বাউল

আমার ঘরে কোন এক পাখি

আমার ঘরে কোন এক পাখি
বসত করে যায়
ধরতে গেলে দেয়না ধরা
করি কি উপায়

আঁখির কোনে পাখির বাসা
নীড়ে থাকে এই মোর আশা
পাখি ফিরে যেন চায় ।।

আমার ঘরে কোন এক পাখি
বসত করে যায়
ধরতে গেলে দেয়না ধরা
করি কি উপায়

আশা ছিল মনে মনে
বাঁধবো বাসা ঘরের কোনে
আমার আশার মুখে ছাই ।।
আমায় ছেড়ে পাখি যেন
কখনো না যায়

বাউল

পরাণ ক্ষেপার গান

একাত্তরে করলেন জবাই
এখন দেখি মারেন বোমা
মার্সিডিসে চলেন ফিরেন
খুসবু আতর কি রমরমা
আপনের ক্যাডারে জান কবছ করে
আপনে তো আজরাইল নয়
কোন্ কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়

রক্ত দিয়া করলে অজু অজুতে কী নামাজ হয়
রক্ত দিয়া করলে গোসল বেহেস্ত কী নসিব হয়
কোন্ কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়

(আল বদর আর রাজাকারে খুন যখম আর রাহাজানি
মা বোনেদের ইজ্জত হরণ দেশের সাথে যে বেইমানী)।

দ্বীনের নবীর কোনটা হুকুম। কোন্ কিতাবে বয়ান হয়
কোন্ কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়

(আমরা সবাই খোদার বান্দা আপনে তো গোলামের গোলাম
পবিত্র এই ধর্মের নামে খুনির পায়ে দিলেন সালাম)

শান্তি ভালবাসার ধর্ম। শুধুই মুখের কথা নয়
কোন্ কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়

(জীবন মরণ খোদার হাতে আপনে করেন কিসের দাবী
রংচোরা মৌলভীর হাতে কে দিল বেহেশ্তের চাবি)

বাউল পরাণ ক্ষ্যাপার একবার মরণ। করে না আপনারে ভয়
কোন্ কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়

রক্ত দিয়া করলে অজু অজুতে কী নামাজ হয়।
রক্ত দিয়া করলে গোসল বেহেস্ত কী নসিব হয়
কোন্ কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন বাত শরিয়ত ম্যায় বলতা হায়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়
মওলানা হুজুর কোন কথা শরিয়তে কয়

বাউল

মন জানে আর কেউ জানে না

আমায় যত দুঃখ দিলা বন্ধুরে
আমার মাইট্টা দেহ কুলায় নারে কুলায় নারে কুলায় না
মন জানে আর কেউ জানে না

মন জানে আর কেউ জানে না
সোনা বন্ধুরে মন জানে আর কেউ জানে না।

ও বন্ধুরে আরে কাষ্ঠে লোহায় পিড়িত করে নৌকাটা ভাসিয়া চলে
দোহে মিলে যুক্তি করে শুকনায় রইলো না, তারা শুকনায় রইলো না
জলের বুকে ভাইসা বেড়ায় গো বন্ধু জলের বুকে ভাইসা বেড়ায় গো
বন্ধু তারার পিড়িত ভাঙ্গে নারে ভাঙ্গে নারে ভাঙ্গে না

মন জানে আর কেউ জানে না।
সোনা বন্ধুরে মন জানে আর কেউ জানে না

ও বন্ধুরে তোমায় পাইবো পাইবো পাইবো আশে
ইহজীবন জীবন গেল্ বিফলে প্রেমের রশি দিয়া গলায় হইলো কি লাঞ্ছনা
আমার হইলো কি লাঞ্ছনা
কলিজা হইয়াছে অঙ্গারে কলিজা হইয়াছে ছিদ্ররে
বন্ধু ধরলো ঘূণে ছাড়ালো নারে ছাড়ালো নারে ছাড়ালো নারে

মন জানে আর কেউ জানে না।
সোনা বন্ধুরে মন জানে আর কেউ জানে না

ও বন্ধুরে ওরে আর জানে জহুরী যারা
বেলা শিক্ষা গলায় দিয়া সোনার পাছায় সু আকা
তার লাগিরে ফানা বন্ধু তার জন্যে যে ফানা
যার জন্যে যার ভালবাসা রে বন্ধু যার সনে যার ভালবাসা রে
বন্ধু ব্যবহারে যায় চিনারে যায় চিনারে যায় চিনা

মন জানে আর কেউ জানে না।
সোনা বন্ধুরে মন জানে আর কেউ জানে না

ও বন্ধুরে আমায় কান্দাইলি এই ভবে ভাসাইলাম আল্লাহুতের নদী
এ জমন কাইন্দা আমি তোমায় পাইলাম না বন্ধু তোমায় পাইলাম না
জালালে চায় মনের মানুষরে বন্ধু জালালে চায় মনের মানুষরে
বন্ধু যার কোন নাই তুলনা রে তুলনা রে তুলনা রে

মন জানে আর কেউ জানে না।
সোনা বন্ধুরে মন জানে আর কেউ জানে না।।

বাউল

কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া

কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া
আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা
সখী লো আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা।।

না আসিলে কালো ভ্রমর, কে হবে যৌবনের দোসর
সে বিনে মোর শুন্য বাসর, আমি জিয়ন্তে মরা
আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা
সখী লো আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা।।

কূলমানের আশা ছেড়ে, মন প্রান দিয়াছি যারে।
এখন সে কাঁদায়া মারে, একি তার প্রেমের ধারা
আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা
সখী লো আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা।।

আসার পথে চেয়ে থাকি, যারে পাইলে হবো সুখি।
এ করিমের মরণ বাতি হইলো না অঝোরধারা
আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা
সখী লো আমি ফুল বন্ধু ফুলের ভ্রমরা।।

বাউল

আমি কূলহারা কলংকিনী

আমি কূলহারা কলংকিনী।
আমারে কেউ ছইয়ো না সজনী।

প্রেম করলাম প্রান বন্ধুর সনে
যে দুঃখ পেয়েছি মনে।
আমার কেঁদে যায় দিন রজনী।।

প্রেম করা যে স্বর্গের খেলা
বিচ্ছেদে হয় নরক জ্বালা
আমার মন জানে আমি জানি।।

সখী আমার উপায় বলো না
এ জীবনে দূর হইলো না।
বাউল করিমের পেরেশানি।।

বাউল

এই দুনিয়া মায়া জালে বান্ধা

এই দুনিয়া মায়া জালে বান্ধা
শুনবে কি বুঝবে কি, ওরে ও মন ধুন্ধা
এই দুনিয়া মায়া জালে বান্ধা ..

কতজনা পাগল হইয়া
মায়াতে মন মজাইয়া
আপনার ধন পরকে দিয়া
সার হইয়াছে কান্দা ..
বহুরূপী রঙ-বাজারে
মন থাকেনা মনের ঘরে
রঙ দেখাইয়া প্রাণে মারে
লাগাইয়া ধান্ধা ..
এই দুনিয়া মায়া জালে বান্ধা ..

ছেড়ে দিয়া মায়াপুরী
দিতে হবে ভব পাড়ি
চেয়ে দেখো মন-ব্যপারী
দিন গেলে হয় সন্ধ্যা ..
আপনি যদি ভালো বুঝ
সুসময়ে মুর্শিদ ভজ
জ্ঞান থাকিতে পাগল সাজো
চোখ থাকতে হও আন্ধা ..
এই দুনিয়া মায়া জালে বান্ধা ..

সময়ে কাজ সাধন করো
নবির মতো মনকে গড়
আপনি কর্ম আপনি সারো
করুক লোকে নিন্দা ..
কাটিয়া মায়ারই বাঁধন
যে হইয়াছে মানুষ রতন
এ করিম কয় নাই তার মরণ
সবসময় সে জিন্দা ..
এই দুনিয়া মায়া জালে বান্ধা

বাউল

কে এমন চাঁদ রূপসী জাদু ভরা মুখের হাসি

কে এমন চাঁদ রূপসী জাদু ভরা মুখের হাসি
আওলাকেশী সর্বনাশী পাগল করেছে
আমারে পাগল করেছে ।।

ভুলিতে পারিনা ফিরে ফিরে চাই
প্রাণ কারিয়া নিল রূপের এত যে বড়াই
প্রেম সাগরের তীরে এলো অপরূপ ধরে
জানিনা এই মায়াবিনী কেন এসেছে
আমারে পাগল করেছে ।।

গঠনে বরণে স্বাহ্যে গুণ গাহে যার
প্রেমিক মনে বুঝেনিতে কি বলিব আর
আড়ে আড়ে চায় আহা চোখ ফিরানো দায়
জানিনা কোন উপাসনায় দেখা দিয়েছে
আমারে পাগল করেছে ।।

যত রূপে দেখা দিল মনেরি স্বাদে
এই রূপের তুলনা দিতে বিবেকে বাদে
যৌবন করলে দান হইতাম বড় ভাগ্যবান
আমির উদ্দীন জাত কুলমান ভুলিয়া গেছে
আমারে পাগল করেছে ।।

বাউল

পাখি খাঁচা ভেঙে উড়ে গলে

পাখি খাঁচা ভেঙে উড়ে গেলে হবে অচেনা।
এই মাটির মায়া মিছে কায়া, কিছুই রবে না।।

*** সমন জারী রবে না বাহাদুরী

এসেছিস বাদশা হয়ে ফিরে যাবি দিন ভিখারী।
হিসাবের ষোল আনা বোঝাতে হবে মনা।
মহাজন নইলে তোরে খালাস দিবে না।।

বেচেও আছি মরে কী হবে নালিশ করে
মানুষকে কাঁদায় মানুষ এ বিধান কোন বিচারে।

দুনিয়ার বালা খানা হবে রে ফানাফানা।
সাথে ঐ কাফন ছাড়া কিছুই যাবে না।।

বাউল

মেস্তরি নাও বানাইছে

কোন মেস্তরি নাও বানাইলো এমন দেখা যায়
ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়।।

চন্দ্র-সূর্য বান্ধা আছে নাওয়েরই আগায়
দূরবীনে দেখিয়া পথ মাঝি-মাল্লায় বায়
ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়।।

রঙ-বেরঙের যতো নৌকা ভবের তলায় আয়
রঙ-বেরঙের সারি গাইয়া ভাটি বাইয়া যায়
ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়।।

জারি গায়ে ভাটি বায়ে করতাল বাজায়
মদন মাঝি বড়ই পাজি কতো নাও ডুবায়
ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়।।

হারা-জিতা-ছুবের বেলা কার পানে কে চায়
পাছের মাঝি হাল ধরিয়ো ঈমানের বৈঠায়
ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়।।

বাউল আব্দুল করিম বলে বুঝে উঠা দায়
কোথা হইতে আসে নৌকা কোথায় চলে যায়
ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়।।

বাউল

ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রমর কইও গিয়া
শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে
ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রুমর রে …
কইও কইও কইওরে ভ্রমর
কৃষ্ণরে বুঝাইয়া
মুই রাধা মইরা যাইমু
কৃষ্ণহারা হইয়া রে
ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রমর কইও গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রুমর রে …
আগে যদি জানতাম রে ভ্রমর যাইবা রে ছাড়িয়া
মাথার কেশ দুই ভাগ করে রাখিতাম বান্ধিয়া রে
ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রমর কইও গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রুমর রে …
ভাইবে রাধা রমন বলে শোন রে কালিয়া
নিভা ছিল মনের আগুন
কে দিলা জ্বালাইয়া
ভ্রমর কইও গিয়া
ভ্রমর কইও গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে ভ্রমর কইও গিয়া

বাউল

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
আমরা আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান
মিলিয়া বাউলা গান আর মুর্শিদি গাইতাম

হিন্দু বাড়িতে যাত্রা গান হইত
নিমন্ত্রণ দিত আমরা যাইতাম
জারি গান, বাউল গান আনন্দের তুফান
গাইয়া সারি গান নৌকা দৌড়াইতাম

বর্ষা যখন হইত, গাজির গান আইত,
রংগে ঢংগে গাইত আনন্দ পাইতাম ।।

কে হবে মেম্বার, কে বা গ্রাম সরকার
আমরা কি তার খবরও লইতাম ।।

হায়রে আমরা কি তার খবরও লইতাম
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ।।

বিবাদ ঘটিলে পঞ্চায়েতের বলে
গরীব কাংগালে বিচার পাইতাম ।।

মানুষ ছিল সরল ছিল ধর্ম বল ।।
এখন সবাই পাগল বড়লোক হইতাম ।।

করি ভাবনা সেই দিন আর পাব নাহ
ছিল বাসনা সুখি হইতাম ।।

দিন হতে দিন আসে যে কঠিন
করিম দীনহীন কোন পথে যাইতাম।।

বাউল

কানার হাট বাজার

গুরু গো.. ও ও ও …

বেধ বিধির পথ শাস্ত্র কানা
আর এক কানা মন আমার
এসব দেখি কানার হাট বাজার

এক কানা কয় আর এক কান।রে
চল এবার ভব পারে।।
নিজে কানা
পথ চেনে না
পরকে ডাকে বারং বার
এসব দেখি কানার হাট বাজার

পন্ডিত কানা অহংকারে
সাধু কানা অন্-বিচারে
পন্ডিত কানা অহংকারে
মোড়ল কানা চুগলখোরে
আন্দাজে এক খুটি গেরে।।
জানেনা সীমানা কার
এসব দেখি কানার হাট বাজার।।

কানায় কানায় হোলা মেলায়
বোবাতে খায় রস গোল্লা গো
আবার লালন বলে মদনা কানা
ঘুমের ঘোরে দেয় বাহার
এসব দেখি কানার হাটবাজার

বাউল

ভালবাসি বলে রে বন্ধু

থাকতে যদি না পাই তোমায়
চাইনা মরিলে
আমায় কাঁদালে
ভাল বাসি বলে রে বন্ধু
আমায় কাঁদালে রে বন্ধু
তাই বুঝি আজ বুক ভেসে যায়
নয়নের জলে
আমায় কাদালে

ভালবাসা করে যে জন
কাঁদিতে হয় অতি গোপন ।।
শুস্ক বৃক্ষের কষ্ট যেমন
পাতা নাই ডালে
আমায় কাঁদাল………

ভালবাসা এমন রীতি
কাঁদিতে হয় দিবা নিশি ।।
তবু আমি মালা গাঁথি
পরেছি গলে
আমায় কাঁদালে

ভালবাসি বলে বন্ধু

বাউল

একদিন মাটির ভিতরে হবে ঘর

একদিন মা-টি-র ভিতরে হবে ঘর
রে মন আমার
কেন বান্ধ দালান ঘর ।।

প্রাণ পাখী উড়ে যাবে পিঞ্জর ছেড়ে
ধরাধামে সবই রবে, তুমি যাবে চলে
বন্ধু বান্ধব যত,
মাতা পিতা তারার সুতো;
সকলই হবে তোমার পর

কেন বান্ধ দালান ঘর
রে মন আমার
কেন বান্ধ দালান ঘর ।

দেহ তোমার চর্মচর গলে পঁচে যাবে
শিরা-উপ শিরাগুলি ছিন্ন ভিন্ন হবে
মন্ডু মেরুদন্ড সবই হবে খন্ড খন্ড ।।
পড়ে রবে মাটির উপর

রে মন আমার
কেন বান্ধ দালান ঘর ।

রুপেরই গৌরবে সাজিয়াছ সাজ
সোনাদানা কত কি আর রাজকী পোষাক
যেদিন প্রাণ চলে যাবে, সবই পড়ে রবে ।।
গায়ে দেবে মার্কিন থান

রে মন আমার
কেন বান্ধ দালান ঘর ।
একদিন মা-টি-র ভিতরে হবে ঘর ।

বাউল

বসন্ত বাতাসে সইগো

বসন্ত বাতাসে সইগো
বসন্ত বাতাসে
বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ
আমার বাড়ি আসে

বন্ধুর বাড়ির ফুলবাগানে
নানান রঙের ফুল
ফুলের গন্ধে মন আনন্দে
ভ্রমর হয় আকুল

বন্ধুর বাড়ির ফুলের বন
বাড়ির পূর্বধারে
সেথায় বসে বাজায় বাঁশী
মন নিল তার সুরে

মন নিল তার বাঁশীর তানে
রূপে নিল আঁখী
তাইতো পাগল আব্দুল করিম
আশায় চেয়ে থাকে