নাটক

দূরে হারিয়ে

কখনো দুচোখ জুড়ে তাকিয়ে থেকে কখনো
মায়ার বাঁধনে জড়িয়ে ,
ঘুম হয়ে, পিছু টান হয়ে,
শুধু তুমিই তো ছিলে ।

পথের প্রান্তে গাওয়া গান গুলো আর
পুরনো খাতায় লেখা লাইন গুলো,
নিল হয়ে, অমলীন হয়ে,
শুধু তোমাকেই খোঁজে …

জানিনা কোথায় তুমি,
কেন যে দূরে হারিয়ে,
কেন যে আছো লুকিয়ে,
আজো আছি তোমারই হয়ে । (২)

যদি কখনো আবার হয় দেখা,
যদি পথ দুটো না হয় একা,
তবে রোজ রাতে আমি তারা হয়ে,
জ্বলবো তোমার ইশারায়।

জানা অজানার মাঝে ভুল হয়ে,
কোন উদাসী বিকেল জুড়ে ঝুম হয়ে,
সুর হয়ে, কবিতা হয়ে, শুধু তোমাকেই খুঁজি ।

জানিনা কোথায় তুমি,
কেন যে দূরে হারিয়ে,
কেন যে আছো লুকিয়ে,
আজো আছি তোমারই হয়ে। – (৩)

নাটক

চলনা সুজন

মন আকাশে বৃষ্টি আসে
রৌদ্র মেঘের জুটি
আজ নতুন আলয়
আধার কালোর খুনসুটি
ঝরের বেসে এলো কেসে
কাজল সে চোখ দুটি
দিল কঠিন কথার,ভিষন্নতার ছুটি…
তারি সাথে খেলনাপাতে, অযথা হাসাহাসি
হাজার বারন আরো কারন,তবুও সে দারেই আসি

চলনা সুজন মিলে দুজন,নিলয় আকাশে বাসি
দেখুক লোকে এ দুচোখে,তোর অই দুচোখের হাসি
চলনা সুজন হারায় দুজন,বিনা দুষেই হোক ফাসি
দেখুক লোকে অবাক চোখে,কতটা ভালবাসি ।

চোরাবালির পিছু টানে,বুঝিনা এ ভাষার মানে
অসান্ত মণ, কি উজাতন খোদা জানে
ঘরের কাজে সকাল সাঝে,জিয়মিতির বাঝে বাঝে
কিসের ছায়া,একোন মায়া বুঝিনাজে…
ধীরে ধীরে চেনা ভীরে,অচেনা বারাবারি
অবুঝ এ মন কি জালাতন,এ কেমন আহাজারি

চলনা সুজন মিলে দুজন,আরেকটু ক্ষন ঘুরি
দেখুক লোকে এ দুচোখে, ছায়া যে শধু তরি
চলনা সুজন মিলে দুজন,অচেনা শহর গরি
সেই শহরে আপন করে, বৃষ্টি ফোটা হয়ে ঝরি

বাদাম খুশাই ভালবাসাই,নিয়ন আলয় কাছে আসাই
স্মৃতির খাতাই,চোখের পাতায় কিসের ফাকি
আপন কথার গোপন বেথায়,বন্দি খাচার বিষন্নতাই
কিসের জালা বিশের মালাই,বুঝনা কি
গোপন করে আপন তরে,বুকের পাজরে রাখি
ঘুমের বড়ি দিয়ে আড়ি,হৃদয় বাড়িতে থাকি

চলনা সুজন করি কুজন,সুখ পাখি হয়ে ডাকি
দেখুক লোকে কেমন তকে,প্রেমে জরিয়ে রাখি
চলনা সুজন পালায় দুজন,ওদের কে দিয়ে ফাকি
কোন সমান্তরাল পথের বাকে,বাসা বানিয়ে থাকি

নাটক

শতডানার প্রজাপতি

নতুন ভোর উঠল সুরে
দিল তোমার ঘুমকে তুলে
তখন আমি আলো হয়ে
ছুঁয়ে তোমার কপালে

ও চোখ খুলে আমায় দেখে
আলসেমিতে খুব তুমি অভিমানে
কুয়াশা মেঘে তোমার ঠোটে
লুকোচুরি খেলে গানে

ছেড়ে দিয়ে নাটাই সুতো
উড়াই ইচ্ছে ঘুরি
একে দেই নীল আকাশে
শতডানার প্রজাপতি॥

একটা দুপুর রঙিন সাজে
ডানা মেলে ঐ বাতাসে
হারাব আজ মেঘের ভাজে
দেখব তোমায় নতুন সাজে॥

ও চোখ খুলে আমায় দেখে
আলসেমিতে খুব তুমি অভিমানে
কুয়াশা মেঘে তোমার ঠোটে
লুকোচুরি খেলে গানে

ছেড়ে দিয়ে নাটাই সুতো
উড়াই ইচ্ছে ঘুরি
একে দেই নীল আকাশে
শতডানার প্রজাপতি॥

নাটক

এক জীবনের বসন্ত সব তোমায় দিলাম

এক জীবনের বসন্ত সব তোমায় দিলাম
জীবন বাকির গল্পগুলো তোমায় দিলাম

দুঃখ তোমার দুয়ার জুড়ে অপেক্ষাতে
হাত বাড়িয়ে দুঃখ তোমার কুড়িয়ে নিলাম।।

পথের মোড়ে গল্প জমে তোমার আমার
গল্প লিখে স্বপ্ন এবার ভালোবাসার
কান্না জমে চোখের নীচে বুকের ভেতর
মন বাড়িয়ে অশ্রুজল আজ মুছিয়ে দিলাম।।

জমলে আঁধার বুকের ভেতর ভীষণ ভারি
আমার রেখো আসব আমি দিয়ে পাড়ি

পথ যত হোক দীর্ঘ তুমি একটু যেন
কষ্ট হবে কষ্ট সে তো মেনেই নিলাম।।

নাটক

দূরে ছিলে

রোদ নেই জেগে ওঠা ভোরে
আজ তাই মেঘের ঘুড়ি উড়ে
মন বলে আকাশের সূর্যটা তোমারই ঘরে
কাছ থেকে দেখবে বলে সে, তোমার চাদরে
দূদুরে ছিলে ছিল তাই অনেক ভাল
ধুলোমাখা পথে ছিল রঙিন আলো
তুমি এলে ভোর রাত যেন রাতের কালো

চাঁদ ছিল মাঝরাতে চাঁদেতে
তবুও সে কোন উঠোনে হারায়
তোমারই আকাশে নিঃশ্বাসে
কেন তার ভোর ঘুমায় ভাল লাগায়
দূরে ছিলে ছিল তাই অনেক ভাল
ছায়াপথে ঘিরে ছিলো চাঁদের আলো
তুমি এলে রাত আজ যেন অসীম কালো

ভিজেছিল রংধনু বাতাসে
তবুও সে কোন পাহাড়ে লুকায়
তোমারই দু’চোখে নীল সুখে
কেন তার হাত বাড়ায় জলের আশায়
দূরে ছিলে ছিল তাই অনেক আলো
মেঘে ধোঁয়া জলে ছিলো স্বপ্নগুলো
তুমি এলে চোখ আজ যেন ভীষণ কালো।।

নাটক

শেষ কান্না

সবকিছু বদলে গেল এক রাতের নিমিষেই
তুমি হারিয়ে যাবে বলেছিলে কবে
আজ তোমায় হারিয়ে আজ একা এই রাতে
ভাবনাতে তোমাকে খুজেছি কী তবে
ভাবি তুমি আসবে ফিরে, ধরবে হাতগুলো
বলবে তুমি কেদো না,
ফিরে এসেছি এই দেখো

আর বলবে কেদো না তুমি
এবারই তো শেষ কান্না
বসে আছি আমি তোমার জন্যে
আসো না, ফিরে আসো না, আসো না
ফিরে আসো না

ফিরে এসেছি, ভালোবেসে
তোমায় আমি প্রতিটিবার
সব ব্যাথা ভুলে, সব কষ্ট ফেলে
এসেছি আজি আমি তোমার কাছে
তবু তুমি নেই আজ আমার পাশে
হারিয়ে গেছো তুমি বহুদুরে
ভাবি তুমি আসবে ফিরে
ধরবে হাতগুলো, বলবে তুমি কেদো না,
ফিরে এসেছি এই দেখো

আর বলবে কেদো না তুমি,
এবারই তো শেষ কান্না,
বসে আছি আমি তোমার জন্যে
আসো না, ফিরে আসো না,
আসো না, ফিরে আসো না

I wasn’t ready, I didn’t know
I thought we would last forever
Never thought you would go
But you left me
Yes you left me for her.
And here I was sick of trying
Tired of crying was dying
Every morning,every night
5 o’clock, every-time i cried
Everything you said,you only lied
It was my fault,that i couldn’t know
So baby today in this last song
Is where you belong
Cause this time
This time I’m gone

যখন আধারে পথ হারিয়েছি
তুমি ছিলে হাতটি ধরে
যখন ছিলোনা কেও আমার পাশে
তুমি আমাই করেছিলে আপন
তবু তুমি নেই আজ আমার পাশে
হারিয়ে গেছো তুমি বহুদুরে
আজ সব হারিয়ে আমি
তোমার কাছে দাঁড়িয়ে
জানি তুমি ফিরে আসবে না
আজ তুমি কোথায় হারিয়ে
তুমি তো ছিলে আমারই তবে
কেনো নেই তোমার চোখে কান্না
বসে আছি আমি তোমার জন্যে
আসো না, ফিরে আসোনা
আসো না, ফিরে আসোনা

নাটক

সরি দ্বীপান্বিতা

সময় যখন মরুর ঝড়ে, এ মন হারায় কেমন করে,
আমি তখন যোজন দূরে একাকি সঙ্গি মৌনতা /
আকাশ যখন আঁধার ভীষণ, এক ফোঁটা জল চেয়েছে মন,
অবহেলায় অপমানে পেয়েছে রিক্ত শুন্যতা/

সমান্তরাল পথের বাকে, তোমার পথের দিশা থাকে,
সে দিশা খোঁজে তোমাকে দীপান্বিতা
গাছের সবুজ পাতার ফাঁকে, তোমার ছোঁয়া মিশে থাকে,
সে ছোঁয়া খোঁজে তোমাকে দীপান্বিতা

তুমি নীলাকাশ আপন করেছো
হঠাৎ কোন কালে কে জানে!
স্বপ্ন সীমানা ছুঁয়ে দিয়েছ
কোন সে জাদুতে কে জানে!

আমি ছিলাম তোমার পাশে, তোমার আকাশ ভালবেসে
সে বিশালে খুঁজেছি একটুকু ঠাই, তাও মেলেনি তা
হঠাৎ যখন ছুটির খেলা, মেঘে মেঘে অনেক বেলা
তখন সে ক্রান্তিকালে ধুম্রজালে খুঁজছ যে বৃথা

অশান্ত মন বোঝাই কাকে, হারিয়ে চাইছি তোমাকে
হাতছানি দিয়ে যে ডাকে সৃতির পাতা
নদির শেষে আকাশ নীলে, স্বপ্নগুলো মেলে দিলে
তারা বলে সবাই মিলে, দীপান্বিতা

শোননা রূপসী, তুমি যে শ্রেয়সী, কি ভীষণ উদাসি, প্রেয়সী।
জীবনের গলিতে, এ গানের কলিতে, চাইছি বলিতে, ভালবাসি।

চোখের জলেরই আড়ালে, খেলা শুধুই দেখেছিলে
যন্ত্রণারই আগুন নীলে, পুড়েছি যে-বোঝনি তা
অভিমানে চুপটি করে, এসেছি তাই দূরে সরে
বোঝাতে চেয়েও পারিনি তাই বোঝাতে- লুকোনো কথা

ইটপাথরের এ শহরে, গাড়ি বাড়ির এ বহরে,
খুজছে এ মন ভীষণ করে দীপান্বিতা

জীবন যখন থমকে দাড়ায়, স্বপ্নগুলো দৃষ্টি ছাড়ায়,
তৃষ্ণা বুকের বৃষ্টি হারায় দীপান্বিতা

কল্পনারই আকাশ জুড়ে, নানা রঙে লোকের ভিড়ে,
দুচোখ বুজেও স্বপ্ননীড়ে দীপান্বিতা

তুমি আমার চোখের ভাষা, তুমি আমার সুখের নেশা,
তুমি আমার ভালবাসা দীপান্বিতা।।

নাটক

যাযাবর পাখনা

জানি আমি একা এক সত্যি সত্যি ভোর
জানি আমি এটা নয় কোনো কল্পনা
জানি আমি এটা নয় স্বপ্ন স্বপ্ন ঘোর
জানি আমি এটা কোনো দুখের কল্পনা

এভাবে কাটে যদি কেটে যাক না
এ শহর খুজে পাক যাযাবর পাখনা
কিছূ মেঘ আবেগে গায়ে মেখে থাক না
কিছু মেঘ আকাশে সূদূরে হারাক না

এভাবে কাটে যদি কেটে যাক না
এ শহর খুজে পাক যাযাবর পাখনা
কিছূ মেঘ আবেগে গায়ে মেখে থাক না
কিছু মেঘ আকাশে সূদূরে হারাক না

ভেবে দেখো এভাবে কাটে যদি দিন
ভেবে দেখো হাতে হাতে স্বপ্ন রঙ্গিন
ভেবে দেখো হেটে যাওয়া সাথে দূর
ভেবে দেখো প্রিয় গানে বাধা প্রিয় সুর
এভাবে কাটে যদি কেটে যাক না
এ শহর খুজে পাক যাযাবর পাখনা
কিছূ মেঘ আবেগে গায়ে মেখে থাক না
কিছু মেঘ আকাশে সূদূরে হারাক না

নাটক

আমার গান

গান-1 of 8

যৌবনহীন যুবক একটা চুল্লুর ঘোরে চুর
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
চাকরীর তরে চোরকির মত ঘুরেছে নেতার দুয়ারে
কলেজের পাঠ চুকিয়ে আজ অবস্থা লেজে-গোবরে
পাঁজরের হাড়ে হারমোনিয়াম বাজেনাতো কোনো সুর
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
নেশাটা একটু খাশা হলেই সে কপাল চাপড়ে হাসে
পোড়ামুখি বোন ধরা পড়ে শেষে ঝুলছে শাড়ির ফাঁসে!
হাতে ছিল তারই লেখা চিঠি “দাদা চাকরীটা কত দূর!
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
বেকার বাপের হকার ছেলেটা দেয়নি কাউকে ঠিকানা
শুধু জানি তার ধূপকাঠি ছিল তিন টাকা চার-আনা
আজ সেতো নেই চোলে গেছে সেই “আলোকবর্ষ দূর!”
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
যৌবনহীন যুবক একটা চুল্লুর ঘোরে চুর
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-

—————————- * —————————-
গান-২
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-
তুমি নাকি সেই ঠাকুর ঘরের কলা চোরের মাস্তুতো ভাই,
তুমি নাকি সেই ধর্মতলার নুলো পাগলার পিস্তুতো ভাই,
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই।

*

রাজনীতি ক’রে রোজগার করা ভালোই করেছ রপ্ত,
আমি নাগরিক নাগরের মত হয়েছি তোমা ভক্ত!
লোকে বলে তাই-
তমি নাকি সেই শকুনি মামার বড় আপনার কলির কানাই৷
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-

*

মঞ্চে মঞ্চে উচ্চ বাচ্চে শুনি যত বক্তব্য,
মনে হয় তুমি মহা জিনিয়াস আর সবে অপদার্থ৷
লোকে বলে তাই-
তমি নাকি পুঁজিবাদীদের পুঁজিবরবাদী সহোদরভাই৷
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-

*

শাক দিয়ে মাছ, ঘাস দিয়ে ভাম ঢাকানো বড়োই শক্ত,
ফিনিক্স্ পাখির মত ধেয়ে আসে যুগ-সন্ধির সত্য৷
তুমি জানো নাই-
আমি যে তোমার কানা মামার আস্ত চামার ভাগ্নে জামাই৷

*

মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-
তুমি নাকি সেই ঠাকুর ঘরের কলা চোরের মাস্তুতো ভাই,
তুমি নাকি সেই ধর্মতলার নুলো পাগলার পিস্তুতো ভাই,
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই।

নাটক

আমি সেই সুতো হবো

আমি সেই সুতো হবো , যে তোমায় আলোকিত করে নিজে জ্বলে যাবো . . .
আমি সেই নৌকো হবো , যে তোমায় পার করে নিজেই ডুবে যাবো . . .
হবো সেই চোখ যে তোমায় দেখেই বুজে যাবো
হবো সেই সুর যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হবো
হবো সেই চাঁদ যে হয়ে গেলে আধ , তোমাকে আলো দেবে
দিন ফিরে এলেই আবার ফুরিয়ে যাবো , শুধু ভালোবেসো আমায় . . . . .
আমি সেই সুতো হবো , যে তোমায় আলোকিত করে নিজে জ্বলে যাবো . . .
আমি সেই নৌকো হবো , যে তোমায় পার করে নিজেই ডুবে যাবো . . .
হবো সেই চোখ যে তোমায় দেখেই বুজে যাবো
হবো সেই সুর যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হবো
হবো সেই চাঁদ যে হয়ে গেলে আধ , তোমাকে আলো দেবে
দিন ফিরে এলেই আবার ফুরিয়ে যাবো , শুধু ভালোবেসো আমায় . . . . .
ঝরিয়ে আমার চোখের বৃষ্টি আনবো রংধনু,
শুধু আপন থেকো,ভালবেসো…ভালবেসো আমায়……
করে…প্রমান…মহ টমায়,হয়ে… যাবো আমি অগণ্য…।
এ অপরাধে হলে,আমি অপরাধী ভেবে নেবো।
এটাই পুণ্য…………
আমি সেই সুতো হবো , যে তোমায় আলোকিত করে নিজে জ্বলে যাবো . . .
আমি সেই নৌকো হবো , যে তোমায় পার করে নিজেই ডুবে যাবো . . .
হবো সেই চোখ যে তোমায় দেখেই বুজে যাবো
হবো সেই সুর যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হবো
হবো সেই চাঁদ যে হয়ে গেলে আধ , তোমাকে আলো দেবে
দিন ফিরে এলেই আবার ফুরিয়ে যাবো , শুধু ভালোবেসো আমায় . . . . .

নাটক

যাদুর শহর

কবি হাসে টাকা ভাসে
গঙ্গা বুড়ির শহরে
আসমান তুই কাঁদিস কেন

অট্রালিকার পাহাড়ে
মিছে হাসি মিছে কান্না
পথে পথের আড়ালে
গ্রীন সিগনাল রেড ওয়াইন

দেয়ালে দেয়ালে
এই শহর যাদুর শহর
প্রানের শহর ঢাকারে

নাটক

তুমি আমার নও

দখিনা হাওয়া ঐ তোমার চুলে
ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় এলোমেলো করে
কয়েকটি চুলে ঢেকে যায়
তোমার একটি চোখ
আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও
আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও
তুমি আমার নও আমার নও
আমার নও আমার নও

একাকী নীরবে এগিয়ে পিছিয়ে
চেয়েছি কত বলতে
খুঁজেতো পাইনি না বলা কথাটি
হারানো দিনের গল্পে

শহরতলীতে এমনই রাতে
বেজেছে সানাই কত
সে সুর আজকে স্মৃতির আঙ্গিনায়
বাজবে অচেনা সুরে

নাটক

এভাবে স্বভাবে

আর কখনো কিছু বলবো না
মনেতেই রেখে দেবো যখন পারবোনা
তোমাকে ঠিকই চেয়ে নেবো
অচেনা তুমি কেন
তোমাকেই কি ভাবে চিনি
এ অনুভবে তোমাকে কি ভাবে ফিরিয়ে আনি

না না না সাথবো না,
আর বাধনো আর ত শর্ত না
না বলেও সব বলা হয়ে যাবে
মনে মনে কথা
কথা না আকুলতা
নীরবতা টুকুই মনে রবে
এ সময় তোমায় ফিরে চাই
কখনো পেয়ে যাবে
এ ভাবে স্বভাবে তুমি যে রয়ে যাবে

(সংক্ষেপিত)

নাটক

মেঘের পরে আলোর ভীড়ে

বুঝিনি এতটুকু তোমাকে
হারিয়েছিলাম স্বপ্নের ঘোরে
কতটা পথ ঘুরে এসেছি
তুমি বন্ধু আমার ছিলে পাশে

মেঘের পরে আলোর ভীড়ে
তুমি প্রথম চেয়েছিলে
বুঝিনি আমি তোমাকে দেখে
রেখেছ যে কত মায়া-প্রেম

বুঝতে দাও নি কোন আমাকে
সাজিয়েছ যা হৃদয়ে
ছাঁয়া হয়ে ছিলে পাশে
বল কি করে যাব তোমায় রেখে

নাটক

আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেল

আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেল
কত সুর কত গান মনে পড়ে গেল
বলো ভালো আছো তো… বলো ভালো আছো তো ।।

ক’দিন আগে এমন হলে
ক’টা দিন আরো বেশী পেতাম
আরো আকাশ আরো বাতাস
লিখে দিত তোমার নাম
শুধু আমি নয় ওরা সবাই
ডেকে ডেকে বলে বলে যেতো
বলো ভালো আছো তো… বলো ভালো আছো তো ।।

জানি তোমায় আপন ভাবার
কোন অধিকার নেই যে এবার
এ ও জানি দেখা হওয়াই
কত বড় ভাগ্য আমার
শুধু বলো আজ আমায় ভুলে
সুখী তুমি হয়েছো কত
বলো ভালো আছো তো… বলো ভালো আছো তো ।।