জীবনমুখী গান

মাকে ভালোবাসি আমি মা যে আমার প্রাণ

মাকে ভালোবাসি আমি মা যে আমার প্রাণ
তাকে ভালো রেখো তুমি, আল্লাহ মেহেরবান (২ বার)
মা গো,
তোমার জন্যে নিত্য দিনই চোখে আসে বান (২বার)
রাত দুপুরে যখন ফিরি আমার ছোট্ট ঘরে
তুমি বিনে শূণ্য হৃদয় কেমন জানি করে (২ বার)
আমার জন্যে আজও কি মা কাদে তোমার প্রাণ

দুঃখ শোকে কাজের ফাঁকে তোমায় মনে পরে
দুই নয়নের প্রান্ত জুড়ে অশ্র“ শুধুই ঝরে (২বার)
তোমার জন্যে আজও লিখি নতুন সুরের গান

জীবনমুখী গান

পাবে সামান্যে কি তার দেখা!

পাবে সামান্যে কি তার দেখা!
(ওরে) বেদে নাই যার রূপ-রেখা।।
কেউ বলে, পরম মিষ্টি কারো না হইল দৃষ্টি ।।
বরাতে দুনিয়া সৃষ্টি ।।
তাই নিয়ে লেখাজোখা।
(ওরে) তাই নিয়ে লেখাজোখা।
নিরাকার ব্রহ্ম হয় সে সদাই ফেরে অচিন দেশে ।।
দোসর তাই নাইকো পাশে ।।
ফেরে সে একা একা।
(ওরে) ফেরে সে একা একা।
কিঞ্চিৎ ধ্যানে মহাদেব, সে তুলনা কি আর দেবো ।।
লালন বলে, গুরু ভাবো
যাবে রে মনের ধোঁকা।
(ওরে) যাবে রে মনের ধোঁকা।

জীবনমুখী গান

বিশ্বসংগীত

আমরা করব জয়
আমরা করব জয় একদিন
ও হো বুকের গভীরে আমরা জেনেছি
যে আমরা করব জয় একদিন।।

আমরা নই একা
আমরা নই একা আজকে
ও হো বুকের গভীরে আমরা জেনেছি
আমরা নই একা আজকে।।

আমাদের নেই কোন ভয়
আমাদের নেই কোন ভয় আজকে
ও হো বুকের গভীরে আমরা জেনেছি
আমাদের নেই কোন ভয় আজকে।।

জীবনমুখী গান

বিরোধ- নচিকেতা

বিরোধ, বিরোধ, বিরোধ-
বিরোধের মুখে দাও নিরোধ।
গণতন্ত্র বাঁচে তাতেই,
ভুলে যাও যাও প্রতিরোধ।।

বাড়ছে ফি-বছর ডিজেলের দাম তাই,
দু’হাত তুলে চেনে সরকার নিমাই।
ভাবছে ক’জনার মানুষের কথা ভাই,
ঝাড়ছে সক্কলে সক্কলে সব্বাই।।
পোষে না আজ খোকা ভুলে যায় রাগ সে,
আইপিএল দেখে বোকাচোদা বাক্সে।
খুঁজছে আজ লোকে জোতিষীর আশ্রয়,
জাপানি তেল কিনে খুশি মনে বাড়ি যায়।।

অভিধানে মূল্যবোধ-
বিরোধ, বিরোধ, বিরোধ।

মানি ইজ ডার্লিং মানি ইজ মুনিয়া,
মুনিয়া হাতে পেলে পুটকিতে দুনিয়া।
শপিং মল গুলো সঠিক মলদ্বার,
ল্যুজ-মোশানে শেষ সবটুকু রোজগার।
আইটেম নাচ কম্পলসারি সিনেমায়,
আইন বানিয়ে কি ধর্ষন রোখা যায়?

সরকার ভাবে না আমাদের মানুষ আর,
আমরা সরকারী খাতাতে শুধু ভোটার।
ভোটে কি আর থাকে সেনসিটিভিটি?
পাঁচ বছর পর আমরা মাইনরিটি।
আমরা বাঙালীরা একদিন খাঁচায়,
কোলকাতা ছেড়ে থাকবো চিড়িয়াখানায়।
থাকবে কঠিন অবরোধ-
বিরোধ, বিরোধ, বিরোধ।।

জীবনমুখী গান

আমার ইচ্ছে করে

আমার ইচ্ছে করে আকাশ বাড়ির ছাদ
ভেঙে বৃষ্টি আসুক, ভাসুক অবসাদ।
আমার ইচ্ছে করে হাতের পাঁচিল দিয়ে
তোকে জড়িয়ে থাকি সকাল থেকে রাত।
আমার ইচ্ছে করে সকাল চাদর হয়ে
রাতের কালো জাপ্টে ধরে রাখি।
আমার ইচ্ছে করে বিধানসভায় গিয়ে
দেয়ালে অপুষ্টির ছবি আঁকি।
আমার ইচ্ছে করে, তুই যখন অসহায়,
গোটা দুনিয়াটাকেই বলি মুর্দাবাদ।
আমার ইচ্ছে করে হাতের পাঁচিল দিয়ে
তোকে জড়িয়ে থাকি সকাল থেকে রাত।
আমার ইচ্ছে করে শীতবেড়ালের মতো
কুঁকড়ে শুয়ে থাকি রে তোর কোলে।
আমার ইচ্ছে করে সিদ্ধ নগর গড়ি
এই শহরের নিষিদ্ধ অঞ্চলে।
আমার ইচ্ছে করে বলি করে চীৎকার—
আমার বকলেস্হীন জীবন জিন্দাবাদ।
আমার ইচ্ছে করে হাতের পাঁচিল দিয়ে
তোকে জড়িয়ে থাকি সকাল থেকে রাত।

জীবনমুখী গান

মারো জোয়ান হেঁইয়ো মারো কষে টান

মারো জোয়ান হেঁইয়ো মারো কষে টান
তালে তালে ফেল বৈঠা নদীতে উজান।।

ও মাঝি হাল তোর শক্ত করে ধর
পুব আকাশে গর্জে দেয়া কিসের তাতে ডর
পথের বাধা মানবো না রে আসুক ঝড় তুফান।।

মাঝ নদীতে ভরা নাও কতই হল তল
সামনে পিছে নাচে মুখর কুটিল কালো জল
হও হুঁশিয়ার পাক্কা মাঝি মজুর আর কিষাণ।।

ওই ওপারে স্বপ্নে দেখা জাগে সোনার কূল
মোদের লাগি ডাক পাঠালো করিস না রে ভুল
ঘোর আঁধারে পথ দেখাবে আগুনের নিশান।।

ডাক শুনে আজ এসেছে সব পেছনে কেউ নেই
লক্ষ হাতে হাত মিলিয়ে আমরা পাড়ি দেই
একই পথের যাত্রী মোরা জোরসে আগুয়ান।।

জীবনমুখী গান

তুমি কে ?

তুমি যদি চাও সূর্যকে নিয়ে যাব তোমাদের বাড়ি,
তুমি যদি চাও অক্সিজেনের সাথে করে দিব আড়ি।
যদি তোমার দু’চোখ রাত্রিকে খোজে পৃথিবীকে দিবো মুড়ে,
তুমি চাইলেই বোবা পৃথিবীটা ভরে দেব সুরে সুরে।
তুমি কে ? , তুমি কে ? , তুমি কে ?, তুমি কে ? ও তুমি কে..?
তুমি চাইলেই চিৎকার করে বলব তোমার নাম
তুমি কে ? , তুমি কে ? , তুমি কে ?, তুমি কে ? ও তুমি কে..?
,
তুমি চাইলেই আমি পরাবোই যেন বাঘের গলায় মালা,
তুমি চাইলেই কোন মন্ত্রীকে আমি সোজা বলে দেব শালা।
এই আমার বুকেতে অনেক আগুন গোটা দেশ যাবে জ্বলে,
তবু পারছিনা জ্বলে উঠতে শুধু তুমি বলছনা বলে,
তুমি সুন্দর, তুমি সুন্দর, কি দারুন তোমার হাসি,
ঐ হাসির জন্য সহস্র বার যেতে রাজি আমি ফাঁসি।
কোলকাতাটাকে কিনে এনে দিব দিয়ে সাত টাকা দাম।
তুমি কে, তুমি কে, তুমি কে, তুমি কে ও তুমি কে..?
,
তুমি চাইলেই ফিদা হোসেন কে দিয়ে আকাঁবো তোমার ছবি,
তোমাকেই লিখবে কবিতা সাড়ে দশ হাজার কবি।
তুমি চাইলেই স্কুল সিলেবাসে আমি তোমার জীবনী ছাপাবো,তুমি চাইলেই ছয় ইঞ্চি ইস্কেলে হিমালয়টা কে মাপাবো,তুমি চাইলেই দেবনা তো ভোট লোক অথবা বিধান সভায়,তুমি চাইলেই আমি চিরে দেব বুক প্রকাশ্য জনসভায়,তুমি চাইলেই, খেয়ে নিবো সায়নায়েট ৫০০ গ্রাম…
তুমি কে ? , তুমি কে ? , তুমি কে ?, তুমি কে ? ও তুমি কে..?
তুমি কে ? , তুমি কে ? , তুমি কে ?, তুমি কে ? ও তুমি কে..?…….

জীবনমুখী গান

আমি পারবোনা,পারবোনা রাখতে প্রেমের মান

হতে পারতো অনেক কিছুই,
হতে পারতো সবি ভাল,
এসে পড়তো রোদের ছটা,
যখন মনের আকাশ কালো ।
তাই তোমার আশায় থাকি,
আমি অন্ধকারের পাখি,
উড়ে যাবেই চলে গায়বে পাখি সেকল ভাংগার গান,
আমি পারবোনা,পারবোনা রাখতে প্রেমের মান।।
*
ভালবাসা প্রতিস্রুতি গাল ভরা কথা,
আচলে আমায় ধরেছ জমবে বুকে ব্যথা।
ভালবাসা বাচেনা শর্তের শাসনে,
গেল যে পরাণটা গেল আচলের বাধনে।
তবু সবুজ ছবি আকো, আর মনে মনে ডাকো,
আমি আসবোনা শুনবোনা ভালবাসার গান,
আমি পারবোনা,পারবোনা রাখতে প্রেমের মান।।
*
হতে পারতো অনেক কিছুই,
কিছু হবেনা তাও জানি,
হওয়ার মধ্যে হতে পারে তোমারি হয়রানি।
আমি পরকিয়াই যাবো,
তোমার প্রেমের নাম ডোবাবো,
তুমি জানো চাতুরি ছলনার পথেই আমি যাবো।
তবু আশায়ও বুক বাধো, কতো কাদো কতো সাধো ।
আমার ঘরে ফেরার আশাতে গাও ঘরে ফেরার গান,
আমি পারবোনা,পারবোনা রাখতে প্রেমের মান।।
*
……………

জীবনমুখী গান

প্রেমের সমাধি ভেঙ্গে

চলে যায়………. বনের পাখি চলে যায়…
পিঞ্জর ভেঙে চলে যায়।

প্রেমের সমাধি ভেঙে, মনের শিকল ছেড়ে পাখি যায় উড়ে যায়।
তোমায় পাবনা জানি, শুধু চোখের পানি দিয়ে গেলে আমায়।
খাঁচার পাখি কভু খাঁচায় থাকে না,
বনেরও পাখি বনের মায়া ছাড়ে না।
পাখি যায় উড়ে যায়, আমার হৃদয় ভেঙে যায়।।

ফুল ফুটেছিল মনেরও বাগিচায়,
পানি বিনা পাপড়ি সবই ঝরে যায়।
কোন অপরাধে আমার প্রেমের তরী অকূলে ভাসালে????
আআআআআআআ……. আআআ……..আআআ…..
আমি ছিলাম তোমার চোখের মনি কেন আঁধারে ডুবালে ????
তুমি যাও চলে যাও, শুধু স্মৃতি রেখে যাও,
তোমার স্মৃতি স্মরনে বেঁচে রব জীবনে, আমি চোখের জলে।

তীরভাঙা ঢেউ আমি, আমি নীড়ভাঙা ঝড়,
উজান ভাটির দুনিয়াতে সব ই হল পর।
চেয়েছিলাম আমি হৃদয়ে তোমার সুখের প্রদীপ জ্বালাবো,
আআআআআআআ……. আআআ……..আআআ…..
সুখে যদি থাকো আমি শত দুখে হেসে যাব….
তুমি যাও চলে যাও, শুধু স্মৃতি রেখে যাও।

প্রেমের সমাধি ভেঙে, মনের শিকল ছেড়ে পাখি যায় উড়ে যায়,
তোমায় পাবনা জানি, শুধু চোখের পানি দিয়ে গেলে আমায়।

জীবনমুখী গান

বারো টাকা

যখন ঘনায় রাত্রী পাথুরে শহরে
যখন ছড়ায় দীর্ঘশ্বাস আকাশ অধরে,
ঠিক তক্ষণি সস্তার মেকাপেতে মুখ ঢেকে
লাজ লজ্জার সংস্কারকে পিছে রেখে;
সেই সাধারণ মেয়েটা শহরে-
বিলোতে প্রেম রাস্তায় এসে দাঁড়ায়,
প্রেমহীন শহরের কদর্য লোকগুলো
তার কাছে প্রেম চেয়ে দু হাত বাড়ায়।
ঠিক তক্ষনি ঠিক তক্ষনি
মন্দির মসজিদ গীর্জায়
শুরু হয় পুঁজো আরাধনা,
বিশ্বপ্রেমের পাঠে শিক্ষিত হয় লোক
আঁকে প্রেমের আল্পনা;
সব পাপ দিয়ে আসে মানুষ দেবস্থানে
দেবতারা হাসে তুলে মাথা
মাঝ রাত্রীর হলে ফিরে যায় সেই মেয়ে
ঘরে রোজগার বারো টাকা।

সারা গায়ে কাল শীতে
ওও ক্ষিধের মাশুল
জীবন তরণী বায় স্রোত প্রতিকূল,
মুখ চেয়ে সন্ততি হাঁড়ি চড়েনা
বেজন্মা গালা গালে পেট ভরেনা;
ঠিক তক্ষনি এনে দিলো
এক রাশ সুবাতাস সেই রোজগার বারো টাকা
নেভাতে পেটের জ্বালা অবতার হয়ে এলো-
সেই রোজগার বারো টাকা
ঠিক তক্ষনি গোনা হয়-
প্রণামীর থালা লাটের ভাড়ার হয় পূর্ণ
দেবতাকে দিয়ে ঘুষ জমা রেখে সব পাপ
মানুষ বাড়ায় তার পূণ্য
সেই মেয়ে ভোর হলে শত বিদ্রুপ সয়
দেবতারা দেখে তুলে মাথা
সত্যি বিলোয় প্রেম সেই মেয়ে নিঃস্বারে
প্রণামী মাত্র বারো টাকা।

জীবনমুখী গান

পাগলা জগাই

নিশি কালো রাতটার
পিচকালো রাস্তাকে
চিঁড়ে দিয়ে ছুটে চলে ট্রাক
কুনো চোখ ড্রাইভার
চলে চাকা পরিবার
ফেলে আসা পথ হতবাক
সস্তার মদ খেয়ে ট্রাকের ছাদেতে শুয়ে
তারা গুনে ভবঘুরে হেল্পার পাগাল জগাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।।

ভূতুরে গাছের ছায়া
ফেলে আসা মহুমায়া
ঝাঁক বাঁধে জগাইয়ের চোখে
জগাই তবুও হাসে
নেশা করে অবকাশে
তারা গোনে আনন্দের শোকে
হয়ত মনের কোনে
জীবনের সুদ গোনে
বেহিসাবি জীবনের হাতে গোনা টাকা আনা পাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।।

ফেলে আসা তার গ্রাম
আরও কত শত নাম
ধূসর পথের ধুলো মেখে
তবে কি সেখানে কেউ
পথ চেয়ে বসে আজও
আঁখিজলে আলপনা এঁকে?
জগাই নির্বিকার
আকশাটা চোখে তার
পিছু ফিরে দেখা বা ভাবনার নেইকো বালাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।।

কখনো হিংসে হয়
অবকাশে অসময়
আমি কি জগাই হতে পারি
আমিও তো তারা গুনি
আকাশকে কাছে টানি
আমিও কি দিতে পারি পাড়ি
আসলেতো আমি লোভী
মন ধনে টাকা কড়ি
পারবনা হতে আমি হেল্পার মুক্ত জগাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।

জীবনমুখী গান

আদিত্য সেন

আদিত্য সেন এক রাজনীতিবিদ
কলোনির ঘরে যার বাস
আদিত্য সেন এক সৎ মানুষ
আধপেটা খেয়ে বারোমাস
আদিত্য সেন পিঠ সোজা রাখেন
পার্টির হোলটাইমার
আধপেটা খেয়ে থাকবেন তবু
মুদির দোকানে নেই ধার
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
সূর্যের মত যার নাম
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
আজ প্রয়োজন বড় আপনার।।

আদিত্য সেন ভাঙে প্রোমোটার রাজ
আদিত্য পুকুর বাঁচায়
আদিত্য সেন যেন সয়ং লেনিন
বিপদকে আঙুলে নাচায়
আদিত্য সেন বলে স্পষ্ট কথা
তত্বের কী বা প্রয়োজন
মানুষের প্রয়োজনে যিনিই দাঁড়ান
তার অাগে কি তত্ব কথন
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
সূর্যের মত যার নাম
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
আজ প্রয়োজন বড় আপনার।।

আদিত্য সেন লাল স্বপ্ন দ্যাখেন
সকলের সমান অধিকার
আদিত্য মানষের খিদের শমন
যার ঘরেতে ঘোর অনাহার
আদিত্য তার শিশু সন্তানকে
লেনিনের গল্প শোনান
’উই শেল ওভারকাম সামে ডে’
দৃড়তার সাথে যিনি গান
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
সূর্যের মত যার নাম
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
আজ প্রয়োজন বড় আপনার।।

ঔযে দূরে যাকে দেখছো বসে
পাত্র হাতে ভিক্ষার
বহিষ্কৃত তিনি পার্টি থেকে
আদিত্য সেন নাম তার
আনেক অনেক টাকা তছরুপের
অভিযোগ তার মাথায়
তবে কেন অদিত্য ভিক্ষা করেন
পাঁচ বছর আমার পাড়ায়
রাজনীতি করতেন তার সাথে যারা
গাড়ি বাড়ি করে তারা সৎ
রাজনীতিতে নেই সততার ঠাই
একথার নেইকো দ্বিমত
তবুও আদিত্য ভুলিনি কিছুই
আমরা প্রতীক্ষায়
এই নপুংসকের রাজনীতি ছেড়ে
কবে আপনার হবে উদয়
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
সূর্যের মত যার নাম
আদিত্য সেন আদিত্য সেন
আজ প্রয়োজন বড় আপনার।।

জীবনমুখী গান

বন্ধুর হাতে গিটার আর আমার কন্ঠে গান

বাড়ি ফেরার পথে ঝুলতে থাকা চৈতালির গেট
অবুঝ চোখে স্বপ্ন আঁকা ভাবনা অনিঃশেষ।

স্বপ্নের ধুলো মাখা পথে হাতে হাত রেখে চলা
দীপ্ত শপথ প্রেরণা আজও অপরাজেয় বাংলা
বন্ধুর হাতে গিটার আর আমার কন্ঠে গান
জীবন পথের ধুসর মায়ায় বন্ধুর পিছুটান।।

মলের মাঠে শর্ট ক্রিজ ক্রিকেট দুই একটা রান চুরি
ক্লাশের শেষে আড্ডাবাজি ডাকসুর ভেলপুরি
কলাভবন, শহীদ মিনার, কার্জনে ঘোরাঘুরি
কারও হাতে সিগারেট আর কারও হাতে ঝালমুড়ি
আড্ডাবাজির নেই যে শেষ কখন পাঁচটা বাজে
চৈতালিতে বাড়ি ফেরা, কেউ বা অন্য কাজে
এই তো জীবন স্বপ্নিল জীবন মিস করি তাই ভীষণ
এভাবেই হাতে হাত রেখে চলে স্বপ্নের বিবর্তন
বন্ধুর হাতে গিটার আর আমার কন্ঠে গান
জীবন পথে ধুসর মায়ায় বন্ধুর পিছুটান

জেগে থাকা ফুলার রোড আর সোডিয়ামের বাতি
হন্টক হয়ে ছুটতাম পথে সন্ধ্যা থেকে রাতি
মামায় বসে গরম ভাত আর মুরগীর ঝালফ্রাই
এক বাটিতে হয়ে যেত তিন জনের পেট ঝালাই
বন্ধুর হাতে গিটার, আর সঞ্জীব দা’র গান
আমি তোমাকেই বলে দেবো কি যে একা দীর্ঘ রাত
আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে

ভালোবাসার ক্যনভাস রাঙায় টিএসসির ওই ঘাস
মিষ্টি আবেশ ছুঁয়ে যেত প্রিয়ার চোখের আকাশ
কখনো আমতলায় কিংবা কখনো বটতলায়
কাক মামাটা ভীষণ পাজি প্রেমের রেশটা থামায়
কিনে দিতাম বইমেলাতে হুমায়ুনের বই
মধুমাখা সেই দিন গুলো হারিয়ে গেলো কই
এই তো জীবন স্বপ্নিল জীবন
মিস করি তাই ভীষণ
এভাবেই হাতে হাত রেখে চলে স্বপ্নের বিবর্তন
বন্ধুর হাতে গিটার আর আমার কন্ঠে গান
জীবন পথে ধুসর মায়ায় বন্ধুর পিছুটান…

কথা ও সুরঃ সাহস মোস্তাফিজ
সঙ্গীতায়োজনঃ বাপ্পা মজুমদার

জীবনমুখী গান

ধান্দাবাজের ধোঁকায় পড়ে

ধান্ধাবাজের ধোঁকায় পড়ে।
আন্দাজে করলে সাধন,
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।

(তুমি)কোন রূপেতে পাবে তারে।
নিরাকার সাঁই নিরাঞ্জণ
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন।।

যদি মক্কায় যেয়ে খোদা মিলতো,
শিব মিলতো কাশীতে,
বৃন্দাবনে কৃষ্ণ মিলতো,
কেউ আসতো না দেশেতে রে,
কেউ আসতো না দেশেতে।

(শুনেছি)জাহেরে বাতনে মওলা,
ভক্ত নিয়ে করে খেলা।

কোন রূপে তার নিত্য লীলা,
কে পেল তার দরশন?
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।

যদি ভোগ দিলে ভগবান মিলতো,
খোদা মিলতো শিন্নিতে,
বড় করে ভোগ লাগাইয়ে,
বাদশাহায় পারতো কিনিতে রে,
বাদশাহায় পারতো কিনিতে।

(সে যে)কোন মোকামে থাকে বদ্ধ,
কি ধন দিলে হয় রে বাধ্য।

যে বস্তু তার প্রিয় খাদ্য,
করছো নি তার আয়োজন।
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।

আবার মন্ডপেতে মূর্তি গড়ে,
ধ্যান করো মনে-মনে,
আসমানেতে হাত তুলিয়া,
সেজদা করো জমিনে রে,
সেজদা করো জমিনে।

(তুমি)দেখ নাই যার মূরতি,
তার সনে কি হয় পীড়িতি।

এই বল্লভের পাগলা গীতি,
বুঝবে শুধু পাগল জন।
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।।

কোন রূপেতে পাবে তারে।
নিরাকার সাঁই নিরাঞ্জণ
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন।।

জীবনমুখী গান

কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু

কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি
কেমনে রাখবি তোর মন
কেমনে রাখবি তোর মন
আমার আপন ঘরে বাধিরে বন্ধু
—- ছেড়ে যাইবা যদি
পাড়া পড়শী বাদী আমার
বাদী কাল ননদী
মরম জ্বালা সইতে নারি
দিবা নিশি কাঁদিরে বন্ধু
—- ছেড়ে যাইবা যদি
কারে কী বলিব আমি
নিজেই অপরাধী
কেঁদে কেঁদে চোখের জলে
কেঁদে কেঁদে চোখের জলে
বহাইলাম নদী রে বন্ধু
—- ছেড়ে যাইবা যদি
পাগল আব্দুল করিম বলে
হলো এ কী ব্যাধি
তুমি বিনে এ ভুবনে
তুমি বিনে এ ভুবনে
কে আছে আছে ঔষধি রে বন্ধু
—- ছেড়ে যাইবা যদি