ছায়াছবি

লেখা পড়া জানতাম যদি

লেখা পড়া যানতাম যদি,
তো আমি এই চিঠি পোড়তাম।
লেখা পড়া যানতাম যদি,
তো আমি এই চিঠি পোড়তাম।

ঐ চিঠিতে আছে প্রেম কতো,
পড়ার বাহানায় পোড়তাম।
এক মমের দীপ জ্বালিয়ে,
বসে একা একা পোড়তাম

লেখা পড়া যানতাম যদি,
তো আমি এই চিঠি পোড়তাম।

হয়তো লেখা আছে তাতে,
মোর ডাগর চোখের কথা।
আছে আরো কি সাজানো,
কতো ভালোবাসার কথা।

কতো প্রেমে ডুবে ডুবে,
কতো প্রেমে ডুবে ডুবে,
রঙ্গিন বারোতা পোড়তাম।
লেখা পড়া যানতাম যদি,
তো আমি এই চিঠি পোড়তাম।

হৃদ্যয় দিবার কতো কথা,
লেখে আছে প্রতি পাতাতে।
তোমার দেয়া চিঠি খানি,
পড়বো নিঝুম রাতে।

দিওয়ানা মনের ও ভাষা,
দিওয়ানা মনের ও ভাষা,
মন দিয়ে কতো না পড়তাম।

লেখা পড়া যানতাম যদি,
তো আমি এই চিঠি পোড়তাম।
লেখা পড়া যানতাম যদি,
তো আমি এই চিঠি পোড়তাম।

ছায়াছবি

আমাকে পোড়াতে যদি এতো লাগে ভালো

আমাকে পোড়াতে যদি,
এতো লাগে ভালো,
আমাকে পোড়াতে যদি,
এতো লাগে ভালো,
জ্বালো আগুন আরো জ্বালো,
ডালো আরো বাথা ডালো।
জ্বালো আগুন আরো জ্বালো,
ডালো আরো বাথা ডালো।
আমাকে পোড়াতে যদি,
এতো লাগে ভালো।

আমি তো পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়েছি,
দিয়েছো আগাত যতো সবই তা সয়েছি।
আমি তো পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়েছি,
দিয়েছো আগাত যতো সবই তা সয়েছি।

নিঠুর ওগো তবুও তোমাকে লেগেছে ভালো,
তোমাকে বেসেছি ভালো।
জ্বালো আগুন আরও জ্বালো,
ডালো আরো বাথা ডালো,
আমাকে পুড়াতে যদি,
এতো লাগে ভালো।

এ হৃদ্যয় ধুপসম তমারই জ্বালায়,
যায় যদি জলে পুড়ে ছাই হয়ে যাক।

কিছু তার শুরভি,কিছু তার বেধনা,
পড়বে তোমার মনে যেখানেই থাকো না।
কিছু তার শুরভি,কিছু তার বেধনা,
পড়বে তোমার মনে যেখানেই থাকো না।

সেদিনের সে সৃতি যানি গো তোমার মনে,
জ্বালবে না আলো।
জ্বালো আগুন আরো জ্বালো,
ডালো আরো বাথা ডালো।
জ্বালো আগুন আরো জ্বালো,
ডালো আরো বাথা ডালো।
আমাকে পোড়াতে যদি,
এতো লাগে ভালো।

ছায়াছবি

তুমি সাত সাগরের ওপার হতে

মেয়ে=
তুমি সাত সাগরের ওপার হতে,আমায় ডেকেছো,
আর মন ভোমরের কাজল পাখায়,ছবি একেছো।
ছেলে=
আমি ময়ুর পঙ্খী নাও ভিড়িয়ে,তোমায় দেখেছি,
আর প্রবাল দীপের পান্না ভেবে,চেয়ে থেকেছি।
মেয়ে=
আগুন ঝরা ফাগুন যখন এলো পলাশ বনে,
তোমার কথাই ভেবেছিলেম আমি মনে মনে।
আগুন ঝরা ফাগুন যখন এলো পলাশ বনে,
তোমার কথাই ভেবেছিলেম আমি মনে মনে।
ছেলে=
তোমার চোখে তাইতো খুশীর পরাগ মেখেছি,
ওগো তোমার চোখে তাইতো খুশীর পরাগ মেখেছি।
আমি ময়ুর পঙ্খী নাও ভিড়িয়ে তোমায় দেখেছি,
আর প্রবাল দীপের পান্না ভেবে চেয়ে থেকেছি।

শুকলা চাঁদের পঞ্চমিতে সাগর যখন দোলে,
তোমার আশায় বসেছিলেম বাতায়ন খুলে।
শুকলা চাঁদের পঞ্চমিতে সাগর যখন দোলে,
তোমার আশায় বসেছিলেম বাতায়ন খুলে।

দক্ষিন হাওয়ায় তাইতো তোমায় চিঠি লিখেছি,
আমি দক্ষিন হাওয়ায় তাইতো তোমার চিঠি লিখেছি।
তুমি সাত সাগরের ওপার হতে আমায় ডেকেছো,
আর মন ভোমরের কাজল পাখায় ছবি একেছো।
ছেলে=
আমি ময়ুর পঙ্খী নাও ভিড়িয়ে,তোমায় দেখেছি,
আর প্রবাল দীপের পান্না ভেবে,চেয়ে থেকেছি।

ছায়াছবি

যুগে যুগে তোমারে ভালবেসেছি

যুগে যুগে তোমারে ভালবেসেছি,
অনুরাগে শতবার কাছে এসেছি।
তুমি ছাড়া মোর কেউ নেই কিছু নেই,
যেনেছি যেনেছি—–

যুগে যুগে তোমারে ভালবেসেছি,
অনুরাগে শতবার কাছে এসেছি।
তুমি ছাড়া মোর কেউ নেই কিছু নেই,
যেনেছি যেনেছি—–

আমার নয়ন ও মাঝে তুমিন নয়ন মনি,
আমার মনেরই তারে তোমার সুরের আধুরি।
ভালবেসেছো যারে বাথা দিও না তারে।
তোমাকে আমার আপনার অধিকার দিয়েছি,

যুগে যুগে তোমারে ভালবেসেছি,
অনুরাগে শতবার কাছে এসেছি।
তুমি ছাড়া মোর কেউ নেই কিছু নেই,
যেনেছি যেনেছি—–

ফাগুন ছারিয়ে গেলে ফুলের কি মূল্য আছে,
জীবন শুকিয়ে যাবে তুমি না এলে কাছে।
তোমার প্রেমেরই ছায়ে আমায় রেখো জড়ায়ে।
তোমারই ক্ষমায় বিনিময় প্রিতিময় হয়েছি-

যুগে যুগে তোমারে ভালবেসেছি,
অনুরাগে শতবার কাছে এসেছি।
তুমি ছাড়া মোর কেউ নেই কিছু নেই,
যেনেছি যেনেছি—–

ছায়াছবি

একটাই কথা আছে বাংলা তে

একটাই কথা আছে বাংলা তে,
মুখ আর বুক বলে একসাথে,
সে হলো বন্দু—
বন্দু আমার বন্দু আমার।

কে গরিব কে আমির সে বুজে না,
জাতির বিচার করা সে যানে না।
সে হলো বন্দু–
বন্দু আমার বন্দু আমার,

দু হাতে মহর গিনি ছড়িয়ে গেলে,
এ জগতে দামি দামি কতো কি মেলে।
টাকায় যায় না কিনা বন্দু কোথাও,
সে শুধু কপাল গুনে মেলে দুনিয়াতে।
তুমি যে বন্দু বন্দু আমার,

একটাই কথা আছে বাংলা তে,
মুখ আর বুক বলে একসাথে,
সে হলো বন্দু—
বন্দু আমার বন্দু আমার।

এক মার গরভে তে জন্ম না হয়,
বন্দু কেবলই তোবউ নিজের ই যে ভাই।
রক্তের বাবধান তুচ্ছ যে তাই,
হৃদয়ের এতো মিল রয়ে গেছে যাতে।
তুমি যে বন্দু বন্দু আমার,

একটাই কথা আছে বাংলা তে,
মুখ আর বুক বলে একসাথে,
সে হলো বন্দু—
বন্দু আমার বন্দু আমার।

ছায়াছবি

তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই

তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই,
বলবো কেমন করে ভাবছি তাই।
চোখে যদি চোখ পড়ে যায়,
লজ্জা কেনো পাই বলো বাবু।
তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই।

ও ও ও ও- ও ও ও ও ও—-
কেউ মোর স্বপনে যে এলো,
চুরি করে মন কেড়ে নিলো।
ও ও ও ও ও–
সেই থেকে কি যেন কি হলো,
সব যেন লাগে এলো মেলো।
একই প্রেম বলোনা লা লা হুম হুম,
আমি তো বুজি না রে।

তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই,
বলবো কেমন করে ভাবছি তাই।
চোখে যদি চোখ পড়ে যায়,
লজ্জা কেনো পাই বলো বাবু।
তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই।

মন চায় তারে ধরে রাখি,
সারাক্ষন চেয়ে চেয়ে থাকি,
ও ও ও ও ও-
যতবার ইশারায় ডাকি,
মরীচিকা হয়ে দেয় ফাঁকি।
ও বাবু বলনা তুরু তুরু লা লা,
কি করে পাবো তারে,

তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই,
বলবো কেমন করে ভাবছি তাই।
চোখে যদি চোখ পড়ে যায়,
লজ্জা কেনো পাই বলো বাবু।
তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই।

তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই,
বলবো কেমন করে ভাবছি তাই।
চোখে যদি চোখ পড়ে যায়,
লজ্জা কেনো পাই বলো বাবু।
তোমাকে আমি কিছু বলতে চাই।

ছায়াছবি

ও ও আকাশ বলে দে রে

ও ও আকাশ বলে দে রে,
ও ও বাতাস বলে দে রে,
বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো,
আমি বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো।

ও ও আকাশ বলে দে রে,
ও ও বাতাস বলে দে রে,
আমি বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো।
আমি বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো।

যৌবন গাঙ্গে মাতাল ডেউয়ের কাপন জাগে,
সেই কাঁপনে মনে আরও আগুন জ্বলে।
যৌবন গাঙ্গে মাতাল ডেউয়ের কাপন জাগে,
সেই কাঁপনে মনে আরও আগুন জ্বলে।

এ আগুন নেভে নারে,নেভালে দিগুন বাড়ে,
এ আগুন নেভে নারে,নেভালে দিগুন বাড়ে,
ও তার আদর পেয়ে কখন আমি পাগল হবো।

ও ও আকাশ বলে দে রে,
ও ও বাতাস বলে দে রে,
আমি বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো।
আমি বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো।

বাসর রাতে ফুল সাজানো পালঙ্কেতে,
ইচ্ছে করে মধুর মধুর কলংকেতে।
বাসর রাতে ফুল সাজানো পালঙ্কেতে,
ইচ্ছে করে মধুর মধুর কলংকেতে।

দেরি আর সয়নারে ঘরে মন রয়নারে,
দেরি আর সয়নারে ঘরে মন রয়নারে,
ও তার দুষ্টু হাতের মিষ্টি ছোঁয়া কখন পাবো।

ও ও আকাশ বলে দে রে,
ও ও বাতাস বলে দে রে,
বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো,
আমি বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো।

ও ও আকাশ বলে দে রে,
ও ও বাতাস বলে দে রে,
বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো,
আমি বউ হয়ে কবে তার ঘরে যাবো।

ছায়াছবি

প্রেমের ও ভুবনে আমরা দুজনে-

ছেলে=
প্রেমের ও ভুবনে আমরা দুজনে,
চলোনা কোথাও হারিয়ে যাই।
মেয়ে=
প্রেমের ও ভুবনে আমরা দুজনে,
চলোনা কোথাও হারিয়ে যাই।
ছেলে=
যেখানে নীল নীল আকাশে ঝিল মিল,
মেয়ে=
যেখানে নীল নীল আকাশে ঝিল মিল,
স্বপনের ও ছোঁয়া পাই,
ছেলে=
সেখানে চলোনা হারিয়ে যাই।
প্রেমেও ভুবনে আমরা দুজনে,
চলোনা কোথাও হারিয়ে যাই।
ছেলে=
গানের ই ভাষায় বলবো কথা,
চোখের ই মাঝে চোখ রেখে।
মেয়ে=
পাখ পাখালি মেলবে ডানা,
ভালোবাসার নীড় থেকে।
ছেলে=
হেঁসে খেলে সময় যাবে।
মেয়ে=
হেঁসে খেলে সময় যাবে,
ভাবনা কিছুই নাই।
ছেলে=
সেখানে চলনা হারিয়ে যাই।

মুখো-মুখী বসবো দুজন,
নিরি-বিলি হাট ধরে।
মেয়ে=
বিনি সূতার গাথবো মালা,
দুটি প্রেমিক অন্তরে।
ছেলে=
ফুলে ফুলে বাসর গড়ে।
মেয়ে=
ফুলে ফুলে বাসর গড়ে,
দুজনে এসো যাই।
ছেলে=
সেখানে চলনা হারিয়ে যাই।

প্রেমের ও ভুবনে আমরা দুজনে,
চলোনা কোথাও হারিয়ে যাই।
ছেলে=
যেখানে নীল নীল আকাশে ঝিল মিল,
মেয়ে=
যেখানে নীল নীল আকাশে ঝিল মিল,
স্বপনের ও ছোঁয়া পাই,
সেখানে চলোনা হারিয়ে যাই।

ছায়াছবি

এই পৃথিবীর পরে

এই পৃথিবীর পরে কতো ফুল ফোটে আর ঝরে,
সে কথা কি কোনদিন কখন ও কারো মনে পরে।
এই পৃথিবীর পরে কতো ফুল ফোটে আর ঝরে।
সে কথা কি কোনদিন কখন ও কারো মনে পরে।

তবুও তো ফোটে ফুল পাখী গান গায়,
ভাবি না তো কেউ তারে চায় কিনা চায়।
তবুও তো ফোটে ফুল পাখী গান গায়,
ভাবি না তো কেউ তারে চায় কিনা চায়।

ফুলের প্রানে পাখীর গানে,
ফুলের প্রানে পাখীর গানে,
কতো না আশা রয় অগোচারে।

এই পৃথিবীর পরে কতো ফুল ফোটে আর ঝরে,
সে কথা কি কোনদিন কখন ও কারো মনে পরে।

সারানিশি জ্বলে কতো দীপ নিভে যায়,
নিজেরে পুড়ায়ে ধুপ গন্ধ বিলায়।
সারানিশি জ্বলে কতো দীপ নিভে যায়,
নিজেরে পুড়ায়ে ধুপ গন্ধ বিলায়।

দীপের কথা ধুপের বাথা,
দীপের কথা ধুপের বাথা,
সরন করো কোন অভিসারে।

এই পৃথিবীর পরে কতো ফুল ফোটে আর ঝরে,
সে কথা কি কোনদিন কখন ও কারো মনে পরে।
এই পৃথিবীর পরে কতো ফুল ফোটে আর ঝরে।
সে কথা কি কোনদিন কখন ও কারো মনে পরে।

ছায়াছবি

আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা

আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা।
আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা।
ঋ ভোমরা বেরসিক তুই।
ঋ ভোমরা বেরসিক তুই।
কেন এখন বল আপন ভুলা।
আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা।

মন না যেনে ভালোবাসা,
করে যেজোনা।
সে কখন ও আসল সোনা,
চিনে ও চিনে না।

ওরে দেখ দেখ তুই চেয়ে দেখ,
বাইরে আমার যেমন তেমন,
ভিতরে ভিতরে দুয়ার খুলা।
আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা।

কাচা ডালিম পাকলে পরে,
রসে ভরে যায়।
আসল মালিক না নিলে তারে,
কাক কোকিল এ খাঁয়।

ওরে শোন শন তুই কথা শোন,
তোর ই কাছে চাবি আছে,
খুলে দে খুলে দে মনের তালা।

আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা।
আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা।
ঋ ভোমরা বেরসিক তুই।
ঋ ভোমরা বেরসিক তুই।
কেন এখন বল আপন ভুলা।
আমার যৌবনের মৌ বনে লেগেছে দোলা।

ছায়াছবি

ফুলের মালা পরিয়ে দিলে

ফুলের মালা পরিয়ে দিলে,
ফুলের মালা পরিয়ে দিলে,
আমায় আপন হাতে।
জস্না রাতে স্বপন আমার,
নামলো আঁখি পাতে।
ফুলের মালা পরিয়ে দিলে ,
আমায় আপন হাতে।

বকুল গুলো তারার মতো,
অবাক চেয়ে রয়।
গন্ধ ভরা মাতাল হাওয়া,
এ কোন কথা কয়।

কয় সে তুমি চলার পথে,
রইবে আমার সাথে।
ফুলের মালা পরিয়ে দিলে,
আমায় আপন হাতে।

আমার মালা ধন্য হলো,
তোমার প্রেমে গো।
তোমার সুরে আমার বীণা,
এবার বেধেছো।

তাই দুজনার সোনার তরী,
লাগলো এসে ঘাটে।

ফুলের মালা পরিয়ে দিলে,
আমায় আপন হাতে।
জস্না রাতে স্বপন আমার,
নামলো আঁখি পাতে।
ফুলের মালা পরিয়ে দিলে ,
আমায় আপন হাতে।

ছায়াছবি

চিরদীন পাশে থেকো বন্ধু

চিরদীন পাশে থেকো বন্ধু,
কখন ও বলোনা গুডবাই,
লাভ ইস হেভেন হেভেন ইস লাভ,
মনে রেখো শুধু তুমি তাই।

চিরদীন পাশে থেকো বন্ধু,
কখন ও বলোনা গুডবাই,
লাভ ইস হেভেন হেভেন ইস লাভ,
মনে রেখো শুধু তুমি তাই।
চিরদীন কাছে থেকো বন্ধু-

আমি ছিলাম একাকি,
অনেক অনেক দূরে।
তুমি যেন আমারে,
বাধলে হাজার ও সুরে।

এ আকাশ এ বাতাস এতো স্বপ্নিল,
আর কভু আগে দেখি নাই।

চিরদীন কাছে থেকো বন্ধু,
কখন ও বলো গুডবাই,
লাভ ইস হেভেন হেভেন ইস লাভ,
মনে রেখো শুধু তুমি তাই।
চিরদীন কাছে থেকো বন্ধু-

পৃথিবী এগিয়ে যাবে,
সময় হারাবে পিছু,
আজকে কিছুটা পেলাম,
কালকে পাবো যে কিছু।

এই মন আজীবন এমনি করে,
বারে বারে ফিরে যেন পাই।

চিরদীন পাশে থেকো বন্ধু,
কখন ও বলোনা গুডবাই,
লাভ ইস হেভেন হেভেন ইস লাভ,
মনে রেখো শুধু তুমি তাই।

ছায়াছবি

ডাকে বারে বারে কে আমারে

ডাকে বারে বারে কে আমারে,
ডাকে বারে বারে কে—
সাত মহল আর রাজপ্রাশাদে,
এ কি সুরের মুহনা যে,
মন হারায় কেন তা যানিনা,
ডাকে বারে বারে কে আমারে।
ডাকে বারে বারে কে—

যতো আমি তারে ভুলে থাকি,
স্বপ্ন হয়ে যায় সে ডাকি।
যতো আমি তারে ভুলে থাকি,
স্বপ্ন হয়ে যায় সে ডাকি।

অচেনা কি আবেশে সে যে আমায়,
অচেনা কি আবেশে সে যে আমায়,
ঝড়ালো যানি না—
ডাকে বারে বারে কে আমারে,
ডাকে বারে বারে কে—

চারিদিকে আমি খুজি তারে,
দেয় না দেখা সে আমারে।
চারিদিকে আমি খুজি তারে,
দেয় না দেখা সে আমারে।

হাঁসি হাঁসি দুটি চোখ ছলো ছলো,
হাঁসি হাঁসি দুটি চোখ ছলো ছলো,
হয় কেন যানিনা–
ডাকে বারে বারে কে আমারে ,
ডাকে বারে বারে কে—

ডাকে বারে বারে কে আমারে,
ডাকে বারে বারে কে—
সাত মহল আর রাজপ্রাশাদে,
এ কি সুরের মুহনা যে,
মন হারায় কেন তা যানিনা,
ডাকে বারে বারে কে আমারে।
ডাকে বারে বারে কে—

ছায়াছবি

কথা বলো না বলো ওগো বন্ধু

কথা বল না বল ওগো বন্দু,
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো ও ও ও
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো।
কথা বল না বল ওগো বন্দু,
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো।

আমি অভাগিনি শুধু যে তমারই,
আমি অভাগিনি শুধু যে তমারই।
যতই বাথা দিবে সইবো,
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো ও ও ও
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো

আমি কাদি শুনে হাঁসে বিশ্ব,
কাছে তুমি প্রিয় তবু আমি নিঃস্ব।
আমি কাদি শুনে হাঁসে বিশ্ব,
কাছে তুমি প্রিয় তবু আমি নিঃস্ব।

কতো বেধনায় আ আ আ আয়
কতো বেধনা সয়েছে হৃদ্যয়,
কেমনে তোমায় আমি কইবো।
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো ও ও ও
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো।

কেন আমি অসহায়া যানি না,
নিয়তির লেখা না না আমি মানি না।
কেন আমি অসহায়া যানি না,
নিয়তির লেখা না না আমি মানি না।

মন বলে গো ও ও ও ও ও–
মন বলে গো তবু তোমার ই শুধু আমি হইবো।
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো ও ও ও
ছায়া তবু পাশে রইবো
আমি অভাগিনি শুধু যে তোমারে,
যতই বাথা দিবে সইবো ও ও ও
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো
ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো।।

ছায়াছবি

একটু ফিরে দেখো

একটু ফিরে দেখো একটি কথা রাখো,
ভালোবেসে একবার আমায় বউ বলে ডাকো।
একটু ফিরে দেখো একটি কথা রাখো,
ভালোবেসে একবার আমায় বউ বলে ডাকো।

কতো দূর যায় পাখী উড়ে,
আবার তো ফিরে আসে নীড়ে,
আমি তেমনি এক বিরহি পাখী,
আমি তেমনি এক বিরহি পাখী,
তোমার ছায়া নীড়ে তুলে নাও গো,
সোহাগ এ আদরে জীবন আমার ভরে দাও গো।

এই শোন না——–
একটু ফিরে দেখো একটি কথা রাখো,
ভালবেসে একবার আমায় বউ বলে ডাকো।

কতো পথ পার হয়ে এসে,
সাগরের বুকে নদী মেশে।
আমি তেমনি এক বিরহি নদী,
আমি তেমনি এক বিরহি নদী,
তোমার সাগর বুকে তুলে নাও গো,
জবনে মরনে তোমার ই চরনে ঠাই দাও গো।

এই শোন না—————-
একটু ফিরে দেখো একটি কথা রাখো,
ভালোবেসে একবার আমায় বউ বলে ডাকো।
একটু ফিরে দেখো একটি কথা রাখো,
ভালোবেসে একবার আমায় বউ বলে ডাকো।