লালন

মিলন হবে কত দিনে

মিলন হবে কত দিনে
আমার মনের মানুষের সনে।।
চাতক প্রায় অহর্নিশি
চেয়ে আছি কালো শশী
হব বলে চরণ-দাসী,
ও তা হয় না কপাল-গুণে।।
মেঘের বিদ্যুৎ মেঘেই যেমন
লুকালে না পাই অন্বেষণ,
কালারে হারায়ে তেমন
ঐ রূপ হেরি এ দর্পণে।।
যখন ও-রূপ স্মরণ হয়,
থাকে না লোক-লজ্জার ভয়-
লালন ফকির ভেবে বলে সদাই
(ঐ) প্রেম যে করে সে জানে।।

লালন

আমি অপার হয়ে বসে আছি

আমি অপার হয়ে বসে আছি
ও হে দয়াময়,
পারে লয়ে যাও আমায়।।
আমি একা রইলাম ঘাটে
ভানু সে বসিল পাটে-
(আমি) তোমা বিনে ঘোর সংকটে
না দেখি উপায়।।
নাই আমার ভজন-সাধন
চিরদিন কুপথে গমন-
নাম শুনেছি পতিত-পাবন
তাইতে দিই দোহাই।।
অগতির না দিলে গতি
ঐ নামে রবে অখ্যাতি-
লালন কয়, অকুলের পতি
কে বলবে তোমায়।।

লালন

জাত গেল জাত

জাত গেল জাত গেল বলে
একি আজব কারখানা
সত্য কাজে কেউ নয় রাজি
সবি দেখি তা না-না-না।।
আসবার কালে কি জাত ছিলে
এসে তুমি কি জাত নিলে,
কি জাত হবা যাবার কালে
সে কথা ভেবে বল না।।
ব্রাহ্মণ চন্ডাল চামার মুচি
এক জলেই সব হয় গো শুচি,
দেখে শুনে হয় না রুচি
যমে তো কাকেও ছাড়বে না।।
গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়,
তাতে ধর্মের কি ক্ষতি হয়।
লালন বলে জাত কারে কয়
এ ভ্রম তো গেল না।।

ছায়াছবি

গভীরে যাও

গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে, ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

জানলা জুড়ে মানুষের কান,
গলির ভাঁজে ভ্রমরের প্রাণ |
গণিকার ঘাম লেগে থাকে তার ডানায় |
আর অন্ধকারে ছটফটিয়ে মুখ ফেরানোর দায়,
তার উড়ে আসা ধুসর চোখে সিগারেটের ছাই |

তাই গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

নদীর বুকে, ঘরের খোঁজে,
কাটেনি দিন খুব সহজে |
বহু বছর মেখেছি রুপোর বালি |
সেই রুপোর লোভে বাড়ি ফেরা যাবে রসাতল |
আর ভেজা শরীর চোরা স্রোতে কামড়ে ধরে জল |

তাই গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

ছায়াছবি

যে কটা দিন

যে কটা দিন তুমি ছিলে পাশে
কেটেছিল নৌকার পালে চোখ রেখে
আমার চোখে ঠোঁটে গালে তুমি লেগে আছ

যেটুকু রোদ ছিল লুকোনো মেঘ
দিয়ে বুনি তোমার সালে ভালোবাসা
আমার আঙুল হাতে কাঁধে তুমি লেগে আছ

তোমার নখের ডগায় তীব্র প্রেমের মানে
আমিও গল্প সাজাই তোমার কানে কানে
তাকিয়ে থাকি হাজার পর্দা উড়া বিকেল
শহর দুমড়ে মুছড়ে থাকুক অন্যদিকে
ট্রাফিকের এই ক্যাকাফোনই আমাদের স্বপ্ন চুষে খায়

যেভাবে জলদি হাত মেখেছে ভাত
নতুন আলুর খোসা আর এই ভালোবাসা
আমার দেয়াল ঘড়ি কাটায় তুমি লেগে আছ

যেমন জড়িয়ে ছিলে ঘুম ঘুম বরফ পাশে
আমিও খুঁজি তোমায় আমার আশে পাশে
আবার সন্ধ্যে বেলায় ফিরে যাওয়া জাহাজ বাঁশি
বুকে পাথর রাখা মুখে রাখা হাসি
যে যার নিজের দেশে আমরা স্রোত কুড়োতে যাই

যেভাবে জলদি হাত মেখেছে ভাত
নতুন আলুর খোসা আর এই ভালোবাসা।

ব্যান্ড

ধূসর সময়

নোনা স্বপ্নে গড়া তোমার স্মৃতি
শত রঙে রাঙিয়ে মিথ্যে কোনো স্পন্দন
আলোর নিচে যে আঁধার খেলা করে
সে আঁধারে শরীর মেশালে…হে…

আজ আমি ধূসর কি রঙিন সময়ে
পথে হারাই তোমাতে

জীবনের কাঁটা তারে তুমি অন্তহীনের অপূর্ণতায়
বেওয়ারিশ ঘুড়ি উড়ে যাও অনাবিল আকাশের শূণ্যতায়

তবু আমি…

কি খুঁজি মানুষের বিষাদের চোখে
কোথায় আলোর উৎসবে স্বপ্নের প্রতিবিম্ব ভাঙে
একা একা আমি থাকি দাঁড়ায়ে
স্মৃতির ঝড়ো বাতাসে
দুজনার শরীর মেশায়

আধুনিক

ভালোবাসি তোমায়

ফেলে আসা গান
ফেলে আসা জলসা
ফেলে আসা বন্ধু
ফেলে আসা রাস্তা
ফেলে আসা কত কথা
ফেলে রেখে এসেছি
ফেলে আসা সময় (২)

ফেলে আসা সাহস
ফেলে আসা ভয়
ফেলে আসা জুতো জামা
ফেলে দিতে হয়

ফেলতে ফেলতে কিছু কথা
থেকে গেছে, যেমন-
ভালোবাসি তোমায়
ভালোভালোভালোভালোভালোবা…সি তোমায়
এখনো ঠিকি
ভালোবাসি তোমায়
একি ভাবে
ভালোবাসি তোমায়

ফেলে আসা বাজারে
ফেলে আসা দাম
ফেলে আসা তবলা হারমোনিয়াম (২)
ফেলে আসা খাটুনির কত কাল ঘাম
হারিয়ে গেছে কোথায়
ফেলে আসা রাজনীতি
ফেলে আসা ভুল
ফেলে আসা গপ্পের
ফেলে আসা গুল

ফেলতে ফেলতে কিছু কথা
থেকে গেছে, যেমন-
ভালোবাসি তোমায়
ভালোভালোভালোভালোভালোবা…সি তোমায়
এখনো ঠিকি
ভালোবাসি তোমায়
একি ভাবে
ভালোবাসি তোমায়

ফেলে আসা রাগ
ফেলে আসা ক্ষোভ
ফেলে আসা বড়সড় কত মুল্যবোধ
ফেলে আসা আকাশের এক চিলতে রোদ
হারিয়ে গেছে কোথায়
আজ যেটা মিষ্টি, কাল সেটা ঝাল
টিকে থাকে না কিছুই চিরকাল
টিকে গেছে কেবল একটাই কথা
ভালোবাসি তোমায়
ভালোভালোভালোভালোভালোবা…সি তোমায়
এখনো ঠিকি
ভালোবাসি তোমায়
একি ভাবে
ভালোবাসি তোমায়।

ব্যান্ড

চল বদলে যাই

সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে
সেই আমি কেন তোমাকে দুঃখ দিলেম
কেমন করে এত অচেনা হলে তুমি
কিভাবে এত বদলে গেছি এই আমি
ও বুকের সব কষ্ট দু’হাতে সরিয়ে
চল বদলে যাই

তুমি কেন বোঝ না তোমাকে ছাড়া আমি অসহায়
আমার সবটুকু ভালবাসা তোমায় ঘিরে
আমার অপরাধ ছিল যতটুকু তোমার কাছে
তুমি ক্ষমা করে দিও আমায়

কত রাত আমি কেঁদেছি
বুকের গভীরে কষ্ট নিয়ে
শূন্যতায় ডুবে গেছি আমি
আমাকে তুমি ফিরিয়ে নাও

তুমি কেন বোঝ না…

যতবার ভেবেছি ভুলে যাব
তারও বেশি মনে যায়
ফেলে আসে সেই সব দিনগুলো
ভুলে যেতে আমি পারি না

তুমি কেন বোঝ না…।।

বাউল

মাটিরও পিঞ্জিরা

মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে
কান্দে হাছন রাজার মনমুনিয়া রে
মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে
কান্দে হাছন রাজার মনমুনিয়া রে

মায়ে বাপে কইরা বন্দী খুশিরও মাজারে
মায়ে বাপে কইরা বন্দী খুশিরও মাজারে
লালে ধলায় হইলাম বন্দী পিঞ্জিরার ভিতরে
কান্দে হাছন রাজার মনমুনিয়া রে

মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে
কান্দে হাছন রাজার মনমুনিয়া রে

পিঞ্জিরায় সামাইয়া ময়নায় ছটফট ছটফট করে
পিঞ্জিরায় সামাইয়া ময়নায় ছটফট ছটফট করে
মজবুতও পিঞ্জিরা ময়নায় ভাঙ্গিতে না পারে রে
কান্দে হাছন রাজার মনমুনিয়া রে

উড়িয়া যাইব সুয়া পাখি পইরা রইব কায়া
উড়িয়া যাইব সুয়া পাখি পইরা রইব কায়া
কিসের দেশ কিসের খেশ কিসের মায়া দয়া রে
কান্দে হাছন রাজার মনমুনিয়া রে

হাছন রাজায় ডাকতো যখন ময়না আয় রে আয়
হাছন রাজা ডাকতো যখন ময়না আয় রে আয়
এমনও নিষ্ঠুরও ময়না আর কি ফিরা চায় রে

কান্দে হাছন রাজার মনমুনিয়া রে

ব্যান্ড

যাত্রা

হৈ হৈ কান্ড রৈ রৈ ব্যাপার
নাচে গানে মত মাতবে সবার
চারিদিকে দর্শক করে থৈ থৈ
নাচ দেখে গান শোনে করে হৈ চৈ

রাত ভোর ওঠে রোল বাহারে বাহারে বা
অপূর্ব রওশন অপেরার যাত্রা
নাচ গানে ভর পুর যাত্রাপালা

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

রাত ভারী হতে থাকে যত
ঝুমুর ঝুমুর নাচ বাড়বে তত
নায়িকার ক্রন্দন হাসি তামাশা
ভিলেনের ভয়াল চিৎকার
আজকের পাল হবে দেখে যা দেখে যা

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

কদমতলীর খোলামাঠে
যাত্রা প্যান্ডেল ঐ দেখা যায়
একদল ডানা কাটা পরীর সাথে
হাজার দর্শক মেতে ওঠে
চিৎকার করে বলে হুররে হুররে

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

হৈ হৈ কান্ড রৈ রৈ ব্যাপার
নাচে গানে মত মাতবে সবার
চারিদিকে দর্শক করে থৈ থৈ
নাচ দেখে গান শোনে করে হৈ চৈ

রাত ভোর ওঠে রোল বাহারে বাহারে বা
অপূর্ব রওশন অপেরার যাত্রা

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

ব্যান্ড

দুষ্টু ছেলের দল

মোরা শাসন মানিনা, বারণ-ও শুনিনা
করি তাল-বাহানা, করি নানা ছলনা

মোরা গলা ছেড়ে গান গাই
গোপনে প্রিয়ার কাছে প্রেমের পত্র পাঠাই

দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দে দে তালি, দে তালি

প্রেম প্রেম প্রেম প্রেমে প্রেমে প্রেমে খেলা খেলি
স্বপনের জগতে লীলা খেলি

মোরা হাটে হাড়ি ভাঙ্গি, ভরা গাঙ্গে ধরি পাড়ি,
ডুব সাতারের খেল খেল খেলাই

দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দে দে তালি, দে তালি

চায়ের কাপে ঝড় তুলি, তুড়ি দিয়ে কথা বলি,
মোরা সুন্দরী মেয়ে দেখে বাজাই সিটি

দেরি করে স্কুলে আসি, লাস্ট বেঞ্চে বসি,
ক্লাস ফাকি দিয়ে সিনেমা দেখি

প্রেমিকার তিলে প্রেমের মদিনা, মার ছক্কা
প্রিয় মুখ দেখে বাতাসে চুমু খাই
ঊঊউউম্মাহ, ঊঊউউম্মাহ
দে দে তালি, দে তালি

সারা দিন বনবন, সারা দিন টইটই
দিয়ে যাই তালে তাল
পাবলিক, দে তালি

করি নানা গুল বাজী, অকাজের বড় কাজী
ঠনাঠনাঠনাঠনঠন কাজের বেলায়

দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দে দে তালি, দে তালি
দে দে তালি, দে তালি
দে দে তালি, দে তালি

ব্যান্ড

গুরু

গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া

এই ঘরেতে আমি ছাড়া আর থাকে না কেহ
পোকামাকড় খাইয়া গেলো সুন্দর ঐ দেহ
তোমার কাছে চাইরে পানা
কইরোনা কইরোনা মানা
ঐ গুরু কান্দিয়া, ঐ গুরু কান্দিয়া

ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া

আমার রুহু আমার মাঝে নাইতো এখন গুরু
করতে হবে আজ থেকে হায় নতুন জীবন শুরু
রোদটি এমন হাসবে কবে
সাজানো আজ শেষ কি হবে
মুক্তির স্বাদ নিয়া, মুক্তির স্বাদ নিয়া
ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া

আধুনিক

সরলতার প্রতিমা

তুমি আকাশের বুকে বিশালতার উপমা
তুমি আমার চোখতে সরলতার প্রতিমা
আমি তোমাকে গড়ি ভেঙ্গে চুড়ে শতবার
রয়েছো তুমি বহুদুরে আমাকে রেখে ছলনায়
এ হৃদয় ভেঙ্গে গেলে জানো কি তা
লাগে না লাগে না জোড়া
লাগে না লাগে না জোড়া

আমার পথে তোমার ছায়া পড়লে আড়াল করে
থমকে সে যাবে জীবন ও গতি সে কি তোমার অজানা
রয়েছো তুমি বহুদুরে আমাকে রেখে ছলনায়
এ হৃদয় ভেঙ্গে গেলে জানো কি তা
লাগে না লাগে না জোড়া
লাগে না লাগে না জোড়া

শ্রাবন বেলায় তোমার কথা ভেবে বিষন্ন এ মন
আশার পথে দিয়েছি পাড়ি, যেথা তোমার বিচরণ
রয়েছো তুমি বহুদুরে আমাকে রেখে ছলনায়
এ হৃদয় ভেঙ্গে গেলে জানো কি তা
লাগে না লাগে না জোড়া
লাগে না লাগে না জোড়া।।

ব্যান্ড

আজ জন্মদিন তোমার

আজকের আকাশে অনেক তারা, দিন ছিল সূর্যে ভরা,
আজকের জোছনাটা আরো সুন্দর, সন্ধ্যাটা আগুন লাগা
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য ভরে থাকা ভালো লাগা
মুখরিত হবে দিন গানে গানে আগামীর সম্ভাবনা

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
শুভেচ্ছা তোমায়
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়

আজ জন্মদিন তোমার

তোমার জন্য এই রোদেলা স্বপ্ন সকাল
তোমার জন্য হাসে অনরল স্নিগ্ধ বিকেল
ভালবাসা নিয়ে নিজে তুমি, ভালোবাসো সব সৃষ্টিকে

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
শুভেচ্ছা তোমায়
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়

আজ জন্মদিন তোমার

তোমার জন্য ফোঁটা পৃথিবীর সব গোলাপ
তোমার জন্য এই কবিতা নয় সে প্রলাপ
আলোকিত হয়ে নিজে তুমি, আলোকিত কর পৃথিবীকে

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
শুভেচ্ছা তোমায়
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়

আজ জন্মদিন তোমার

আধুনিক

পরান পাখি

আকাশ যতই হোক না কালো
তুই যে সকল আশার আলো

আকাশ যতই হোক না কালো
তুই যে সকল আশার আলো
দিবানিশি তোরে ডাকি
তুই সে আমার পরান পাখি

যদি কোনোদিনও ভুল করে
আমাকে যায় মনে পরে
মেঘ বালিকার ডানায় চড়ে
এক নিমিষে আসবো উড়ে

আকাশ যতই হোক না কালো
তুই যে সকল আশার আলো

আকাশরে তোর কানে বলি
তোর নীলে কি দুঃখ তত
যতটা ব্যথা এ হৃদয় পুড়ে
জ্বলতে পারে তুসের মত

যদি কোনোদিনও ভুল করে
আমাকে যায় মনে পরে
মেঘ বালিকার ডানায় চড়ে
এক নিমিষে আসবো উড়ে

আকাশ যতই হোক না কালো
তুই যে সকল আশার আলো

জোছনারে তোর কানে বলি
জালবি যদি সকল আলো
তবুও কেনো আমার আকাশ
কষ্টভরা আঁধার কালো

যদি কোনোদিনও ভুল করে
আমাকে যায় মনে পরে
মেঘ বালিকার ডানায় চড়ে
এক নিমিষে আসবো উড়ে

আকাশ যতই হোক না কালো
তুই যে সকল আশার আলো

আকাশ যতই হোক না কালো
তুই যে সকল আশার আলো
দিবানিশি তোরে ডাকি
তুই সে আমার পরান পাখি

যদি কোনোদিনও ভুল করে
আমাকে যায় মনে পরে
মেঘ বালিকার ডানায় চড়ে
এক নিমিষে আসবো উড়ে (৩)