বিবিধ

নবী মোর পরশ মনি

নবী মোর পরশ মনি
নবী মোর সোনার খনি
নবী নাম জপে যে জন সেইতো দোজাহানের ধনী।।

নবী মোর নুরে খোদা
তার তরে সকল পয়দা
আদমের কলবেতে তারই নুরের রৌশনী।।

ঐ নামে সুর ধরিয়া
পাখী যায় গান করিয়া
ঐ নামে আকুল হইয়া ফুল ফোতে সোনার বরণী।।

চাঁদ সুরুয গ্রহ তারা
তারই নউরের ইশারা
নইলে যে অন্ধকারে ডুবিত এই ধরণী।।

নিদানে আখেরাতে
ত্বরাইতে পুল সিরাতে
কান্ডারী হইয়া নবী পার করিবেন সেই তরণী।।

বিবিধ

দুনিয়া সুন্দর মানুষ সুন্দর

দুনিয়া সুন্দর মানুষ সুন্দর
আসমান সুন্দর জমিন সুন্দর
সুন্দরে সুন্দরে পাল্লা
জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

ঝর্ণা ছুটে চলে একেবেকে
পৃথিবীর পথে কত ছবি একে
নদীরও কলতানে
সাগরের গর্জনে।
ঢেউয়ে ঢেউয়ে দেয় পাল্লা।।

বাগানে ফুঠে ফুল রাশি রাশি
রাতেরই তাঁরা ভরা চাদের হাসি।
গুন গুন গানে ঢেকে
মৌমাচি মধু চাকে।
ফুলে ফুলে করে হল্লা।।

দখিনা বাতাস গায়ে পরশ বুলিয়ে
তার টানে পাল তুলে নৌকা চলে
তোমারি নামে মনে
ভাটিয়ালি সুরের তানে
দাড় টেনে যায় মাঝি মাল্লা।।

বিবিধ

রংধনু ভাল লাগে নীল আকাশ

রংধনু ভাল লাগে নীল আকাশ
ভাল লাগে মেঘে চাঁদ
তার চেয়েও ভাল লাগে
তাঁরার উঠোনেতে জেগে থাকা সেই রাত।

বন্ধু তোমায় মনে পড়ে
বন্ধু তোমায় মনে পড়ে।।

ভাল লাগে শিশির ঝরা
ভিজে যাওয়া কিছু ঘাস ফুল
ভাল লাগে এক চিলতে রোদ
অকারনে করে ভুল

বন্ধু তোমায় মনে পড়ে
বন্ধু তোমায় মনে পড়ে।।

ভাল লাগে দখিন হাওয়া
চোখ বুজে কিছুক্ষণ
ভাল লাগে ****
অকারনে করে ভুল।

ভাল লাগে দখিন হাওয়া
চোখ বুজে কিছুক্ষণ
ভাল লাগে স্বপ্নগুলো
যাকে ঘিরে মন

বন্ধু তোমায় মনে পড়ে
বন্ধু তোমায় মনে পড়ে।।

বিবিধ

বন্ধুরে

ও বন্ধু তোমার বাড়ী তোমার ঘর তোমার আঙ্গিনা
সবখানে বিচরণ করি তুমি জান না।

তুমি যখন ঘুমাও থাকি তোমার স্বপনে
ভালবাসার কাজল হইলাম তোমার নয়নে

বন্ধুরে তুমি মোরে ভুইলা যাইও না।

আমি জ্বালাই প্রেমের বাতি তোমায় ভাবি সারারাতি
আমার চোখে ঘুমতো আসে না।

আমি থাকি আউলা চুলে আমি সবকিছু যাই ভুলে
কোন কাজে মন তো বসে না

তুমি যখন ঘুমাও থাকি তোমার স্বপনে
ভালবাসার কাজল হইলাম তোমার নয়নে

বন্ধুরে তুমি মোরে ভুইলা যাইও না।

এ কেমনতর জ্বালা এ যায় না কাউকে বলা
চুপি চুপি অন্তর পুড়ে ছাই।

এমন পিঞ্জরের মাঝে শুধু বিরহের সুর বাজে
তোমায় দেখি যেদিকে তাকাই

তুমি যখন ঘুমাও থাকি তোমার স্বপনে
ভালবাসার কাজল হইলাম তোমার নয়নে

বন্ধুরে তুমি মোরে ভুইলা যাইও না।।

বিবিধ

কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো

কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া
অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে গইয়া গইয়া।

ঘর বাঁধলাম প্রাণবন্ধের সনে
কত কথা ছিল মনে গো।।
ভাঙ্গিল আদরের জোড়া।।
কোনজন বাদী হইয়া।
জ্বলে গইয়া গইয়া।

কার ফলন্ত গাছ উখারিলাম
কারে পুত্র শোকে গালি দিলাম গো,
না জানি কোন অভিশাপে
এমন গেল হইয়া।
জ্বলে গইয়া গইয়া।

কথা ছিল সঙ্গে নিব
সঙ্গে আমায় নাহি নিল গো।।
রাধারমন ভবে রইল ।।
জিতে মরা হইয়া।
জ্বলে গইয়া গইয়া।
কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া,
অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে গইয়া গইয়া।

বিবিধ

নিশিতে যাইও ফুলবনে

নিশিতে যাইও ফুলবনে
– রে ভোমরা।
নিশিতে যাইও ফুলবনে।

জ্বালায়ে চান্দের বাতি
আমি জেগে রব সারা-রাতি গো ।।
আমি কব কথা শিশিরের সনে
– রে ভোমরা।
নিশিতে যাইও ফুলবনে।

যদিবা ঘুমায়ে পড়ি-
স্বপনের পথ ধরি গো,
তুমি নীরব চরণে যাইও
– রে ভোমরা।

আমার ডাল যেন ভাঙে না,
আমার ফুল যেন ভাঙে না,
ফুলের ঘুম যেন ভাঙে না।
তুমি নীরব চরণে যাইও
– রে ভোমরা।
নিশিতে যাইও ফুলবনে।।

বিবিধ

ও মোর বানিয়া বন্ধু রে

ও মোর বানিয়া বন্ধু রে
একটা তাবিজ বানাইয়া দে।
একটা মাদুলি বানাইয়া দে।
ওরে মরিয়া গিয়াছে
বিয়ার সোয়ামী স্বপনে আইসে।।

যে জন সোনার বানিয়া
নীতি করে সোনাকো না মোর
ওজন করিয়া দেয়।
ও মোর সাধের বানিয়া রে
ও মোর ভাবের বানিয়া রে
ওরে সোনা-রূপা মিশিল করে একটা
তাবিজ বানাইয়া দে।
ওরে মরিয়া গিয়াছে
বিয়ার সোয়ামী স্বপনে আইসে।।

হাতের নিলুক মোর কোচার নিল
হাকার রুমুক নিভুয়াতে
যাক মারিল লোকের কথাতে।
ও মোর ভাবের বানিয়া রে
ও মোর সাধের বানিয়া রে
ওরে দিবার চাইয়া নাকের
নোলক নাই দিলু মোরে।
ওরে মরিয়া গিয়াছে
বিয়ার সোয়ামী স্বপনে আইসে।।

বিবিধ

ও কারিগর, দয়ার সাগর, ওগো দয়াময়

ও কারিগর, দয়ার সাগর, ওগো দয়াময়
চান্নি পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়।

চান্নি পসর চান্নি পসর আহারে আলো ।।
কে বেসেছে কে বেসেছে তাহারে ভালো
কে দিয়েছে নিশি রাইতে দুধের চাদর গায়
কে খেলেছে চন্দ্র খেলা ধবল ছায়ায়

এখন খেলা থেমে গেছে মুছে গেছে রং ।।
অনেক দূরে বাজছে ঘণ্টা ঢং ঢং ঢং
এখন যাব অচিন দেশে, অচিন কোন গায়
চন্দ্রকারিগরের কাছে ধবল পঙ্খী নায়

ও কারিগর, দয়ার সাগর, ওগো দয়াময়
চান্নি পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়।

বিবিধ

ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা পান খাইয়া যাও

ও…ও বাঁশী
ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা পান খাইয়া যাও
বাঁশী আল্লাহ’র দোহায়
এই পরানের বিনিময় তোমার পরান দিও বাশী
আল্লাহ’র দোহায়…

ও…ও বাঁশী
বানের টানে টানে আইসো আমার পাণে
মধু লাগাইও মনে মজিও পানের গুনে আসিও ।।
আমার রঙ্গে পানের রঙ্গে রাঙ্গা হইও বাঁশী
আল্লাহ’র দোহায়…

ও…ও বাঁশী
ঘাটে আসিও পিড়ি পেতে দেব পাশে বসাব
মুখেতে পান দিব দিব রে
অন্যের হাতের পান ছাইড়া
আমার হাতের পান খাইয়ো ……

ও…ও বাঁশী
নাহি পান পানি দিনের পাখানি আছে
জগতে জানি আসিও গুল মনি আসিও
কোন রসেতে ডুইবা তুই দিনের অধিকারী
দিনের অধিকারী হইও…

বিবিধ

বর্ণে গন্ধে ছন্দে গীতিতে

বর্নে গন্ধে ছন্দে গীতিতে
হৃদয়ে দিয়েছো দোলা
রঙেতে রাঙিয়া রাঙাইলে মোরে
একি তব হরি খেলা
তুমি যে ফাগুন
রঙেরও আগুন
তুমি যে রসেরও ধারা
তোমার মাধুরী তোমার মদিরা
করে মোরে দিশাহারা

মুক্তা যেমন শুক্তিরও বুকে তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরাণে প্রেমের বিন্দু তুমি শুধু তুমি

প্রেমের অনলে জ্বালি যে প্রদীপ সে দীপেরও শিখা তুমি
জোনাকি পাখায় ঝিকিমিকি নেচে এ রীতি নাচালে তুমি
আপনও হারায়ে উদাসী প্রানের লহগো প্রেমান্জলি
তোমারে রচিয়া ভরেছি আমার বাউল গানের ঝুলি

মুক্তা যেমন শুক্তিরও বুকে তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরাণে প্রেমের বিন্দু তুমি শুধু তুমি

চমকি দেখিনু আমার প্রেমের জোয়ারও তোমারই মাঝে
হৃদয় দোলায় দোলাও আমারে তোমারও হিয়ারিই মাঝে
তোমারও প্রানের পুলকও প্রবাহ নিশীথে চাহিয়া মাতে
যত মোর নাম গাহ মোর গান আমারই একতারাতে

মুক্তা যেমন শুক্তিরও বুকে তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরাণে প্রেমের বিন্দু তুমি শুধু তুমি

বিবিধ

রঙিলা রঙিলা রঙিলা রে রঙিলা

রঙিলা রঙিলা রঙিলা রে রঙিলা
আমারে ছাড়িয়ারে বন্ধু
কই গেলা রে বন্ধু
কই রইলা রে
আমারে ছাড়িয়ারে বন্ধু
কই গেলা রে

তুমি হইও গাঙ রে বন্ধু
আমি গাঙের পানি
জোয়ারে ভাটাতে হবে
নিতই জানাজানি রে বন্ধু
নিতই জানাজানি
তুমি হইও ফুল বন্ধু
আমি হবো হাওয়া
দেশ বিদেশে ফিরবো আমি
হইয়া মাতেলা রে
হইয়া পাগেলারে

সেকালে কইছিলোরে বন্ধু
হস্ত দিয়া মাথে
তোমার মালার ফুল হইয়া
ফুইটা রব সাথে রে
ফুইটা রব সাথে
খালি কণ্ঠ খালি রইল
না পরিলাম মালা
না আইলো মোর প্রাণের পতি
(হায় হায় রে…)
ডুইবা গেলো বেলা রে
ডুইবা গেলো বেলা

বিবিধ

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া
আমার ভাইধন রে কইয়ো, নাইওর নিতো বইলা
তোরা কে যাস কে যাস…।।

বছর খানি ঘুইরা গেল, গেল রে
ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না

কইলজা আমার পুইড়া গেল, গেল রে
ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না
ছিলাম রে কতই আশা লইয়া
ভাই না আইলো গেল গেল, রথের মেলা চইলা
তোরা কে যাস কে যাস……

প্রাণ কান্দে , কান্দে
প্রান কান্দে কান্দে প্রান কান্দে রে, প্রান কান্দে
নয়ন ঝরে ঝরে নয়ন ঝরে রে, নয়ন ঝরে
পোড়া মনরে বুঝাইলে বুঝে না
কান্দে কান্দে প্রান কান্দে

সুজন মাঝিরে ভাইরে কইয়ো গিয়া
না আসিলে স্বপনেতে দেখা দিত বইলা
তোরা কে যাস কে যাস……

সিঁন্দুরিয়া মেঘ উইড়া আইলো রে
ভাইয়ের খবর আনলো না, আনলো না
ভাটির চরে নৌকা ফিরা আইলো রে
ভাইয়ের খবর আনলো না, আনলো না

নির্দয় বিধি রে তুমিই সদয় হইয়া
ভাইরে আইনো নইলে আমার পরান যাবে জ্বইলা
তোরা কে যাস কে যাস……

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া
আমার ভাইধন রে কইয়ো, নাইওর নিতো বইলা
তোরা কে যাস কে যাস |

বিবিধ

চাইছো না কেন?

চাইছো না কেন? বল কি চাও তুমি?
পৃথিবীটা জুরে মোর কারবার
যা ইচ্ছে তা, এই মন চায় যা
একবার চাইলে পাবে বারবার

এ জীবনে হয়তো পারবো না জানি
যা বলেছি দেবো ঠিকই
আমরা যখন, স্বর্গবাসী

তোমার মনে ইচ্ছে হলেই এনে দেব এক পলকে
যদি দেরি হয়ে যায়, একটু থেমো স্বর্গ দুয়ারে

চাও যদি নদী দেব সাগরের জল, অবিরাম বৃষ্টি উত্তাল ঝড়
চাও কুয়াশা দেব বরফের ঢল, কনকনে শীত আঁচল সম্বল

তোমার মনে ইচ্ছে হলেই এনে দেব এক পলকে
যদি দেরি হয়ে যায়, একটু থেমো স্বর্গ দুয়ারে

যাচ্ছো না বাইরে আজ অনেক রোদ
মেঘে ঢেকে দেব তা যা ইচ্ছে হোক
কাঁদছো তুমি ভিজে ওঠে দুই চোখ
মুছে দেব নিমিষে ভুলে যাবে শোক

চাও যদি আমাকে তুমি একবার
পাবে রাত্রি দুপুর আলো বা আঁধার
চাও যদি শুনতে এ গান আবার
এবারই প্রথম এটাই শেষবার
শুনে নাও তোমার মনে ইচ্ছে হলেই এনে দেব এক পলকে
যদি দেরি হয়ে যায়, একটু থেমো স্বর্গ দুয়ারে

চাইছো না কেন? বল কি চাও তুমি………।।

এ জীবনে হয়তো পারবো না জানি………।।

বিবিধ

দয়াল তোমারও লাগিয়া যোগিনী সাজিব

দয়াল তোমারও লাগিয়া যোগিনী সাজিব
তুমি কোনবা দেশে রইলারে দয়াল চান

তোমায় না দেখলে বাঁচে না আমার প্রাণ
তুমি কোনবা দেশে রইলারে দয়াল চান

দয়াল তোমারও লাগিয়া যোগিনী সাজিব।
আমি সঁইপা দিব আমার মন ও প্রাণ
তুমি কোনবা দেশে রইলারে দয়াল চান

দয়াল তোমারও লাগিয়া দেশে না বৈদেশে।

আমি পাইতাছি পিরিতির ফল।
তুমি কোনবা দেশে রইলারে দয়াল চান

যেমন শিমুলের তুলা বাতাসে ওড়ে রে।

তুমি সেই মতো উড়াইলা আমার প্রাণ।
তুমি কোনবা দেশে রইলারে দয়াল চান।।

বিবিধ

আমার বন্ধু দয়াময়

আমার বন্ধু দয়াময়
তোমারে দেখিবার মনে লয়।
তোমারে না দেখলে রাধার
জীবন কেমনে রয় বন্ধুরে।।

কদম ডালে বইসারে বন্ধু
ভাঙ্গ কদম্বের আগা।
শিশুকালে প্রেম শিখাইয়া
যৌবনকালে দাগা রে।।

তমাল ডালে বইসারে বন্ধু
বাজাও রঙের বাশি।
সুর শুনিয়া রাধার মন
হইলো যে উদাসি রে।।

ভাই বেরাদার রমন বলে
মনেতে ভাবিয়া।
নিভা ছিল মনের আগুন
কে দিলাই জ্বালাইয়া রে।।