ব্যান্ড

চল বদলে যাই

সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে
সেই আমি কেন তোমাকে দুঃখ দিলেম
কেমন করে এত অচেনা হলে তুমি
কিভাবে এত বদলে গেছি এই আমি
ও বুকের সব কষ্ট দু’হাতে সরিয়ে
চল বদলে যাই

তুমি কেন বোঝ না তোমাকে ছাড়া আমি অসহায়
আমার সবটুকু ভালবাসা তোমায় ঘিরে
আমার অপরাধ ছিল যতটুকু তোমার কাছে
তুমি ক্ষমা করে দিও আমায়

কত রাত আমি কেঁদেছি
বুকের গভীরে কষ্ট নিয়ে
শূন্যতায় ডুবে গেছি আমি
আমাকে তুমি ফিরিয়ে নাও

তুমি কেন বোঝ না…

যতবার ভেবেছি ভুলে যাব
তারও বেশি মনে যায়
ফেলে আসে সেই সব দিনগুলো
ভুলে যেতে আমি পারি না

তুমি কেন বোঝ না…।।

ব্যান্ড

যাত্রা

হৈ হৈ কান্ড রৈ রৈ ব্যাপার
নাচে গানে মত মাতবে সবার
চারিদিকে দর্শক করে থৈ থৈ
নাচ দেখে গান শোনে করে হৈ চৈ

রাত ভোর ওঠে রোল বাহারে বাহারে বা
অপূর্ব রওশন অপেরার যাত্রা
নাচ গানে ভর পুর যাত্রাপালা

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

রাত ভারী হতে থাকে যত
ঝুমুর ঝুমুর নাচ বাড়বে তত
নায়িকার ক্রন্দন হাসি তামাশা
ভিলেনের ভয়াল চিৎকার
আজকের পাল হবে দেখে যা দেখে যা

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

কদমতলীর খোলামাঠে
যাত্রা প্যান্ডেল ঐ দেখা যায়
একদল ডানা কাটা পরীর সাথে
হাজার দর্শক মেতে ওঠে
চিৎকার করে বলে হুররে হুররে

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

হৈ হৈ কান্ড রৈ রৈ ব্যাপার
নাচে গানে মত মাতবে সবার
চারিদিকে দর্শক করে থৈ থৈ
নাচ দেখে গান শোনে করে হৈ চৈ

রাত ভোর ওঠে রোল বাহারে বাহারে বা
অপূর্ব রওশন অপেরার যাত্রা

বেদের মেয়ে জোছনা
বেদের মেয়ে জোছনা

ব্যান্ড

দুষ্টু ছেলের দল

মোরা শাসন মানিনা, বারণ-ও শুনিনা
করি তাল-বাহানা, করি নানা ছলনা

মোরা গলা ছেড়ে গান গাই
গোপনে প্রিয়ার কাছে প্রেমের পত্র পাঠাই

দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দে দে তালি, দে তালি

প্রেম প্রেম প্রেম প্রেমে প্রেমে প্রেমে খেলা খেলি
স্বপনের জগতে লীলা খেলি

মোরা হাটে হাড়ি ভাঙ্গি, ভরা গাঙ্গে ধরি পাড়ি,
ডুব সাতারের খেল খেল খেলাই

দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দে দে তালি, দে তালি

চায়ের কাপে ঝড় তুলি, তুড়ি দিয়ে কথা বলি,
মোরা সুন্দরী মেয়ে দেখে বাজাই সিটি

দেরি করে স্কুলে আসি, লাস্ট বেঞ্চে বসি,
ক্লাস ফাকি দিয়ে সিনেমা দেখি

প্রেমিকার তিলে প্রেমের মদিনা, মার ছক্কা
প্রিয় মুখ দেখে বাতাসে চুমু খাই
ঊঊউউম্মাহ, ঊঊউউম্মাহ
দে দে তালি, দে তালি

সারা দিন বনবন, সারা দিন টইটই
দিয়ে যাই তালে তাল
পাবলিক, দে তালি

করি নানা গুল বাজী, অকাজের বড় কাজী
ঠনাঠনাঠনাঠনঠন কাজের বেলায়

দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দুষ্ট ছেলের দল, ছন্নছাড়ার দল
দে দে তালি, দে তালি
দে দে তালি, দে তালি
দে দে তালি, দে তালি

ব্যান্ড

গুরু

গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া

এই ঘরেতে আমি ছাড়া আর থাকে না কেহ
পোকামাকড় খাইয়া গেলো সুন্দর ঐ দেহ
তোমার কাছে চাইরে পানা
কইরোনা কইরোনা মানা
ঐ গুরু কান্দিয়া, ঐ গুরু কান্দিয়া

ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া

আমার রুহু আমার মাঝে নাইতো এখন গুরু
করতে হবে আজ থেকে হায় নতুন জীবন শুরু
রোদটি এমন হাসবে কবে
সাজানো আজ শেষ কি হবে
মুক্তির স্বাদ নিয়া, মুক্তির স্বাদ নিয়া
ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া দরজা জানলা কিছু নাই
ক্যামনে তোমায় দেখতে পাই
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া

ব্যান্ড

আজ জন্মদিন তোমার

আজকের আকাশে অনেক তারা, দিন ছিল সূর্যে ভরা,
আজকের জোছনাটা আরো সুন্দর, সন্ধ্যাটা আগুন লাগা
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য ভরে থাকা ভালো লাগা
মুখরিত হবে দিন গানে গানে আগামীর সম্ভাবনা

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
শুভেচ্ছা তোমায়
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়

আজ জন্মদিন তোমার

তোমার জন্য এই রোদেলা স্বপ্ন সকাল
তোমার জন্য হাসে অনরল স্নিগ্ধ বিকেল
ভালবাসা নিয়ে নিজে তুমি, ভালোবাসো সব সৃষ্টিকে

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
শুভেচ্ছা তোমায়
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়

আজ জন্মদিন তোমার

তোমার জন্য ফোঁটা পৃথিবীর সব গোলাপ
তোমার জন্য এই কবিতা নয় সে প্রলাপ
আলোকিত হয়ে নিজে তুমি, আলোকিত কর পৃথিবীকে

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ ,
শুভেচ্ছা তোমায়
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়

আজ জন্মদিন তোমার

ব্যান্ড

আমার পথ চলা

আমার পথ চলা আমার পথে
যেন বেলা শেষে আকাশ কার মোহে
আমার স্বপ্ন আমার সাথে
যেন স্বপ্নে ফিরে আসে স্বপ্ন হয়ে
খুঁজে পায় জীবনের তীর
জীবনকে কোন স্বপ্ন ভেবে

আমি কার আশাতে
ছুটে চলি পথে পথে
যেন কার মায়াতে
বাধা পড়েছে জীবন যে
কত সুখ কল্পনা
কত মিথ্যে প্রলভন
কষ্টের প্রতিটিক্ষন
শোনায় তার আহবান

আমার আলোয় আলোকিত
হতে চেয়ে আধাঁরে মিলিয়ে
আমার স্বপ্ন আমার সাথে
যেন স্বপ্নে ফিরে আসে স্বপ্ন হয়ে
খুঁজে পায় জীবনের তীর
জীবনকে কোন স্বপ্ন ভেবে

আমি কার আশাতে
ছুটে চলি পথে পথে
যেন কার মায়াতে
বাধা পড়েছে জীবন যে
কত সুখ কল্পনা
কত মিথ্যে প্রলোভন
কষ্টের প্রতিটিক্ষন
শোনায় তার আহবান

আমি আজ নেই তবু
কত সুর ওঠে বেজে
তোমার ঐ গানের মাঝে
এই পথ গেছে মিশে
আমার বেলা শেষে
স্বপ্ন ফিরে আসে
পৃথিবীর দূর দেশে
জীবনকে কোন এক স্বপ্ন
ভেবে……..

ব্যান্ড

মাঝ রাতে চাঁদ

মাঝ রাতে চাঁদ যদি
আলো না বিলায়
ভেবে নেবো আজ তুমি চাঁদ দেখোনি
আকাশের নীল যদি আধাঁরে মিলায়
বুঝে নেবো তারে তুমি মনে রাখোনি।

আকাশের বুক চিরে যদি ঝরে জল
বুঝে নেবো অভিমানে তুমি কেঁদেছো
সরোবরে যদি ফোটে রক্ত কমল
অনুভবে বুঝে নেবো মান ভেঙ্গেছো।

রূপালী বিজলী যদি নিরব থাকে
কেঁদোনা ভেবো শুধু আমিতো আছি
স্বপ্নলোকেতে যদি ময়ূরী ডাকে
বুঝে নিও আমি আছি কাছাকাছি।

ব্যান্ড

মেলা

লেগেছে বাঙালীর ঘরে ঘরে
একি মাতনদোলা
লেগেছে সুরেরই তালে তালে
হৃদয় মাতনদোলা

বছর ঘুরে এল আরেক প্রভাতী ফিরে এল
সুরেরই মঞ্জুরী
পলাশ শিমুল গাছে লেগেছে আগুন
এ বুঝি বৈশাখ এলেই শুনি

মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে
বাসন্তী রঙ শাড়ি পড়ে ললনারা হেঁটে যায়
মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে
বখাটে ছেলের ভিড়ে ললনাদের রেহাই নাই
মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে

লেগেছে রমনীর খোঁপাতে
বেলী ফুলের মালা
বিদেশী সুগন্ধি মেখে আজ
প্রেমের কথা বলা
রমনা বটমুলে গান থেমে গেলে
প্রখর রোদে এ যেন মিছিল চলে
ঢাকার রাজপথে রঙের মেলায়
এ বুঝি বৈশাখ এল বলেই

মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে
বাসন্তী রঙ শাড়ি পড়ে ললনারা হেঁটে যায়
মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে
বখাটে ছেলের ভিড়ে ললনাদের রেহাই নাই
মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে…মেলায় যাইরে