র‍্যাপ

লোকাল বাস

নিজের ভাল বুঝিস রে তুই
পথে পথে ঘুরিস রে তুই
আমানতের খেয়ামত কইরা করস রে সর্বনাশ

আমি কান্দি তোর দুঃখে
তুই ঘুরস মনের সুখে
কার দিকে নজর দিয়া আমারে হাই কোর্ট দেখাস

দেই কাঠের চশমা চোখে
দেখি শইষ্য এখন শোকে
শুধু ডানে বামে ঘুইরা ঘুইরা হইছে ফাঁপর বাজ

বন্ধু তুই লোকাল বাস
বন্ধু তুই লোকাল বাস
আদর কইরা ঘরে তুলস
ঘাড় ধইরা নামাস (3x)

* র‍্যাপ বাই শাফাইয়াত

ক তুই কই যাবি, গাড়ী তোর আমার চাবী
মিটাইয়া মনের দাবী পরে কইচ হাবি যাবি
জেম্নে চাচ অম্নে পাবি কবি আমি কারিগর
খাবার দাবার শেষ বাড়ি ঘর খালি কর
জোর কত জানি তোর সবাই তো স্বার্থপর
মনে তে রং লাগাইয়া হইয়া ঘুরস যাযাবর

স্বার্থের পটি বাইন্ধা কানামাছি ভোঁ ভোঁ
পাগলেও বোঝে এখন টাকা পয়সার লোভ ও
পাঙ্খা ভাবে থাকি আগুনের গোলা বইলা
আইসা তুই খাবি খাবি মনে মনে মনা কোলা
চোরের মার বড় গলা লইয়া লবি যারে তারে
শারাফাতি ড্রাইভার এ, নরম পাইয়া বেরেক মারে
মুনাফা ছাড়া পরে না মাটিতে পারা
রক্ত চুইশা খাইয়া উপড়ে উঠছে যারা ওগো
দুনিয়ার ভোগে আছে দুনিয়ার শাস্তি
উস্তাদ বুইঝা হুইনা ডানে বামে প্লাস্টিক

ও তুই মনের কথা বুঝলি না
আমারেও গুনলি না
জনে জনে একই প্রেম তুই কতবার বিলাশ

ওহ তুই দেখলি শুধু ফাইদা রে
আমারেও গুনলি না
দেখলি না সেই আদরে
ষোল আনা বুইঝা রে তুই অন্য দিকে চাস

দিল জ্বালা বাড়ায় বুকের দেখি না চেহারা সুখের
সে তো অলি গলি ধরা খাইয়া হইছে পাঙ্গা বাজ

বন্ধু তুই লোকাল বাস বন্ধু তুই লোকাল বাস
আদর কইরা ঘরে তুলস ঘাড় ধইরা নামাস (x4)

তুই লোকাল বাস বন্ধু তুই লোকাল বাস
আদর কইরা ঘরে তুলস ঘাড় ধইরা নামাস!

র‍্যাপ

রাজা আসে রাজা যায় র‍্যাপ

টিভি খুলে মাদারফাকার কয়টা খুনের সংবাদ
এক সেকেন্ডে সংসদেতে কত টাকা বরবাদ
তোমার আমার বাচ্চা মরে, কে মারে কে ধরে
কে হয় বোকাচোদা বাংলার ঘরে ঘরে
ঘরে ঘরে নড়ে চড়ে রিমোট কন্ট্রোল কমে, বাড়ে
কি খেলা ধুলা করে পুলিশে র্র‌্যাবে চোরে
গাঞ্জাখোরে একরাশ ধুয়া ছাড়ে ঘুরে ফিরে
রাস্তায় নাটক সিনেমা সিন পাটের ভীরে
রাজা আসে রাজা যায়-
বোকাচোদা বোকাচোদাই রয়
রাজা আসে রাজা যায়-
বোকাচোদা বোকাচোদাই রয়
রাজা আসে রাজা যায় বৌদ্ধ গেলে হিন্দু
হিন্দু গেলে মুসলমান তারপরে শ্যাষ সিন্ধু
রাজা ঠিকই রাজা হয়, গোলাম গোলামই রয়
বোকাচোদার তালিকায় তুমি আমি কিন্তু
ফেসবুকে বিপ্লব পোস্ট কর বাছা
চোখ বুজে খালি দ্যাখো নায়িকার পাছা
নায়িকা তো বিলবোর্ডে বাড়ি গাড়ি কেনে
তোমার তো দিন যায় বাল গুনে গুনে
রাজা আসে রাজা যায়
বোকাচোদা বোকাচোদাই রয়
রাজা আসে রাজা যায়-
বোকাচোদা বোকাচোদাই রয়
না বাঙাল না ঘটি না বাঙাল না ঘটি
স্কুল পালিয়ে ঠিকই পড়ে বাঙলা চটি
দুনিয়া দুনিয়া ভরা পার্টিশান
নেতা হওয়া খুব সোজা চুষে দিলে ধোন
ঘটে যদি থাকে কিছু শোন এই র্যাপ
না যদি থাকে তোমার মেন্টাল গ্যাপ
১৮ + সেতো ফেক এক টার্ম
দুধের শিশুও জানে জলের কি দাম
রাজা আসে রাজা যায়
জল নাই ক্যান পদ্মায় মেঘনায়
রাজা আসে রাজা যায়
কাঁটাতারে তোমার আমার লাশ লটকায়
তেল গ্যাস নয়- একবার দ্যাখো এ হৃদয়
গ্রন্থে জানেনা এ হৃদয়ে কি কয়
সংবিধান জানেনা এ হৃদয়ে কি কয়
চুক্তিরা জানেনা এ হৃদয়ে কি কয়
যুক্তিরা জানেনা এ হৃদয়ে কি কয়
হৃদয়ের দাম কি আর মানচিত্রে রয়?
রাজা আসে রাজা যায়
আঙ্গুল ভরে তোমার আমার গোয়ায়
রাজা আসে রাজা যায়
কাঁটাতারে তোমার আমার লাশ লটকায়
রাজা আসে রাজা যায়-
বোকাচোদা বোকাচোদাই রয়

র‍্যাপ

এ যে সারাদিন

এ যে সারাদিন শুধু কাটিয়ে দিলাম
তবুও তোমার দেখা পাব ভেবেছিলাম।

সেই সকাল সকাল উঠে ঘুম ঘুম চোখে
কোনরকম হাতে হাত মুখ ধুলাম
ঘরের কারো কথা কানে না তুলে
কিছু না খেয়ে হুট করে বেরুলাম
বেরিয়েই দেখি কোন বেবি রিক্সা নেই
তাই কিছুক্ষণ দুটো পা চালালাম
দৈবক্রমে এক রিক্সা পেলাম
আর তাই নিয়ে ঝড়ের বেগে ছুটলাম
সব কিছু বোধয় বুঝি গেলো বিফলে
রমনায় দেখি তুমি নাই আমি এসে।।

ঠিক ঘড়ির কাটা যখন ছুলো দশটায়
সেই তখন থেকের আমি আছি রমনায়
গেলো বারে আমি দেরী করেছিলাম
তাই তোমার মেজাজ ছিল ভেরী ভেরী হাই
ফোনে আমায় কত না কত ভাবে শাসালে
যেন দশটার মাঝে আমি পৌঁছে যাই
তাই আজ এসেছি আমি সময় মত
তুমি এসেই শুধু পৌঁছালেই হয়
এ যে ভীষণ জ্বালা রোদে দাঁড়িয়ে থাকা
যেনো চুলার উপর শিক কাবাব হওয়া।।

হেঁটে যায় প্রেমিকা প্রেমিক আর কপোত কপোতী
আসবে মজে আছে প্রেমালাপে মুখোমুখী
দেখে হিংসায় মেজাজটা তিরিক্ষি হয়
তখনও তোমার কোনো পাত্তা নেই
কোথায় কোথায় ছিল তোমার জাজমেন্ট
তবে কেন গত রাতে করলে ফোনে আর্গুমেন্ট
তোমাকে না পেয়ে বাযু চড়েছে মাথায়
আগুন জ্বলেছে পেটে ক্ষুধার ভীষণ জ্বালায়
ডাকি চা’ওয়ালা, এক চুমুক দিতেই কাপে-
গরমে গরমে মুখ গেলো পুড়ে
কপাল খারাপ হলে বুঝি এমনি ঘটে
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা টোকাই হেসে ওঠে
শুরু করি কিছুক্ষণ পায়চারী
দেখি রমনায় প্রেমিকাদের বাড়াবাড়ি।।

আহ! যদি বুঝতে তুমি আমার প্রবলেম
তবে তীর্থের কাক সেজে বসে থাকতে
আমি বুঝেছি বুঝেছি তোমার সব ফাঁকি
আমায় চটিয়ে কত মজা করবে তুমি
জানি চাইবে চাইবে ক্ষমা টেলিফোনে
তোমায় করবো ক্ষমা চিরতরে কাছে পেলে
তাই আজ চলি ভাঙ্গা মনে বাড়ির পথে
যেতে দু টাকার চিনা বাদাম খেতে খেতে।।

র‍্যাপ

ডেঙ্গু মশা

“কুরবান ভাই কুরবান ভাই সোহাগী আপা চিঠি পাডাইচে”

এই দেখিত কি লিখেছে চিঠিতে !!! ওফ, জানেমান, মেরি জান, চিঠি দিয়েছে ডেটিং করতে। মাঝ রাত, আকাশে জোসনার আলো , তার নিচে ঝোপঝাড়ের মধ্যে প্রেম হবে। মেরি তামান্না…… যাই যাই।

“এ মামু দোয়া রাখিস, সোহাগীর কাসে যাইতাসি, পরে কথা কমু।”

ডেটিং করতে যাচ্ছিলাম…
আন্ধার রাইতে পুকুর পাড়।
চাঁদনী রাতে পেচায় চিল্লায়,
হেইল্লা ধরে কুত্তার পাও।

(ওমা……)
শেষমেষ একটা ঝোপের ভিতর
… করে হাইন্দে যাই।
উকি ঝুকি মাইরা খুঁজি,
সোহাগী তুমি পৌছাও নাই।
ডেঙ্গু মশার কামড় খাইয়া গায়ে উঠে পেইন,
চুলকাইতে চুলকাইতে খুললাম প্যান্ট এর চেইন,
ও কি মহা প্রবলেম…… (ওমাগো)

চুলকাও খাউজাইয়া দাও… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা (আহা)…
পিঠ কাইত করে চুলকাও…কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।
কিল চর থাপ্পড় দেয়… সোহাগীর খালাম্মা আইসা ( ও ও ও )
পিরিত করতে চাইয়া রীতিমত খাইসি ধোঁকা,
রীতিমত হইসি বোকা… রীতিমত খাইসি ধোঁকা।

ওমা কি দজ্জাল বেটি,
গায়ে ঢালে কেরোসিন তেল,
বলল যদি আবার আবি,
মাথা চাইচ্ছা করব বেল।

ডেঙ্গু মশার কামড় খাইয়া গায়ে উঠসে পেইন,
চুলকাইতে চুলকাইতে খুললাম পেন্ট এর চেইন,
ও কি মহা প্রবলেম ( ওমা গো… )

চুলকাও খাউজাইয়া দাও… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা,
পিঠ কাইত করে চুলকাও…কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।
কিল চর থাপ্পড় দেয়…সোহাগীর খালাম্মা আইসা ( আম্মা গো)
পিরিত করতে চাইয়া রীতিমত খাইসি ধোঁকা,
রীতিমত হইসি বোকা… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।

ডেঙ্গু মশার কামড় খাইয়া গায়ে উঠে পেইন,
চুলকাইতে চুলকাইতে খুললাম পেন্ট এর চেইন,
ও কি মহা প্রবলেম।

চুলকাও খাউজাইয়া দাও… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা,
পিঠ কাইত করে চুলকাও…কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।
কিল চর থাপ্পড় দেয়… সোহাগীর খালাম্মা আইসা।
পিরিত করতে চাইয়া রীতিমত খাইসি বোকা।

র‍্যাপ

বিচার চাই

সারা দেশে শান্তি নাই, ফকির লালের ঘুম নাই
ভালা মাইনষের ভাত নাই, আদালতে আইন নাই
কোট কাচারি চাইয়া দেখে এই দেশেতে বিচার নাই
এই দেশেতে মানুষ নাই
এই দেশেতে মানুষ থাকলে
মানুষের কি চোখ নাই?

স্বাধীনতার দাম নাই, মুক্তিযোদ্ধার মান নাই
দেশ প্রেমিকে চাইয়া দেখে
এই দেশেতে উপায় নাই
এই দেশেতে ঠাঁই নাই
এই দেশেতে মানুষ থাকলে
মুজিব হত্যার বিচার চাই।।

একাত্তরের দালালরা হুশিয়ার সাবধান
অস্ত্র থাকে কাপুরুষের, লাল বাহিনীর র‌্যাপ গান
ধর্মের নামে ধান্ধাবাজি এই শালারা বেঈমান
মূর্খ মানব মন্ত্রি হইছে, লাত্থি মাইরা চেয়ার ভাঙ
রাজনীতিতে রাজা হইছো, রক্ত হাতে মুসলমান
ফকির লালে শালিস ডাকছে আলবদরগো ডাইকা আন
স্বাধীন দেশে বোমা মারে, মারবার আগে আরেকবার
বুতাম শার্টের খুলা আগে লালের বুকে বোমা মার
দেলু দালাল দাড়ি রাখলে মানুষ কিন্তু বদলে না
মুসলমানের বাচ্চা আমরা আল্লাহ রসুল শিখাইস না
ভাইরা আমার রক্ত দিছে এই কথাটা ভুলিস না
সরকার খেলে কানামাছি চোখে দালাল দেখে না
কিয়ামতের ময়দানেও লালে তোগো ছাড়বো না
বাংলা Rap এর বন্দুক হাতে খুদার কসম বাঁচবি না
ভুল তো করে সবাই কিন্তু কিছু ভুলের মাফ নাই
ভাইরা আমার জীবন দিছে আলবদরগো বিচার চাই।।

শহীদ জিয়া (?) স্মৃতি স্বরুপ কিছু কথা লেখতে চাই
হঠাৎ কইরা কি যে হইলো, কাগজ আছে কলম নাই
পঁচাত্তুরের মীরজাফর, বাঙালিরা ভুলে নাই
কলম হাতে ঠিকই লালের বাঁইচা গেছস লেখে নাই
হুমকি দিয়া কি লাভ মিয়া, ফকিরের আর কিসের ভয়
রক্ত হাতে চশমা চোখে, খুনি কেমনে শহীদ হয়?
চামচিকারে বাংলাদেশে কে বানাইলো মাতব্বর?
লাল সবুজে শরীল ঢাকা, সব শালারা মীরজাফর
জয় জয় পাকিস্তান, জয় জয় মুসলমান
দালালরা সব ঐক্যজোটে দেশ বানাইছে গোরস্তান
ষড়যন্ত্রের শিকার কিন্তু বঙ্গবন্ধু মরে নাই
মার্চ মাসের ভাষণ আমি ঘুমে থাইকা শুনতে পাই
থানা পুলিশ ডাইকা আনো, খুন-খারাবি করতে চাই
বঙ্গবন্ধু বাঁইচা আছে, বাঙ্গালিরা বাঁইচা নাই
শেখ হাসিনার দলে আমি ভর্তি হইতে আসি নাই
আমি একজন বাংলাদেশি, মুজিব হত্যার বিচার চাই।।

কলম হাতে ফকির লালের আজকে যদি মৃত্যু হয়
আমার খাতায় জীবন যুদ্ধের এটাই সবচে’ বড় জয়
কথার দিছ দুকান খুইলা আমার কওয়ার আছে কি?
ইচ্ছামতো দেশ চালাইলে গণতন্ত্রের দরকার কি?
মাইরা ধইরা আছে যা সব খা তাতে আমার কি?
চাউলের কেজি তিরিশ টাকা দিনমজুরে খাইবো কি?
কৃষক, শ্রমিক উপোস থাকলে স্বাধীনতার মূল্য কি?
তুমার ভাই, আমার ভাই, ফাইজলামির আর সীমা নাই
সব ভাইরেই দেখা আছে, কোন ভাইরে বিশ্বাস নাই
বন্দুক নিয়া ঘুরলে কি লাভ গুলি যদি ফুটে না?
পুলিশ থাইকা দেশে কি লাভ ডাকাইত যদি ধরে না?
লালের যত মাথা ব্যাথা আর কি দেশে মানুষ নাই?
সালাম, রফিক রক্ত দিছে রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
ওদের স্বপ্ন সফল হওয়ায় আমার কুনো কষ্ট নাই
মতিউরের জাহাজ ভাঙছে, স্বপ্ন কিন্তু ভাঙে নাই
আজকে দেশে মানুষ আছে, একটা খালি প্রেমিক নাই।।

সারা দেশে শান্তি নাই, ফকির লালের ঘুম নাই
ভালা মাইনষের ভাত নাই, আদালতে আইন নাই
কোট কাচারি চাইয়া দেখে এই দেশেতে বিচার নাই
এই দেশেতে মানুষ নাই
এই দেশেতে মানুষ থাকলে
মানুষের কি চোখ নাই?

স্বাধীনতার দাম নাই, মুক্তিযোদ্ধার মান নাই
দেশ প্রেমিকে চাইয়া দেখে
এই দেশেতে উপায় নাই
এই দেশেতে ঠাঁই নাই
এই দেশেতে মানুষ থাকলে
মুজিব হত্যার বিচার চাই।।

র‍্যাপ

সারাদিন

এ যে সারাদিন শুধু কাটিয়ে দিলাম
তবুও তোমার দেখা পাব ভেবেছিলাম

সেই সকাল সকাল উঠে ঘুম ঘুম চোখে
কোনরকম হাতে হাত মুখ ধুলাম
ঘরের কারো কথা কানে না তুলে
কিছু না খেয়ে হুট করে বের পরলাম
বেরিয়ে দেখি কোনো বেবি রিক্সা নেই
তাই কিছুক্ষণ দুটো পা চালালাম
দৈবক্রমে এক রিক্সা পেলাম
আর তাই নিয়ে ঝড়ের বেগে ছুটলাম
সব কিছু বোধয় বুঝি গেলো বিফলে
রমনায় দেখি তুমি নাই আমি এসে

..

ঠিক ঘড়ির কাটা যখন ছুলো দশটায়
সেই তখন থেকের আমি আছি রমনায়
গেলো বারে আমি দেরী করেছিলাম
তাই তোমার মেজাজ ছিল ভেরী ভেরী হাই
ফোনে আমায় কত না কত ভাবে শাসলে
যেনো দশটার মাঝে আমি পৌঁছে যাই
তাই আজ এসেছি আমি সময় মত
তুমি এসেই শুধু পৌঁছালেই হয়
এ যে ভীষণ জ্বালা রোদে দাঁড়িয়ে থাকা
যেনো চুলার উপর শিক কাবাব হওয়া

..

হেঁটে যায় প্রেমিকা প্রেমিক আর কপোত কপোতী
আসবে মজে আছে প্রেমালাপে মুখ মুখী
দেখে হিংসায় মেজাজ টা গিরিংগী হয়
তখনও তোমার কোনো পাত্তা নেই
কোথায় কোথায় ছিল তোমার জাজমেন্ট
তবে কেন গত রাতে করলে ফোনে আর্গুমেন্ট
তোমাকে না পেয়ে বাইল চড়েছে মাথায়
আগুন জ্বলেছে পেটে ক্ষুধার ভীষণ জ্বালায়
ডাকি চা’ওয়ালা, এক চুমুক দিতেই কাপে-
গরমে গরমে মুখ গেলো পুড়ে
কপাল খারাপ হলে বুঝি এমনি ঘটে
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা টোকাই হেসে ওঠে
শুরু করি কিছুক্ষণ পায়চারী
দেখি রমনায় প্রেমিকাদের বাড়াবাড়ি

এ যে সারাদিন শুধু কাটিয়ে দিলাম
তবুও তোমার দেখা পাব ভেবেছিলাম

আহ! যদি বুঝতে তুমি আমার প্রবলেম
তবে তীর্থের কাক সেজে বসে থাকতে
আমি বুঝেছি বুঝেছি তোমার ফাঁকি
আমায় চটিয়ে কত মজা করবে তুমি
জানি চাইবে চাইবে ক্ষমা টেলিফোনে
তোমায় করবো ক্ষমা চিরতরে কাছে পেলে
তাই আজ চলি ভাঙ্গা মনে বাড়ির পথে
যেতে দু টাকার চিনা বাদাম খেতে খেতে

..

সেই সকাল সকাল উঠে ঘুম ঘুম চোখে
কোনরকমে হাত মুখ ধুয়েছিলাম
ঘরের কারো কথা কানে না তুলে
কিছু না খেয়ে হুট করে বেরিয়েছিলাম
বেরিয়েই দেখেছি কোনো বেবি রিক্সা নেই
গরবর হবে তখনি ভেবেছিলাম
তবুও যখন রিক্সা পেয়েছিলাম
দেখা পাবই তোমার ভেবে ছুটেছিলাম
সব কিছুই তাই আজ গেলো বিফলে
রমনায় সারাদিন শুধু মাছি মেরে

এ যে সারাদিন শুধু কাটিয়ে দিলাম
তবুও তোমার দেখা পাব ভেবেছিলাম

র‍্যাপ

চলছে

আজ এখনি আপনাদের কানে দিতে যাচ্ছি সম সাময়িক চলমান ঘটনা বলি। এখন যা কিছু শুনবেন আমাদের মুখে… প্লিজ আর কাউকে বলবেন না শুনতে।

বলছি তাহলে সব ঘটনা, ঘটনা সত্যি নয় রটনা
যাচাই করে না হয় দেখেন না
পত্র পত্রিকায় এত কিছু পাবেন না- চলছে
জব্বর বিনোদনের খবর এখন- চলছে
বাংলা ছবির ধুম পড়েছে এখন- চলছে
শাবনাজ-নাইম জুটি খুবই গরম, তাই পুরনো নায়িকারা সব হিংসায় জ্বলে শুধু
ফরীদির মাথায় গুঁড়চ্ছে ঘিরিঙ্গী প্ল্যান- চলছে
মৌসুমির ফিল্মে দারুণ পজিশন – চলছে
রূপনগর টিভির মূল আকর্ষণ, ওই হেলাল আর শামীমের-
ইঁদুর বিড়াল খেলা, কেঁদে চলেছে বিপাশা- চলছে
খুব ভালো চলে টিপু সুলতান- চলছে
হানিজ সংকেতের রম অনুষ্ঠান, ওই হয়রান গফুরের
বেহুদা প্যান-প্যানানী, অন্টি ভাবির গানে পাচ্ছে সংগীত উনুস্থান,
তাই বাংলা খবর ভালবাসেন আমার আব্বাজান- চলছে
হুইল সাবানের দালালের কথা- চলছে
আমি এখন ঢাকা কাল খুলনা, ও শ্রোতা শুনছেন নাকি আমাদেরই বিতলামি
সময় নষ্ট করবে জানি আমাদেরই এই গানটি- চলছে

ডিশ অ্যান্টেনার বাহাদুরি- চলছে
দেখো সারাদিন এম টিভি- চলছে
জী টিভির যত সুড়সুড়ি- চলছে
জুহি মাধুরীর নাচানাচি আর নাদিম, শ্রাবণের গানের চাক্কি- চলছে
নচিকেতার গান জীবনমুখী আর বম্বের হিন্দি গানের ঘ্যান ঘ্যানানি- চলছে
রাজা বাবু ছবির হিট গানটা- চলছে
অডিও ক্যাসেটের ভয়াবহতা, শুনি প্রতিদিন বাজারে অসংখ্য আর
ব্যঙ্গের ছাতার মতন জন্মেছে ব্যান্ড- চলছে
হিট হচ্ছে তবু ব্যান্ড এর গান, শুনি- রেনেসাঁ, এলো আর বি, সোলস আর মাইলস
গুন গুন করে কাটে সারাদিন বেশ মন- কেড়েছে, ফিরিয়ে দাও আর হৃদয়,
সেই তুমি আর এ এমন পরিচয়- চলছে
সোলো ক্যাসেটে তপন- বিশ্বজিত, দিলরুবার গাওয়া পাগল মন হিট!
ওই শাকিলা বেবি আর সামিনা নবী, তারা রেগেছে ধরে এখন গানের হালটি
আবার চেহারা দেখানো শিল্পীর গানও শুনি, না জানে তাল না জানে সুর! মনে হয় মারি লাথি
এরা নষ্ট করেছে গানের ভাব মুক্তি, শুনব না শুনবনা গান ঠিক করেছি- চলছে

তসলিমার বিক্রি কুরুচি- চলছে
খবর মুক্তি ফুলন-দেবী- চলছে
সারাদেশে মাস্তানের সন্ত্রাসী- চলছে
প্রশাসনের নামে ভেলকি বাজি- চলছে

বলছি তাহলে আবার শোনেন না, ১০০ বা খাঁটি নয় রটনা… শুনতে না চাইলে শুনবেন না! যা বলছি কিছু আর বলব না- চলছে

র‍্যাপ

বড় হইও না ভাই

অতি বড় হইও না ভাই ঝরে পড়ে যাবে, অতি ছোট হলে আবার ছাগল মুড়ে খাবে!

দুইদিনের আগের সেই বিনোদন- ঝাপসা ঝাপসা লাগে এখন
শাবনাজ-নাইমের গরম জুটি- এখন আর চলে না তেমন
বাংলা ছবির ধুম টা যেন – পড়বে পড়বে করতে এখন
মৌসুমি বুঝতে পারে – ফিল্মে যে তার বেড কন্ডিশন
সালমা শাহ’ই মারলো যে দান, কেউ জানে কেউ জানে না

এলোমেলো গল্প হলে- সবাই তাকে ভণ্ড বলে
ধারাবাহিক নাটক গুলো- সমাপ্তিটা এলোমেলো
সুবর্নারী আসে পাশে- আসার মত কেউ কি আছে
বাংলাদেশের সুচিত্রা সেন- সুবর্নাকেই বলতে পারেন
হেলাল-শামিম যতই অসুখ, বাকের ভাই কে ভুলব না

দিলরুবার গান ও পাগল মন- কোথাও আর বাজে না এখন
শাকিলার ওই তিন হাজার গান- একটি গান ও হয়কি স্মরণ
মন্দ হলেও সত্যি- এটা বাংলাদেশের হিটের ধরন
এপার্চির গান বাংলা করে- অর্ধেকটা অবিস্বরন
নিয়াজ বসির সুবীর নন্দী, কেউ শোনে কেউ শোনে না

বন্ডের হোতা যারা এখন- একটি কথা রাখুন স্মরণ
শিরোমণি এখন যারা- কয়দিন আর থাকবে তারা
জন্মেছে ব্যান্ড বেঙ্গের ছাতা- এদের সাথেও আছে মাথা
যোগ্যতার ওই মত কাঠিতে- জায়গা তাদের দিতেই হবে
ওয়ারফেজ আর উইনিং-এর গান শুনতে মন্দ লাগে না

লজ্জা লিখে লজ্জা পেলো- ওই তসলিমা যে পালিয়ে গেল
নীল ছবি আর নীল কাহিনীর- ব্যবসা এখন নয়তো ভালো
আবাহনী মোহামেডান- দুটি দলই সমান সমান
সবার আগে দেশের সুনাম- খেলোয়াড়ের দেও সম্মান
সাব্বিরের পা ভেঙ্গে দিলে, দেশের সুনাম বাড়বে না

…….

আট দশটা চ্যানেল ডিসের- বিনোদনের অভাব কিসের
মেধার তালিকাতে এসে- বিটি যে সবার শেষে
বিটি কেউ দেখে না- ঘ্যান ঘ্যানানি ভাললাগে না
…….

রাষ্ট্র ভাষা বাংলা তবু- ইংরাজিটা যাচ্ছে ভেসে
সালাম রফিক থাকলে বেচে- দেখত কিসব হচ্ছে দেশে
গান গেয়ে যায় লম্প দিয়ে- কিবোর্ড গিটার ড্রাম পিটিয়ে
যায়না বোঝা গানের ভাষা- আবোলতাবোল কোথায় ভরা
অরে বুকের ভিতর লালন কাঁদে, এটাই তদের ঠিকানা

র‍্যাপ

বুঝি কম

অল দ্যা ছ্যারা ভ্যারা পিপল অফ বাংলাদেশ- বিদেশী সাহায্যার্থে আমরা পুষ্ট, এভাবে চলতে থাকলে… আমাদের হবে কুষ্ঠ আর তাতেই আমরা সন্তুষ্ট।

বড় মামা বড় মামী
খালে দেখো ফারাক্কার পানি
গালে মাখো ফেয়ার এন্ড লাভলী
গরম ভাতে বিদেশী চাটনি
মামীর গায়ে ভারতের শাড়ি
লাগে না ভালো দেশী জামদানি

বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
পারদেশীরা দেশে ঢুকে গেল রে
বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
এদেশের খেয়ে গায় হিন্দি যে।

বাঙ্গালী ভাইজান আরে ওঠো ওঠো
বাঙ্গালী ভাইজান জোরে ল্যাঙট বাঁধ
বাঙ্গালী ভাইজান হাতে পতাকা ধর
বাঙ্গালী ভাইজান ওদের ধোলাই কর
বাঙ্গালী ভাইজান অর্থনীতি ডুবলো
বাঙ্গালী ভাইজান শিল্পনীতি খসলো
বাঙ্গালী ভাইজান ওদের জব্দ কর
বাঙ্গালী ভাইজান ওদের ধর ধর

বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
বাঙ্গালীর কাঙ্গালী স্বভাব যায় না রে
বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
পান্তা ভাতে কি ভাইগ্না বুদ্ধি কমায় রে
লা লা লা লালা লা লালা
দেশী কুত্তা গায় বিদেশী সুরে

মেঝো খালা আর খালু
ফিগার যেন আলু ফালু
বিদেশ থেকে আসে ম্যানু
কি খাবে রোজ মেয়ে বেণু
স্বদেশী পণ্য কিসের জন্য
বিদেশী বাজারে হয় যে ধন্য

বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
পারদেশীরা দেশে ডুকে গেলো রে
বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
এদেশের খেয়ে গায় হিন্দি যে

বাঙ্গালী ভাইজান আরে জাগো জাগো
বাঙ্গালী ভাইজান একি লংকা কাণ্ড
বাঙ্গালী ভাইজান চেপে ধর ধর
বাঙ্গালী ভাইজান টাকা উড়ছে দেখো
বাঙ্গালী ভাইজান বুদ্ধি নাড়োচাড়ো
বাঙ্গালী ভাইজান ভালো শেয়ার ধর
বাঙ্গালী ভাইজান না হলে মামা ধর
বাঙ্গালী ভাইজান মাজা শক্ত কর

বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
বাঙ্গালীর কাঙ্গালী স্বভাব যায় না রে
বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
পান্তা ভাতে কি ভাইগ্না বুদ্ধি কমায় রে
লা লালা লা লালা লা লালা
দেশী কুত্তা গায় বিদেশী সুরে

মেঝো খালা আর খালু
ফিগার যেন আলু ফালু
বিদেশ থেকে আসে ম্যানু
কি খাবে রোজ মেয়ে বেণু
স্বদেশী পণ্য কিসের জন্য
বিদেশী বাজারে হয় যে ধন্য

বড় আপা বড় দুলাভাই
জি সিনেমা দেখে চোখে ঘুম নাই
ক্যাপ্টেন কুক খায় সকালের নাস্তায়
খানা-খাজানা দেখে আপা খাবার বানায়
বাড়ির সবাই হিন্দি বুলি ভাই
বাবা সাইগালের ভাইগ্না রাষ্ট্র সংগীত গায়

বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
পারদেশীরা দেশে ডুকে গেলো রে
বুঝি কম বুঝি কম বুঝি কম রে
এদেশের খেয়ে গায় হিন্দি যে

র‍্যাপ

গায়ে হলুদ

এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা মহাদেশ ছাড়াও পৃথিবীর বহু স্থানে বিয়ের নিয়ম রীতি আছে! সভ্যতার উষালগ্ন থেকে এ রীতি চলে আসছে, এই শুভ পড়িনিটিতে আমাদের পূর্ব পুরুষরা যেমন বিশ্বাসী ছিলেন! আমরাও তেমন বিশ্বাসী… আর তাই বিয়ের একটা প্রধান অঙ্গ গায়ে হলুদ, যা আমাদের এশিয়ার কিছু কিছু দেশে বিদ্যমান আছে! আমাদের এই গায়ে হলুদের কথা আপনারও হতে পারে! এখন গায়ে হলুদের কথা বলছি –

বলি হাই ক্লাস, লো ক্লাস সব জাতি

বাবা ধুমে ধামে করে তাদের বিয়ে শাদী
গায়ে হলুদের দিনে মজা হয় যে বেশি
আবার বৃদ্ধ-বনিতা তার মুখে থাকে হাসি
ও ভাইজান, আনো মিষ্টির হাঁড়ি
ও ভাবীজান, আনো হলদির শাড়ি
ও ভাইজান, কর মেহমানদারী
ও ভাবীজান, কন্যা কি শ্রী দেবী

ও পাড়ার যত বেড়ে ওঠা যুবতীরা
খুশির মাতন্দলায় দোলে সব মতোয়ারা
চলছে খসর খসর শব্দে হলদি মেহেদী বাটা
ফলে পাঁকা ছেলে ছোকরা যে ফিল্লিং মারা
আবার উচ্চ সরে বাজছে গানের ক্যাসেট
শুনে খিলি খিলি খুকি খোকা মজেছে বেশ
রান্না ঘরের রাঁধুনিদের যুদ্ধের নেই যে শেষ
হচ্ছে লুচি পরোটা আর ক্ষীর পায়েস

ও পক্ষের পক্ষ যখন পৌঁছে কন্যার বাড়ি
শুরু হয় হলুদ মাখানোর বৃহৎ সারি
বন্ডের গান বাজনার সাথে চলে নাচানাচি
আর নানী দাদির গালে নাচে পানের খিলি
তখন কন্যার চোখে মুখে সুখের দোলা জাগে
অন্যদিকে বুকটা দুরু দুরু কাঁপে
পুরনো সখীরা যে সান্ত্বনা দেয় হেসে
সোনালী স্বপ্নটা দেখে চোখ ভুজে

আ… আ… আ… গায়ে হলুদ

তার-পরদিন শুরু হয় বিয়ের অনুষ্ঠান
সারা বাড়ি বিশাল উৎসব চলে আয়োজন
আকাশের বুক ছিঁড়ে ওঠে আতসবাজি
নানান আলোয় প্রাণ পায় বিয়ে বাড়ি
শত আনন্দের মাঝে বিয়ে পড়ায় কাজী
সব ছেড়ে যায় কন্যা পরের বাড়ি
মা বাবা ভাই বোন সাথীদের ছেড়ে
স্মৃতিটুকু রেখে যায় চোখের কোণে

হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই
বিয়ের অনুষ্ঠানে ফুর্তি করে আনন্দ পায়
যে যার রীতিতে অনুষ্ঠান সাজায়
দুটি মন চিরতরে এক যে হয়
সারা পৃথিবীতে এই রীতি চলছে সদায়
দুটি মিলনে শুধু মানুষেই হয়
হাসি কান্না সুখ মিলে এই জীবন
তাই গায়ে হলুদের কথা কর স্বরণ
ও ভাইজান, আবার বিয়ে নাকি
ও ভাবীজান, এক রত্নের বুঝি
ও ভাইজান, খ্যাপা খেপেছে বুঝি
ও ভাবীজান, কন্যা কি আছে রাজি?

র‍্যাপ

ছাগল

ও ডার্লিং, হুম….
শত বার বলেছি, শোননি!- শোনেনি
কি প্রবলেম আমার, বোঝোনি! – পাগলামির একটা সীমা আছে
যখনি ভাবি তোমায়, মাথাটা ধরে ভীষণ
হৃদয় সে তোমায় চায়, প্রেম দাও… প্রেম চাই!
যেটুকু ক্ষতি নয়! সবাই দেখলে ক্ষতির সম্ভাবনা আছে
এক দৌড়ে এসো বাহুতে আমার – আছে কি করার

ও শোনো শোনো না চুপিচুপি চুপিচুপি চুপিচুপি বলছি,
কেউ শোনেনা যেন! যেটুকু ভালো ছিলাম হয়েছি পাগল
আমি যে তোমারি ছাগল! হুম….

ও মেয়ের প্রেম তোমার মাথার ঝরাবে সব চুল
ও মেয়ের প্রেম মানে তোমার চড়তে হবে শূল
আমাকে দেখনি, আজ আমি কেন উদাসী
বাইস বছর প্রেম করে হইলাম বৈরাগী
শোনো গাঁধা, বলি ছাড়ো এইসব
নইলে তোমার পেছনে লাগাবো কুকুর

সারা দিনকাল এসে থাকে থাকে রইং লাগে! হুম….
ঘর পালানো সুখ নিয়ে কাটাই যে বিকেল
রীতি মত চলছে, প্রেম না কে দিয়ে প্রেম

ও ডার্লিং, হুম….
কোন সুরে, গাইবো বলো তোমার প্রিয় গান
চুপিচুপি চুপিচুপি চুপিচুপি বলছি-
কেউ শোনেনা যেন! যেটুকু ভালো ছিলাম হয়েছি পাগল
আমি যে তোমারি ছাগল! হুম….

আবার শোনো, আমার ছিল টার্গেট ওই 1956
তাই প্রেমের জালে ধরলাম একখান দামী ইলিশ
শেষ দুঃখটুকু পেলাম যখন বয়স ৩৬
আর তখনি প্রথম প্রেম হয় যে ডিসমিস
ও মেয়ের প্রেম আমার দেহের কমালো ওজন
ও মেয়ের প্রেম হৃদয়ে ধরালো পচন

আর দিবেন না প্লিজ উ-উপদেশ
ও… প্লিজ, চুপিচুপি চুপিচুপি চুপিচুপি বলছি-
কেউ শোনেনা যেন! যেটুকু ভালো ছিলাম হয়েছি পাগল
আমি যে তোমারি ছাগল! হুম….