আধুনিক

এক জীবন

তুমি আমি কাছাকাছি আছি বলেই,
এ জীবন হয়েছে মধুময়…
যদি তুমি দূরে কভু যাও চলে,
শুধু মরণ হবে আর কিছু নয়..
তোমায় ছেড়ে বহুদুরে যাব কোথায়
এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়
তোমায় ছেড়ে বহুদুরে যাব কোথায়
এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়

তোমারি পরশে ভালোবাসা,
আসে মনেরই আঙ্গিনায়
নয়ন ভরে দেখি তোমায়,
তবু বুঝি দেখার শেষ নাই

তোমারি পরশে ভালোবাসা,
আসে মনেরই আঙ্গিনায়
নয়ন ভরে দেখি তোমায়,
তবু বুঝি দেখার শেষ নাই
তোমায় ছেড়ে বহুদুরে যাব কোথায়
এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়
তোমায় ছেড়ে বহুদুরে যাব কোথায়
এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়

সুখেরই সাগরে ঢেউয়ে ঢেউয়ে,
দুজনে একসাথে ভেসে যাই
ভেসে ভেসে ভালবেসে,
সারা জীবন বাঁচতে চাই

সুখেরই সাগরে ঢেউয়ে ঢেউয়ে,
দুজনে একসাথে ভেসে যাই
ভেসে ভেসে ভালবেসে,
সারা জীবন বাঁচতে চাই
তোমায় ছেড়ে বহুদুরে যাব কোথায়
এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়
তোমায় ছেড়ে বহুদুরে যাব কোথায়
এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়

আধুনিক

প্রিয়তমা

তোমার চোখে আকাশ আমার চাঁদ উজাড় পূর্ণিমা
ভেতর থেকে বলছে হৃদয় তুমি আমার প্রিয়তমা
তোমার চোখে আকাশ আমার চাঁদ উজাড় পূর্ণিমা
ভেতর থেকে বলছে হৃদয় তুমি আমার প্রিয়তমা

পথের শুরু থেকে শেষে যাবো তোমায় ভালোবেসে
বুকে আছে তোমার জন্য অনেক কথা জমা।।

ভালোবাসি তোমায় কত, দেখো হৃদয় খুলে
রাঙিয়ে দেবো তোমার পাঁজর মনের রঙিন ফুলে
ভালোবাসি তোমায় কত, দেখো হৃদয় খুলে
রাঙিয়ে দেবো তোমার পাঁজর মনের রঙিন ফুলে।।

তোমায় দেখার শেষ হবেনা দুচোখ বোজার আগে
আকাশ হয়ে জড়িয়ে রব গভীর অনুরাগে
তোমায় দেখার শেষ হবেনা দুচোখ বোজার আগে
আকাশ হয়ে জড়িয়ে রবো গভীর অনুরাগে।।

আধুনিক

সাদা

তুমি চাইলে বৃষ্টি, মেঘও ছিল রাজী
অপেক্ষা শুধু বর্ষনের,
মাতাল হাওয়া বইছে, দুরে পাখি গাইছে গান
বৃষ্টি তোমার আহবান ..

সাদা বঙের স্বপ্নগুলো দিল নাকো ছুটি
তাইতো আমি বসে একা,
ঘাসফুলেদের সাথে আমি একাই কথা বলি
ঘাসফুলগুলো সব ছন্নছাড়া ..

তুমি চাইলে জোছনা, স্বপ্নীল কোনো এক রাতে
আকাশটা ঘিরে প্রার্থনা,
চাঁদটা বলবে হেসে, জোছনা এলে শেষে
জানিও তোমার অভ্যর্থনা ..

সাদা রঙের স্বপ্নগুলো দিল নাকো ছুটি
তাইতো আমি বসে একা,
ঘাসফুলেদের সাথে আমি একাই কথা বলি
ঘাসফুলগুলো সব ছন্নছাড়া ..

ছায়াছবি

বেঁচে থাকার গান

যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা
জেনো কেড়ে নিতে দেবোনা
যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা
জেনো আমি ছাড়তে দেবোনা

আর আমি আমি জানি জানি চোরাবালি কতখানি গিলেছে আমাদের রোজ
আর আমি আমি জানি প্রতি রাতে হয়রানি , হারানো শব্দের খোঁজ

আর এভাবেই নরম বালিশে, তোমার ওই চোখের নালিশে
বেঁচে থাক রাত পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বেঁচে থাকার গান

আর এভাবেই মুখের চাদরে, পরিচিত হাতের আদরে
বেঁচে থাক রাতে পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বাঁচিয়ে রাখার গান

যদি নিমেষে হারালে জীবনে পরিপাটি
তবু হেরে যেতে দেবোনা
যদি বেচে দিতে বলে শিকড়ে বাধা মাটি
জেনো আমি বেচতে দেবোনা

আর আমি আমি জানি জানি চোরাবালি কতখানি গিলেছে আমাদের রোজ
আর আমি আমি জানি প্রতি রাতে হয়রানি , হারানো শব্দের খোঁজ

আর এভাবেই নরম বালিশে, তোমার ওই চোখের নালিশে
বেঁচে থাক রাত পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বেঁচে থাকার গান

আর এভাবেই মুখের চাদরে, পরিচিত হাতের আদরে
বেঁচে থাক রাতে পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বাঁচিয়ে রাখার গান…..

ছায়াছবি

ভীনদেশী তারা

আমার ভিনদেশী তারা
একা রাতেরই আকাশে
তুমি বাজালে একতারা
আমার চিলে কোঠার পাশে

ঠিক সন্ধ্যে নামের মুখে
তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে
মুখ লুকিয়ে কার বুকে
তোমার গল্প বলো কাকে?

আমার রাতজাগা তারা
তোমার অন্য পাড়ায় বাড়ি
আমায় ভয় পাওয়া চেহারা
আমি আদতে আনাড়ি

আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি
কিছু মিথ্যে বাহাদুড়ি
আমার চোখ বেঁধে দাও আলো
দাও শান্ত শীতল পাটি
তুমি মায়ের মতই ভালো
আমি একলাটি পথ হাঁঠি…

আমার বিচ্ছিরি একতারা
তুমি নাওনা কথা কানে
তোমার কিসের এত তাড়া?
এ রাস্তা পার হবে সাবধানে…

তোমার গায় লাগেনা ধুলো
আমার দু’মুঠো চাল-চুলো
রাখো শরীরে হাত যদি
আর জল মাখো দুই হাতে…
প্লীজ ঘুম হয়ে যাও চোখে
আমার মন খারাপের রাতে

আমার রাতজাগা তারা
তোমার আকাশ ছোয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুঁতে তোমায়
আমার একলা লাগে ভারী…

আমার রাতজাগা তারা
তোমার আকাশ ছোঁয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুঁতে তোমায়
আমার একলা লাগে ভারী…

ছায়াছবি

সবাই

সবাই কেন গাইতে গেলে প্রেমের গান’ই গায়
ঘুরে ফিরে ভালোবাসার কথাটাই
আমি অন্য কিছু গাইবো বলে তোমার কাছে এসে
সবাই কেবল সবাই হয়ে যাই

সবাই আগলে রাখে তাদের শরীরের ভেতরে
ভালোবাসার সত্যি কথাটাই
আমি অন্য কিছু করবো বলে
তোমার কাছে এসে
আমি সবাই কেবল সবাই হয়ে যাই

তাই সবার মতো লিখছি আমি একটি প্রেমের গান
সবার মতো তোমাকেই চাই
বলছি তোমায় একই কথা গীতিবিতান
আমি অন্য কিছু নই আমি সবাই..

আমার আকাশ আমি যতই হাজার অন্য রঙে আকি
আকাশ সে তো নীল থেকে যায়
আমার সাদা কালো শহর সেত সাদা-কালো থাকে
আমি যত রঙিন নিয়ন জ্বালাই

কত হাজার হাজার শরীর আমায় রোজ ছুয়ে যাচ্ছে
তাদের গন্ধ আমার নাকে মুখে গায়
নিয়ে চলছি আমি তাদের লজ্জা আমার দু’চোখে
আমায় নিয়ে চলছে যে সবাই

তাই সবার মতো উঠতে হবে
আমাকেও কাধে
হয়ে যেতে হবে একই গঙ্গায়
আমি অন্য কারো হাতের ভেতর একমুঠো ছাই
আমি অন্য কিছু নই আমি সবাই..

ছায়াছবি

একলা অনেক দুর

না না এ গান নয়তো চেনা
ভীনদেশী হয়তো একটা সুর
তোমাকে নিয়ে যেতে পারে
একলা অনেক দুর।

কান্না হয়তো আসে
তোমার ঐ আমারি মতো
হাসিতে তারই ছায়া পড়ে
সঙ্গী হয় কিছু রোদ্দুর
এলোমেলো কিছু কিছু কথা
ঘর বাধে কবিতার খাতা
বেজে ওঠে বার বার
গীটারের ছয়টা তার
খুজে পাই অন্য কোন তাল

না না সে গান নয়তো চেনা
আনমোনা হয়ত একটা সুর
তোমাকে নিয়ে যেতে পারে
একলা অনেক দুর।

পারো যদি গাইতে তবে
এই গানই বন্ধু হবে তোমার
শেষ বিকেলে খেলা ফেলে
একই সাথে দেখবে সন্ধ্যেনামা

আর একটা তার উঠবে জ্বলে
তোমাদের দেখবে বলে
আকাশের খোলা উঠোনে।

শোন এই গান হয়তো চেনা
তোমারি ফেলে আসা সুর
তোমাকে দিয়ে দিতে পারে
হারানো একলা দুপুর
তোমাকে নিয়ে যেতে পারে
একলা অনেক দুর।

আধুনিক

ভ্রান্তি

অন্ধকারে বসত করে যায়না দেখা দেয়াল চিড়ে
দূরের ঐ নীল আসমান
একটি বার দুচোখ মেলে
হৃদয় পথে দুপা ফেলে
দেখ হৃদয় আকাশের সমান

ঘরের চালে জোছনা ঝড়ে
সারা নিশি ভর
চোখেরই জল যায় যে ছুয়ে আমারই অধর
কোথায় তুমি যাও হারিয়ে
দেখ দেখ এ জল একবার ছুয়ে
এযে আমার আবেগ ভরা বান

রং এর তোড়ে রং হারিয়ে
ফেলে আপন ঘর
ধুলির শহর দিচ্ছ পাড়ি
আমায় করে পর
যেওনা গো তুমি চলে
বারে বারে এই হৃদয় বলে
তুমি যে মোর পবিত্র বিধান

ব্যান্ড

শেষ চিঠি

শেষ কথা কেন এমন কথা হয়
শেষ চিঠি কেন এমন চিঠি হয়
ক্ষমা করো
ক্ষমা করো আমায়

হয়না কেন এমন শেষ কথা
হয়না কেন এমন শেষ চিঠি
আর কথা নয় আর চিঠি নয়
চলে যাব বহুদূরে
ক্ষমা করো আমায়

হয়না কেন এমন শেষ পাওয়া
হয়না কেন এমন শেষ চাওয়া
আর চাওয়া নয় আর পাওয়া নয়
চলে যাব বহুদূরে
ক্ষমা করো আমায়

ব্যান্ড

সে তাঁরা ভরা রাতে

সে তাঁরা ভরা রাতে
আমি পারিনি বোঝাতে
তোমাকে আমার মনের ব্যাথা
তুমিতো বলেছ শুধু
তোমার সুখের কথা।

আমি অনেক পথ ঘুরে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে অন্ধকারে
তোমার পথের দেখা পেয়েছি
আর হৃদয়ের মাঝে
তোমায় কাছে আমি চেয়েছি
আজও হলোনা বলা
আমার না বলা কথা।

আমি অনেক ব্যাথা সয়ে
ছল ছল চোখের জ্বলে
তোমার চলে যাওয়া দেখেছি
আর রাতেরও আঁধারে
মনের দুঃখে আমি কেঁদেছি
আজও হলোনা বলা
আমার না বলা কথা।

আধুনিক

নীলাঞ্জনা

নীলাঞ্জনা
ওই নীল নীল চোখে চেয়ে দেখনা,
তোমার ওই দুটি চোখে আমি হারিয়ে গেছি
আমি বোঝাতেতো কিছু পারি না।
নীলাঞ্জনা।।

বিরহ ব্যাথাতে এ মন ভেঙ্গে যায়
না পাওয়ার আধারে খূজেছি তোমায়,
কত গুলো ফাগুন গিয়েছে ফিরে
আশা গুলো কেদেছে তোমার তরে।

আজ সব ব্যাথা ভুলে যাব
চেয়ে দেখনা,
তোমার ওই দুটি চোখে
আমি হারিয়ে গেছি;
আমি বোঝাতে তো কিছু পারি না।
নীলাঞ্জনা।।

বহুদিন পরে এসেছে মধুমাস
তোমার যতসুখ সে তো আমার সন্ন্যাস,
মেঘে ডানায় রূপে সোনারই ছায়া
প্রেমে ভরা চোখে সুখের নীলিমা।

সেই সুখে চোখে নিয়ে আমায় সুখী করনা,
তোমার ওই দুটি চোখে
আমি হারিয়ে গেছি
আমি বোঝাতে তো কিছু পারি না।

নীলাঞ্জনা
ওই নীল নীল চোখে চেয়ে দেখনা
তোমার ওই দুটি চোখে আমি হারিয়ে গেছি
আমি বোঝাতেতো কিছু পারি না।।

ছায়াছবি

আমার এ দুটি চোখ

আমার এ দুটি চোখ পাথর তো নয়,
তবু কেন ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায়
কখনো নদীর মত তোমার পথের পানে
বয়ে বয়ে যায়।।

আমিতো বাগান নই তবু কেন ফোটে ফুল
ফাগুনে ফিরে আসে ভ্রমরের মত ভুল
কত বরষায় আমার হৃদয় শুধু মেঘ হয়ে যায়।।

শুনিতে চাইনা গান তবু সুর ফিরে আসে
স্বপ্নের বাঁশী বাজে জীবনের বারো মাসে
কত রাত্রিতে আমার প্রদীপ শুধু জ্বলে জ্বলে যায়।।

পল্লীগীতি

শুয়াচান পাখি

শুয়াচান পাখি আমার শূয়াচান পাখি
আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছ নাকি।।

তুমি আমি জনম ভরা
ছিলাম মাখামাখি,
আজ কেন হইলে নীরব
মেলো দুটি আঁখি।।

বুলবুলি আর তোতা ময়না
কত নামে ডাকি,
তোরে কত নামে ডাকি
শিকল ভেঙ্গে চলে গেলে কারে লইয়া থাকি।।

তোমার আমার এই পিরিতি
চর্ন্দ্র সূর্য্য সাক্ষী,
হঠাত করে চলে গেলে
বুঝলাম না চালাকিরে পাখি
আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছ নাকি।।

দেশাত্মবোধক গান

হায় রে আমার মন মাতানো দেশ

হায় রে আমার মন মাতানো দেশ,
হায় রে আমার সোনা ফলা মাটি।
রূপ দেখে তোর কেন আমার নয়ন ভরে না
তোরে এতো ভালোবাসি তবু পরান ভরে না।।

যখন তোর ওই গাঁয়ের ঘরে
ঘুঘু ডাকা নিঝুম কোনো দুপুরে।
হংস মিথুন ভেসে বেড়ায়
শাপলা ফোটা তলতলে ওই পুকুরে।

নয়ন পাখি দিশা হারায়
প্রজাপতির পাখায় হারায়
তাদের কথা মনে ধরে না।।

যখন তোর ওই আকাশ নীলে
পাল তুলে যায়, সাত সাগরের পশরা।
নদীর বুকে হাতছানি দেয়,
লক্ষ ছেলে, মানিক-জ্বালা ইশারা।

হায় রে আমার বুকের মাঝে,
হাজার তারের বীণা বাজে
অবাক চোখে, পলক পড়ে না।।

রবীন্দ্র সংগীত

বড় আশা করে এসেছি

বড় আশা করে এসেছি গো
কাছে ডেকে লও
ফিরাইও না জননী।

দিনহীনে কেহ চাহে না
তুমি তারে রাখিবে জানি গো।
আর আমি যে কিছু চাহিনে
চরণও তলে বসে থাকিব,
আর আমি যে কিছু চাহিনে
জননী বলে শুধু ডাকিব ।

তুমি না রাখিলে গৃহ আর পাইব কোথায়
কেঁদে কেঁদে কোথা বেড়াব
ঐ যে হেরী
তমশ ঘন ঘরা
গহন রজনী ।