জীবনমুখী গান

মা জননী

দুঃখ এলে দেয়না কেউ আর আদর করে সব ভুলিয়ে,
ঘুম পাড়ানির গল্প বলে দেয়না মাথায় হাত বুলিয়ে।
মা-জননী এই আমাকে বুকে টেনে নাও,
কত দুরে আছ তুমি সঙে নিয়ে যাও।

একটু চোখের আড়াল হলে, বলতে খোকা ফিরে আয়
কেমন করে চলে গেলে, একা তুমি ফেলে আমায়
হো একটু চোখের আড়াল হলে, বলতে খোকা ফিরে আয়
কেমন করে চলে গেলে, একা তুমি ফেলে আমায়।
মা-জননী এই আমাকে বুকে টেনে নাও,
কত দূরে আছ তুমি সঙে নিয়ে যাও।

তোমার পায়ে সর্গ আমার, সকল ব্যথার শান্তনা
তোমার কোলে মাথা রেখে, ভুলি মনের যন্ত্রনা।
হো তোমার পায়ে সর্গ আমার, সকল বেথার শান্তনা
তোমার কোলে মাথা রেখে, ভুলি মনের যন্ত্রণা।
মা-জননী এই আমাকে বুকে টেনে নাও,
কত দূরে আছ তুমি সঙে নিয়ে যাও।

দুঃখ এলে দেয়না কেউ আর, আদর করদ সব ভুলিয়ে,
ঘুম পাড়ানির গল্প বলে, দেয়না মাথায় হাত বুলিয়ে।
মা-জননী এই আমাকে বুকে টেনে নাও
কত দূরে আছ তুমি সঙে নিয়ে যাও

জীবনমুখী গান

শরীর বেঁচি

শরীর বেঁচি শরীর বেঁচি
শোনেন ভদ্র লোক
রাতের নায়ক তারাই যারা দিনের বিচারক
জীবনডারে কোন জীবনে থুই
ভাঙ্গাচোরা মন আমার ভাঙ্গাচোরা মন ।

পড়শী জানে চাকরী করে ঢাকায়
ভাই বাজানের খোরাক চলে
দেহ বেঁচা টাকায় ।

সার্টিফিকেট দিচ্ছে দেশের আইনে
শরীর করে দেহের বিচার
দেহ পাচ্ছে মাইনে ।

জীবনমুখী গান

আগের বাহাদুরী এখন গেল কৈ?

আগের বাহাদুরী এখন গেল কৈ?
চলিতে চরণ চলেনা দিনে দিনে অবশ হই।

মাথায় চুল পাকিতেছে, মুখের দাঁত নড়ে গেছে,
চোখের জ্যোতি কমেছে, মনে ভাবি চশমা লই,
মন চলেনা রঙ-তামাশায়, আলস্য এসেছে দেহায়,
কথা বলতে ভুল পড়ে যায়, মধ্যে মধ্যে আটক হই।।

কমিতেছি তিলে তিলে, ছেলেরা মুরব্বী বলে,
ভবের জনম গেল্‌ বিফলে, এখন সেই ভাবনায় রই,
আগের মত খাওয়া যায়না, বেশি খাইলে হজম হয়না,
আগের মত কথা কয়না, নাচেনা রঙের বারই।।

ছেলেবেলা ভাল ছিলাম, বড় হয়ে দায় ঠেকিলাম,
সময়ের মূল্য না দিলাম, তাইতো জবাবদিহি হই,
যা হবার তা হয়ে গেছে, আব্দুল করিম ভাবিতেছে
এমন একদিন সামনে আছে, একেবারে করবে সই।।

জীবনমুখী গান

ও গানওয়ালা আরেকটা গান গাও

ও গানওয়ালা আরেকটা গান গাও
আমার আর কোথাও যাবার নেই
কিচ্ছু করার নেই।

ছেলেবেলার সেই বেহালা বাজানো লোকটা
চলে গেছে বেহালা নিয়ে
চলে গেছে গান শুনিয়ে।

এই পালটানো সময়
সে ফিরবে কি ফিরবে না জানা নেই
ও গানওয়ালা আরেকটা গান গাও
আমার আর কোথাও যাবার নেই
কিচ্ছু করার নেই।

কৈশরে শেষ হওয়া
রঙচঙে স্বপ্নের দিন
চলে গেছে রঙ হারিয়ে
চলে গেছে মুখ ফিরিয়ে।

এই ফাটকাবাজির দেশে
স্বপ্নের পাখিগুলো বেঁচে নেই
ও গানওয়ালা আরেকটা গান গাও
আমার আর কোথাও যাবার নেই
কিচ্ছু করার নেই।

জীবনমুখী গান

অন্য প্রেমের গান

যদি ভালোবাসো কোনো একজনকেই, তবে নিশ্চয় বলো I love you.
যদি ভালোবাসো একাধিক জনকে।
তবে দ্বিধাহীন হয়ে থাকো নিজেকে ঠকিও নাকো, চিৎকার করে বলো বার বার I
love you, I love you, I love you.
এ এক অন্য প্রেমের গান, এ এক অন্য প্রেমের সুর।
না শুনলে শুনো নাকো,
না মানলে মেনো নাকো, না মানার
অাছে অধিকার।
যদি ভালোবাসো…..

সংকীর্ণ মনের মানুষ যারা, তারাই তো ভালোবাসে একবার।
যার মন বড় যতো দেখে ভালো অবিরত, তারাই তো ভালোবাসে বার বার।
যদি ভালোবাসো শুধু একজনকেই, তবে পৃথিবীকে বলো I haat you.
ভালোবাসা কোনো press maker নয়, কোনো এক বুকে নেবেই যে অাশ্রয়।
ভালোবাসাতো মুক্ত হাওয়া, বহু মনে খুজে পাওয়া।
নানা ভাগে কোমল গান্ধার।
I love you…..

অামার নেই কোনো শাসন, ভালোবাসি যখন তখন।
কারো চোখ ভালো লাগে, কারো মুখ ভালো লাগে, কারো বা চরিত্রর গঠন।
ভালোবাসবো যখন অামি তোমাকে, বলবো বলবোই I love you.
ভালোবাসবো যখন অামি অামাকে।
বলবো এ মনটাকে দৃষ্টি শক্তিটাকে, নানা মনে মিশে যা বার
বার।
I love you……

জীবনমুখী গান

আপস

আপস করেই বেচে থাকা, আপস করেই মরা।
মধ্যবিত্ত জীবন মানে আপস দিয়ে গড়া।
আপস করেই ঘর-সংসার, আপস করেই প্রণয়।
বন্ধুত্ব বা ভালোবাসা আপসহীন কিছু নয়।

তাই আপসটাকে পাপোস করে বাঁচতে ইচ্ছে করে।
দেখি নুন আনতেই পান্তা ফুরায় আমার ভাঙা ঘরে।

সকাল বেলায় আপস শুরু, ডিম আর দুটো রুটি।
নটার আগেই অফিস ধরতে ভীষন ছুটোছুটি।
অফিস মানেই যখন-তখন বসের প্রতি সেলাম।
সকাল থেকে সন্ধ্যা অবদি হদ্রহিত্ত গোলাম।
অফিস শেষেও একি আপস রিক্সা-ট্যাক্সি-বাসে।
এতকিছুর পরও কেনো স্বপ্ন চোখে ভাসে।

মনের ভেতর হাজার স্বপ্ন মানতে চায় না পোষ।
বাস্তবতা টুটি চেপে শেখাচ্ছে আপস।
চাওয়া-পাওয়ার করছি আপস ইচ্ছেগুলোর সাথে।
হাসিমুখে মানছি সবি নানান অজুহাতে।
প্রতিদিনি করছি আপস গোপনে প্রকাশ্যে।
তবু আপসহীন এক স্বপ্ন কেনো আমার চোখে ভাসে।

জীবনমুখী গান

আমার গানের কথা

গান-1 of 8

যৌবনহীন যুবক একটা চুল্লুর ঘোরে চুর
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
চাকরীর তরে চোরকির মত ঘুরেছে নেতার দুয়ারে
কলেজের পাঠ চুকিয়ে আজ অবস্থা লেজে-গোবরে
পাঁজরের হাড়ে হারমোনিয়াম বাজেনাতো কোনো সুর
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
নেশাটা একটু খাশা হলেই সে কপাল চাপড়ে হাসে
পোড়ামুখি বোন ধরা পড়ে শেষে ঝুলছে শাড়ির ফাঁসে!
হাতে ছিল তারই লেখা চিঠি “দাদা চাকরীটা কত দূর!
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
বেকার বাপের হকার ছেলেটা দেয়নি কাউকে ঠিকানা
শুধু জানি তার ধূপকাঠি ছিল তিন টাকা চার-আনা
আজ সেতো নেই চোলে গেছে সেই “আলোকবর্ষ দূর!”
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-
*
যৌবনহীন যুবক একটা চুল্লুর ঘোরে চুর
পোড়ামুখে তার আধ-পোড়া বিড়ি লোকে বাহাদুর-

—————————- * —————————-
গান-২
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-
তুমি নাকি সেই ঠাকুর ঘরের কলা চোরের মাস্তুতো ভাই,
তুমি নাকি সেই ধর্মতলার নুলো পাগলার পিস্তুতো ভাই,
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই।

*

রাজনীতি ক’রে রোজগার করা ভালোই করেছ রপ্ত,
আমি নাগরিক নাগরের মত হয়েছি তোমা ভক্ত!
লোকে বলে তাই-
তমি নাকি সেই শকুনি মামার বড় আপনার কলির কানাই৷
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-

*

মঞ্চে মঞ্চে উচ্চ বাচ্চে শুনি যত বক্তব্য,
মনে হয় তুমি মহা জিনিয়াস আর সবে অপদার্থ৷
লোকে বলে তাই-
তমি নাকি পুঁজিবাদীদের পুঁজিবরবাদী সহোদরভাই৷
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-

*

শাক দিয়ে মাছ, ঘাস দিয়ে ভাম ঢাকানো বড়োই শক্ত,
ফিনিক্স্ পাখির মত ধেয়ে আসে যুগ-সন্ধির সত্য৷
তুমি জানো নাই-
আমি যে তোমার কানা মামার আস্ত চামার ভাগ্নে জামাই৷

*

মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই-
তুমি নাকি সেই ঠাকুর ঘরের কলা চোরের মাস্তুতো ভাই,
তুমি নাকি সেই ধর্মতলার নুলো পাগলার পিস্তুতো ভাই,
মন্ত্রীমশাই, ওহে মন্ত্রীমশাই।

জীবনমুখী গান

ঠক বাজ

ঠক ঠক ঠকবাজে ভরে গেছে দেশ
চক চক চামচারা সুখে আছে বেশ
নীতি নেই প্রিতি নেই
মামা খালু ধরলেই
চাকরিটা মিলবেই ও ও চাকরিটা মিলবেই
অফিসের ফাইলে ঘুষ দাও নাইলে
হবে নাতো কাজ খান
ও অফিসার এরি নাম

এই সব অনিয়ম চলছে যে হরদম
রাস্তায় মাস্তান প্রতিদিন চাঁদা চান
করব কি বল ভাই কোনদিকে বলো যাই
বলো না বলো না বলো না

নেতারা তো সারাদিন টকঝাল আয়োডিন
নানা কথা বলচেই ও ঝগড়াটা চলছেই
রাস্তায় বেরুতেই গলিরই শুরুতেই
ট্রাক দেয় ধাক্কা ও পায় খুব অক্কা
করবো কি বলো ভাই কোনদিকে বলো যাই
বলো না বলো না বলো না

জীবনমুখী গান

আমার মানচিত্র

আমার মানচিত্র
কথা : চন্দ্র শেখর (চয়ন) সুর : অলক বাপ্পা
শিল্পী : কিশোর পলাশ

তোমার ভালবাসা পাবার যোগ্য
নই কেন বলো আমি
আমার মানচিত্র কি কুৎসিত বেশী
আচরনে আছে কোন পাগলামি
সূর্যের রং মেখে নিয়ে গায়
পথ যে চলি অবিচল পায়
তবু প্রেম চাইতেই আমি পারি সেটা
মানবে না কেন তুমি ।

সারারাত পার হয়ে যায়
নির্ঘুম চোখে ব্যার্থ আশায়
কাল কিভাবে দিন যে যাবে
পকেট টা পড়ে থাকে শূন্যতায় ।
বেকার যুবক বলে কি
লিখবো না কিছুই প্রেমের আমি ।
তাই তো জানাই তোমাকে আমার
মনের পুষ্প প্রণামী ।

ঘাড়ের উপর জমে আছে
একগাদা সার্টিফিকেটের বোঝা
কি করে চাকরী পাই
নেই কোন মামা ভাই
করিনি কখনো মন্ত্রীর পূজা ।
অন্তহীন অবসরে ক্লান্ত দেহ
সুখের বিলাসীতায় হচ্ছে দাহ্ ।
ঘুরে ফিরে বারবার তোমারি কাছে আবার
জানাতে হয় যে সেলামী ।

জীবনমুখী গান

ভাঙ্গা তরী ছেঁড়া পাল

ভাঙ্গা তরী
কথা : রানা শেখ সুর : রানা শেখ
শিল্পী : কিশোর পলাশ

আমার ভাঙ্গা তরী ছেঁড়া পাল
চলবে আর কতকাল
ভাবি শুধু একা বসিয়া…রে দয়াল
এভাবে আর চলবে কতকাল
তরী কিনারায় ভিড়াইয়া
ভাবি শুধু কাঁদিয়া
যাবে কি এমনি দিন ও হাল…রে দয়াল
এভাবে আর চলবে কতকাল ।

জীবন দিলা কাঞ্চা বাঁশের
খাঁচার ই মত
যত্ন নেবার আগেই তাহা
ভাঙ্গে অবিরত, দয়াল।
ধনীরে ধন দিলা
গরীবের তুইলা পিঠের ছাল ।

সুখের পাখি নীড় বাঁধিতে
যায় না সে ভূলে
যত্ন করে নীড় বাঁধে হায়
সূখেরি দূ-কূলে, দয়াল
তেলে চুলে তেল দিলা
বুজলানা জটা চুলের হাল ।

জীবনমুখী গান

আমার ভাঙ্গা তরী ছেড়া পাল

আমার ভাঙ্গা তরী ছেড়া পাল
চলবে আর কত কাল
ভাবি শুধু একা বসিয়া
রে দয়াল,এভাবে আর চলবে কতকাল

তরী কিণারায় ভিড়াইয়া
ভাবি শুধু কাদিয়া ।।
যাবে কি এমনি দিন হাল
রে দয়াল,এভাবে চলবে কতকাল

জীবন দিলা কাঞ্চা বাশের
খাচার মতন
যত্ন নেবার আগেই তাহা
ভাঙ্গে অবিরত, দয়াল

ধনীরে ধন দিলা
গরীবের তুইলা পিঠের ছাল
রে দয়াল, এভাবে আর চলবে কতকাল

সুখের পাখি নীড় বাধিতে
যায়না সে ভুলে
যত্ন করে নীড় বাধে হায়
সুখের দুকুলে

তেলে চুলে তেল দিলা
বুঝলানা জটা চুলের হাল
রে দয়াল, এভাবে আর চলবে কতকাল

জীবনমুখী গান

আমার রাস্তা আমার বাড়ি

আমার রাস্তা আমার বাড়ি
আমার ফাটা দেয়াল
আমার পোড়া মনের অজস্র জঞ্জাল

ভাঙছে কেবল ভাঙছে
শুধু যাচ্ছে ক্ষয়ে ক্ষয়ে
আমার রাত্রি আমারই সকাল

একই ভাবে ঘামতে ঘামতে
মনের ভেতর নামতে নামতে
কোনমতে করছি দিনটা পার

চলছে চলবে
চলছে চলবে এই ভাঙাচোরা
গল্পটা আমার

নাকে আমার পোড়া পিঠের গন্ধ
বুকে কালো ধোঁয়া
হাতে-পায়ে শুধুই অবক্ষয়
তবু কাশতে কাশতে
এখনও যে হাসতে
পাড়ি ভালোবাসতে
নিজের কাছে
নিজেরই বিস্ময়

করবো যে আর কত ঘেন্না
নিজেই নিজের ছায়াটাকে
করবো যে আর কত অপমান
আবার তো সেই আষ্টেপিষ্টে
জড়িয়ে নিজের নরকটাকে
গাইবো আমি ভালোবাসার গান

এসো আমার ঘরে একবার
তুমি এসো আমার ঘরে একবার
পারো যদি দেখে যেও
বেঁচে থাকা কারে বলে
এসো আমার শহরে একবার

জীবনমুখী গান

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়
আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।।

চারিদিকে দেখো থৈথৈ পানি পানির নাইরে শেষ
অতি বৃষ্টির পাল্লায় পড়ে বন্যায় ভাসে দেশ
পানির তোড়ে যায়রে ভেসে হাজারো ঘর-বাড়ি
সাধের সংসার নিয়ে কেহ নৌকাতে দেয় পাড়ি
আবার এরই মধ্যে সখ করে কেউ ডাইল খিচুড়ি খায়।
হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়
আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।

সবাই জানে একটুখানি বৃষ্টি হয় যদি
ঢাকা শহরের রাস্তা-ঘাট হয়ে যায়রে নদী
ম্যানহোলের ঢাকনাটা খোলা যায়না কিছু বুঝা
একবার যে পড়েছে সে জানে উঠা নয় সোজা
হায় যানজটে জলজটে পড়ে যাত্রীদের জান যায়।
হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়
আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।

চলচ্চিত্রে বৃষ্টির সিন ধরে ক্যামেরায়
নকল বৃষ্টিতে নায়িকারে ভিজায় সিনেমায়
শ্রাবণ মাসে ছিদ্র থাকে যাদের ঘরের চালা
দুনিয়াতে তারাই জানে মেঘ-বৃষ্টির কি জ্বালা
তাই দুঃখের বৃষ্টি চায়না মনে সুখের বৃষ্টি চায়।
আয়রে বৃষ্টি আয়রে আয়
আয়রে সুখের বৃষ্টি আয়।

জীবনমুখী গান

শত আশা

শত আশা শত আশা
শত আশা শত আশা

কিছু পাবার আশায়
স্বপ্নগুলো আজ সত্যির পথে
কিছু দেখাবো বলে
স্বপ্নগুলো আজ মুক্তির পথে
আজ সব পথ পেরিয়ে
শত বাঁধা এড়িয়ে
লক্ষ্য খুঁজতে চাই ।।

শত আশা শত আশা
শত আশা শত আশা

আজ হাতে রেখে হাত
স্বপ্নগুলো আজ একসাথে
ভুলে যাব না বলে
স্বপ্নগুলো আজ সৃষ্টির পথে
আজ সব পথ পেড়িয়ে
শত বাঁধা এড়িয়ে লক্ষ্য খুঁজতে চাই ।।

আশাগুলো আজ আলো হয়ে
জ্বলে উঠে
আশাগুলো আজ হেসে তৃপ্তি নেয়
এতে
নেই কোন পিছু টান
নেই কোন বাঁধা

শত আশা শত আশা
শত আশা শত আশা
শত আশা শত আশা

জীবনমুখী গান

সবার হৃদয়ে রবীন্দ্র নাথ চেতনাতে নজরুল

সবার হৃদয়ে রবীন্দ্র নাথ চেতনাতে নজরুল
যতই আসুক বিঘ্ন বিপদ হাওয়া হোক প্রতিকূল
একহাতে বাজে অগ্নিবীনা কন্ঠে গীতাঞ্জলী
হাজার সূর্য চোখের তাঁরায় আমরা যে পথ চলি।।

এই সেই দেশ একদা যেখানে উপনিশদের ঋষি
সমতার গান গেয়েছিল আর শুনেছিল দশদিশি
প্রোপিতামহের ভাষাতেই আমরা যে কথা বলি
হাজার সূর্য চোখের তাঁরায় আমরা যে পথ চলি।।

এই সেই দেশ এখনও এখানে উঠে আজানের ধ্বনি
গীতা বাইবেন ত্রিপিটক আর শোনা যায় রামায়নি
কবি কালিদাস ইকবাল আর গালিবের পদাবলি
হাজার সূর্য চোখের তাঁরায় আমরা যে পথ চলি।।