পল্লীগীতি

Rai jago go – রাই জাগো গো

রাই জাগো গো
জাগো শ্যামের মনমোহিনী বিনোদিনী রাই
জেগে দেখো আর তো নিশি নাইগো জয় রাঁধে
জাগো শ্যামের মনমোহিনী বিনোদিনী রাই

শ্যাম অঙ্গে অঙ্গ দিয়া
আছো রাঁধে ঘুমাইয়া
কুল কলঙ্কের ভয় কি তোমার নাইগো জয় রাঁধে

বাসি ফুল জলে ফেলে
আনো সবে ফুল তুলিয়ে
সে ফুল দিয়ে যুগলকে সাজাইগো জয় রাঁধে

আমরা তোমার সেবার দাসী
যুগল চরণ ভালবাসি
যুগল বিনে অন্য আশা নাইগো জয় রাঁধে

পল্লীগীতি

Jago he ei nogorbasi – জাগো হে এই নগরবাসী

জাগো হে এই নগরবাসী
মুখে জয় রাধা শ্রী রাধা বইলা পোহাইল নিশি
জাগো হে এই নগরবাসী

পূবেতে বন্দনা করি পূবের দিবাকর
পূবেতে বন্দনা করি পূবের দিবাকর
একদিকে উদয় ভানু চৌদিকে প্রকাশ
জাগো হে এই নগরবাসী

উত্তরে বন্দনা করি কৈলাস শিখর
উত্তরে বন্দনা করি কৈলাস শিখর
তার পাছে বন্দনা করি শিব আর পার্বতী
জাগো হে এই নগরবাসী

দক্ষিণে বন্দনা করি কালিদয় সাগর
দক্ষিণে বন্দনা করি কালিদয় সাগর
পাখি হইয়া উড়ে পড়ে নাহি বালুচর
জাগো হে এই নগরবাসী

পশ্চিমে বন্দনা করি ঠাকুর জগন্নাথ
পশ্চিমে বন্দনা করি ঠাকুর জগন্নাথ
তার পাছে বন্দনা করি শ্রী গুরুর চরণ
জাগো হে এই নগরবাসী

জাগো হে এই নগরবাসী
মুখে জয় রাধা শ্রী রাধা বইলা পোহাইল নিশি
জাগো হে এই নগরবাসী

পল্লীগীতি

ওগো পরানের প্রিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)

নৈশ-সাঝেঁ যাব আমি বন্ধু তোমার বাড়ি,
তোমার অঙ্গে সেদিন প্রিয়া থাকবে লাল শাড়ি

নৈশ-সাঝেঁ যাব আমি বন্ধু তোমার বাড়ি,
তোমার অঙ্গে সেদিন প্রিয়া থাকবে লাল শাড়ি
বিয়ার সাজন সাজিবে আমার পাশে বসিবে,
আদর দিমু তোমারে বাসর নিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)

বিয়ের পরে হানিমুনে যাব কক্সবাজার,
সেইখানে সাগরে আমরা পানি-ত দিমু সাতাঁর

বিয়ের পরে হানিমুনে যামু কক্সবাজার,
সেইখানে সাগরে আমরা পানি-ত দিমু সাতাঁর
করবো প্রেম-আলিঙ্গন,
কিযে মধুর ও লগন
ভয় লাগিলে আমারে ধরিয়ো জড়াইয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)

রাঙ্গামাটি যাব মোরা আঁকাবাকা পথে,
গাছতলায় বলিব কথা হাত রাখিয়া হাতে

রাঙ্গামাটি যাব মোরা আঁকাবাকা পথে,
গাছতলায় বলিব কথা হাত রাখিয়া হাতে
মাসুদ হাসান তখন এ,
প্রেমের কোন যৌবনে,
দিবে তোমার অঙ্গের মাঝে ধূল ছিটাইয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া,
বছর শেষে বাড়ি এসে,
করিব বিয়া

ওগো পরানের প্রিয়া,
আমার ময়না – টিয়া (ও ও ও)
.
.
.

পল্লীগীতি

আল্লা মেঘ দে পানি দে

বেলা দ্বি প্রহর, ধু ধু বালূচর
ধূপেতে কলিজা ফাটে পিয়াসে কাতর….

আল্লাহ মেঘ দে পানি দে
ছায়া দেরে তুই আল্লাহ মেঘ দে,
আসমান হইল টুটা টুটা জমিন হইল ফাটা
মেঘ রাজা ঘুমাইয়া রইছে মেঘ দিব তোর কেডা
আল্লাহ মেঘ দে আল্লাহ মেঘ দে
আল্লাহ মেঘ দে পানি দে পানি
ছায়া দেরে তুই আল্লাহ মেঘ দে।।

ফাইটা ফাইটা রইছৈ যত খালা বিলা নদী
পানির লাইগা কাইন্দা ফিরে পঙ্খী জলদি
আল্লাহ মেঘ দে পানি দে পানি
ছায়া দেরে তুই আল্লাহ মেঘ দে।।

কপোত কপোতি কাদে কূপেতে বসিয়া
শুকনা ফুরের কলি পড়ে ঝড়িয়া ঝড়িয়া
আল্লাহ মেঘ দে পানি দে পানি
ছায়া দেরে তুই আল্লাহ মেঘ দে।।

পল্লীগীতি

সোনা বন্ধু পিরিতে

সোনা বন্ধু পিরিতে
আইসো বাড়ি
বইতে দেব পিড়িতে

আইসো বন্ধু ঢল বাদলে
আইসো শীতল ভোরে
আইসো বন্ধু সাদা মেঘে
আইসো আবার শরতে
সোনা বন্ধু পিরিতে
আইসো বাড়ি
বইতে দেব পিড়িতে।

আইসো বন্ধু অভিসারে
আইসো বন্ধু চাঁন হাতে
হাওয়ার নায়ে আইসো বন্ধু
আইসো রাইত নিশিতে
সোনা বন্ধু পিরিতে
আইসো বাড়ি
বইতে দেব পিড়িতে।

পল্লীগীতি

আবার জমবে মেলা

আবার জমবে মেলা বটতলা হাটখোলা অঘ্রানে নবান্নে উৎসবে,
সোনার বাংলা ভরে উঠবে সোনায়__ বিশ্ব অবাক চেয়ে রবে।।

আবার ভিড়বে এসে বাংলার বন্দরে বেসাতির বড় বড় মহাজন,
আবার খুঁজবে তারা সোনাফলা বাংলায় হীরেমণি জহরত কাঞ্চন।
বাংলার গল্পে গানে ও কথায় বিশ্বের আঙিনা মুখর হবে।।

আবার আনবে ফিরে বিশ্বের সম্মান বাংলার কথা আর কবিতা
মুক্তির ইতিহাস পৃথিবীর বিস্ময় বাস্তব স্বপ্নের ছবিটা
পথে ঘাটে প্রান্তরে ঘরে আঙিনায় সৌরভে ভরা প্রাণ গৌরবে।।

পল্লীগীতি

আমার হাড় কালা করলাম রে

আমার হাড় কালা করলাম রে
আমার দেহ কালার লাইগা রে
আরে আমার অন্তর কালা করলাম রে
দুরন্ত পরবাসে

মন রে, ওরে হাইলা লোকের লাঙ্গল বাঁকা
জনম বাঁকা চাঁদরে জনম বাঁকা চাঁদ।

হায়রে, তার চাইতে অধিক বাঁকা
আমি যারে দিসি প্রাণরে, দুরন্ত পরবাসে।।

(ওরে) মন রে, আরে কূল বাঁকা গাঙ বাঁকা
বাঁকা গাঙের পানি রে, বাঁকা গাঙের পানি
আরে, সকল বাঁকায় বাইলাম নৌকা
তবু বাঁকা রে না জানি রে, দুরন্ত পরবাসে।।

(ওরে) মন রে, ওরে হাড় হইল জড় জড়
অন্তর হইল গুড়া রে, আমার অন্তর হইল গুড়া
পিড়িতি ভাঙ্গিয়া গেলে, নাহি লাগে জোড়া রে
দুরন্ত পরবাসে।।

পল্লীগীতি

কান্দিস না রে বিন্দিয়া

ও ও বিন্দিয়া ও ও বিন্দিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইব কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইব কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।
বাপ মা ভাই ব্রাদার
দেখতে যাইব তোরে আবার।।
স্বামীর ঘরে সুখে থাকিস
জীবন ভরিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইব কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।
মাইয়া মাইনষের এই তো জীবন
পর মানুষ হয় যে আপন
ও ও ও ও
মাইয়া মাইনষের এই তো জীবন
পর মানুষ হয় যে আপন
যাইতে হয় যে শ্বশুর বাড়ি
পালকি চড়িয়া।
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইবো কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।
ও ও বিন্দিয়া ও ও বিন্দিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।

পল্লীগীতি

ছোড ছোড ঢেউ তুলি ফানি

ছোড ছোড ঢেউ তুলি ফানি।।
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে যার গৈ কর্ণফুলী।

এক কূলদি শহর বন্দর নগর হত আছে
আর এক কূলত সবুজ রুয়ার মাতাত সোনালী ধান হাসে।।
হালদা ফাডা গান হুনাইয়ারে সাম্পান যারে গৈ পাল তুলি।।
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে যার গৈ কর্ণফুলী। (স্থায়ী)

হত না গিরস্তের বৌ যি ফানি আইনতো যায়
হত ফাকি গাছর আগাত বই হত গান হুনায়।।
গাছর তলাত মালহা বানুর গান গোরুপ পোয়া গায় পরাণ খুলি।।
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে যার গই কর্ণফুলী। (স্থায়ী)

পাহাড়ী কন সুন্দরী মাইয়া, ঢেউঅর ফানিত যাই
সিয়ন গরি উডি দ্যাকের হাতত খানর ফুল তার নাই।।
যেই দিন খানের দুল হারাইয়ের হেই দিনত্তুন নাম কর্ণফুলী।। (হায়রে)
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে সাই গরজ্জায় ছলি। (স্থায়ী)

ছোড ছোড ঢেউ তুলি পানিত
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে সাই গরজ্জায় ছলি।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ গানে কথায় কিছু ভুল থাকতে পারে। শতভাগ নিশ্চিৎ হলেই সংসোধন কমেন্টে লিখুন। গানটির সুরকারের নাম কারো জানা থাকলে অবশ্যই কমেন্টে লিখুন।

পল্লীগীতি

রাঁধে..

সর্বতমঙ্গল রাঁধে বিনোদিনী রাই
বৃন্দাবনের বংশীধারী ঠাকুর কানাই
একলা রাতে জল ভরিতে যমুনাতে যায়
পেছন থেকে কৃষ্ণ তখন আড়ে আড়ে চায়

জল ভরো জল ভরো রাঁধে ও গোয়ালের ঝিঁ
কলস আমার পুর্ন করো রাঁধে বিনোদী
কালো মানিক হাত পেতেছে চাঁদ ধরিতে যায়
বামুন কি আর হাত বাড়ালেই চাঁদের দেখা পায়
কালো কালো করিস নালো ও গোয়ালের ঝিঁ
আমায় বিধাতা গড়েছে কালো আমি করবো কি
এক কালো যমুনার জল সর্বপ্রানীই খায়
আরেক কালো আমি কৃষ্ণ সকল রাঁধেই চায়

এই কথা শুনিয়া কানাই বাঁশি হাতে নিলো
সর্প হয়ে কালো বাঁশি রাধাকে দংশিল
ডান পায়ে দংশিনু রাঁধের, বাম পায়ে ধরিল
মরলাম মরলাম বলে রাঁধে জমিনে পড়িল
মরবেনা মরবেনা রাঁধে মন্ত্র ভালো জানি
দু এক খানা ঝাড়া দিয়া বিষ করিব পানি
আমার অঙ্গের বিষ যে ঝাড়িতে পারে
সোনার যৈবন খানি দান করিব তারে

এই কথা শুনিয়া কানাই বিষ ঝাড়িয়া দিল
ঝেড়ে ঝুড়ে রাধে তখন গৃহবাসে গেল
গৃহবাসে যেয়ে রাঁধে আড়ে বিছায় চুল
কদম তলায় থাইক্কা কানাই ফিক্যা মারে ফুল

বিয়া নাকি করো কানাই বিয়া নাকি করো
পরের রমনী দেখে জ্বালায় জ্বলে মরো
বিয়া তো করিব রাধে বিয়া তো করিব
তোমার মত সুন্দর রাঁধে কোথায় গেলে পাব
আমার মত সুন্দর রাঁধে যদি পেতে চাও
গলায় কলসি বেঁধে যমুনাতে যাও
কোথায় পাব হাড়কলসি কোথায় পাব দড়ি
তুমি হও যমুনা রাঁধে
আমি ডুইবা মরি…

পল্লীগীতি

যখন আমি শিশু ছিলাম মায়ের কোলে ছিলো বাড়িঘর

যখন আমি শিশু ছিলাম মায়ের কোলে ছিলো বাড়িঘর
আমি কাঁদলে কেঁপে উঠতো জননীর অন্তর।।

হাসতাম যখন মধুর হাসি
মায়ের হৃদয় উঠতো তখন খুশিতে ভরে
আমার যখন অসুখ হতো
মা জননী জেগে রইতো সারা রাত্রি ধরে
আমার জন্যে মায়ের অন্তর করিতো ধরফর।।

মা জননী স্নেহের সাগর
দুনিয়াতে এত আদর কে করিতে পারে
মা হারা সন্তানে বলে
বুক ভেসে যায় চোখের জলে, জল তো শুকায় না রে
মায়ের মত করে কেউ তো করে না আদর।।

পল্লীগীতি

তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো

তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো আজ আমার প্রাণনাথ আসিতে পারে,
দিল চায়, মন চায়, প্রাণ চায় তারে।।

বসন্ত সময়ে কোকিল ডাকে কুহু সুরে,
যৌবন বসন্তে মন থাকতে চায়না ঘরে।।

আতর গোলাপ সোয়া-চন্দন আনো যতন করে,
সাজাও গো ফুলের বিছানা পবিত্র অন্তরে।।

নয়ন যদি ভুলে সইগো মন ভুলেনা তারে,
এগো প্রেমের আগুন হইয়া দ্বিগুণ দিনে-দিনে বাড়ে।।

আসে যদি প্রাণবন্ধু দুঃখ যাবে দূরে,
আমায় যেন ছেড়ে যায় না প্রবোধ দিও তারে।।

আসিবে আসিবে বলে ভরসা অন্তরে,
এ করিম কয় পাই যদি আর ছাড়িবো না তারে।।

পল্লীগীতি

বিহুরে লগন মধুরে লগন

আ..আআ…
বিহুরে লগন মধুরে লগন,
অকাশে বাতাসে লাগিল রে
চম্পা ফুটিছে চামলী ফুটিছে,
তার সুবাসে ময়না আমার ভাসিল রে

হলুদ বরন মেঘলা এ তার যৌবন উছলায়
লাল ওরনার আড়াল দিয়া চক্ষু দুটি চায়
খোপায় টগর ময়না বুঝি আমায় খুঁজে হায়
বসন্তে এ বিহুর লগন উত্তাল হয়ি যায়

বিহুরে লগন মধুরে লগন,
অকাশে বাতাসে লাগিল রে
নাচিতে নাচিতে তার ভরা যৌবন
বিহুর সাজে সবার মাঝে অসিল রে

তাহার নাচ দেখি অমার অঙ্গ অবস হয়
ঢোলের কাঠি দুহাত থিকে অপনি খসি যায়
জগত জুড়ি বিহুর পরব খুসি জে ছ​ড়ায়
বসন্তে এ বিহুর লগন উত্তাল হয়ি যায়

বিহুরে লগন মধুরে লগন,
অকাশে বাতাসে লাগিল রে
চম্পা ফুটিছে চামলী ফুটিছে,
তার সুবাসে ময়না আমার ভাসিল রে

পল্লীগীতি

রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে

রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু সামনের রাস্তা দিয়া।
মুইও বাগি চাইয়া থাকি। জানালা মেলিয়া রে।।

আইস্তে যাইতে রিক্সাওয়ালা রিক্সাত মার ব্যাল।
ঘরের ভিতর থাকি আর। বুহত করে চ্যাল রে।।
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে

ঠিক দুপুরে চালাও রিক্সা গ দি ফরে ঘাম
মনে হয় যে আঁচল দিয়া। মুছাই দিতাম ঘাম রে
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে

সিডর উপর বইয়া রে গুন গুন কর গান।
উডর কোনত লেখা আছে। ভালবাসার নাম রে
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে

শুন শুন বলি তোমায় রিক্সার ডাইবার।
তোয়ার রিক্সাত করিবা নি। আ’রে পেছেঞ্জার রে
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে
রিক্সা চালাও রসিক বন্ধু রে

পল্লীগীতি

যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম

যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম
যদি নতুন একখান মুখ পাইতাম
মইশাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।

একদিনে নাই ডাকি তারে। হাউশের পিরীত শিখাইতাম।
আমি হাউশের পিরীত শিখাইতাম
মইশখাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।

নয়া মুখের নয়া কথা হুনিতে সুন্দর
মাঝে মাঝে পান চিবাইত হাসির ভিতর।

প্রেমের মালা দুনো হাতে। তারে গলাত পরাইতাম।
আমি তারে গলাত পরাইতাম
মইশখাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।

রসের কথা, রসের পিরীত যদি ন জানে
দুইয়ান একখান কইতাম তারে প্রেমের কারণে।

নর-নারীর হাউশের পিরীত। কি মজা তারে বুঝাইতাম
আমি কি মজা তারে বুঝাইতাম।
মইশখাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম।।