বিবিধ

জান কান্না নয়

জান কান্না নয়
জান কান্না নয়
জান কান্না নয়
জান কান্না নয়

মনে যদি পড়ে সুখের দিন গুলি
না হয় নেই এক সাথে রিক্সায়
না হয় নেই আমার ছোট্ট ঘরে
তবু হিয়ার মাঝে লুকায়

ভালো সময় ভালো থাকে না চিরকাল পথে পথে
ঘড়ির কাটা যত ঘুরছে সামনে অতীত তত বাড়ে

জান কান্না নয়
জান কান্না নয়
জান কান্না নয়
জান কান্না নয়

বিবিধ

তোমায় কিছুই বলিনিতো ভালো বা মন্দ কিছু

তোমায় কিছুই বলিনিতো ভালো বা মন্দ কিছু
কি হোলো তোমার বলে যাও, বলে যাও |
তুমি কিসে আঘাত পেলে কেন ও ভাবে চলে যে গেলে
সেই মাথাটি নামালে যে উঁচু মাথাটি কখনো করো নি নীচু

কি করে ভাবলে তোমার প্রেমের করবে গো অপমান
তোমার দানের বিনিময়ে আমি দেবো এই প্রতিদান?
তুমি কি করে ভাবলে বল ?

আমি তোমায় রেখেছি বুকে বহু স্বপ্ন পাওয়ার সুখে
আমি কখনো চলিনি নকল আলোর আলেয়ার পিছু পিছু

বিবিধ

মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে যায় মনে হয়

মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে যায় মনে হয়
জীবনের কত কাজ সারা হয়ে গেল,
আরো কত বাকী রয়ে গেল |

মানুষের জীবনের আদর্শ করনীয় যা
ফলাফল না ভেবেই আজীবন করে গেছি তা,
কি পেলাম কি দিলাম সেই হিসাবটা তবু কেন হয় এলোমেলো |

কালের তরঙ্গে আমি ভাসলাম
আমি কাঁদলাম কেঁদে হাসলাম
যা পেয়েছি সবটুকু দিয়ে গেছি এখানে
কোন ফুল ফল হবে কোন ফুল কাঁটা হবে কে জানে
তবু সুখ ভরে বুক
আমি দেখলাম ভোর হল সন্ধ্যাও এলো |

বিবিধ

তুমি আর আমি আর আমাদের সন্তান

তুমি আর আমি আর আমাদের সন্তান এই আমাদের পৃথিবী
তুমি সুর আমি কথা মিলে মিশে হই গান |

বৈশাখী ঝড় থেমে যায় আষাঢ়ের ঘন বরষায়
ফসলের সম্ভারে ধরা দেয় অঘ্রাণ |

আমার চোখের স্বপ্ন তুমি ছড়ালে আমার চোখ ভরে
আমার মনের বাসনা আমি দিলাম তোমার অন্তরে

আজ এতো ভালোবাসে তাই সুন্দর করে সবই পাই
শাশ্বত সুখে ভরি দুজনার এক প্রাণ |.

বিবিধ

কেমন আছো নতুন ঠিকানায়

এখনো আকাশতলে আমার চোঁখের জ্বলে
পদ্মার স্রোতধারা একইভাবে বয়ে যায়
পরিচয় ভুলে গিয়ে অপরিচিতা
কেমন আছো নতুন ঠিকানায়।।

দূরে যেতে যেতে শুধু দুরত্ব বাড়ালে
বুঝতে না বুঝতেই চলে গেলে আড়ালে ।।
পরিচয় ভুলে গিয়ে অপরিচিতা
কেমন আছো নতুন ঠিকানায়।।

তোমাকেই জীবনে আরাধ্য জেনেছি
মনেরই দামে তবু যন্ত্রনা কিনেছি
পরিচয় ভুলে গিয়ে অপরিচিতা
কেমন আছো নতুন ঠিকানায়।।

বিবিধ

গৌরী এল, দেখে যা লো

বলদে চড়িয়া শিবে শিঙ্গায় দিলা হাঁক
আর শিঙ্গা শুনি মর্ত্যেতে বাজিয়া উঠল ঢাক
শিবের সনে কার্তিক গণেশ লক্ষ্মী সরস্বতী
আশ্বিন মাসে বাপের বাড়ি আসেন ভগবতী

গৌরী এল, দেখে যা লো…
ভবের ভবানী আমার ভবন করিল আলো।

দেখি সিংহের উপর উইঠ্যা ছুঁড়ি
আরে! সিংহের উপর উইঠ্যা ছুঁড়ি
অসুরের পিঠটি ধরি
গলায় দিছে খাপ ছড়াইয়া, বুকে দিছে খোঁচা।।
কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচা! কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচী!

ওই যে এক থোম্বা বদন
দাঁত দুইডা তার মূলার মতন
কান দুইডা তার কুলার মতন
মাথা লেপা-পোঁছা
কী ঠাকুর দেখলাম চাচা! কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচী!

আছে ডাইনে বাঁয়ে দুইডা ছেমড়ি
পইরা আছে ঢাহাই শাড়ি
ঘুরতে দেখছি বাড়ি বাড়ি
ফশম (ফ্যাশন) দেখায় ভারি!
আবার ময়ুরের ‘পরে বইছেন যিনি
এনার বড় চিকচিকানি
ধুতি করছেন কোঁচা
কী ঠাকুর দেখলাম চাচা!
কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচী! কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচা!

সপ্তমীতে মা জননী মণ্ডপে মণ্ডপে
অষ্টমীতে মা জননী ফুলে-ফলে-ধূপে
নবমীতে মা জননী নিশি পোহাইলা
দশমীতে পাগলা ভোলা নাচিতে লাগিলা
শিবে দুর্গারে লইয়া যাবে কৈলাস ভবন
বিসর্জনের বাজনা বাজে বিজয়া গমন।
জয় জয় বিজয়া গমন।

হে, আইল আমার ভোলানাথ রে
আইল আমার কাশীনাথ, আইল আমার তিন্নাথ
আইল আমার ভোলানাথ রে

ভোলানাথের শিঙ্গায় বলে
বব বম্‌, বব বম্‌, দিদি দিম্‌, দিদি দিম্‌, দিম্‌
বব বম্‌, বব বম্‌, দিদি দিম্‌, দিদি দিম্‌, দিম্‌।।

বিবিধ

আমারে fraud করে কালিয়া dam তুই কোথায় গেলি

আমারে fraud করে
কালিয়া dam তুই কোথায় গেলি।
I am for you very sorry,
Golden body হল কালি।।

Ho my dear dearest, মধুপুরে তুই গেলি কেষ্ট,
O my how to rest,
Hear dear বনমালী।
(শুনো রে শ্যাম তোরে বলি)

Poor কিরিচার (creature) Milk-গেরেল (girl)
তাদের breast-এ মারিলি শেল,
Nonsense তোর নাইকো আক্কেল,
Breach of contract করলি।
(female গণে fail করলি)

লম্পট শঠের fortune খুলল,
মথুরাতে king হল, uncle-এর প্রাণ নাশিল,
কুবুজার কুঁজ, পেলে ডালি।
(নিলে দাসীরে মহিষী বলি)

শ্রীনন্দের boy young lad, কুরুকেড (crooked) mind hard,
কহে RCD Bird-এ
পেলাকার্ড (placard) কৃষ্ণকলি।।
(Half English half বাঙালি)।।

বিবিধ

আমারে আসিবার কথা কইয়া

আমারে আসিবার কথা কইয়া
মান করে রাই, রইয়াছো ঘুমাইয়া ।

রাধেগো …
আমার কথা নাই তোর মনে
প্রেম করছো আয়ানের সনে
শুয়া আছো নিজ পতি লয়া
আমি আর কত কাল থাকবো রাধেগো দুয়ারে দাঁড়াইয়া।।

রাধেগো …
দেখার যদি ইচ্ছা থাকে
আইসো রাই যমুনার ঘাটে
কাইল সকালে কলসি কাঙ্খে লয়া ।
আমি জলের ছায়ায় রূপ হেরিবো গো কদম ডালে বইয়া।।
মান করে রাই ,রইয়াছো ঘুমাইয়া ।

রাধেগো …
নারী জাতির কঠিন রীতি
বোঝেনা পুরুষের মতি ,
সদাই থাকে নিজেরে লয়া ।
তুমি করছো নারী রুপের বড়াই গো রাধারমণে যায় কইয়া।।

বিবিধ

চাওরে বন্ধু দয়ার নজর দিয়া

তোমার লাগি কান্দিয়া, থাকি নিশি জাগিয়া
চাওরে বন্ধু দয়ার নজর দিয়া।।

পাতকি হাত আমার, দয়া কি হয়না তোমার
পাইতে দিদার নয়ন যায় ভাসিয়া,
করিয়াছি সময় নষ্ট, অনুতাপে বাড়ে কষ্ট
আমি পাপি পথ ভ্রষ্ট লওনা তুলিয়া।।

শরীলে নিয়াছে বাঁক, চুলে ধরেছে পাক
কান আর নাক অচল যাইবো হইয়া,
বিনয়ে করি আরতি, কবুল করো মিনতি
ওহে দয়াল আমার প্রতি সদয় যাও হইয়া।।

জানিনা কবে যম, আমারে করিবে হযম
আমি অধম কাঁদি নিরকিয়া,
দলামিয়ায় বন্ধুর চরণ, সব সময় করি স্মরণ
ওরে ওমন এপাড়া ওপাড় বন্ধুর দুনিয়া।।

বিবিধ

আমি যারে ভালবাসি

হাওয়ায় মিঠাই
কথা ও সুর : সংগ্রহ
শিল্পী : কিশোর পলাশ

আমি যারে ভালবাসি
তারে আবার বাসি না
কেন তারে ভাল লাগে না
আমি যারে ভালবাসি ।

ঘুরলাম কত বৈদেশ বন্দর
পাইলাম না তো একটা অন্তর
যা দেখি তাই হাওয়ায় মিঠাই
আসলের আসল কিছু নাই ।

ঘরের মায়ায় টানে মোরে
বাহিরেও যে ছাড়ে নারে
রঙ্গিলা দো-টানায় পইড়া
সন্নাসী হইতেও আমি পারলাম ।

বিবিধ

ওরা, চাহিতে জানে না, দয়াময়

ওরা, চাহিতে জানে না, দয়াময়।
ওরা, চাহে ধন, জন, আয়ু, আরোগ্য বিজয়।
করুণার সিন্ধু কুলে তথাপি নিলাজ হিয়া,
বসিয়া, মনের ভুলে মহাব্যস্ত তাই নিয়া,
এক বিন্দু বারি তুলে ভাঙিতে গড়িতে, হ’য়ে
মুখে নাহি লয়, পড়ে অসময়।
তীরে করি ‘ছুটাছুটি, আহা!ওরা জানে না ত’,
ধুলি বাঁধে মুঠিমুঠি, করুণা নির্ঝর নাথ,
পিয়াসে আকুল হিয়া, না চাহিতে নিরন্তর,
আরো ক্লিষ্ট হয়। ঝর ঝর বয় ;
কি ছাই মাগিরে নিয়ে, চির তৃপ্তি আছে যাহে,
কি ছাই করে তা দিয়ে, তা যদি গো নাহি চাহে,
দু’দিনের মোহ, ভেঙে তাই দিও দীনে, যা’তে
চুরমার হয় ; পিপাসা না রয়।

বিবিধ

আমি সকল কাজের পাই হে সময়

আমি সকল কাজের পাই হে সময় তোমারে ডাকিতে পাই নে,
আমি চাহি দারা সুত সুখ সম্মিলন তব সঙ্গ সুখ চাই নে।।
আমি কতই যে করি বৃথা পর্যটন তোমার কাছে তো যাই নে;
আমি কত কি যে খাই ভস্ম আর ছাই তব প্রেমামৃত খাই নে।।
আমি কত গান গাহি মনের হরষে তোমার মহিমা গাই নে;
আমি বাহিরের দুটো আঁখি মেলে চাই জ্ঞান আঁখি মেলে চাই নে।।
আমি কার তরে দেই আপনা বিলায়ে ও পদতলে বিকাই নে;
আমি সবারে শিখাই কত নীতি কথা মনেরে শুধু শিখাই নে।।

বিবিধ

আমি দেখেছি জীবন ভরে চাহিয়া কত

আমি দেখেছি জীবন ভ’রে চাহিয়া কত ;
তুমি আমারে যা দাও, সবই তোমারি মত।

আকুল হইয়ে মিছে,
চেয়ে মরি কত কিযে,
কাঁদে পদতলে নিষ্ফল বাসনা শত।

কিসে মোর ভাল হয়
তুমি জান, দয়াময়,
তবু নির্ভর জানে না এ অবিনত।

আমি কেন চেয়ে মরি ;
তুমি জান কি সে, হরি
সফল হইবে মম জীবন ব্রত।

চাহিব না কিছু আর ;
দিব শ্রীচরণে ভার,
হে দয়াল, সদা মম কুশল-রত।

বিবিধ

আমি তো তোমারে চাহিনি

আমি তো তোমারে চাহিনি জীবনে তুমি অভাগারে চেয়েছ;
আমি না ডাকিতে, হৃদয় মাঝারে নিজে এসে দেখা দিয়েছ।।
চির-আদরের বিনিময়ে সখা! চির অবহেলা পেয়েছ
আমি দূরে ছুটে যেতে দুহাত পসারি ধরে টেনে কোলে নিয়েছ।।
ও পথে যেও না ফিরে এস বলে কানে কানে কত কয়েছ
আমি তবু চলে গেছি ফিরায়ে আনিতে পাছে পাছে ছুটে গিয়েছ।।
এই চির অপরাধী পাতকীয় বোঝা হাসি মুখে তুমি বয়েছ,
আমার নিজ হাতে গড়া বিপদের মাঝে বুকে করে নিয়ে রয়েছ।।

বিবিধ

আমায় সকল রকমে কাঙাল করেছে

আমায় সকল রকমে কাঙাল করেছে,
গর্ব করিতে চুর ;
যশঃ ও অর্থ, মান ও সাস্থ্য,
সকলি করেছে দূর |
ঐগুলো সব মায়াময় রূপে,
ফেলেছিল মোরে অহমিকা-কূপে,
তাই সব বাধা সরায়ে দয়াল
করেছে দীন আতুর ;
আমায় সকল রকমে কাঙাল করিয়া,
গর্ব করিছে চুর |

তাই, সকল রকমে কাঙ্গাল করিয়া,
গর্ব করিছে চুর |
ভবিতাম, “আমি লিখি বুঝি বেশ,
আমার সংগীত ভালবাসে দেশ”,
তাই, বুঝিয়া দয়াল ব্যাধি দিল মোরে,
বেদনা দিল প্রচুর ;
আমায় কত না যতনে শিক্ষা দিতেছে,
গর্ব করিতে চুর !