Uncategorized

কালো উদ্বেগ

নগরের নির্বাণ নিস্তব্ধতায়
অস্পষ্ট স্মৃতির অজীর্ণতা
মধ্যহ্নের তারাগুলো হেটে যায়
রয় শরীরের অবিভাজ্য অশিষ্টতা
সন্ধার অন্ধকার জানালাটায়
দিয়ে যায় অংশীদারী আন্তরিকতা
কোলাহল সব শুনে দুরে পালায়
শুনে অন্তর্নিহিত অপভাষা

কালো ঘোরার ক্ষুরের আঘাত
গেথে গেছে তোমার ছায়ায়
কালো মেঘে ধোয়া রোদ
তোমার দরজায় এসে দারায়
তোমার ছায়া তোমায় দেখে
দুরে কোথাও হারায়
কালো সেই শকুন দুটো
দেখো ঘুরছে চোখের তারায়

Uncategorized

কেউ কাঁদবেনা

আমাকে দুরে কোথাও নিয়ে চলো , যেখানে কেউ থাকবে না ।
তোমার নাম ধরে চিৎকার করলে কেউ অবাক হয়ে দেখবে না ।
তোমার চোখের ভিতর তাকালে আর কাওকে দেখব না ।

চোখদুটোর নগ্নতা বেড়ে চলেছে সীমাহীনভাবে , পাতাদুটো খেয়ে গেছে অনিদ্রায় ।
নিশ্বাসে শুধু মরা গন্ধ ভাসে , হয়ত ভিতরে ভিতরে সব পচে গলে গেছে হতাশায় ।
হারানোর অজীর্ণ জলাবর্ত কল্পনায় , ডুবে হয় এক জনম পরিত্যক্ত জলাশয় ।

আমাকে দুরে কোথাও নিয়ে চলো ,
যেখানে কেউ কাঁদবে না ।
তোমার ঠোটে ঠোট রাখলে আর ঘড়ির কাটা ঘুরবে না ।
কালো মেঘের ছায়ার নাগালে তুমি আমি আর থাকব না ।

Uncategorized

অনুভবে আছো তুমি …..

অনুভবে আছো তুমি হৃদয় গভীরে
রাতদিন ভাবনায় খাটে তোমার পরশে,,
তুমি আমার ভালোবাসা ফুলের মুকুল
তুমি আমার প্রেম সাধনার পুতুল,,,,
ও…
ভালবাসার ফুলদানিতে দুটি হৃদয় এক হয়েছে
মাতাল হাওয়ায় মধূ বনে
মিলনের সুর বাজে গো মনে মনে
দুটি হৃদয়ের কোনযৌবনে কাজল আঁখির পরশ মিলেছে,,,
ও…
প্রেম কুমারী “তাসলিমা”
মিটিয়ে দাও গো আমার প্রেম পিপাসা
আসায় থাকি আমি “লিয়ন” পাইতে দর্শন
আমায় ছেড়ে কবু তুমি দূরে যেওনা…

Uncategorized

কার লাগি সজল আঁখি, ওগো সুহাসিনী?

কার লাগি সজল আঁখি, ওগো সুহাসিনী?
হৃদয়ে তব কি ব্যথা নব, ওগো হৃদয়-বিলাসিনী?

প্রভাত-ফুলে তারি হাসি, দেখিয়া কি মন উদাসী?
দেখাল কি তার আঁখি নিঠুর নিশীথিনী?

অঙ্গনে বিহঙ্গগীতি তারই কি আহ্বানস্মৃতি
কারে যাচি’ মৌন আজি, ওগো সুহাসিনী?

Uncategorized

আমি তোমার ধরব না হাত

আমি তোমার ধরব না হাত,
নাথ, তুমি আমায় ধরো।
যারা আমায় টানে পিছে
তারা আমা হতেও বড়ো।
শক্ত ক’রে ধরে হে নাথ,
শক্ত ক’রে আমায় ধরো।

যদি কভু পালিয়ে আসি
তারা কেমন ক’রে বাজায় বাঁশি!
বাজাও তোমার মোহন বীণা
আরো মনোহর ।
তাদের চেয়েও মধুর সুরে
বাজাও মনোহর ।

বেহাগ

Uncategorized

বঁধুয়া নিদ নাহি আঁখিপাতে

বঁধুয়া নিদ নাহি আঁখিপাতে।
আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল রাতে।।

ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে।
পল্লীর বধু বিরহী বঁধুরে মধুর মিলনে সম্ভাষে।
আমারো যে সাধ বরষার রাত কাটাই নাথের সাথে।।

গগনে বাদল, নয়নে বাদল জীবনে বাদল ছাইয়া;
এসো হে আমার বাদলের বঁধু, চাতকিনী আছে চাহিয়া।

কাঁদিছে রজনী তোমার লাগিয়া, সজনী তোমার জাগিয়া।
কোন্ অভিমানে হে নিঠুর নাথ, এখনও আমারে ত্যাগিয়া?
এ জীব- ভার হয়েছে অবহ, সঁপিব তোমার হাতে।।

(তাল: একতাল)

Uncategorized

বঁধু এমন বাদলে তুমি কোথা?

বঁধু এমন বাদলে তুমি কোথা?
আজি পড়িছে মনে মম কত কথা।

গিয়াছে রবি শশী গগন ছাড়ি,
বরষে বরষা বিরহ-বারি;
আজিকে মন চায় জানাতে তোমায়
হৃদয়ে হৃদয়ে শত ব্যথা।

দমকে দামিনী বিকট হাসে;
গরজে ঘন ঘন, মরি যে ত্রাসে।
এমন দিনে হায়, ভয় নিবারি,
কাহার বাহু ‘পরে রাখি মাথা।।

(তাল: তেওড়া)

Uncategorized

আমরা – মলয় বাতাসে ভেসে যাবো

আমরা – মলয় বাতাসে ভেসে যাবো

শুধু কুসুমের মধু করিব পান;

ঘুমোবো কেতকী সুবাস শয়নে

চাঁদের কিরণে করিব স্নান।

কবিতা করিবে আমারে বীজন

প্রেম করিবে স্বপ্নসৃজন,

স্বর্গের পরী হবে সহচরী,

দেবতা করিবে হৃদয়দান।

সন্ধ্যার মেঘে করিব দুকূল, ইন্দ্রধনুরে চন্দ্রহার

তারায় করিব কর্ণের দুল

জড়াবো গায়েতে অন্ধকার।

বাষ্পের সনে আকাশে উঠিব

বৃষ্টির সনে ধরায় লুটিব

সিন্ধুর সনে সাগরে ছুটিব

ঝঞ্ঝার সনে গাহিব গান।