বিবিধ

প্রানের শিতল ছোঁয়া

প্রানের শিতল ছোঁয়ায়
কে তুমি কামিনী
আমার প্রানের রসকে করো পাগল॥
আমার হৃদয়কে করো উদ্বেলিত
তোমার কেশের গন্ধে
তোমার নূপুরের ছন্দে
তোমার অপার রুপের আমার প্রানে চেয়ে থাকা।
আমার প্রান দিলাম তোমার হাতে
রেখে দাও আজীবন তোমার বুকেতে
থাকতে দাও এভাবেই
বাঁচতে চাই সেভাবেই॥

বিবিধ

Porob Lagain De | পরব লাগায় দে | By Khyada (Ananya)

|————————|
| পরব লাগায় দে |
|————————|

লে লে ঝুমুর গাইলে তুই,
বোল তুলে দে মাদলে। [X2]

আছিসে লগন এবার, [X2]
লে লে পরব লাগায় দে।
——— লাগায় দে।। [X3]

আছিসে লগন এবার, [X2]
লে লে পরব লাগায় দে।
——— লাগায় দে।। [X3]

ভাত খাবি না মদ খাবি,
হাটে যাবি না ঘরে যাবি। [X2]

বলি তোর দামটা ফুটা করি তুই,
আরে তোর দামটা ফুটা করি তুই,
কোথা যাবি বিগাইতে।
——— বিগাইতে। [X3]

লে লে ঝুমুর গাইলে তুই,
বোল তুলে দে মাদলে। [X2]

আছিসে লগন এবার, [X2]
লে লে পরব লাগায় দে।
——— লাগায় দে।। [X3]

কমলির যৌবন পুরালো,
অরে গ্যাদার মালা শুকালো রে…। [p2]

লাল ফিতা কাঁচের চুরি,
মাথার কাটা, কলের ঝাড়ি। [p2]
রথের মেলায় কত লগন,
দেখলি ঘুমের ঘরেতে।
——— ঘরেতে।। [X3]

লে লে ঝুমুর গাইলে তুই,
বোল তুলে দে মাদলে। [X2]

আছিসে লগন এবার, [X2]
লে লে পরব লাগায় দে।
——— লাগায় দে।। [X3]

ছাড় না ক্যানে খ্যামটা নাচোন,
ও তোর হ্যেড়িয়া মনের গ্যাছে লগন। [p2]

আইলো যে ঝড়, কাজন মেলা,
ঝড় কদমে, বাধন জ্বালা। [p2]
সবাই মিলে মাররে ঠ্যেলা,
পাহাড় টকে সওরাইতে।
——— সওরাইতে। [X3]

লে লে ঝুমুর গাইলে তুই,
বোল তুলে দে মাদলে। [X2]

আছিসে লগন এবার, [X2]
লে লে পরব লাগায় দে।
——— লাগায় দে।। [X9]

বিবিধ

সুন্দরী রাধে আওয়ে বনি

সুন্দরী রাধে আওয়ে বনি |
ব্রজরমণীগণ মুকুটমণি ||

কুঞ্চিতকেশিনি, নিরুপমবেশিনী,
রস-আবেসিনী ভঙ্গিনি রে
অধরসুরঙ্গিণী, অঙ্গতরঙ্গিণী,
সঙ্গিনী নব নব রঙ্গিণী রে ||

কুঞ্জরগামিনী, মোতিমদশনি,
দামিনী-চমক-নেহারিণী রে |
আভরণধারিণী, নব অভিসারিণী,
শ্যামর হৃদয়বিহারিণী রে |

নব অনুরাগিনী, অখিলসোহাগিনী,
পঞ্চম রাগিনী মোহিনী রে |
রাসবিলাসিনী, হাসবিকাশিনী,
গোবিন্দদাস-চিত-শোহিনী রে ||

বিবিধ

নাম ঠিকানা যানা নাই

কথা+সুর: ফকির শাহাব উদ্দীন

নাম ঠিকানা যানা নাই,
তোয়ার হবর কেনে পাই
তোয়ার লাই আর পরান পুইরা যার
আত্তুন তোয়ার লাই আর পরান পুইরা যাই,
—————————————–
চিটাগাং আইলে তোয়ারে পতেঙ্গা লই যাইয়ম—
সুন্দর সুন্দর চিন চিনারী তোয়রে দেহাইয়ম,
রাঙ্গা মাটি লই যাই তোয়ারে গোসল গইরগম লেকত যাই
ওরে হাক্সবাজার লই যাই তোয়ারে গোসল গইরগম দইরগাত যাই,
তোয়ার লাই আর পরান পুইরা যাই,—ঐ
—————————————-
তোয়ার হতা মনত অইলে বুকত ধরপর গরে—–
প্রেমের জ্বালই জ্বলি মরি বুগর দরত বারে,
ওরে চিড়ি পত্র দিবার লাই,
নাম ঠিকানা আই তোয়াই,
তোয়ার লাই আর পরান পুইরা যাই,—-ঐ

বিবিধ

খুজে তারে জনম জনম

খুজে তারে জনম জনম
আমার জগত চারিপাশ
পেলাম খোঁজে হৃদয় মাঝে
লুকিয়ে তাহার নিবাস।

লুকিয়ে ছিল চুপি চুপি দেয়নি কোন সাড়া
আজ একটু খানি অনুভবে আমি দিশেহারা।
সে না হয় থাকুক ভবে, হোক রয়ে অনুভবে
তার ছোয়া পেয়ে প্রাণে, হোক না প্রাণনাশ

খোজে তারে জনম জনম
আমার জগত চারিপাশ
পেলাম খোঁজে হৃদয় মাঝে
লুকিয়ে তাহার বাস।

বিবিধ

ও ছেরি ও ছেরি

ওরে, এককালে তোর লাইগা ইশকুল পালাইতাম…
তোর লাইগা গঞ্জ থেইকা চুড়ি আনিতাম…X2
তোর কথা মনে হইলে গান ধরিতাম…
আমি তোর কথা মনে হইলে গান ধরিতাম…
ও ছেরি ও ছেরি…ও ছেরি ও ছেরি
তোরে এককালে ভালবাসিতাম…x2

এককালে তোর মায়ের বকা খাইতাম…
এককালে তোর বাপের দৌড়ানি খাইতাম…
এককালে তোর পিছু পিছু যাইতাম…
গাছের আড়ালে থাইকা তোরেই দেখতাম…
তোর কথা মনে হইলে গান ধরিতাম…
আমি তোর কথা মনে হইলে গান ধরিতাম…
ও ছেরি ও ছেরি…ও ছেরি ও ছেরি
তোরে এককালে ভালবাসিতাম…x2

এককালে তোর লাইগা কবিতা লেখতাম…
সে কবিতা দিয়া গান বানাইতাম…
এককালে তোর লাইগা জোছনা দেখতাম…
সে জোছনা তোরে আইনাও দিতাম…
তোর কথা মনে হইলে উদাশ হইতাম…
আমি তোর কথা মনে হইলে উদাশ হইতাম…
ও ছেরি ও ছেরি…ও ছেরি ও ছেরি
তোরে এককালে ভালবাসিতাম…x2

বিবিধ

মাশরাফি

সময়ের পোস্টারে লিখে যাও তুমি
বাংলাদেশের নাম।
হৃদয় গভীর থেকে
জানাই তোমায় হাজারো সালাম।
তুমি জিতো
তুমি জিতাও
তুমি বোঝোও বিজয়ের ভাষা।
“মাশরাফি মাশরাফি তুমি কোটি প্রাণের আশা।
মাশরাফি মাশরাফি তুমি লাল-সবুজের ভালবাসা”

টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ায় শুনা যায় তোমার গর্জন
বাংলা মায়ের জন্য
তুমি দিয়েছো অনেক বির্সাজন||
তুমি প্রিয়
তুমি সেরা
তুমি আগামীর প্রত্যাশা।
“মাশরাফি মাশরাফি তুমি কোটি প্রাণের আশা।
মাশরাফি মাশরাফি
তুমি লাল-সবুজের ভালবাসা”||

রক্তের শেষ বিন্দু দিয়ে করে যাও তুমি লড়াই।
আধাঁরের রং চিনো না তুমি,
চিনেছো শুধু আলোটাই||

তুমি প্রিয়
তুমি সেরা
তুমি আগামীর প্রত্যাশা।
“মাশরাফি মাশরাফি তুমি কোটি প্রাণের আশা।
মাশরাফি মাশরাফি তুমি লাল-সবুজের ভালবাসা”

বিবিধ

মাশরাফি ফিরে এসো

বাংলার বাঘ তুমি বাংলার অহংকার
তোমাতে গর্জন তোমাতেই হুংকার ।।
ভালোবাসি তোমাক্‌, ভালোবাসি দেশ
মাশরাফি মর্তুজা তুমি প্রিয় ম্যাশ ।।

জয় দিয়ে মাঠ ছেড়েছো পূর্ণ করে আশা
মন থেকে শ্রদ্ধা নিও, নিও ভালোবাসা ।।
ভালোবাসি তোমাক্‌, ভালোবাসি দেশ
মাশরাফি মর্তুজা তুমি প্রিয় ম্যাশ।।

স্বপ্ন দেখি বিশ্বকাপ তোমারি হাতে
সারা বাংলা নাচে তোমারি সাথে ।।
ফিরে এসো ফিরে এসো বলো না কো শেষ
মাশরাফি মর্তুজা তুমি প্রিয় ম্যাশ…।’

‘বাংলার বাঘ তুমি বাংলার অহংকার
তোমাতে গর্জন তোমাতেই হুংকার ।।

ভালোবাসি তোমাকে, ভালোবাসি দেশ
মাশরাফি মর্তুজা তুমি প্রিয় ম্যাশ।।।

বিবিধ

আজি নূতন রতনে ভূষণে

আজি নূতন রতনে ভূষণে যতনে প্রকৃতি সতীরে সাজিয়ে দাও।
আজি সাগরে ভুবনে আকাশে পবনে নূতন কিরণ ছড়িয়ে দাও।।

আজি পুরানো যা কিছু দাও গো ঘুচিয়ে,
মলিন যা কিছু ফেলো গো মুছিয়ে।
শ্যামলে কোমলে কণকে হীরকে ভুবন ভূষিত করিয়ে দাও।।

আজি বীণায় মুরজে স্বননে গরজে জাগিয়া উঠুক গীতি গো
আজি হিয়ার মাঝারে জগতে বাহিরে ভরিয়া উঠুক প্রীতি গো।

আজি নূতন আলোকে নূতন পুলকে
দাও গো ভাসিয়ে ভূলোকে দ্যুলোকে,
নূতন হাসিতে বাসনারাশিতে জীবন মরণ ভরিয়ে দাও।।

বিবিধ

একটু যদি তাকাও তুমি

একটু যদি তাকাও তুমি
মেঘগুলো হয় সোনা,
আকাশ খুলে বসে আছি
তাও কেন দেখছো না?

একই আকাশ মাথার উপর
এক কেন ভাবছো না?
আকাশ খুলে বসে আছি
তাও কেন দেখছো না?

আসবে বলে ঐ যে দেখো
মেঘেরা দাঁড়িয়ে,
আকাশটাকে দেখি চলো
মেঘটাকে তাড়িয়ে!

মেঘের মতো হাটবো দুজন
হাত কেন রাখছো না?
আকাশ খুলে বসে আছি,
তাও কেন দেখছো না?

চলো দুজন স্বপ্ন দেখি
এক অনুভব নিয়ে,
যা কিছু আজ মনের মতো
আনব যে ছিনিয়ে!

আমার মতো কেন তুমি
মন খুলে রাখছো না?
আকাশ খুলে বসে আছি,
তাও কেন দেখছো না?

একটু যদি তাকাও তুমি
মেঘগুলো হয় সোনা,
আকাশ খুলে বসে আছি
তাও কেন দেখছো না?

একই আকাশ মাথার উপর
এক কেন ভাবছো না?
আকাশ খুলে বসে আছি
তাও কেন দেখছো না?

বিবিধ

সোনাবন্ধুর গান

সোনাবন্ধুর গান শুনিয়া
আমার দিলের সুতায় লাগলো টান
আইজ আমারে আনিয়া দেওরে
আসমানেরও চাঁন।

মন্দিরার ঐ টুন্নুর টান্নুর
ভেলার হ্স্কো টান
ঢোলকের ও আলগা ঠেকায়
উড়াইয়া নিল পরাণ।

বাউলা বন্ধের আউলা চুল আর
মুখের হাসি খান
কলিজায় বিন্ধিয়া গেল
তেসরী চোখের নয়ন বাণ।

মনে না ধরিও আনাম
না করিও বারণ
নেশায় মাতাল হইয়া আজি
হারাই যদি কুলমান ।

বিবিধ

আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার

আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার
মেরি চাহাতে তো ফিজা মেবহেঙ্গে
জিন্দা রেহেঙ্গে হোকে ফানা
তানা নানা তুং, তানা নানা তুং, তানা নানা তুং
তানাদেরে তানাদেরে দেরে নাঃ
আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার

সাথীরে সাথীরে মারতেভি তুঝকো চাহেগা দিল
তুঝেহি বেয়চেনিও মে আয়েগা দিল।।
মেরি গে ছুওকি ছাহেমে, তেরি রাহাতোকে খুশবুহে
তেরে বাগার কেয়া জিনা, মেরে রোম রোম মে তুহে
মেরি চোড়িওকি খান খানছে, মেরি ছাদায়ে আতিহে
ইয়ে দূরিয়া হামেসাহি, নাজদি কাহাম বুলাতিহে
ও পিয়া…

সনধ, নধম, মগসনধনসগম-..-’
মগসন ধনসগ মগসন ধনসগ মঃ গঃ মঃ গঃ
সনধম গমধন সনধম গমধন সঃ নঃ ধঃ নঃ
ধনসঃ ধনসঃ ধনসঃ ধনসঃ, মধনঃ মধনঃ মধনঃ মধনঃ
ধনঃসঃ ধনঃসঃ ধনঃসঃ, মধঃনঃ মধঃনঃ মধঃনঃ
মধনস মধনস মধনস মধনস, সনধম সনধম সনধম সনধম
মমগগ সসনন সসনন ধধনন সসনন ধধমম গগসস ননধধ
ধন সঃসঃসঃ, নধ সঃসঃসঃ, মধ সঃসঃসঃ
আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার

ছাছোমে ছাছোমে তেরি স্যারগামেহে আব রাত দিন
জিন্দেগী মেরি তো কুছ না, আব তেরি বিন।।
তেরে ধারকানো কে ছারগোসি, মেরি ধারকানোমে বাজতিহে
মেরি রাগাতি নিগাহোমে খোয়াইশ তেরিহি ছাজতিহে
মেরে খ্খায়াল্মে হারপার তেরে খ্খায়াল্ শামি্লহে
লামহে জুদায়িও আলে মুশকিল ব্ ড়ি হি মুশকিলহে
ও পিয়া

নর্সনর্সনর্সনর্স ধনধনধনধন, পধপধপধপধ গমপধনর্রর্স ।।
পননস পননর্স পননর্স পননর্স।।
গমপধ নধপধ নধপধ নর্স..।।
গমপধ নধপধ পমগম গরসন
ধনসগ মগসগ মপধপ ধনসা
নস নস নস নস নস, ধন ধন ধন ধন ধন
গমপধ নধপম গমপধ নধপম, গমপম গমগর সরসন ধনসঃ

ধধননসঃ সগগ মগ, সসগগমঃ পধধ নধ
ধনসগ সনধন সনধন ধপমগ, মধনস ধনধম গমগর সনধন
সগমধ নসনধ পমগম গরসন, সগমধ নসনধ পমগম গরসন
ধধনন সসগগ ননসস গগমম, সসগগ মমধধ গগমম ধধনন পপধধ ননসস র্গ…………

বিবিধ

কালের পুঁথি

ওরে দিন চলে যায় ডিসকো মেলায়,
হারাইয়াছে ধুতি।
কালের লিখন পড়ছে দেখ গেরাম বাংলার পুঁথি।
ওরে দিন ফিরে আয়…

ওরে দিন ফিরে আয়, হারিয়ে যাই,
পুঁথি পড়ার দিনে
ছেড়ে হিন্দি ছবি সিরিয়াল সস্তা বিনোদনে।
শোন বাংলার পুঁথি…

শোন বাংলার পুঁথি মনে গাথি,
সুরে সুরে গাও,
মন যমুনায় ভাসাইয়া দাও প্রেমের ঘাটের নাও।
শোন দেশের কথা…

শোন দেশের কথা দশের ব্যাথা,
বাংলার গানে গানে,
জীবন নামের তরী ভাসুক মধুর কলতানে।
চল মূলে ফিরি…

চলো মূলে ফিরি নয় আর দেরি,
সবার সুখে দুখে,
মনে যা মুখেও তাই বলি অন্তর মুখে।
হই মানুষ আবার…

হই মানুষ আবার ফুলের খামার,
ফলের করি চাষ।
মিলেমিশে করি সবাই বাংলায় বসবাস।
গাই জীবনের গান…

গাই জীবনের গান কৃষকের ধান,
গোয়াল ভরা গরু,
আঁচল ভরা ভাঁজা খই হাতে চিড়ার নাড়ু।
ও সেই বিকেল বেলা…

ও সেই বিকেল বেলা হা ডু ডু খেলা,
সন্ধ্যা বেলার হাটে,
কবি গানের আসর দেখ ভরা নদীর ঘাটে।
বাজে দু’তারাটা…

বাজে দু’তারা টা পানের বাটা,
দাদী নানীর হাতে,
ঢোলের তালে ময়ূর নাচে সারা গাও একসাথে।
আজকে পুঁথির আসর…

আজকে পুঁথির আসর ফুলের বাসর,
আনন্দ সব ঘরে,
সময় নায়ে চড়ে আবার অতীতে যাই ফিরে।
আমরা অতীতে যাই ফিরে…

বিবিধ

আম গাছে ঢেলা মারে কিডারে

আম গাছে ঢেলা মারে কিডারে
আমি আসি যদি আমডা তোরে খাওয়ায় দিবানে ভালো করে।।

কার ছাওয়াল তুই? কোন পাড়ায় বাড়ি?
কি তো্র বাবার নাম? ওরে কি তোর বাবার নাম?
কচি আমে ঢেলা মাত্তিছিস খা্য়ে পাসনে কাম?
হেই খা্য়ে নেই তোর কাম?
কানে কতা যাচ্ছে না তোর ঢেলা্ মারা তালেই থাকিস রে,,,,,,,,,,,,,,
আম গাছে ঢেলা মারে কিডারে
আমি আসি যদি আমডা তোরে খাওয়ায় দিবানে ভালো করে।।

ঢেলা মারা বাদ দিয়ে ইবার গাছে উঠতি লাগলি যে ।।
দুপুর বেলায় এ কোন বান্দরের পাল্লাই পড়লাম রে, ।।
লাটি নিয়ে আসতিছি দাড়া, দেখাই দিচ্ছি মজা।
আম গাছে ঢেলা মারে কিডারে
আমি আসি যদি আমডা তোরে খাওয়ায় দিবানে ভালো করে।।

দোড়োচ্ছি কেন খায়ে যা আম থাওয়ায় দিই তোরে
দাড়া আমডা থাওয়ায় দিই তোরে
গাছ লাগায়ে খাতি পারিসনে খাস পরের তা-রে
খাস পরের তা-রে
বাড়ি যায়ে গাছ লাগায়ে খাস ভালো করে
ওরে খাস ভালো করে।