আধুনিক

মন

ঢুকব আমি মনেরে তোর
দেখব কত প্রেম
তোর মনেতেই সাজানো কি
আমার ছবির ফ্রেম

ঢুকব আমি মনেরে তোর
দেখব কত জল
তোর হ্রদয়ের জলে আমার
হ্রদয় চলা চল

ঢেউইয়ে ঢেউইয়ে সারাবেলা
জলের হইরে খেলা
তুই কাছে আসলে আমার
মন যে হয় উতলা

তোর হ্রদয়ের মাঠে বুনিস
আমার মনের বিজ
মনের মাঝে রেখে আমায়
মনের খবর নিস

চোখে চোখে রাখব তোকে
পড়বে না কারো নজর
পলকে ছোব মনরে তোর
নিবো মনের ই খবর
তোর মনের যত কথা

মনের মাঝে রেখে আমায়
মনের খবর নিস

ঢুকব আমি মনেরে তোর
দেখব কত প্রেম
তোর মনেতেই সাজানো কি
আমার ছবির ফ্রেম

ঢুকব আমি মনেরে তোর
দেখব কত জল
তোর হ্রদয়ের জলে আমার
হ্রদয় চলা চল

******************************************

আধুনিক

শীতলও বাতাসে

শীতলও বাতাসে দেখিছি তোমায়
মেঘমিলনে চেয়ে রাগ করনা
মন চায় তোমায় আজি রাতে

বৃষ্টি তো থেমেছে অনেক আগেই
ভিজেছি আমি একাই
আসত যদি নীল বিভিষিকা
খুজে ও পেতে না আমায়

মেঘমিলনে চেয়ে রাগ করনা
মন চায় তোমায় আজি রাতে

ঝুম ঝুম পাতালি হাওয়া সাথেই
খুজেইছি শুধু তোমায়
বিছাতে পারে নি ঝড়ো হাওয়া
খুজেই নিয়েছি তোমায়

ভুলে গিয়েছি মন শত অভিমান
মন চায় তোমায় কাছে পেতে

শিতল ও বাতাসে দেখিছি তোমায়
মেঘমিলনে চেয়ে রাগ করনা
মন চায় তোমায় আজি রাতে

ব্যান্ড

বরষা

বরষা মানেনা
ঝরছে জলধারা
জানিনা, জানিনা-কাটবে কি ঘনঘটা

অনুনয় মানেনা
অবারিত মনকথা
জানিনা, জানিনা-থামবে কি ঘনঘটা

নির্ঝর গগনে, অপলক চেয়ে রই
বিস্মৃত কবিতা, আনকা পবনে
মেঘলা কবেকার স্মৃতিময় বাতায়ন
বলে যায় তোমায় অনব ভালবাসি

দিপীকা সায়রে অনিমেষ চেয়ে রই
মিথিলা বরষায় অলোক দহনে
মেঘলা কবেকার স্মৃতিময় বাতায়ন
বলে যায় তোমায় অনব ভালবাসি

বরষা মানেনা
ঝরছে জলধারা……

আধুনিক

আমি বৃষ্টি দেখেছি

আমি বৃষ্টি দেখেছি, বৃষ্টির ছবি এঁকেছি
আমি রোদের পুরে ঘুরে ঘুরে অনেক কেঁদেছি
আমার আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখার খেলা থামেনি
শুধু তুমি চলে যাবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি
আমি বৃষ্টি দেখেছি

চারটে দেয়াল মানেই নয়তো ঘর
নিজের ঘরেও অনেক মানুষ পর
কখন কিসের টানে মানুষ পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে,
ঝাপসা চোখে দেখা এই শহর

আমি অনেক ভেঙেচুরে আবার শুরু করেছি
আবার পাওয়ার আশায় ঘুরে মরেছি
আমি অনেক হেরে গিয়েও হারটা স্বীকার করিনি
শুধু তোমায় হারাব আমি সপ্নেও ভাবিনি
আমি বৃষ্টি দেখেছি

হারিয়ে গেছে তরতাজা সময়
হারিয়ে যেতে করেনি আমার ভয়
কখন কিসের টানে মানুষ পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে,
ঝাপসা চকে দেখা এই শহর

আমি অনেক স্রোতে বয়ে গিয়ে অনেক ঠকেছি
আমি আগুন থেকে- থেকে শিখে অনেক পুরেছি
আমি অনেক কষ্টে অনেক কিছু দিতে শিখেছি
শুধু তোমায় বিদায় দিতে হবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি

আমি বৃষ্টি দেখেছি
আমি বৃষ্টি দেখেছি
আমি বৃষ্টি দেখেছি

আধুনিক

যেতে যেতে পথে হল দেরী

যেতে যেতে পথে হল দেরী
তাইতো পারিনি যেতে পারিনি
যেতে পারিনি -যেতে পারিনি
ভুল বুঝে তুমি চলে গেছ দূরে
ক্ষমা পাব আশা ছাড়িনি
আশা ছাড়িনি
আশা ছাড়িনি -আশা ছাড়িনি
যেতে যেতে পথে হল দেরী
তাইতো

আকাশ ভেঙে তখন
বৃষ্টি নেমেছিল
পায়ে যে পথ থেমে ছিল
থেমে ছিল -থেমে ছিল
আমি গিয়ে দেখি তুমি নেই একী
হার মেনে তবু হারিনি
হারিনি
যেতে যেতে পথে হল দেরী
তাইতো পারিনি যেতে পারিনি
যেতে পারিনি -যেতে পারিনি
যেতে যেতে পথে হল দেরী
তাইতো

চলে যে গেছ তুমি
আসিনি আমি দেখে
দাড়িয়ে থেকে থেকে ওগো
চলে গেছ -চলে গেছ
বুকে কাঁটা লয়ে
ব্যথা তবু সয়ে
মুখ থেকে হাসি করিনি করিনি
যেতে যেতে পথে হল দেরী
তাইতো পারিনি যেতে পারিনি
যেতে পারিনি -যেতে পারিনি
যেতে যেতে পথে হল দেরী
তাইতো

রবীন্দ্র সংগীত

আমার সকল দুখের প্রদীপ

আমার সকল দুখের প্রদীপ
জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন
আমার ব্যথার পুজা হয়নি সমাপন।

যখন বেলা শেষের ছায়ায়
পাখিরা যায় আপন কুলায় মাঝে
সন্ধ্যা পুজার ঘন্টা যখন বাজে।
তখন আপন শেষ শিখাটি জ্বালবে এই জীবন।।

অনেক দিনের অনেক কথা ব্যকুলতা বাধা বেদন ডোরে
মনের মাঝে উঠেছে আজ ভোরে

যখন পুজার হোমানলে উঠবে জ্বলে একে একে তাঁরা
আকাশ পানে ছুটবে বাঁধনহারা।
অস্ত রবির ছবির সাথে মিলবে আয়োজন।।

রবীন্দ্র সংগীত

আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে

আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে
দেখতে আমি পাইনি তোমায়
দেখতে আমি পাইনি

বাহির পানে চোখ মেলেছি
বাহির পানে
আমার হৃদয় পানে
চাইনি আমি

আমার সকল ভালোবাসায়
সকল আঘাত, সকল আশায়
তুমি ছিলে আমার কাছে
তুমি ছিলে

আমি তোমার কাছে যাইনি

তুমি মোর আনন্দ হয়ে
ছিলে আমার খেলায়
আনন্দে তাই ভুলে ছিলেম
কেটেছে দিন হেলায়
গোপন রহি গভীর প্রানে
আমার দুঃখ সুখের গানে

সুর দিয়েছ তুমি , আমি তোমার গান তো গাই নি।।

আধুনিক

আধো রাতে যদি ঘুম

আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায়
মনে পড়ে মোরে প্রিয় ও ও
চাঁদ হয়ে রব আকাশের ও গায়
বাতায়নে খুলে দিও

সেথা জোসনার আলোর ও খনিকা
যেনো সে তোমার প্রেমের ও মনিকা (২বার)
কলঙ্ক সাথে জড়ায়ে রয়েছে
প্রেমের কলঙ্ক সাথে জড়ায়ে রয়েছে
আঁখি ভরে নিড় ও প্রিয় ও ও

চাঁদ হয়ে রব আকাশের ও গায়
বাতায়ন খুলে দিও

ভুলি নাই প্রিয় , ভুলি নাই
খুলি নাই রাঙ্গা রাখি
মুছি নাই প্রেমো চন্দন ও লেখা
দিয়েছ যা ললাটে আঁকি
ভুলি নাই প্রিয় ভুলি নাই

চৈত্র দিনের অলস ও বেলায়
যদি গান খানি মনে পড়ে হায়
ঝরালো পাতায় মর মর গানে
সেই সুরভিত শুনিয়ো

চাঁদ হয়ে রব আকাশের ও গায়
বাতায়ন খুলে দিও

আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায়
মনে রেখ মোরে প্রিয়
চাঁদ হয়ে রব আকাশের ও গায়
বাতায়ন খুলে দিও

***************************************

আধুনিক

কাল সারারাত ছিল স্বপনের রাত

কাল সারারাত ছিল স্বপনের রাত
সৃতির আকাশে যেন বহুদিন পর
মেঘ ভেঙ্গে উঠেছিল পূর্ণিমা চাঁদ

ঘুম ছিল না দুটি চোখের পাতায়
মন ছিল তন্ময় কথায় কথায়
চাঁদ মুখে চাঁদ দেখে কেটে গেল রাত

……… ঐ …………………

ঝড় ছিল না ভিরু সজল হাওয়ায়
সুখ ছিল সারাখন চাওয়া পাওয়ায়
সাথি হয়ে কেউ ছিল হাতে রেখে হাত

………………..ঐ………………..

কাল সারারাত ছিল স্বপনের রাত
সৃতির আকাশে যেন বহুদিন পর
মেঘ ভেঙ্গে উঠেছিল পূর্ণিমা চাঁদ

************************************

আধুনিক

সংশয়

একদিকে তুমি অন্যদিকে তোমাকে হারানোর ভয়
জানিনা অবশেষে পাবো কিনা তোমাকে
তাই ভেবে কাটে দিন কাটে রাত

কাটেনা তবু সংশয়, কাটে না তবু সংশয়

ভালোবাসার নদি
ছুটে চলে অবিরত
না পেলে তোমায় আমি
সইব কি করে দুঃখ এতো

দ্বিধা আছে তবু তোমাকেই চায়
এই মন এই প্রান এই হ্রদয়

আসা যাওয়ার পথে
দিন গুনে থাকি চেয়ে
না এলে তুমি কাছে
থাকব কি করে কস্ট নিয়ে

তোমায় ভেবে শুধু আশা নিরাশায়
কেটে যায় যত অথই সময়

একদিকে তুমি অন্যদিকে তোমাকে হারানোর ভয়
জানিনা অবশেষে পাবো কিনা তোমাকে
তাই ভেবে কাটে দিন কাটে রাত

কাটেনা তবু সংশয়, কাটেনা তবু সংশয়

আধুনিক

স্বপ্ন দেখবো বলে

আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউ-এ চেপে
নীলজল দীগন্ত ছুঁয়ে এসেছ,
আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনাবালি তীর ধরে
বহুদূর বহুদূর হেঁটে এসেছ

আমি কখনও যাইনি জলে,
কখনও ভাসিনি নীলে,
কখনও রাখিনি চোখ,
ডানামেলা গাঙচিলে
আবার যেদিন তুমি সমুদ্রস্নানে যাবে
আমাকেও সাথে নিও,
নেবে তো আমায় ?
বল, নেবে তো আমায় !

আমি শুনেছি সেদিন নাকি তুমি তুমি তুমি মিলে
তোমরা সদলবলে সভা করেছিলে,
আর সেদিন তোমরা নাকি অনেক জটিল ধাঁধাঁ
না-বলা অনেক কথা, কথা তুলেছিলে

কেন শুধু ছুটে ছুটে চলা
একই একই কথা বলা
নিজের জন্য বাঁচা নিজেকে নিয়ে ?
যদি ভালবাসা না-ই থাকে
শুধু একা একা লাগে
কোথায় শান্তি পাব, কোথায় গিয়ে ?
বল, কোথায় গিয়ে ?

আমি শুনেছি তোমরা নাকি এখনও স্বপ্ন দ্যাখো,
এখনও গল্প লেখো, গান গাও প্রাণ ভরে,
মানুষের বাঁচা মরা এখনও ভাবিয়ে তোলে,
তোমাদের ভালবাসা এখনো গোলাপে ফোটে

আস্থা-হারানো এই মন নিয়ে আমি আজ
তোমাদের কাছে এসে দুহাত পেতেছি,
আমি দু’চোখের গহ্বরে শূণ্যতা দেখি শুধু
রাতঘুমে আমি কোনো স্বপ্ন দেখিনা,
তাই স্বপ্ন দেখবো বলে
আমি দু’চোখ পেতেছি
তাই তোমাদের কাছে এসে
আমি দু’হাত পেতেছি
তাই স্বপ্ন দেখবো বলে
আমি দু’চোখ পেতেছি

আধুনিক

ঘুড়ি

ঘুরঘুরঘুর ঘুরছে ঘুড়ি
পাকে পাকে, আহা!
নীল সাদা হলুদ সবুজ
উড়ছে ঘুড়ি ঝাঁকে ঝাঁকে

ছোট ছোট ছোট ছোট্ট ছেলে
দু’হাত দিয়ে, আহা!
খোল খোল খোল জানলা খুলে
দেখছে আকাশ দু’চোখ মেলে

এক এক এক একলা ঘরে
দুপুর গড়ায় আহা!
মনমনমন আনমনা ভাব
কেমন যেন, মন কেমন করে

ছোট ছোট ছোট ছোটে ছেলে
মেঘের কাছে, আহা!
মন মন মন মনে মনে
যাচ্ছে ফেলে সবকিছু ফেলে

আহাহা যাচ্ছি আমি
তারার কাছে, আহা!
মেঘমুলুক আমার বাড়ি
দূর আকাশে দিচ্ছি পাড়ি

টান টান টান টানছে সুতো
ফিরছে ঘুড়ি, আহা!
ঘর ঘর ঘর ফিরছে ঘরে
আকাশে ঘর-বাঁধা হল না তো

আধুনিক

পৃথিবী আমারে চায়

পৃথিবী আমারে চায়,
রেখো না বেঁধে আমায়,
খুলে দাও প্রিয়া,
খুলে দাও বাহুডোর।

প্রণয় তোমার মিছে নয় মিছে নয়,
ভালবাসি তাই মনে জাগে এত ভয়।
চাঁদ ডুবে যাবে, ফুল ঝরে যাবে,
মধুরাতি হবে ভোর।
খুলে দাও প্রিয়া,
খুলে দাও বাহুডোর।

সবার মনের দিপালী জ্বালাতে
যে দীপ আপনি জ্বলে,
কেন আর তারে ঢেকে রাখ বলো
তোমার আঁচল তলে।

শোন না কি ওই আজ দিকে দিকে হায়,
কত বঁধু কাঁদে, কাঁদে কত অসহায়,
পথ ছেড়ে দাও, নয় সাথে চলো,
মুছে নাও আঁখিরোল,
খুলে দাও প্রিয়া,
খুলে দাও বাহুডোর।।

আধুনিক

ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে

ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী
তোমারই দুয়ারে কুড়াতে এসেছি ফেলে দেওয়া মালাখানি
নয়নের জলে যে কথা জানাই, সে ব্যথা আমার কেহ বোঝে নাই
মেঘের মরমে যে মিনতি কাঁদে চাঁদ বুঝিবে না জানি
ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী

মাধবীলতা গো আজ তুমি আছ ফুলের স্বপন সুখে
একদিন যবে ফুল ঝরে যাবে লুটাবে ধূলির বুকে
খেয়ালী প্রেমের খেলা বোঝা দায়, কখনো হাসায় কখনো কাঁদায়
মুক হয়ে যায় কারও মুখরতা, কারও মুখে জাগে বাণী
ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী

আধুনিক

কফি হাউস

কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
আজ আর নেই
কোথায় হারিয়ে গেল
সোনালী বিকেলগুলো সেই
আজ আর নেই ।

নিখিলেশ প্যারিসে, মঈদুল ঢাকাতে
নেই তারা আজ কোন খবরে
গ্র্যাণ্ডের গীটারিস্ট গোয়ানীস ডিসুজা
ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে
কাকে যেন ভালোবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে
পাগলা গারদে আছে রমা রায়
অমলটা ধুঁকছে দুরন্ত ক্যানসারে
জীবন করে নি তাকে ক্ষমা হায় ।

সুজাতাই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে
শুনেছি তো লাখ্ পতি স্বামী তার
হীরে আর জহরতে আগাগোড়া মোড়া সে
গাড়ীবাড়ী সবকিছু দামী তার
আর্ট কলেজের ছেলে নিখিলেশ সান্যাল
বিজ্ঞাপনের ছবি আঁকতো
আর চোখ ভরা কথা নিয়ে
নির্বাক শ্রোতা হয়ে
ডিসুজাটা বসে শুধু থাকতো ।

একটা টেবিলে সেই তিন চার ঘন্টা
চারমিনারটা ঠোঁটে জ্বলতো
কখনো বিষ্ণু দে কখনো যামিনী রায়
এই নিয়ে তর্কটা চলতো
রোদ ঝড় বৃষ্টিতে যেখানেই যে থাকুক
কাজ সেরে ঠিক এসে জুটতাম
চারটেতে শুরু হয়ে জমিয়ে আড্ডা মেরে
সাড়ে সাতটায় ঠিক উঠতাম ।

কবি কবি চেহারা কাঁধেতে ঝোলানো ব্যাগ
মুছে যাবে অমলের নামটা
একটা কবিতা তার হোল না কোথাও ছাপা
পেলনা সে প্রতিভার দামটা
অফিসের সোশালে ‘অ্যামেচার’ নাটকে
রমা রায় অভিনয় করতো
কাগজের রিপোর্টার মঈদুল এসে রোজ
কি লিখেছে তাই শুধু পড়তো ।

সেই সাত জন নেই আজ
টেবিলটা তবু আছে
সাতটা পেয়ালা অজোও খালি নেই
একই সে বাগানে আজ
এসেছে নতুন কুঁড়ি
শুধু সেই সেদিনের মালী নেই
কত স্বপনের রোদ ওঠে এই কফি হাউসে
কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায়
কত জন এল গেলো
কতজনই আসবে
কফি হাউসটা শুধু থেকে যায় ।

কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
আজ আর নেই
কোথায় হারিয়ে গেল
সোনালী বিকেলগুলো সেই
আজ আর নেই ।