমি হচ্ছি যে নিখোঁজ।
যেখানে ডাক পাঠালে মৃত দেহের ভিড়
সেখানেই তুলছি ছবি , টলছি নেশায় আসছি আবার ফিরে।
এই বুঝি ফসকাল হাত আর কালো রাত
করে সময় গেল আয়োজনে।
প্রত্যেক দিন ভয় পাওয়া সব ইচ্ছেগুলো
অনেক ঝড়ের শব্দ শোনে।

আজ শেষমেশ নেই তোর কেউ নেই, কেউ নেই, কেউ নেই
আজ শেষমেশ নেই তোর কেউ নেই, কেউ নেই, কেউ নেই
আজ শেষমেশ নেই তোর কেউ নেই, তোর কেউ নেই

একবার বল একবার বল একবার বল নেই তোর কেউ নেই, কেউ নেই, কেউ নেই
আজ শেষমেশ নেই তোর কেউ নেই, কেউ নেই, কেউ নেই
একবার বল নেই তোর কেউ নেই, তোর কেউ নেই
এ…হে তোর কেউ নেই, ও…হো তোর কেউ নেই আ…হা…

ছায়াছবি

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও,
আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি।

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও,
আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি।
যেটা ছিলনা ছিলনা সেটা না পাওয়াই থাক,
সব পেলে নষ্ট জীবন।

তোমার এই দুনিয়ার ঝাপসা আলোয়,
কিছু সন্ধ্যের গুড়ো হওয়া কাচের মতো।
যদি উড়ে যেতে চাও তবে গা ভাসিয়ে দাও,
দূরবীণে চোখ রাখবো না না না (না না না না না না না)।

এই জাহাজ মাস্তুল ছাড়খার,
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার।
আমি রাখতে চাইনা আর তার,
কোন রাত-দূপুরের আবদার।
তাই চেষ্টা করছি বারবার,
সাঁতরে পাড় খোঁজার।

কখনো আকাশ বেয়ে চুপ করে,
যদি নেমে আসে ভালবাসা খুব ভোরে।
চোখ ভাঙ্গা ঘুমে তুমি খুজোনা আমায়,
আশেপাশে আমি আর নেই।

আমার জন্য আলো জ্বেলোনা কেউ,
আমি মানুষের সমুদ্রে গুনেছি ঢেউ।
এই স্টেশনের চত্বরে হারিয়ে গেছি,
শেষ ট্রেনে ঘরে ফিরবো না না না (না না না না না না না)।

এই জাহাজ মাস্তুল ছাড়খাড়,
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার।
আমি রাখতে চাইনা আর তার,
কোন রাত-দূপুরের আবদার।
তাই চেষ্টা করছি বারবার,
সাঁতরে পাড় খোঁজার।

(না না না না না না না না না না না না না না না, না না না না না না না না না না না না না না না)

তোমার রক্তে আছে স্বপ্ন যতো,
তারা ছুটছে রাত্রি-দিন নিজের মতো।
কখনো সময় পেলে একটু ভেবো,
আঙুলের ফাকে আমি কই;

হিসেবের ভিড়ে আমি চাইনা ছুঁতে,
যত শুকনো পেয়াজ কলি, ফ্রিজের শীতে;
আমি ওবেলার ডাল-ভাত ফুরিয়ে গিয়েছি,
বিলাসের জলে ভাসব না না না।

এই জাহাজ মাস্তুল ছাড়খাড়,
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার।
আমি রাখতে চাইনা আর তার,
কোন রাত-দূপুরের আবদার।
তাই চেষ্টা করছি বারবার,
সাঁতরে পাড় খোঁজার।

(না না না না না না না না না না না না না না না, না না না না না না না না না না না না না না না)

আধুনিক

ইচ্ছে ঘুড়ি

জানি সত্য নয় শুধু কল্পনায়
ইচ্ছের ঘুড়ি আমরাই উড়াই
স্বপ্ন গুলো সত্যি হবে তারি অপেক্ষায়
জানি সত্য নয় শুধু কল্পনায়

অল্প কিছু কথা আর একটু ভালবাসা
দুঃখ পেলেও মনে নতুন এক আশা
এর মাঝেই জয় পরাজয় এর মাঝেই পাওয়া
কেটে যায় সময় এর মাঝেই আমরা
জানি সত্য নয় শুধু কল্পনায়
ইচ্ছের ঘুড়ি আমরাই উড়াই

আঁধার রাতে আমরা জোনাকি
আলোকিত পৃথিবীর চাঁদ হয়েছি সাথী
অচেনা পথে শত বাধা পেরিয়ে
এগিয়ে যেতে ইচ্ছে করে
জানি সত্য নয় শুধু কল্পনায়
ইচ্ছের ঘুড়ি আমরাই উড়াই

তুমি অনন্যা অসমাপ্ত এক ছবি
গড়ব তোমায় নতুন করে তুমি পৃথিঁবী
নতুনের ভিড়ে পুরোনোকে আপন করে
দেখব তোমায় অন্য এক ভোরে

জানি সত্য নয় শুধু কল্পনায়
ইচ্ছের ঘুড়ি আমরাই উড়াই
স্বপ্ন গুলো সত্যি হবে তারি অপেক্ষায়
জানি সত্য নয় শুধু কল্পনায়

আধুনিক

বন্ধু

পুরো পৃথিবী এক দিকে আর আমি অন্য দিক
সবাই বলে করছ ভুল আর তোরা বলিস ঠিক
তোরা ছিলি তোরা আছিস জানি তোরাই থাকবি

বন্ধু বোঝে আমাকে, বন্ধু আছে আর কি লাগে?

সুসম্পর্ক দুঃসম্পর্ক আত্মিয় অনাত্মিয়
শ্ত্রু মিত্র রক্ত সম্পর্কে কেউ বা দ্বিতীয়
শর্ত সব দূরে কাছে বৈধ অবৈধ
হাজারো এসব সম্পর্ক ভাঙ্গে থাকে বন্ধুত্ব
তোরা ছিলি তোরা আছিস জানি তোরাই থাকবি

বন্ধু বোঝে আমাকে, বন্ধু আছে আর কি লাগে?

কিছু কথা যা যায় না বলা কাউকে
কিছু কাজ যা যায় না করা সহজে
কিছু আচরন মানে না কেউ সামনে
কিছু জায়গা যায় না যাওয়া চাইলেই
সবই হয় যদি তোরা থাকিস সেখানে

বন্ধু বোঝে আমাকে, বন্ধু আছে আর কি লাগে?

আধুনিক

সে কে?

জানো কে থাকে?
দেখেছ কি তাকে,
সে থাকে আড়ালে
ছাদেতে দাঁড়ালে।
যদি সে জানালা খোলা রাখে
তবে ডেকো আমাকে

সে একা
কেউ বোঝে না
যতই দেখাও, আমি বুঝি তা
মুখোমুখি দেখা হলে বলে দেবো
তুমি আর কেঁদো না
যদি একা একা লাগে ডেকো
আমি আছি না?

জানো কে থাকে?
দেখেছ কি তাকে,
সে থাকে আড়ালে
ছাদেতে দাঁড়ালে।

হাসিমুখে তার থাকে সারাক্ষণ
ছূটোছুটি ঘরের একোণ আর ওকোণ
হাসিমুখে সারাক্ষণ
ছূটোছুটি ঘরের একোণ ওকোণ
চারিদিকে ভালোবাসা ছড়িয়ে তার
ভালোবাসা এ মন

সে একা
কেউ বোঝে না
যতই দেখাও, আমি বুঝি তা
মুখোমুখি দেখা হলে বলে দেবো
তুমি আর কেঁদো না
যদি একা একা লাগে ডেকো
আমি আছি না?
জানো কে থাকে?
দেখেছ কি তাকে,
সে থাকে আড়ালে
ছাদেতে দাঁড়ালে।

বিকেল বেলাতে সে নামে নিচে
কিছু দূরে থেকে আমি হাটি পিছে
বিকেলে সে আসে নিচে
কিছু দূরে থেকে আমি হাটি পিছে
গোধূলি আকাশে তাকিয়ে সে হাসে
কাঁদে আর ভাবে কি যে

সে একা
কেউ বোঝে না
যতই দেখাও, আমি বুঝি তা
মুখোমুখি দেখা হলে বলে দেবো
তুমি আর কেঁদো না
যদি একা একা লাগে ডেকো
আমি আছি না?
জানো কে থাকে?
দেখেছ কি তাকে,
সে থাকে আড়ালে
ছাদেতে দাঁড়ালে।

ব্যান্ড

আমার পথ চলা

আমার পথ চলা আমার পথে
যেন বেলা শেষে আকাশ কার মোহে
আমার স্বপ্ন আমার সাথে
যেন স্বপ্নে ফিরে আসে স্বপ্ন হয়ে
খুঁজে পায় জীবনের তীর
জীবনকে কোন স্বপ্ন ভেবে

আমি কার আশাতে
ছুটে চলি পথে পথে
যেন কার মায়াতে
বাধা পড়েছে জীবন যে
কত সুখ কল্পনা
কত মিথ্যে প্রলভন
কষ্টের প্রতিটিক্ষন
শোনায় তার আহবান

আমার আলোয় আলোকিত
হতে চেয়ে আধাঁরে মিলিয়ে
আমার স্বপ্ন আমার সাথে
যেন স্বপ্নে ফিরে আসে স্বপ্ন হয়ে
খুঁজে পায় জীবনের তীর
জীবনকে কোন স্বপ্ন ভেবে

আমি কার আশাতে
ছুটে চলি পথে পথে
যেন কার মায়াতে
বাধা পড়েছে জীবন যে
কত সুখ কল্পনা
কত মিথ্যে প্রলোভন
কষ্টের প্রতিটিক্ষন
শোনায় তার আহবান

আমি আজ নেই তবু
কত সুর ওঠে বেজে
তোমার ঐ গানের মাঝে
এই পথ গেছে মিশে
আমার বেলা শেষে
স্বপ্ন ফিরে আসে
পৃথিবীর দূর দেশে
জীবনকে কোন এক স্বপ্ন
ভেবে……..

আধুনিক

যাবি যদি

যাবি যদি উড়ে দুরে নীল অজানাতে
মনে করে আমায় মনে রেখে
কখনো ফুরাবে না সে গতিহীন পথে
একটু কেঁদে শুধু পিছু ফিরে
হায় ভালোবেসে রেখে যা
এই মনের গহীন বাসনা
যা আছে তোর দেয়া

জোনাকির প্রদ্বীপ থাকবে না
সেখানে তোর মন বসবে না
ও হায়রে শেষে হায় সব কিছু
ফিরাবার আর কিছু থাকবে না
হায় ভালোবেসে রেখে যা
এই মনের গহীন বাসনা
যা আছে তোর দেয়া

বহুদুর হয়েছে যাওয়া
ফিরে আয় বলি এই চাওয়া
ও কিছুক্ষন বসে বলে যা
নিয়ে যা কিছু কল্পনা
হায় ভালোবেসে রেখে যা
এই মনের গহীন বাসনা
যা আছে তোর দেয়া