বিবিধ

কফি হাউজ-২

স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নিখিলেশ লিখেছে প্যারিসের বদলে
এখানেই পুজোটা কাটাবে
কী এক জরুরী কাজে ঢাকার অফিস থেকে
মায়দুলকেও নাকি পাঠাবে
একটা ফোনেই জানি রাজি হবে সুজাতা
আসবেনা অমল আর রমা রায়
আমাদের ফাকি দিয়ে কবেই তো চলে গেছে
ওদের কখনো কি ভোলা যায়?
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
ওরা যেন ভালো থাকে একটু দেখিস তোরা
শেষ অনুরোধ ছিল ডিসুজার
তেরো তলা বাড়িতে সবকিছু আছে তবু
কিসের অভাব যেন সুজাতার
একটাও তার লেখা হয়নি কোথাও ছাপা
অভিমান ছিল খুব অমলের
ভালো লাগে দেখে তাই সেই সব কবিতাই
মুখে মুখে ফেরে আজ সকলের
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নাম যশ খ্যাতি আর অনেক পুরষ্কার
নিখিলেশ হ্যাপি থেকে গিয়েছে
একটা মেয়ে বলে সুজাতা বিয়েতে তার
দুহাত উজার করে দিয়েছে
সবকিছু অগোছালো ডিসুজার বেলাতে
নিজেদের অপরাধী মনে হয়
পার্ক স্ট্রীটে মাঝরাতে ওর মেয়ে নাচে গায়
ইচ্ছে বা তার কোন শখে নয়
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
কার দোষে ভাঙলো যে মায়দুল বলেনি
জানি ওরা একসাথে থাকেনা
ছেলে নিয়ে মারিয়ম কোথায় হারিয়ে গেছে
কেউ আর কারো খোঁজ রাখেনা
নাটকে যেমন হয় জীবন তেমন নয়
রমা রয় পারেনি তা বুঝতে
পাগলা গারদে তার কেটে গেছে শেষ দিন
হারালো সে চেনা মুখ খুঁজতে
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
দেওয়ালের রঙ আর আলোচনা পোস্টার
বদলে গিয়েছে সব এখানে
তবুও প্রশ্ন নেই,
যে আসে বন্ধু সেই
আড্ডা তর্ক চলে সমানে
সেই স্বপ্নের দিনগুলো বাতাসে উড়িয়েধুলো
হয়ত আসছে ফিরে আজ আবার
অমলের ছেলেটার হাতে উঠে এসেছে
ডিসুজার ফেলে যাওয়া সে গীটার
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই

বিবিধ

বিশ্ব থেকে হারাবে না পবিত্র কোরআন

যদি আগুন লেগে ধবংস হয় পৃথিবীর সব বইয়ের দোকান
তবু বিশ্ব থেকে হারাবে না পবিত্র কোরআন ।।
করবে কেমন করে কোরআন ধংস আগুনেরও তেজ
আছে বিশ্ব ভরা অগনিত কোরআনে হাফেজ
তারা আবার ছাপায়ে আসমানী গ্রন্থ
বাচাবে ইসলামের মান
বিশ্ব থেকে হারাবে না পবিত্র কোরআন ।

করলো কোরআন নিয়ে কত লোকে আদালতে কেস
লিখলো সালমান রুশদী বিদ্বেষ পূর্ন স্যটানিক ভার্সেস
তবু আল কোরআনের নূরের বাতি ।।
সারা বিশ্বে বিদ্যমান
বিশ্ব থেকে হারাবে না পবিত্র কোরআন ।।

দেখ পাকিস্তানের জিয়া মরলো দূর্ঘটনায় ভাই
তার বিমান পুড়ে ছাই হয়েছে কোরআন পুড়ে নাই
যেমন ছিল তেমন আছে
একটি সুরাও হয়নি ম্লান
তাই বিশ্ব থেকে হারাবে না পবিত্র কোরআন ।।

যারা কোর আন ধংস করতে চায়
জানে না তাহারা ।।
ঐ গ্রন্থের প্রতি পাতা
ফেরেশতারা সদা দিচ্ছে পাহারা
এ যে আমার বিশ্ব নবীর সাধনার ধন
আমার বিশ্ব নবীর সাধনার ধন
নহুল কয়না ফুলের দান
তাই বিশ্ব থেকে হারাবে না পবিত্র কোরআন ।
এই বিশ্ব থেকে হারাবে না পবিত্র কোরআন ।

বিবিধ

রজনী হইস না অবসান

রজনী হইস না অবসান
আজ নিশিতে আসতে পারে
বন্ধু কালাচাঁন।।

কত নিশি পোহাইলো
মনের আশা মনে রইলোরে।

কেন বন্ধু আসিলোনা জুড়ায়না পরান।।

বাসর সাজাই আসার আশে
আসবে বন্ধু নিশি শেষে
দারুন পিরিতের বিষে ধরিল উজান।।

মেঘে ঢাকা আঁধার রাতে
কেমনে থাকি একা ঘরে
সাধক চাঁনমিয়া কয় কানতে কানতে হইলাম পেরেশান।।

বিবিধ

সবকিছুর মুলে কিন্তু বউ

এই যে এত কষ্ট সাধের যৌবন নষ্ট
জীবন গাঙে অভাব নামের ঢেউ
বাঘ ডরানো মাঘের শীতে
ঘাম ঝরিয়ে পৃথিবীতে
খুঁজে ফিরি অর্থ নামের মৌ
সবকিছুর মুলে কিন্তু বউ।

ব্যাচেলার জীবনে ভাই যেখানেই হতো রাত
পরম নিশ্চিন্তে সেখানেই হয়ে যেতাম কাত ।।
ছিলো সরল জীবনের অঙ্ক
লাগতো না খাট-পালঙ্ক
ড্রেসিং-ডাইনিং টেবিল-চেয়ার
সোফা-শোকেস্‌ কিনতো কে আর?
তিনরুমের ঘর লাগতো কি আদৌ।
এসবের মূলে কিন্তু বউ।
সবকিছুর গোড়ায় কিন্তু বউ।

দিলাম বিয়ের দিনে মিষ্টি তুলে নতুন বউয়ের মুখে
সেই থেকেই বউ যাচ্ছে খেয়ে সবই পরম সুখে ।।
কসমেটিকস আর জুয়েলারি
চটকদারী ম্যাকসি-শাড়ি
আবার এতোকিছু দেয়ার পরে
বাচ্চা নেয়ার বায়না ধরে
বছর ঘুরতেই কোলে আসে ফেউ।
খরচের মূলে কিন্তু বউ।
সবকিছুর গোড়ায় কিন্তু বউ।

এখন বউয়ের জন্য মাছের মুড়ো বাচ্চার গুঁড়ো দুধ
আত্মীয়-কুটুম্বের ঠেলায় বাড়ছে ঋণের সুদ ।।
কারেন্ট-পেপার-পানি-গ্যাস
বিল মেটাতে নাভিশ্বাস
তাই এখন বউয়ের চরণ ধরে আছি
ছেড়ে দে মা কেন্দে বাঁচি
আমায় বাঁচানোর আছেন নাকি কেউ?

বিবিধ

কিচ্ছা খতম হইবো

কষ্ট করে দিনে-রাইতে
কতো টাকা করছো কামাই
এতো টাকা ক্যামনে নিবা
কাফনের তো পকেট নাই।
হায় বাড়ি-গাড়ি আহামরি
সোনাদানা ভরি-ভরি
টিভি-ফ্রিজ-চেইন-ঘড়ি
নেতাগিরি-বাহাদুরী
উমেদারী-জমিদারী
পড়ে রইবো
কিচ্ছা খতম হইবো।

নরম বিছানাতে শুয়ে আরাম করছো ভাই
খাটে আছে তোষক-গদি খাটিয়াতে নাই
সেই মাটির ঘরেতে ভাই
জানালা-দরজা নাই
নাই কোন ঝাড়বাতি
আঁধার যে হবে সাথী
তোমার খবর বলো তখন কেডা লইবো?
কিচ্ছা খতম হইবো।।

এই দুনিয়ায় দু’নম্বরী করো যাদের লাগি
তারা তো কেউ হবে না তোমার পাপের ভাগী ।।
ছেলে বা মেয়ে বলো
স্ত্রীর মন মতো চলো ।।
টাকা-কড়ি যতোই ঢালো
বাসোনা যতই ভালো
তোমার অপরাধের বোঝা কেডা বইবো?
কিচ্ছা খতম হইবো।।

পুলিশে ধরলে ঘুষ দিয়া ছুইটা আসো ভাই
আজরাইলে তো ঘুষ খাবে না ধরলে জামিন নাই
কেরানি বা অফিসার সবারই হবে বিচার
আসামী-বিচারপতি
সকলেরই একই গতি
কোন উকিলে তোমার পক্ষে কথা কইবো?
কিচ্ছা খতম হইবো।।

বিবিধ

কান্দিয়া আকুল হইলাম

কান্দিয়া আকুল হইলাম ভব নদীর পাড়ে
মন তরে কেবা পার করে
সুসময়ে দিন গুয়াইয়া
অসময়ে
আইলাম নদীর পারে

মাঝি তর নাম জানি না।

আমি ডাক দিমু কারে।
মন তরে কেবা পার করে।।

অধম ইদমে বলে
আমার কি আসে কপালে
হজরত শাহ জালালাহর দরগায় বসি
ও মোর ইদম শাহয়ে কান্দে
মন তরে কেবা পরে করে।।

বিবিধ

সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী

সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী
লাউয়ের আগা খাইলাম,
ডোগা গো খাইলাম
লাউ দি বানাইলাম ডুগডুগী।।

লাউয়ের এত মধু
জানে গো যাদু, (এত মধু গো)
লাউ ধরলাম সঙ্গের সংগী।।

আমি গয়া গেলাম
কাশী গো গেলাম, (গয়া গেলাম গো)
সঙ্গে নাই মোর বৈষ্ণবী।।

বিবিধ

নিচুর কাছে নিচু হতে

নিচুর কাছে নিচু
হতে শিখলি না রে মন॥
তুই সুখী জনের করিস পূজা,
দুঃখির অযতন – মূঢ় মন!

লাগে নি যার পায়ে ধুলি,
কি নিবি তার চরণধুলি?
নয় রে সোনায়, বনের কাঠেই
হয় রে চন্দন – মূঢ় মন!

প্রেম-ধন মায়ের মতন,
দুঃখী সুতেই অধিক যতন,
এই ধনেতে ধনী যে জন
সেই তো মহাজন – মূঢ় মন!

বৃথা তোর কৃচ্ছ্সাধন,
সেবাই নরের শ্রেষ্ঠ সাধন,
মানবের পরম তীর্থ
দীনের শ্রীচরণ – মূঢ় মন!

মতামতের তর্কে মত্ত,
আছিস ভুলে পরম সত্য,
সকল ঘরে, সকল নরে
আছেন নারায়ণ – মূঢ় মন!

বিবিধ

ওগো নিঠুর দরদী

ওগো নিঠুর দরদী, ও কি খেলছ অনুক্ষণ।
তোমার কাঁটায় ভরা বন, তোমার প্রেমে ভরা মন,
মিছে খাও কাঁটার ব্যথা, সহিতে না পার তা আমার আঁখিজল,
ওগো আমার আঁখিজল তোমায় করেগো চঞ্চল
তাই নাই বুঝি বিফল আমার অশ্রু বরিশন।
ওগো নিঠুর দরদী।
ডাকিলে কও না কথা, কি নিঠুর নিরবতা।
আবার ফিরে চাও, তুমি আবার ফিরে চাও,
বল ওগো শুনে যাও
তোমার সাথে আছে আমার অনেক কথন।
এ কি খেলছ অনুক্ষণ,
ওগো নিঠুর দরদী।

বিবিধ

কতকালের সেই ঠিকানায়

কতকালের সেই ঠিকানায়
আমার স্মৃতির একটি পাতায়
কেমন আছো ?

আগের মতই রিক্সা থেকে
নামছো তুমি আমায় দেখে
কেমন আছো ?

এখনো সেই পাঞ্জাবীটা
হারিয়ে যাওয়া সেই চাবিটা
কেমন আছো ?
এলবামে ছোট বেলার ছবি
স্মৃতিতে মাহমুদ্দুন্নবী
কেমন আছো ?

ক্লাস পালিয়ে দেখা হতো
দেখতে দেখতে সময় যেতো
কেমন আছো ?
ঝিলের ধারে হটাৎ বিকেল
শুইয়ে রাখা বাই-সাইকেল
কেমন আছো ?

আসিফ আসতো ছুটির দিনে
স্কুলের বন্ধু রাস্তা চিনে
কেমন আছো ?
সারা সকাল আডদা দিতে
রাজনীতির খবর নিতে
কেমন আছো ?

তর্ক হতো চড়তো গলা
উঁকি দিতে বাড়ীওয়ালা
কেমন আছো ?
মাস গেলে থোক মাইনে নিয়ে
রাখতে কিছু ব্যাংকে গিয়ে
কেমন আছো ?

জমা খরব হিসেব নিকেষ
কোথায় শুরু কোথায় বা শেষ
কেমন আছো ?
অনেক বছর পেরিয়ে এলাম
হটাৎ তোমার দেখা পেলাম
কেমন আছো ?

বিবিধ

তাকে ভাবলেই কাহিনীরা ভীড় করে

শাওন মেঘে কি কথার বৃষ্টি ঝরে
তাঁকে ভাবলেই কাহিনীরা ভীড় করে
কাহিনীর পর কাহিনীর সে কি জেদ
দেখিয়ে দিলেন হুমায়ূন আহমেদ।

ছোট থেকে বড় পাঠকের সংখ্যা কত?
চরিত্রগুলো তাঁর পাঠকের মতো
ধরা ছোঁওয়া যায়, চেনা যায় আয়নায়
আরও বলো আরও গল্পের বায়নায়।

চলেছে বাক্য তাঁরই কলম ধরে
সহজ কথার গল্প সঙ্গে করে
সঙ্গী হয়েছি গল্পের সড়কেই
স্বর্গ ছুঁয়েছি নন্দিত নরকেই।

এ দুনিয়া ছেড়ে অন্য কোথায় যাওয়া
সেখানে নতুন কোনো গল্প খুঁজে পাওয়া
কারুর কারুর পরে না পূর্ণছেদ
আবার লিখুন হুমায়ূন আহমেদ।

শাওন মেঘে কি কথার বৃষ্টি ঝরে
তাকে ভাবলেই কাহিনীরা ভীড় করে।

বিবিধ

সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে

তুমি বিনে আকুল পরাণ।
থাকতে চায় না ঘরে রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে।

আমি (এই) মিনতি করি রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে

সাগরে ভাসাইয়া কুল-মান
তোমারে সঁপিয়া দিলাম আমার
দেহ-মন-প্রাণ।

সর্বস্ব ধন করিলাম দান।
তোমার চরণের তরে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে।।

আমারে ছাড়িয়া যদি যাও
প্রতিজ্ঞা করিয়া বলো আমার মাথা খাও।

তুমি যদি আমায় কান্দাও।
তোমার কান্দন পরে রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে

আমি (এই) মিনতি করি রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে

কুল-মান গেলে ক্ষতি নাই আমার
তুমি বিনে প্রাণ বাঁচে না কি করিব আর।

তোমার প্রেম-সাগরে
প্রেম-সাগরে তোমার করিম যেন ডুবে মরে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে

আমি (এই) মিনতি করি রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে

বিবিধ

বিচ্ছেদের অনলে সদাই অঙ্গ জ্বলে

বিনয় করি গো প্রিয় আয় আয় রে
বিচ্ছেদের অনলে সদাই অঙ্গ জ্বলে
বিনয় করি গো প্রিয়া আয় আয় রে।।

তোমারও তাড়না শরীরে সহে না
সহজ অবলা এ মন
বন্ধু বন্ধু বলে ঝাঁপিবো ঐ জলে
বিনয় করি গো প্রিয় আয় আয় রে।।

আগে না জানিয়া প্রেমেতে মজিয়া
কাঁন্দিয়া জনমও গেলো
দিয়া প্রেমের জ্বালা
হারাইলো এই বেলা
কোথায় লুকাইলি প্রিয় আয় আয়রে
বিনয় করি গো প্রিয় আয় আয় রে।।

বিবিধ

দেখেছি রূপসাগরে মনের মানুষ কাঁচা সোনা

দেখেছি রূপসাগরে মনের মানুষ কাঁচা সোনা।
তারে ধরি ধরি মনে করি
ধরতে গিয়ে আর পেলাম না।।

সে মানুষ চেয়ে চেয়ে খুজেতেছি পাগল হয়ে।
হৃদয়ে জ্বলছে আগুন আর নিভে না।

এখন বলে বলুক মন্দ লোকে
বিরহে প্রাণ আর বাঁচে না।
দেখেছি রূপসাগরে মনের মানুষ কাঁচা সোনা।।

পথিক কয় ভেবো নারে ডুবে যাও রূপসাগরে।
বিরলে বসে করো রূপসাধনা।

আবার ধরতে গেলে মনের মানুষ
ছেড়ে যেতে আর দিওনা।
দেখেছি রূপসাগরে মনের মানুষ কাঁচা সোনা।।

বিবিধ

মরিলে কান্দিস না আমার দায়

মরিলে কান্দিস না আমার দায়।
রে যাদু ধন মরিলে কান্দিস না আমার দায়
মরিলে কান্দিস না আমার দায়

সুরা ইয়াসীন পাঠ করিও বসিয়া কাছায়।
যাইবার কালে বাঁচি যেন শয়তানের ধোঁকায়
রে যাদুধন মরিলে কান্দিস না আমার দায়

বুক বান্ধিয়া কাছে বইসা গোছল করাইবা
কান্দনের বদলে মুখে কলমা পড়িবা।
রে যাদু ধন মরিলে কান্দিস না আমার দায়

কাফন পিন্দাইয়া আতর গোলাপ দিয়া গায়
তেলাওয়াতের ধ্বনি যেন ঘরে শোনা যায়।
রে যাদু ধন মরিলে কান্দিস না আমার দায়

কাফন পড়িয়া যদি কান্দো আমার দায়
মসজিদে বসিয়া কাইন্দো আল্লা’রই দরগায়।
রে যাদু ধন মরিলে কান্দিস না আমার দায়