ব্যান্ড

কিছু ভুল ছিল তোমার

কিছু ভুল ছিল তোমার, কিছু আমার
তুমি করোনি স্বীকার বন্ধু, আমি করেছি
একসাথে চলতে, কথা বলতে
কত ভুল বোঝাবুঝি হয় স্বাভাবিক, তুমি বোঝনি।

যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।

যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।

এই ছন্নছাড়া অগোছালো জীবনে
কেন এসেছিলে সব সাজাতে, হায় কে জানে,
সব গড়েছ তুমি, আবার ভেঙ্গেছ নিজেই
রেখে গেছ বিস্মৃতির অবগাহনে
যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।

যদি স্বীকার করতে বন্ধু, তুমি হতেই জয়ী
আমি পরাজয় মেনে নিয়ে ভাবতাম, তুমি জয়ী।

ব্যান্ড

লুটপাট হয়ে যাবে

চলতি পথে যাদুকর ভালবাসা
প্রেমিক ডাকাতের মত
তোমাকে ছিনিয়ে নেবে
মৌসুমী বাতাসে উড়ে যাবে ভালবাসা
হৃদয়ের চোরা পথে
তুমি হারিয়ে যাবে
তুমি লুটপাট হয়ে যাবে
তুমি চৌচির হয়ে যাবে
তুমি লুটপাট হয়ে যাবে
তুমি চৌচির হয়ে যাবে।

চোখের ইশারায়
ছোড়ে দেব সুতীখ্ন চুম্বন
তুমি দিশেহারা হয়ে যাবে
তুমি পথহারা হয়ে যাবে
অনন্ত আকাশে উড়ে যাবে ভালবাসা
অন্তরে মাঠে ঘাটে
তুমি সব বিকিয়ে দেবে।
এই চোখে তাকিও না
লুটপাট হয়ে যাবে
তুমি এই চোখে তাকিও না
লুটপাট হয়ে যাবে।

তর্জনী উঁচিয়ে
জ্বেলে দেব সবুজ আগুন
তুমি নজরবন্দী হয়ে যাবে
তুমি ঘুমহারা হয়ে যাবে
নিশাচর স্বপনে
আততায়ী ভালবাসা
ভবঘুরে এই মন
তোমাকে কাছে টেনে নেবে।
এই চোখে তাকিও না
লুটপাট হয়ে যাবে
এই চোখে তাকিও না
লুটপাট হয়ে যাবে।

এই চোখে তাকিও না
তুমি লুটপাট হয়ে যাবে
তুমি চৌচির হয়ে যাবে
তুমি লুটপাট হয়ে যাবে।

ব্যান্ড

সাদাকালো

তুমি বল বৃষ্টি পড়ছে
তুমি হাস তাই দেখে
কেন বুঝিনা।
আমি বলি আকাশ কাঁদছে
আকাশেরও আছে দু:খ কিছু
না বলা কথা।
বুঝাতে পারিনা তোমায়
তাই স্বপ্ন আমার হয়না রঙ্গিন
থেকে যায় সাদাকালো।

সূর্যের অপমানে
আকাশে যখন জমে কালো মেঘ
আমি বলি আকাশ বিরহে কাতর
পেতে চায় মাটির আদর।
সূর্যের অপমানে
আকাশে যখন জমে কালো মেঘ
আমি বলি আকাশ বিরহে কাতর
পেতে চায় মাটির আদর।
বুঝাতে পারিনা তোমায়
তাই স্বপ্ন আমার হয়না রঙ্গিন
থেকে যায় সাদাকালো।

বর্জে্র হুংকারে
আকাশ যখন লুকায় মাটিতে
আমি বলি আকাশ স্বপ্ন দেখে
মাটিকে বুকে রেখে।
বর্জে্র হুংকারে
আকাশ যখন লুকায় মাটিতে
আমি বলি আকাশ স্বপ্ন দেখে
মাটিকে বুকে রেখে।
বুঝাতে পারিনা তোমায়
তাই স্বপ্ন আমার হয়না রঙ্গিন
থেকে যায় সাদাকালো।

তুমি বল বৃষ্টি পড়ছে
তুমি হাস তাই দেখে
কেন বুঝিনা।
আমি বলি আকাশ কাঁদছে
আকাশেরও আছে দু:খ কিছু
না বলা কথা।
বুঝাতে পারিনা তোমায়
তাই স্বপ্ন আমার হয়না রঙ্গিন
থেকে যায় সাদাকালো।

ব্যান্ড

যতটা পথ তুমি চিনে রেখেছ

যতটা পথ তুমি চিনে রেখেছ
ততটাই পথ আমি আমি চিনে রেখেছি
পারবে কি আমাকে ফেরাতে তুমি
আমি পথেরই মাঝে সবুজ ঘাস
তোমার পায়ে পায়ে জড়িয়ে রব
ছোঁড়াকাঁটার মত জড়াব আঁচল।
পারবে কি আমাকে ফেরাতে তুমি।

তোমার ঘুমে স্বপ্ন হয়ে আসব কাছে আমি
তোমার সকালে ঘুম ভাঙ্গাব দোয়েলের শিষ হয়ে
এভাবে সারাক্ষণ থাকব আমি
পারবে আমাকে ফেরাতে তুমি।

চলার পথে ক্লান্ত হলে ছায়া হব তোমার
দু:খ সুখে দীর্ঘশ্বাসে ছোঁব হৃদয় তোমার
আলোকিত আমি আঁধারে তোমার
পারবে আমাকে ফেরাতে তুমি।

যতটা পথ তুমি চিনে রেখেছ
ততটাই পথ আমি আমি চিনে রেখেছি
পারবে কি আমাকে ফেরাতে তুমি।
যতটা পথ তুমি চিনে রেখেছ
ততটাই পথ আমি আমি চিনে রেখেছি
পারবে কি আমাকে ফেরাতে তুমি।
আমি পথেরই মাঝে সবুজ ঘাস
তোমার পায়ে পায়ে জড়িয়ে রব
ছোঁড়াকাঁটার মত জড়াব আঁচল।
পারবে কি আমাকে ফেরাতে তুমি।

ব্যান্ড

কখনও কোন পথের মাঝে

কখনও কোন পথের মাঝে
দেখা হয়ে যায় যদি
জানতে চেওনা আমি কেমন আছি
আমাকে দেখে তুমি বুঝে নিও
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে কষ্টে

এই চোখের জলে সাগরটা ব্যাথা পেয়ে
হয়ে গেছে বড় বেশি লোনা,
রক্তক্ষরণে বুকটাতে এত ক্ষত জমে গেছে
এই বুকটাকে আর যায়না যে চেনা।
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে কষ্টে

ঝড়ো বাতাসে মোম
জ্বলে জ্বলে শেষ হয়ে যায়
বাঁচার পথটি তবু
খুঁজে নিতে চায়।
আমার এ দুচোখ শুধু
আঁধারের রুপ দেখে
নি:শেষ হয়ে শেষ খুঁজে
তুমি কোথায়।
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে কষ্টে।

কখনও কোন পথের মাঝে
দেখা হয়ে যায় যদি
জানতে চেওনা আমি কেমন আছি
আমাকে দেখে তুমি বুঝে নিও
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে আছি
কত কষ্টে কষ্টে

ব্যান্ড

মাঝে মাঝে

মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একা লাগে
অতীতের সাথে হয় কথোপকথন,
মাঝে মাঝে নিজেকে বড় শূণ্য লাগে
দাঁড়িয়ে থাকা দূরের সাদা কাফন।
ও থেমে যায়, ভেঙ্গে যায়
জীবনের কোলাহল।
মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একা লাগে
অতীতের সাথে হয় কথোপকথন।

হৃদয়ের মাঝে সিংহাসনে
রেখেছিলাম যারে যতন করে
ভাবতেই অবাক লাগে যে বড়
সে আছে আজ অনেক দূরে।
হৃদয়ের মাঝে সিংহাসনে
রেখেছিলাম যারে যতন করে
ভাবতেই অবাক লাগে যে বড়
সে আছে আজ অনেক দূরে।
ও থেমে যায়, ভেঙ্গে যায়
জীবনের কোলাহল।
মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একা লাগে
অতীতের সাথে হয় কথোপকথন।

আশার নয়ন সাগরেতে
ভাসিয়ে ছিলাম যে সুখের তরী
জেনেছি অনেকটা পথ এসে
মিথ্যে সকল আয়োজন।
আশার নয়ন সাগরেতে
ভাসিয়ে ছিলাম যে সুখের তরী
জেনেছি অনেকটা পথ এসে
মিথ্যে সকল আয়োজন।
ও থেমে যায়, ভেঙ্গে যায়
জীবনের কোলাহল।
…………………… বড় একা লাগে
…………………… কথোপকথন।
ও থেমে যায়, ভেঙ্গে যায়
জীবনের কোলাহল।

মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একা লাগে
অতীতের সাথে হয় কথোপকথন।

ব্যান্ড

ঘুমাও তুমি

তালপাখা হাতে নিয়ে
তোমার শিয়রে বসে
নির্ঘুম রাত কাটিয়ে দেব
ঘুমাও তুমি, ঘুমাও তুমি
ঘুমাও তুমি ঘুমাও……………।

দুর নক্ষত্রের প্রথম আলো
পড়বে যখন তোমার মুখে
তখন আমার ক্লান্ত দুচোখ
একটুখানি আসবে বুঁজে।
ঘুমাও তুমি, ঘুমাও তুমি
ঘুমাও তুমি ঘুমাও……………।

নৈ:শব্দের কান্না আমার
ছড়াব শুধু শিশির হয়ে
দীর্ঘশ্বাস খুব নীরবে
তোমায় ছুঁয়ে যাবে
ঘুমাও তুমি, ঘুমাও তুমি
ঘুমাও তুমি ঘুমাও……………।

ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………

তালপাখা হাতে নিয়ে
তোমার শিয়রে বসে
নির্ঘুম রাত কাটিয়ে দেব
ঘুমাও তুমি, ঘুমাও তুমি
ঘুমাও তুমি ঘুমাও……………।

ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………
ঘুমাও……………

ব্যান্ড

শেষ দেখা

নীরবে অভিমানে নিভৃতে
করছ তিলে তিলে নিজেকে শেষ,
কেন বল পৃথিবীতে কেউ কারো নয়
হয়ে গেছে ভালবাসা নি:শেষ।
বন্ধু ভেঙ্গে ফেল এই কারাগার
খুলে দাও সে হৃদয়ের প্রণয়ের দ্বার
হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা
হতেও পারে এই গান শেষ গান।
হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা
হতেও পারে এই গান শেষ গান।

হতেও পারে আমাদের এই
মিলনমেলা এক ইতিহাস
হতেও তোমার শীতল
চোখটাই যেন এক উচ্ছাস,
হতেও পারে বিষাদের এই
জনপদ প্রণয়ের তীর্থ
হতেও পারে তোমার একটু
নীরবতায় সে ব্যর্থ।
হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা
হতেও পারে এই গান শেষ গান।
হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা
হতেও পারে এই গান শেষ গান।

দু:খ আমার সাথেই আছে
তবু দেখ দু:খী আমি নইতো
ডাক দিয়ে যায় প্রণয়মেলায়
এতেই নিহিত সুখ হয়তো
কিসের এত দু:খ তোমার
সারাক্ষণ বসে বসে ভাবছ,
পৃথিবীতে বল বাঁচবে ক‘দিন
সময়টাতো বড় অল্প।
নীরবে অভিমানে নিভৃতে
করছ তিলে তিলে নিজেকে শেষ,
কেন বল পৃথিবীতে কেউ কারো নয়
হয়ে গেছে ভালবাসা নি:শেষ।
বন্ধু ভেঙ্গে ফেল এই কারাগার
খুলে দাও সে হৃদয়ের প্রণয়ের দ্বার
হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা
হতেও পারে এই গান শেষ গান।
হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা
হতেও পারে এই গান শেষ গান।

ব্যান্ড

প্রথম স্পর্শ

প্রথম স্পর্শ
প্রথম অনুভূতি
প্রথম প্রেম
প্রথম আকুতি
প্রথম কামনা
প্রথম বাসনা
প্রথম মিলনে
চরম যাতনা।
প্রথম মিলনে
চরম যাতনা।

প্রথম চাওয়া
প্রথম বিরহ
প্রথম পাওয়া
প্রথম কলহ
প্রথম রাত্রি
প্রথম দিন
প্রথম ভালবাসায়
তুলনাহীনা
প্রথম ভালবাসায়
তুলনাহীনা।

প্রথম কবিতা
প্রথম ছন্দ
প্রথম আবেগ
প্রথম দন্দ্ব
প্রথম কবিতা
প্রথম ছন্দ
প্রথম যৌবন
প্রথম নষ্ট
তুলনাহীনা
প্রথম স্পর্শ
প্রথম আকুতি
প্রথম প্রেম
প্রথম আকুতি
প্রথম কামনা
প্রথম বাসনা
প্রথম মিলনে
চরম যাতনা
প্রথম মিলনে
চরম যাতনা
প্রথম ভালবাসায়
তুলনাহীনা
প্রথম মিলনে
চরম যাতনা
প্রথম ভালবাসায়
তুলনাহীনা

ব্যান্ড

রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে

রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে
বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে,
রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে
বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে,
কেউ বাসেনি এত ভাল মোরে
কেমনে বন্ধু, বন্ধু ভুলি তোরে।
রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে
বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে।

কেউ দেখেনি, কেউ দেখেনি
আমার চোখে জল
তুইতো প্রথম বলেছিলি
কষ্টে ভাসে জল।
দেখেনি কেউ আমার চোখে জল
তুইতো প্রথম বলেছিলি
কষ্টে ভাসে জল।
কেউ বাসেনি এত ভাল মোরে
কেমনে বন্ধু, বন্ধু ভুলি তোরে।
রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে
বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে।

কেউ চোঁয়নি আমার বুকের ব্যথা
আরে তুইতো প্রথম চোঁয়েছিলি
দিয়ে মুখের কথা,
কেউ চোঁয়নি আমার বুকের ব্যথা
আরে তুইতো প্রথম চোঁয়েছিলি
দিয়ে মুখের কথা।
কেউ বাসেনি এত ভাল মোরে
কেমনে বন্ধু, বন্ধু ভুলি তোরে।
রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে
বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে।
রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে
বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে।
কেউ বাসেনি এত ভাল মোরে
কেমনে বন্ধু, বন্ধু ভুলি তোরে।
রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে
বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে।

ব্যান্ড

বাবা

ছেলে আমার বড় হবে
মাকে বলতো সে কথা
হবে মানুষের মত মানুষ এক
লেখা ইতিহাসের পাতায়
নিজ হাতে খেতে পারতাম না
বাবা বলতো ও খোকা
যখন আমি থাকবোনা
কি করবি রে বোকা
এ তো রক্তের সাথে রক্তের টান
স্বার্থের অনেক র্উধ্বে
হঠা” অজানা ঝড়ে তোমায় হারালাম
মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো
বাবা কতদিন কতদিন দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা তোমার মত
কোথায় খোকা ওরে বুকে আয়
বাবা কত রাত কত রাত দেখিনা তোমায়
কেউ বলে না মানিক কোথায় আমার
ওরে বুকে আয়।

চশমাটা তেমনি আছে
আছে লাঠি ও পাঞ্জাবি তোমার
ইজি চেয়ারটাও আছে
নেই সেখানে অলস দেহ শুধু তোমার
আজানের ধ্বনি আজো শুনি
ভাঙ্গাবেনা ভোরে ঘুম জানি
শুধু শুনিনা তোমার সেই
দরাজ কন্ঠে ভরা পবিত্র
কুরআনের বাণী।
বাবা কতদিন কতদিন দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা তোমার মত
কোথায় খোকা ওরে বুকে আয়
বাবা কত রাত কত রাত দেখিনা তোমায়
কেউ বলে না মানিক কোথায় আমার
ওরে বুকে আয়।

ছেলে আমার বড় হবে
মাকে বলতো সে কথা
হবে মানুষের মত মানুষ এক
লেখা ইতিহাসের পাতায়
নিজ হাতে খেতে পারতাম না
বাবা বলতো খোকা ও খোকা
যখন আমি থাকবোনা
কি করবি রে বোকা
এ তো রক্তের সাথে রক্তের টান
স্বার্থের অনেক র্উধ্বে
হঠা” অজানা ঝড়ে তোমায় হারালাম
মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো
বাবা কতদিন কতদিন দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা তোমার মত
কোথায় খোকা ওরে বুকে আয়
বাবা কত রাত কত রাত দেখিনা তোমায়
কেউ বলে না মানিক কোথায় আমার
ওরে বুকে আয়।

ব্যান্ড

এই রাত

ছলনার বালুচরে
বুঁনেছি আমি
একটি স্বপ্ন
জ্বালিয়েছি শিখা
এই পূর্ণিমায়
এই রাত তোমার
আমার……..
এই রাত আর কারো নয়।
এই রাতে জন্ম নেবে
তোমার আমার একটা নি:শ্বাস
এই রাতে ছুঁয়ে যাবে
তোমার আমার সকল উচ্ছাস
এই রাতে ছুঁয়ে যাবে
এই রাত তোমার
আমার……..
এই রাত আর কারো নয়।

বুকেরই চিলেকোঠায়
বেঁচে আছি নীরবে আমি
জেগে আছি আজ ও
সেই চেনা পথ ধরে
এই রাত তোমার
আমার……..
এই রাত আর কারো নয়।
আ লা লা লা

এই রাতে সাজিয়ে দেব
আঁধার রাতের জোনাকির আলোয়
এই রাতে হারিয়ে যাব
তোমার আমার এই পথচলায়
এই রাত তোমার
আমার……..
এই রাত আর কারো নয়।

ব্যান্ড

পদ্ম পাতার জল

কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিনী হয়ে খবর নিও না
কবিতা, এই নিশাচর আমায় ভেবোনা সুখের মোহনা।
দেখবে আমাদের ভালবাসা হয়ে গেছে কখন যেন
পদ্ম পাতার জল। (2)
কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিনী হয়ে খবর নিও না
কবিতা, এই নিশাচর আমায় ভেবোনা সুখের মোহনা।

বেদনাসিক্ত অশান্ত এই মন
খুঁজে ফেরে মেটায় প্রয়োজন
যতদূর জানে এ ব্যাকুল হৃদয়
নীল বিষের পেয়ালা মনের বাঁধন।
বেদনাসিক্ত অশান্ত এই মন
খুঁজে ফেরে মেটায় প্রয়োজন
যতদূর জানে এ ব্যাকুল হৃদয়
নীল বিষের পেয়ালা মনের বাঁধন।
দেখবে আমাদের ভালবাসা হয়ে গেছে কখন যেন
পদ্ম পাতার জল। (2)
কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিনী হয়ে খবর নিও না
কবিতা, এই নিশাচর আমায় ভেবোনা সুখের মোহনা।

নয়ন গভীরে আঙ্গিনা
নিবিড়তার ছোঁয়ায় হৃদয় প্রতিমা
কোথায় হারালে বল পাব তোমায়
বসন্তে মাতাল আমি এক অপূর্ণতা।
নয়ন গভীরে আঙ্গিনা
নিবিড়তার ছোঁয়ায় হৃদয় প্রতিমা
কোথায় হারালে বল পাব তোমায়
বসন্তে মাতাল আমি এক অপূর্ণতা।
দেখবে আমাদের ভালবাসা হয়ে গেছে কখন যেন
পদ্ম পাতার জল। (2)

কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিনী হয়ে খবর নিও না
কবিতা, এই নিশাচর আমায় ভেবোনা সুখের মোহনা।
দেখবে আমাদের ভালবাসা হয়ে গেছে কখন যেন
পদ্ম পাতার জল। (3)

ব্যান্ড

দুখিনী দুঃখ করো না

চেয়ে দেখ উঠেছে নতুন সূর্য
পথে পথে রাজপথে চেয়ে দেখ রঙের খেলা
ঘরে বসে থেকে লাভ কি বল
এসো চুল খুলে পথে নামি
এসো উল্লাস করি…
দু:খিনি দু:খ করোনা…….দু:খিনি.. দু:খিনি।

আঁধারের সিঁদ কেটে আলোতে এসো
চোখের বোরখা নামিয়ে দেখ জোছনার গালিছা
ঘর ছেড়ে তুমি বাইরে এসো
চেয়ে রংধনু চেয়ে দেখ সাতরং
দু:খিনি দু:খ করোনা…….দু:খিনি.. দু:খিনি।

মিছিলের ভীড় ঠেলে সামনে এসো
দু:খের পৃষ্টা উল্টে দেখ স্বপ্নের বাগিছা
ঘরে বসে থেকে লাভ কি বল
এস হাতে হাত রাখি
এসো গান করি।
দু:খিনি দু:খ করোনা…….দু:খিনি.. দু:খিনি।

রা….রা…..রা
রারারা…..রা..

দু:খিনি দু:খ করোনা…….দু:খিনি.. দু:খিনি।
দু:খিনি দু:খ করোনা…….দু:খিনি.. দু:খিনি।

ব্যান্ড

লিখতে পারি না

লিখতে পারিনা কোন গান আজ তুমি ছাড়া
ভাবতে পারিনা কোন কিছু আর তুমি ছাড়া।
কিযে যন্ত্রনা এই পথচলা।

বিরহ স্মৃতি তোমাকে ঘিরে তুমি জাননা।
লিখতে পারিনা কোন গান আজ তুমি ছাড়া
ভাবতে পারিনা কোন কিছু আর তুমি ছাড়া।
কিযে যন্ত্রনা এই পথচলা
বিরহ স্মৃতি তোমাকে ঘিরে তুমি জাননা।

হারানো দিনগুলিতে ছিলে তুমি জড়িয়ে
এই মনের সীমান্তে ছিল সুখ ছড়িয়ে
হারানো দিনগুলিতে ছিলে তুমি জড়িয়ে
এই মনের সীমান্তে ছিল সুখ ছড়িয়ে
কিযে যন্ত্রনা এই পথচলা
বিরহ স্মৃতি তোমাকে ঘিরে তুমি জাননা।।

আকাশে চাঁদ ছিল একা
পাহাড়ি ঝর্ণা ঝরা
তাদের মনেতে ব্যথা ছিল কিনা বুঝিনি
আকাশে চাঁদ ছিল একা
পাহাড়ি ঝর্ণা ঝরা
তাদের মনেতে ব্যথা ছিল কিনা বুঝিনি
সে ব্যথা বুঝার আগে
হারিয়ে তোমাকে
তোমাকে হারিয়ে বেদনা ঝরেছে হৃদয়ে
কিযে বেদনা তুমি বোঝনা
তোমাকে ভুলে থাকা কোনদিন বুঝি হল না।।