ব্যান্ড

অবাক ভালবাসা

সব আলো নিভে যাক আঁধারে
শুধু জেগে থাক ঐ দূরের তারা রা
সব শব্দ থেমে যাক নিস্তব্ধতায়
শুধু জেগে থাক এই সাগর আমার পাশে
আহা হা হা আহা হা…………….।।
সব বেদনা মুছে যাক স্থিরতায়
হৃদয় ভরে যাক সহজ অবাক দৃষ্টিতে
থমকে দাঁড়িয়েছে মহাকাল এখানে
আহা হা হা আহা হা…………….।।
শুভ্র বালির সৈকতে এলোমেলো বাতাসে গীটার হাতে
নিস্তব্ধতা চৌচির উম্মাদ ঝংকারে কাঁদি
অবাক সুখের কান্না যেন চুনি হীরা পান্না
সাগরের বুকে আল্পনা এঁকে দিয়ে যায়
অবাক ভালোবাসায়……..
অবাক ভালোবাসায়……..।।
সব আলো নিভে যাক আঁধারে
শুধু জেগে থাক ঐ দূরের তারা রা
সব শব্দ থেমে যাক নিস্তব্ধতায়
শুধু জেগে থাক এই সাগর আমার পাশে
আহা হা হা আহা হা…………….।।
সব কষ্ট বয়ে যাক সুখের ঝড়
হৃদয় ভরে যাক সহজ মিল স্বপনে
হৃদয় গভীরে অবাক দৃষ্টিতে
থমকে দাঁড়িয়েছে মহাকাল এখানে
আহা হা হা আহা হা…………….।।
শুভ্র বালির সৈকতে এলোমেলো বাতাসে গীটার হাতে
নিস্তব্ধতা চৌচির উম্মাদ ঝংকারে কাঁদি
অবাক সুখের কান্না যেন চুনি হীরা পান্না
সাগরের বুকে আল্পনা এঁকে দিয়ে যায়
অবাক ভালোবাসায়……..
অবাক ভালোবাসায়……..।।

ব্যান্ড

শোনো ও বকুল

শোনো ও বকুল
মল্লিকা হাসনু-হেনা
শোনো শোনো
তোমরা সবাই শোনো
মালতী আমার প্রিয় ফুল

কালো ভ্রমর হয়ে
তাকে ভালোবেসে আমি
করেছি কি কোন ভুল

জানি না কি চোখে আমায় দেখে সে
কালো বরন সে কি ভালোবাসে
প্রেমেরই অনুরাগে
দোলে কি তার মন দোদুল
শোনো ও বকুল
মল্লিকা হাসনু-হেনা

জানি না তার রূপে এমন কি আছে
দু’চোখ বরন হলো মধু সাঁঝে
করেছে বশীকরন
না দেখে হই যে আকুল

শোনো ও বকুল
মল্লিকা হাসনু-হেনা
শোনো শোনো
তোমরা সবাই শোনো
মালতী আমার প্রিয় ফুল

ব্যান্ড

ভাল লাগে জোৎস্না রাতে

ভাল লাগে জোৎস্না রাতে
মেঘ হয়ে আকাশে ভাসতে
ধানের শীষে বাতাস হয়ে
কৃষানীর মন ছুয়ে যেতে
ভাল লাগে রোদ হয়ে
ঐ পাখির ডানা ছুয়ে খেলতে।।

আমার জানালায় উদাস দুপুর
কবিতার বই খুলে দেখছি
গায়ের সে পথে জামের মুকুল
পরে আছে পাকা লাল বটফল।

এক গরুর গাড়ি সেই যে পথে
ক্লান্তির ছাপ রেখে চলছে।।

সেগুন কাঠের ঐ দরজা ভেঙ্গে
বিকালে রোদ এসে থামলে
আমার কবিতা শুক-সারী হয়ে
মগ্ন চেতনার শীষ দেয়।

আমি পিয়ানোতে হাত রেখে
ভাল লাগা সব ধরে রাখছি।।

ব্যান্ড

পদধ্বনি

কোথাও থামেনি তোমার পদধ্বনি,
শুকনো পাতার উড়াও থামেনি৷
পিছুটানেও কভু পিছে ফেরোনি,
সামনের পথই শুধু বাস্তব জানি৷
অবাক অথৈ আবেগ,
রূদ্ধবোধে মাতাল বিবেক৷
অনন্ত চেয়ে থাকা,
আলোয় ভাস্কর্য গড়া৷
স্নায়ুরা এখনো শীতল,
মৌনতা রন্ধ্রে বিকল৷
পেলব হাওয়ার দল,
খুঁজে না পাওয়া তল৷
কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে হাসি,
ওদের ফাঁকে মেঘ আর পাখি৷
শেকড় ওখানে কেঁপে কেঁপে উঠে,
খাকি নাড়া দেয় শক্ত ভিতে৷

ব্যান্ড

ছেড়া চিঠির কথা

বৃষ্টির জলে ভিজেছে,
ছিড়েছে তোমার শেষ চিঠিটা
অজানায় হারিয়েছে চিঠির কথা..
বৃষ্টির জলে ভিজেছে,
ছিড়েছে তোমার শেষ চিঠিটা
অজানায় হারিয়েছে চিঠির কথা..
কি করে জানাব বল
হয়নি জানা ছেড়া চিঠির কথা….

ঠিকানা বদল হয়েছে তোমার
তাই আসে ফিরে চিঠি আমার….
আমিতো আছি আগেরই ঠিকানায়
আসেনা কেন চিঠি তোমার
কি করে জানাব বল
হয়নি জানা ছেড়া চিঠির কথা….

বৃষ্টির জলে ভিজেছে,
ছিড়েছে তোমার শেষ চিঠিটা
অজানায় হারিয়েছে চিঠির কথা..
কি করে জানাব বল
হয়নি জানা ছেড়া চিঠির কথা….

অজানা কত প্রশ্ন ছিল
উত্তর তুমি পাওনি যার
সেই ক্ষেোভে ভুলনা আমায়
এখনও আছি চিঠির প্রতীক্ষায়।
কি করে জানাব বল
হয়নি জানা ছেড়া চিঠির কথা….

বৃষ্টির জলে ভিজেছে,
ছিড়েছে তোমার শেষ চিঠিটা
অজানায় হারিয়েছে চিঠির কথা..
বৃষ্টির জলে ভিজেছে,
ছিড়েছে তোমার শেষ চিঠিটা
অজানায় হারিয়েছে চিঠির কথা..
কি করে জানাব বল
হয়নি জানা ছেড়া চিঠির কথা….

ব্যান্ড

ভালবাসা মেঘ

মেঘ ঝড়ে ঝড়ে বৃষ্টি নামে,
বৃষ্টির নাম জল হয়ে যায়
জল উড়ে উড়ে আকাশের গায়ে
ভালবাসা নিয়ে বৃষ্টি সাজায়
ইচ্ছে গুলো ভবঘুরে হয়ে, চেনা অচেনা হিসেব মেলায়
ভালবাসা তাই ভিজে একাকার, ভেজা মন থাকে রোদের আশায়
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস, না হয় থাকিস
যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল।
চুপি চুপি রোদ, উঁচু নীচু মেঘ, সারি সারি গাড়ি
দূরে দূরে বাড়ি……
নিভু নিভু আলো, চুপ চাপ সব কনকনে শীত
ছম ছমে ভয়……
সংলাপ সব পড়ে থাক, বৃষ্টিতে মন ভিজে যাক
ভালবাসা মেঘ হয়ে যাক।
ঘুরে ঘুরে যদি, দূরে দূরে তবু মেঘে মেঘে থাক ভালবাসা
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস, না হয় থাকিস
যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল।
মেঘ ঝড়ে ঝড়ে …… জল উড়ে উড়ে …..
ভালবাসা তাই …… ভেজা মন থাক …..
ঝিরি ঝিরি হাওয়া কৃষ্ণচূড়ায়, লাল লাল ফুলে,
ছুটে ছুটে চলা ……
আধো আলো ছায়া, গুণ গুণ গাওয়া
পুরনো দিনের গল্প বলা ……
সংলাপ সব পড়ে থাকে, বৃষ্টিতে মন ভিজে যাক
ভালবাসা মেঘ হয়ে থাক।
ঘরে ফেরা পথে, নিরবে নিভৃতে মেঘে মেঘে থাক ভালবাসা
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস, না হয় থাকিস
যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল।

ব্যান্ড

এতোটা ভালোবাসি

যখন নিঝুম রাতে সব কিছু চুপ নিষ্প্রাণ নগরীতে,
ঝিঝিরাও ঘুম
আমি চাঁদের আলো হয়ে
তোমার কালো ঘরে জেগে রই সারা নিশি,
হুম্মম্মম
এতোটা ভালোবাসি ।
এতোটা ভালোবাসি

একি অপরূপ সুন্দর তার, স্বপ্নের বর্ষা রাতে
আমি ভিজে ভিজে মরি মিছে, মগ্ন প্রভাতে,
দেখি ভীষণ অন্ধকার মাঝে
আলো-ছায়ায় তার নুপূর বাজে
আমি যে ভেবে ভেবে শিহরিত ।

আমি সূর্যের আলো হয়ে তোমার চলার পথে
ছায়া হয়ে তোমায় দেখি, হুম্মম্মম
এতোটা ভালোবাসি ।
এতোটা ভালো ও ও বাসি

ব্যান্ড

চেনা জগৎ- ভাইব

আমার চেতনার যত উদ্ধৃতি
চেনা স্বত্বার কত আকৃতি
সবই আবছা আলেয়ার
অজানা ভাষার আলোর মায়া

চেনা পৃথিবীর ম্লান আলোতে
দেখা স্বপ্নের ছাপ খুঁজি
নীলিমায় হারিয়ে যাই
ব্যর্থতার গ্লানির অট্টহাসি

এত চেনা জগৎ, সকল স্মৃতির পঙক্তিমালা
সবই রয়ে যায় অদেখা
সবই আবছা কাঁচে ঝাপসা আলোর মায়া

অপরিষ্কার এই উদ্দাম মাতাল চেতনা
আপন চিন্তার রহস্যময় আয়নাতে

চিরচেনা যে আমার এই জগত
দাঁড়িয়ে বলে পরিহাসে
আমাকে জানা না জানার ভুল প্রয়াসে
হারাবে মহাকালে

এত চেনা জগৎ, সকল স্মৃতির পঙক্তিমালা
সবই রয়ে যায় অদেখা
সবই আবছা কাঁচে ঝাপসা আলোর মায়ায়

এত চেনা জগৎ, সকল স্মৃতির পঙক্তিমালা
সবই রয়ে যায় অদেখা
সবই আবছা কাঁচে ঝাপসা আলোর মায়া
অপরিষ্কার এই উদ্দাম মাতাল চেতনায়

ব্যান্ড

অধরা

আমি সর্বস্বান্ত বড় ক্লান্ত আমার পথের তবুও নেই কোন শেষ
এ পথ ঘুরে ও পথে আমার অস্ত্বিত্যের ছধ্যবেশ।
আমি সর্বস্বান্ত বড় ক্লান্ত আমার পথের তবুও নেই কোন শেষ
এ পথ ঘুরে ও পথে আমার অস্ত্বিত্যের ছধ্যবেশ।

বয়ে চলা নদীর মতো ই আমার… আবেশ।

খুঁজি তোমায় সেই ক্ষীণ আলোর মাঝে
রঙ্ঘধনু বাকে ঘেরা এক সাঁঝে।
আমার প্রার্থনা, অধরা সেই সুখের অন্যেষনে…

আমি দিশেহারা এক পথিক, পথ হারিয়ে যেন পথ খুঁজে পাই
সৃষ্টির প্রশান্তি কেন হাতছানি দিয়ে ডাকে আমায়।
বিস্তৃত নীলনদ আর দিগন্তের রক্তিম আভা
এলোমেলো দিনের শেষে কি পেলাম বসে তাই ভাবা

পাহাড় গড়িয়ে নেমে আসা নীড়ের মতো।

খুঁজি তোমায় সেই ক্ষীণ আলোর মাঝে
রঙ্ঘধনু বাকে ঘেরা এক সাঁঝে।
আমার প্রার্থনা…

বর্ণীল স্বপ্নের আকাশ আজ যেন মেঘে ঢাকা অপেক্ষার রোদে
ক্ষণিকের ভেঙ্গে পড়া শেষে আবার ছুটির সেই স্বপ্নের খোঁজে।

খুঁজি তোমায় সেই ক্ষীণ আলোর মাঝে
রঙ্ঘধনু বাকে ঘেরা এক সাঁঝে।
আমার প্রার্থনা…

অধরা সেই সুখের অন্যেষনে…

ব্যান্ড

মনে পড়ে

কালো কালো, এলোমেলো অগোছালো একরাশ চুল।

স্মৃতিগুলো থমকে থাকে,
আজ আকাশ মেঘে ঢাকা, মনে তার ছবি আঁকা।
মনে পড়ে এ এ এ… মনে পড়ে আ আ।

কালো কালো, এলোমেলো অগোছালো একরাশ চুল
স্মৃতিগুলো থমকে থাকে,
আজ আকাশ মেঘে ঢাকা, মনে তার ছবি আঁকা।
মনে পড়ে এ এ এ… মনে পড়ে আ আ।

পথে যেতে এলোচুল উড়াতো হাওয়া
মেঘরাঙ্ঘা শাড়িটার আঁচল বাওয়া।
পথে যেতে এলোচুল উড়াতো হাওয়া
মেঘরাঙ্ঘা শাড়িটার আঁচল বাওয়া।

পটভূমি দিগন্তে কালো কালো মেঘ
তুমি ছিলে যেন এক জড়ের আবেশ।

মনে পড়ে আ আ… মনে পড়ে।।

ব্যান্ড

এখন অনেক রাত

এখন অনেক রাত
খোলা আকাশের নিচে
জীবনের অনেক আয়োজন
আমায় ডেকেছে
তাই আমি বসে আছি
দরজার ওপাশে, দরজার ওপাশে…

আবেগী এমন রাতে
ভুল করে এই পথে
এসে যদি ফিরে যাও
আমায় না পেয়ে ।।
তাই আমি বসে আছি
দরজার ওপাশে, দরজার ওপাশে…

চলে যাওয়া সেই পথে
ঝিরি ঝিরি বাতাসে
আমার এই মন কাঁদে
তোমায় না পেয়ে

ব্যান্ড

মেয়ে

মেয়ে তুমি কি দুঃখ চেনো, চেনো না
মেয়ে তুমি কি আকাশ চেনো, চেনো না
তবে চিনবে কেমন করে এই আমাকে।।

মেয়ে তুমি ঝড় কি বোঝ, বোঝ না
মেয়ে তুমি রাত কি বোঝ, বোঝ না
তবে বুঝবে কেমন করে এই আমাকে
তবে চিনবে কেমন করে এই আমাকে।

মেয়ে তুমি পথ কি চেনো, চেনো না
মেয়ে তুমি পথিক চেনো, চেনো না
তবে খুঁজবে কেমন করে এই আমাকে
তবে চিনবে কেমন করে এই আমাকে

মেয়ে দুঃখ চেনো, চেনো না
মেয়ে ঝড় কি বোঝ, বোঝ না
তবে বুঝবে কেমন করে এই আমাকে
তবে চিনবে কেমন করে এই আমাকে

মেয়ে, মেয়ে, মেয়ে, মেয়ে
তুমি চিনবে কেমন করে আমাকে
বল মেয়ে, তুমি বুঝবে কেমন করে আমাকে

মেয়ে তুমি কি ছিঁড়তে পারো ফুলের বাগান
মেয়ে তুমি কি ভুলতে পারো স্পর্শ আমার
তবে ভুলবে কেমন করে এই আমাকে
তবে চিনবে কেমন করে এই আমাকে

মেয়ে তুমি কি দুঃখ চেনো, চেনো না
মেয়ে তুমি কি আকাশ চেনো, চেনো না
তবে চিনবে কেমন করে এই আমাকে।।

মেয়ে তুমি ঝড় কি বোঝ, বোঝ না
মেয়ে তুমি পথ কি চেনো, চেনো না
তবে বুঝবে কেমন করে এই আমাকে
তবে খুঁজবে কেমন করে এই আমাকে

ব্যান্ড

প্রতিক্রিয়া

বুকের বক্রতা বুকেই রাখতাম,
সময় উজাড় করে দুঃসময়ে,
মহাকালের খুব আশেপাশে
পর্দার আড়ালে ছায়া-শরীরে,
জাগতিক চেতনায় দাঁড়ালাম৷
সুরেলা কোন বাঁশির সুর,
দূরের পথিকের কাছেই মধুর৷
অজানা অনুভূতির মেলামেশা,
জানাজানির পর বোবা ভাষা৷
অশরীরিকে স্পর্শ করা যায়,
কল্পনার অবয়বে সবটুকুই৷
অন্তর মেললে আত্মার কাছে,
বিবেকের শুভ্রতায় বুদবুদ ভাসে;
অনন্ত নীলে বিলীন হয়ে রয়৷
ফেরারী চেতনা পাশ ফিরে চায়,
হাতের রেখা আড়শীর উপরে,
নিয়তির কাঁটা-ছেঁড়ার ক্ষীণ প্রবাহ,
রবাহুতরা অনাহুত, অলস অবচেতনায়৷

ব্যান্ড

এ শহর

চোরাবালির শহরে মানুষ ভর্তি মুখোশে
আড়াল করে রাখে মানবিকতার ক্যাকটাসে৷
বিষাক্ত-পাশবিক বোধে দৃশ্যপট অবচেতন
গনিকার শরীর জুড়ে চলছে গোপন গমন৷
ছুটে চলার বাহনে প্রকাশ্য চুম্বন, অথবা
জৈবিক কোন আচরন…..
এ শহর বিকৃতের, এ শহর যৌনতার;
এ শহর প্রেতাত্মার, এ শহর হসত্মমৈথুনের৷
এ শহর আত্মহননের, এ শহর মৃত প্রতিমার;
এ শহর লালসার, এ শহর…..
তুমিও চাইতে পারো, আমাদের মতো,
এ শহর বদলাতে;
বদলাতে গেলে বদলাতে হবে, অথবা
মৃতু্য নিশ্চিত জেনো আততায়ীর অপঘাতে৷
তবুও সূর্য উঠে নিসর্গ নগরে,
নাগরিক হাসি চাতক ঠোঁটে৷
খোলা কোনো মাঠে, কিশোরীর হাতে,
আবার ফুটপাতে, অথবা রাজপথ
মিছিল-রাঙাতে দৃপ্ত জয়রথে৷
এ শহর সৃষ্টিতে, এ শহর সৌম্যতার;
এ শহর কৃষ্টিতে, এ শহর স্বপ্ন বিতরনের৷
এ শহর উত্‍সবের, এ শহর নজরুলের,
এ শহর রবীন্দ্রের, এ শহর ভালোবাসার৷

ব্যান্ড

ফেলানী

একটা রাইফেল, একটা সীমান্ত।
একটা ভিনদেশী বুলেটের আততায়ী অনুপ্রবেশ।
কাটাতারের বেড়ায়, ঝুলছে কিশোরীর লাশ।
ধর্ষিত পতাকায় আমার অক্ষম বর্ধিত দীর্ঘশ্বাস!

ফেলানী আমার ভৌগলিক সীমান্তে লুন্ঠিত জাতীয়তা।
কাটাতারে গেঁথে রাখা ভন্ডামির মানবতা।
ফেলানী আমার কুৎসিত মৈত্রী সমৃদ্ধির বেশ্যা প্রবৃত্তি।
ভাড়ামীর বন্ধুত্বার দায় দন্ডিত জাতির পতাকা

তবু জেনে রাখিস ফেলানী, বন্ধুত্ব করেছিলাম ভালোবাসায়
একাত্তরের অভিধান আমি এখনো বেঁচেনি।।

কবিতার অংশঃ

“আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই
আজো আমি মাটিতে মৃত্যূর নগ্ননৃত্য দেখি,
ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে…
এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দু:স্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময় ?
রক্তের কাফনে মোড়া — কুকুরে খেয়েছে যারে, শকুনে খেয়েছে যারে
সে আমার ভাই, সে আমার মা, সে আমার প্রিয়তম পিতা।
স্বাধীনতা — একি হবে নষ্ট জন্ম ?
একি তবে পিতাহীন জননীর লজ্জার ফসল ?
জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে আজ পুরোনো শকুন
বাতাশে লাশের গন্ধ ভাসে
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ
বাতাশে লাশের গন্ধ ভাসে
বাতাশে লাশের গন্ধ ভাসে”

ফেলানী আমার
তোর জীবনের দামে চুপ মেরে থাকে দেশের সম্ভ্রম
আমিও ওদের মতো নির্লজ্জ জনগন
ফেলানী আমার,তোর জীবনের দামে
তবু চুপ মেরে থাকে দেশের সম্ভ্রম
আমিও ওদের মতো নির্লজ্জ জনগন

আমায় ক্ষমা করিস ফেলানী
১৪কোটি জনগন তোকে বাঁচাতে পারেনি