ছড়াগান

প্রিয় ফুল শাপলা ফুল

প্রিয় ফুল শাপলা ফুল
প্রিয় দেশ বাংলাদেশ।
প্রিয় ভাষা বাংলা ভাষা
মায়ের কথার মিষ্টি রেশ।।

প্রিয় পাখি দোয়েল পাখি
প্রিয় সবুজ লাল,
আরো প্রিয় জষ্ঠী মাসের
সুবাসী কাঁঠাল।
মাঠের রাখালিয়া বাঁশি
ভোলায় যত দুঃখ ক্লেশ।।

প্রিয় নদী পদ্মা নদী
প্রিয় ইলিশ মাছ,
সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল
আর সুন্দরী গাছ।
চির সবুজ আমার দেশের
রূপের যেন নেইকো শেষ।।

কথা: নজরুল ইসলাম বাবু
সুর: খোন্দকার নুরুল আলম

ছড়াগান

ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা

ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা
সাথী মোদের লেখা পড়া
লেখাপড়া খেলাধুলা, খেলাধুলা লেখাপড়া, পিটিতেও ভালো মোরা
—–হে পিটিতে ভালো মোরা।।

এইখানে মিথ্যে কথা কেউ বলেনা
এইখানে অসৎ পথে কেউ চলেনা।।

ও ও ও ও অ ও ও।।
পড়ার সময় লেখা পড়া
কাজের সময় কাজ করা।
খেলার সময় হলে খেলা করি,
—–হে খেলা করি।

ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা
সাথী মোদের লেখা পড়া
লেখাপড়া খেলাধুলা, খেলাধুলা লেখাপড়া, পিটিতেও ভালো মোরা
হে পিটিতে ভালো মোরা।।

এখানে মন্দ হতে কেউ পারে না
এখানে হিংসা কভু কেউ করে না।
ও ও ও ও অ ও ও।।

নেই কোন দুঃখ অপমান
ছোট বড় সবাই সমান
ভালবাসা দিয়ে জীবন গড়ি।
—–হে জীবন গড়ি
ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা
সাথী মোদের লেখা পড়া
লেখাপড়া খেলাধুলা, খেলাধুলা লেখাপড়া, পিটিতেও ভালো মোরা
—হে পিটিতে ভালো মোরা।।

ছড়াগান

চাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা

ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা
সাথী মোদের লেখা পড়া
লেখাপড়া খেলাধুলা, খেলাধুলা লেখাপড়া, পিটিতেও ভালো মোরা
—–হে পিটিতে ভালো মোরা।।

এইখানে মিথ্যে কথা কেউ বলেনা
এইখানে অসৎ পথে কেউ চলেনা।।

ও ও ও ও অ ও ও।।
পড়ার সময় লেখা পড়া
কাজের সময় কাজ করা।
খেলার সময় হলে খেলা করি,
—–হে খেলা করি।

ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা
সাথী মোদের লেখা পড়া
লেখাপড়া খেলাধুলা, খেলাধুলা লেখাপড়া, পিটিতেও ভালো মোরা
হে পিটিতে ভালো মোরা।।

এখানে মন্দ হতে কেউ পারে না
এখানে হিংসা কভু কেউ করে না।
ও ও ও ও অ ও ও।।

নেই কোন দুঃখ অপমান
ছোট বড় সবাই সমান
ভালবাসা দিয়ে জীবন গড়ি।
—–হে জীবন গড়ি
ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটা জ্ঞানে ভরা
সাথী মোদের লেখা পড়া
লেখাপড়া খেলাধুলা, খেলাধুলা লেখাপড়া, পিটিতেও ভালো মোরা
—হে পিটিতে ভালো মোরা।।

ছড়াগান

লালঝুটি কাকাতুয়া ধরেছে যে বায়না

লালঝুটি কাকাতুয়া ধরেছে যে বায়না
চাই তার লাল ফিতে চিরুণী আর আয়না।।

ঝেল বড় লাল পেড়ে টিয়া রঙ শাড়ি চাই
মন যে ভরা রাগ নিয়ে হলো মুখ ভাড়ি তাই
বাটা ভরা পান দেবো… চাই না

ছোট থেকে কোনো দিন বড় যদি হতে চাও
ভালো করে মন দিয়ে পড়াশুনা করে যাও
দুষ্টুমি করে যে কেউ তারে চায় না

(লেখা প্রক্রিয়াধীন ভুল থাকলে কমেন্ট করুণ)

ছড়াগান

বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে

বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে
আয় না যা না গান শুনিয়ে।
দূর দূর বনের গান।
নীল নীল নদীর গান।
দুধভাত দেব সন্দেশ মাখিয়ে।।

ঝিলমিল ঝিলমিল ঝর্ণা যেথায়
কুলকুল কুলকুল রোজ বয়ে যায়
ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমী গল্প শোনায়
রাজার কুমার পক্ষীরাজ চড়ে যায়।

ভোরবেলা পাখনা মেলে দিয়ে তোরা-
এলি কি বল না সেই দেশ বেরিয়ে?।।

কোন গাছে কোথায় বাসা তোদের?
ছোট্ট কি বাচ্চা আছে তোদের?
দিবি কি আমায় দুটো তাদের?
আদর করে আমি পুষব তাদের
সোনার খাঁচায় রেখে ফল দেব খেতে
রাতে কৃষ্ণনাম দেব শুনিয়ে।।

ছড়াগান

বাংলা আমার মায়ের ভাষা

বাংলা আমার মায়ের ভাষা
বাংলা আমার দেশ
এই ভাষাতে কথা বলে
আনন্দ পাই বেশ ।।

চাইনা আমরা অন্য ভাষা
এই স্বাধীন দেশে ভাই
বাংলাদেশে চলবে শুধু
বাঙ্গালীদের ঠাই । ঐ

মায়ের ভাষা রাষ্ট্রভাষা
করতে গিয়ে যারা,
অকাতরে প্রাণ দিল
শহীদ হল তারা । ঐ

শহীদ ভাইদের তাজা খুন
বৃথা নাহি যাবে
চিরদিন তাদের কথা
মনস পটে রবে ।। ঐ

ছড়াগান

ঝড় এলো এলো ঝড়

ঝড় এলো এলো ঝড়
আম পড় আম পড়
কাঁচা আম ডাঁসা আম
টক টক মিষ্টি
এই যা…
এলো বুঝি বৃষ্টি।

টুপটাপ পড়ে আম
পিছনে ও সামনে
চট করে গুটিকয়েক
ডাসা ডাসা আম নে।।

তারপরে দে না ছুট
চল চল জলদি
নইলে যে বৃষ্টিতে
ভিজে হবে সর্দি
আর তাতে হবে অনাসৃষ্টি
এই যা …
এলো বুঝি বৃষ্টি।

সর্দিটা হলে ভাই
আম খাওয়া বন্ধ,
কাচা হোক ডাসা হোক
সবটাই মন্দ।

তার চেয়ে চল যাই
করি কিছু খাটনি,
নুন-ঝাল-তেল মেখে
করে নিই চাটনি।

কি যে মজা চাটনিতে
টক-ঝাল-মিষ্টি,
দেখলেই জিভ পুরে
আসে পানি বৃষ্টি,
আহা কি যে মিষ্টি মিষ্টি
এই যা…
এলো বুঝি বৃষ্টি।

ছড়াগান

এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম

এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম
ভারতের অধিশ্বর দিল্লীতে তার ধাম

প্রধান মন্ত্রী তার গবু চন্দ্র শুভ নাম
বুদ্ধিতে ভীষণ ধার দেশ জোড়া তার নাম।।

একদিন ডেকে বললেন রাজা মন্ত্রীমশাই শুনুন
এই দেশটা ভীষণ ধুলোয় ভরা একটা কিছু করুন
চলতে ধুলো ফিরতে ধুলো হাটতে পায়ে ধুলো
খাবারও ধুলোয় ভরা আর মগজেতেও ধুলো
তাড়াতাড়ি কিছু করুন তাড়াতাড়ি কিছু করুন
মন্ত্রীমশায় বললেন একটু সবুর করুন

পরের দিন লাখ খানি ঝাড়ুদারের ঝাড়ুর ঘায়
উঠলো যে ধুলোর ঝড় প্রান রাখা যে দায়
রাজামশায় তখন ক্যাবিনেট মিটিং ডেকে
বললেন এই আপনারা বার করুণ উপায়

মন্ত্রনা মন্ত্রীরা দিলেন জল ঢাল জল ঢাল
তার ফলে কাঁটা আর প্যাকে দেশটা ভরে গেল
নদী নালা সব শুকালো পুকুরে মাছ মলো
আর জল হাওয়ায় কাদায় রাজার ভীষণ সর্দি হল
ওরে বাবা কোথায় যায় রে ওরে বাবা মারা যায় রে
এক ফোটা ঘটে বুদ্ধি মন্ত্রীদের কী নাইরে

পন্ডিতপ্রবর তখন বললেন শোন দিয়া মন
সারাটা দেশ চরণ চাপড়ায় মুড়ে দাও
বললেন রাজামশায় আইডিয়াটা মন্দ নয়
যত মুচি চামার সব্বাইকে খবর দাও

পার্লামেন্টে যেই না এই প্রস্তাবটা রাখা হল
এমপিরা সব প্রতিবাদে হৈ হৈ করে বললো
গো মাতাকে রক্ষা করা দ্বায়িত্ব যে রাজার
কি না তারই চামড়ায় ঢাকবে জমি হয় কিযে অনাচার
হরে হরে ভোম ভোম ভোম ভোম
হরে হরে ভোম ভোম ভোম ভোম
রাজামশায় বললেন আমি ব্যতিক্রম করলুম

এক মুচি দরিদ্র বললো শোনেন হে ভদ্র
সবিনয় নিবেদন শুনুন আমায়
পৃথিবী না ঢেকে পা-টা চামড়ায় দিন ঢেকে
শুনে রাজা বললেন চুপ কর বেটা চামাড়

বললেন রাজা এই কথাটা অনেক বছর ধরে
আমার মাথায় ছিল বেটা টের পেল কী করে
সেই থেকে দেশেতে জুতোর প্রচলন হল
ধন্য ধন্য মহারাজার দেশে পড়ে গেল
ধন্য হে ধন্য রাজা ধন্য হে মহারাজা
সবাই ধন্য ধন্য বলো আর আমার কথা ফুরালো