নজরুল গীতি

তোমার মনে ফুটবে যবে

তোমার মনে ফুটবে যবে প্রথম মুকুল।
প্রিয় হে প্রিয় আমারে দিও সে প্রেমের মুকুল।।

দীরঘ বরষ মাস তাহারি আশে
জাগিয়া রব তব দুয়ার-পাশে,
বহিবে কবে ফুল-ফুটানো
দখিনা বাতাস অনুকূল।।

আর কারে দাও যদি আমার সে ধ্যানের কুসুম
ক্ষতি নাই ওগো প্রিয় ভাঙুক এ অকরুণ ঘুম।

গুঞ্জরি’ গুঞ্জরি’ ভ্রমর সম
কাঁদিব তোমারে ঘিরি’ প্রিয়তম
হুতাস বাতাস সম কুসুম ফুটায়ে
চলে যাব দূরে বেভুল।।

নজরুল গীতি

মোরে ডেকে লও সেই দেশে

মোরে ডেকে লও সেই দেশে প্রিয় যে দেশে তুমি থাক।
মোর কি কাজ জীবনে বঁধূ যদি তুমি কাছে নাহি ডাক।।

এই পৃথিবীর হাসি গান
বঁধূ সব হয়ে যায় ম্লান,
মধু-মাধবী রাসের তিথি হায় ! মাধব এলে নাকো।।

এত আত্মীয় প্রিয়জন মোর কিছু নাহি ভাল লাগে,
ভীড় রহে না প্রেমের নীড়ে সেথা দুটি পাখি শুধু জাগে।

ফুল তুলিয়া পূজার তরে
কেন ফেলে রাখ হেলা ভরে
তার মরণের আগে বঁধূ শুধু বারেক চরণে রাখ।।

বাউল

আমি তোর পীড়িতের মরা

আমি তোর পীড়িতের মরা
আমি তোর পীড়িতের মরা বন্ধু
চাইয়া দেখনা এক নজর বন্ধুরে
অপরাধী হলেও আমি তোর
তোররে বন্ধু
অপরাধী হলেও আমি তোর
আমায় যদি দাও তাড়াইয়া
এমন জায়গা নাইরে গিয়া
এ অভাগার জুড়াইতাম অন্তর
তুমি যদি ঘৃণা রাখো
আমি তোরে করিনা পর
কত দুঃখ আমার বুকে
দেখতে আসে পাড়ার লোকে
তোর কি নাই কলঙ্কেরই ডর
আমি যদি যাই মরিয়া
কে করবে তোরে আদর

বাউল

মানুষ ধরো মানুষ ভজ শোন বলিরে পাগল মন

মানুষ ধরো মানুষ ভজ শোন বলিরে পাগল মন।
মানুষের ভিতরে মানুষ করিতেছে বিরাজন।
মানুষ কি আর এমনি বটে যার চরণে জগৎ লুটে
এই না পঞ্চভুতের ঘাটে খেলিতেছে নিরঞ্জন
চৌদ্দতালার উপরে দালান তার ভিতরে ফুলের বাগান।
লাইলী আর মজনু দেওয়ান সুখেই করেছে আসন।।
দুই ধারে দুই কঠরা হায়াৎ মউত মাঝখানে ভরা
সময় থাকতে খুঁজরে তোরা নিকটেতে কাল সময়
সোনার পুরী আন্ধার করে যেদিন পাখি যাবে উড়ে।
শূন্য খাঁচা থাকবে পড়ে কে করবে আর তার যতন।।
তালাশে খালাশ মেলে তালাশ করো রংমহলে
উঠিয়া হাবলঙের পুলে চেয়ে থাকো সর্বক্ষন
দেখিবে হাবলঙের পুলে দুই দিকেতে অগ্নি জ্বলে
ভেবে রশীদ উদ্দিন বলে চমকিছে স্বর্ণের মতন।।

বাউল

সাথি পুরা বোতল দে আমারে নেশায় মজে রই

সাথি পুরা বোতল দে আমারে
নেশায় মজে লই…
ঐ নেশাতে মাতাল হইয়ে কিছু আবল তাবল কই

চোখে আমার ভাসে যেন মুহাম্মাদরা রাসূল অন্তরেতে
ফুটে যেন মুহাম্মাদী ফুল ।।
যেথায় ফেরেস্তারা নেচে গেয়ে করতেছে হই চয়
সাথী পুরা বতল দে আমারে…….

যে নামেতে পাহাড় পর্বত সাগড় ঢেউ খেলে গাছ বিক্ষ তরু লতা
এই ধরা তলে… আজ ফেরেস্তারা নেচে গেয়ে করতেছে হৈ চয়..
সাথী পুরা বতল দে আমারে…….

না এলে মুহাম্মদ আমার না এলে ইসু আল্লা তা’য়ালা বানাইতো
না এ ধরার কিছু..
আজো বাকা পথে মাতাল রাজ্জাক সুজা হইলো কই
সাথী পুরা বতল দে আমারে……..

গানের কথা ও সুর : মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান
গেয়েছে অনেকেই এর ভিতরে বাউল জুয়েল সরকার

বাউল

সাথি পুরা বোতল দে আমারে

সাথি পুরা বোতল দে আমারে
নেশায় মজে লই…
ঐ নেশাতে মাতাল হইয়ে কিছু আবল তাবল কই

চোখে আমার ভাসে যেন মুহাম্মাদরা রাসূল অন্তরেতে
ফুটে যেন মুহাম্মাদী ফুল ।।
যেথায় ফেরেস্তারা নেচে গেয়ে করতেছে হই চয়
সাথী পুরা বতল দে আমারে…….

যে নামেতে পাহাড় ………………
………………………..

Uncategorized

কালো উদ্বেগ

নগরের নির্বাণ নিস্তব্ধতায়
অস্পষ্ট স্মৃতির অজীর্ণতা
মধ্যহ্নের তারাগুলো হেটে যায়
রয় শরীরের অবিভাজ্য অশিষ্টতা
সন্ধার অন্ধকার জানালাটায়
দিয়ে যায় অংশীদারী আন্তরিকতা
কোলাহল সব শুনে দুরে পালায়
শুনে অন্তর্নিহিত অপভাষা

কালো ঘোরার ক্ষুরের আঘাত
গেথে গেছে তোমার ছায়ায়
কালো মেঘে ধোয়া রোদ
তোমার দরজায় এসে দারায়
তোমার ছায়া তোমায় দেখে
দুরে কোথাও হারায়
কালো সেই শকুন দুটো
দেখো ঘুরছে চোখের তারায়

Uncategorized

কেউ কাঁদবেনা

আমাকে দুরে কোথাও নিয়ে চলো , যেখানে কেউ থাকবে না ।
তোমার নাম ধরে চিৎকার করলে কেউ অবাক হয়ে দেখবে না ।
তোমার চোখের ভিতর তাকালে আর কাওকে দেখব না ।

চোখদুটোর নগ্নতা বেড়ে চলেছে সীমাহীনভাবে , পাতাদুটো খেয়ে গেছে অনিদ্রায় ।
নিশ্বাসে শুধু মরা গন্ধ ভাসে , হয়ত ভিতরে ভিতরে সব পচে গলে গেছে হতাশায় ।
হারানোর অজীর্ণ জলাবর্ত কল্পনায় , ডুবে হয় এক জনম পরিত্যক্ত জলাশয় ।

আমাকে দুরে কোথাও নিয়ে চলো ,
যেখানে কেউ কাঁদবে না ।
তোমার ঠোটে ঠোট রাখলে আর ঘড়ির কাটা ঘুরবে না ।
কালো মেঘের ছায়ার নাগালে তুমি আমি আর থাকব না ।

আধুনিক

মুক্তি পাবে

এমনি কোন এক ভেজা
রাতের মাঝখানে
এই চূর্ণ দেহখানি মুক্তি পাবে,
তোমার খোঁজে বেরিয়ে পরা
আত্মার কাছ থেকে
এই ঝলসানো মনের কাছ থেকে।

বিভ্রান্তির স্তম্ভে দাড়িয়ে তোমায়
দেখেছি উচ্ছাসিত আসক্তিতে,
বিদ্বেষী কোন এক কন্টক শয্যায়
ডুবেছিলে পরিত্যাক্ত শ্বৈরাতন্ত্রে।

এমনি কোন এক ভেজা
রাতের মাঝখানে
এই চূর্ণ দেহখানি মুক্তি পাবে

মুক্তি পাবে
মুক্তি পাবে
মুক্তি পাবে
মুক্তি পাবে

ব্যান্ড

Ai Ami

“এই আমি”

কণ্ঠ ও সুর : প্রিন্স
কথা : রবিন

কোনো ছেকরা গাড়ির তলায় পিষে
রাস্তার মাঝখানে
মরে থাকতে চাইনে
এই আমি।

বনের রাজা হয়েও
ননীর পুতুল হয়ে সার্কাসে
পড়ে থাকতে চাইনে
এই আমি।

ডানা মেলে গগনে
উড়ে বেড়ানোর সাধ্য নিয়ে
বন্দি পাখি হয়ে
থাকতে চাইনে
এই আমি।

এই আমি আর ঐ আমি
তফাতটা অনেক খানি।
এই আমি আর ঐ আমি
অনেক বদলে গেছি।

কোনো পাতাহীন গাছের ডালে
ছিড়ে ঘুড়ি বালকের
চোখে হতাশার কারন হতে চাইনে
এই আমি ।

কোনো পাতাহীন গাছের ডালে
ছিড়ে ঘুড়ি বালকের
চোখে হতাশার কারন হতে চাইনে
এই আমি ।

এই আমি আর ঐ আমি
তফাতটা অনেক খানি।
এই আমি আর ঐ আমি
অনেক বদলে গেছি।

কোনো ছেকরা গাড়ির তলায় পিষে
রাস্তার মাঝখানে
মরে থাকতে চাইনে
এই আমি।

জীবনমুখী গান

মাকে ভালোবাসি আমি মা যে আমার প্রাণ

মাকে ভালোবাসি আমি মা যে আমার প্রাণ
তাকে ভালো রেখো তুমি, আল্লাহ মেহেরবান (২ বার)
মা গো,
তোমার জন্যে নিত্য দিনই চোখে আসে বান (২বার)
রাত দুপুরে যখন ফিরি আমার ছোট্ট ঘরে
তুমি বিনে শূণ্য হৃদয় কেমন জানি করে (২ বার)
আমার জন্যে আজও কি মা কাদে তোমার প্রাণ

দুঃখ শোকে কাজের ফাঁকে তোমায় মনে পরে
দুই নয়নের প্রান্ত জুড়ে অশ্র“ শুধুই ঝরে (২বার)
তোমার জন্যে আজও লিখি নতুন সুরের গান

পল্লীগীতি

Rai jago go – রাই জাগো গো

রাই জাগো গো
জাগো শ্যামের মনমোহিনী বিনোদিনী রাই
জেগে দেখো আর তো নিশি নাইগো জয় রাঁধে
জাগো শ্যামের মনমোহিনী বিনোদিনী রাই

শ্যাম অঙ্গে অঙ্গ দিয়া
আছো রাঁধে ঘুমাইয়া
কুল কলঙ্কের ভয় কি তোমার নাইগো জয় রাঁধে

বাসি ফুল জলে ফেলে
আনো সবে ফুল তুলিয়ে
সে ফুল দিয়ে যুগলকে সাজাইগো জয় রাঁধে

আমরা তোমার সেবার দাসী
যুগল চরণ ভালবাসি
যুগল বিনে অন্য আশা নাইগো জয় রাঁধে

পল্লীগীতি

Jago he ei nogorbasi – জাগো হে এই নগরবাসী

জাগো হে এই নগরবাসী
মুখে জয় রাধা শ্রী রাধা বইলা পোহাইল নিশি
জাগো হে এই নগরবাসী

পূবেতে বন্দনা করি পূবের দিবাকর
পূবেতে বন্দনা করি পূবের দিবাকর
একদিকে উদয় ভানু চৌদিকে প্রকাশ
জাগো হে এই নগরবাসী

উত্তরে বন্দনা করি কৈলাস শিখর
উত্তরে বন্দনা করি কৈলাস শিখর
তার পাছে বন্দনা করি শিব আর পার্বতী
জাগো হে এই নগরবাসী

দক্ষিণে বন্দনা করি কালিদয় সাগর
দক্ষিণে বন্দনা করি কালিদয় সাগর
পাখি হইয়া উড়ে পড়ে নাহি বালুচর
জাগো হে এই নগরবাসী

পশ্চিমে বন্দনা করি ঠাকুর জগন্নাথ
পশ্চিমে বন্দনা করি ঠাকুর জগন্নাথ
তার পাছে বন্দনা করি শ্রী গুরুর চরণ
জাগো হে এই নগরবাসী

জাগো হে এই নগরবাসী
মুখে জয় রাধা শ্রী রাধা বইলা পোহাইল নিশি
জাগো হে এই নগরবাসী