ব্যান্ড

সুখ আসে

সুখ আসে সুখ জায় চলে যায়
তবু রয় কিছু কথা মন চায় ভালোবাসা
এই তো জীবন।

চাঁদ যদি আকাশে রয় থেমে রয়
রাত তারে কভু কি জানাবে বিদায়।

জোছনা ছড়াবে সে অমন
তবু রয় কিছু কথা
প্রাণের আকুলতা
এই তো জীবন।

ঝরণা সে চলেছে দূর মোহনায়
হারাবে সে কি জানি কোন অজানায়
সাগর করেছে আহবান
তাই পাথরের বুক চিরে
ছুটে চলে পিছু না ফিরে
এই তো জীবন।।

ব্যান্ড

স্বপ্নপুরী

৭১ এ স্বপ্ন দেখেছিল জনতা
সোনালী সোপানের বারতা
রাজা আসে রাজা যায়
আর দেখিয়ে দিয়ে যায়
যার যার ক্ষমতা
আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী
সু্যোগ পেলেই চুরি করি
লাল্ পরী নীল পরী নীল পরী লাল্ পরী
সবাই মিলে ভাগ করি
এখন থেকে এমন কথা
বলতে আমি ছাইনা
অবুঝ এই মন ভীষন ভাবে
করেছে আজ বায়না
এখন থেকে এমন গান আর
গাইতে আমি চাইনা
অবুঝ এই মন ভীষন ভাবে
করেছে বায়না

স্বাধীনতা করেছি পরাধীন হতে নয়
নিজের অস্তিত্ব তা নিজেকেই বুঝতে হয়
আধারের মাঝে ঘুম পাড়িয়ে রাখে আমজনতাকে
আবেগ দিয়ে আত্না দিয়ে খাওয়াও চামচাকে
দাস্বত্তের রক্ত বইছে কার ধমণীতে
নীলনকশা করা হয় কোন রজনীতে
লাল্ পরী নীল পরী নীল পরী লাল্ পরী
সবাই মিলে ভাগ করি
এখন থেকে এমন নকশা
দেখতে আর চাইনা
অবুঝ এই মন ভীষন ভাবে
করেছে আজ বায়না
এখন থেকে এমন গান আর
গাইতে আমি চাইনা
অবুঝ এই মন ভীষন ভাবে
করেছে বায়না

কাজী রোজীর কবিতা হতাশা আমি চাইনা
আরেক্ টি বীর বাঙ্গালী খুজে কেন আমি পাইনা
বারবার রাজপথ কেন রক্তসিক্ত হয়
৩০ লক্ষ প্রাণ দিলো এমন দেখতে নয়
লাল্ পরী নীল পরী নীল পরী লাল্ পরী
সবাই মিলে ভাগ করি
এখন থেকে রাজপথে রক্ত আর চাইনা
অবুঝ এই মন ভীষন ভাবে
করেছে আজ বায়না
এখন থেকে এমন গান আর
গাইতে আমি চাইনা
অবুঝ এই মন ভীষন ভাবে
করেছে বায়না

ব্যান্ড

বেওয়ারিশ

রাতের অটুট নিস্তব্ধতায় ভেঙ্গে গেলো কোনো এক
আহ.. রাত জাগা পাখির ডাকে
শেওলাধরা পুরানো পাঁচিলে ঘেরা গোরস্থানে
আহ ..উঠছে নামছে গ্লানির কোদাল
তৈরী হচ্ছে নতুন আবাস উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার হে …………….

সাড়ে তিন হাত ঘরের মালিক রয়েছে পাশে পরে
নিথর দেহ চাটাই মোড়া বুকভরা গুমোট অভিমানে
চাপচাপ রক্তের করুন আবেদন বেওয়ারিশ আমি
আমায় পৌছে দাও আমার মায়ের কাছে

নেই কোনো শেষকৃত্যের আয়োজোন
নেই কোনো শবযাত্রা
নেই আঁতরগোলাপের গন্ধ
নেই অশ্রুর বন্যা
অনেকে পেয়েছে কাফনের কাপড়,
পায়নি যারা মায়ের শেষ আদর
তাদের পৌছে দাও তাদের মায়ের কাছে

রাতের অটুট নিস্তব্ধতায় ভেঙ্গে গেলো কোনো এক
আহ.. রাত জাগা পাখির ডাকে
শেওলাধরা পুরানো পাঁচিলে ঘেরা গোরস্থানে
আহ ..উঠছে নামছে গ্লানির কোদাল
তৈরী হচ্ছে নতুন আবাস উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার হে …………….

ব্যান্ড

চাঁদ জাগা এই রাতে

চাঁদ জাগা এই রাতে
দুচোখের বরষায় ভিজে
ভাবছি তোমায় জেগে জেগে রাত
তুমিও কি ভাবছো আমায়।।

চোখের কোণে বরষার মেঘ
ভুলে যেতে চাই নিজেকে জ্বেলে
হৃহয় আমার শুন্য করে
গেছো যে চলে কিছু না বলে
নিঃসীম আধার শুধু থেকে যায়
তবুও এখন আমি ভাবছি তোমায়।।

অকারণ কারণের জন্য তুমি
গেছো বহুদূর আরো দূরেতে
মেঘের ছায়ায় ঢেকেছো জীবন
তাঁরা ভরা রাত নিয়েছো সাথে
আশার নগর মন তবু একে যায়
কত নিরুপায় আমি কত নিরুপায়।।

ব্যান্ড

সুলতানা বিবিয়ানা

সারাদিন ছোটাছুটি কিশোর-কিশোরী
দাড়িয়াবান্ধা বউচি ডাঙ্গুলি
কানামাছি ভো ভো যারে পাবি তারে ছো
হইচই সারাদিন আর আনন্দে
সুলতানা বিবিয়ানা
সাহেব বাবুর বৈঠকখানা

ধানক্ষেত মাড়িয়ে পাটক্ষেত ছাড়িয়ে
মেঠোপথে কাশবন দূরে যাই হারিয়ে
নদীমাতা বাংলার পলিজমা চাদরে
হইচই সারাদিন আর আনন্দে
সুলতানা বিবিয়ানা
সাহেব বাবুর বৈঠকখানা

অপেন্টি বায়োস্কপ নাইন টেন টেস্কপ
নাচ বালিকা হেটে
পান সুপারি খেতে
পানের আগায় মরিচ বাটা
স্প্রিং এর চাবি আকা

পাঠশালা পালিয়ে দল বলে হাটুজলে
দাড়কানা মাছধরা বৈকালী কাবাডি
হাসাহাসি হো হো মনে শুধু গাইতো
হইচই সারাদিন আর আনন্দে
সুলতানা বিবিয়ানা
সাহেব বাবুর বৈঠকখানা

ব্যান্ড

মিছিলে যাই

পরাধীনতার শিকল পড়ে বল আর কতদিন
আঁধার রাতে অজানা পথে চলা শেষ কোনদিন
মুক্তি কবে প্রভু এ সমাজ হতে কবে হব মুক্ত স্বাধীন
ভাষাহীন মুখগুলো কবে পাবে ভাষার স্বাধীনতা
ঠিকানা বিহীন মানুষ গুলো কবে পাবে ঠিকানা
মুক্তি কবে প্রভু এ জীবন হতে
মুক্তি মোরা যে চাই, চল মিছিলে যাই

অলক রাতে রিক্ত মনে
হতাশার ছায়া কেন মা’র দুটি চোখে
তবু দুঃখের নরবলি
কেন আমার বোন এ সমাজে
অনিয়মের এই নিয়ম ভেঙ্গে
মুক্তি মোরা যে চাই, চল মিছিলে যাই

অন্ধ ধরণের গোঁড়ামি ভেঙ্গে মোরা জাগবো কবে
শিক্ষায় শুদ্ধ আলোয় আলোকিত হব কবে
মুক্তি কবে প্রভু এ সমাজ হতে কবে হব মুক্ত স্বাধীন
শিশিরে ভেজা ভালবাসার ছোঁয়া প্রাণে জাগবে কবে
ঘুণেধরা সমাজ জনতার ঘুম ভেঙ্গে উঠবে কবে
এই বলে তো প্রমিথিউস, স্বাধীনতা ফিরে পেতে চায়
চল মিছিলে যাই

ব্যান্ড

কষ্ট কাকে বলে

আমার একটা নির্ঘুম রাত
তোমার হাতে তুলে দিলেই
বুঝতেই তুমি কষ্ট কাকে বলে

আমার নষ্ট হওয়া একটা পলক
নিজের চোখে তুলে নিলেই
বুঝতেই তুমি কষ্ট কাকে বলে

আমার দীর্ঘশ্বাসের একটা স্রোতে
তোমার সুখের তরী ভাসালেই
বুঝতেই তুমি কষ্ট কাকে বলে

ব্যান্ড

ফেরিওয়ালা

আমাকে বুঝবে এমন। বন্ধু এনে দাও
এখানে সেখানে ঘুরে ঘুরে যত দাম তুমি চাও
যতটা নায্য চাইবে দেবো এবেলা
ও ফেরিওয়ালা ফেরিওয়ালা

সকাল সন্ধা ভোর
ঘোর সারা শহর
ঘোর গ্রামগঞ্জ
অনেক অনেকক্ষণ।।

হয়তো সেখানে যেতে
কষ্ট হবে তোমার
দারুণ ক্লান্ত হলেও
চাওনা তবুও আবার
ফেরিওয়ালা ও ফেরিওয়ালা।।

ব্যান্ড

উড়াল দেবো আকাশে

অভিলাষী আমি অভিমানী তুমি
হাজারো স্বপ্ন নিয়ে সবকিছু ভুলে গিয়ে
পৃথিবীতে বসে আছি সংসার সাজিয়ে
জানে অন্তরযামী কে বা আগে পরে
সবাইকে একা করে চলে যাব অন্ধ ঘরে
এই শহর গাড়ী বাড়ি কিছুই যাবে না

আর কত এভাবে আমাকে কাঁদাবে
আর বেশী কাঁদালে উড়াল দেবো আকাশে
এই বুকে যন্ত্রণা বেশী সইতে পারি না
আর বেশী কাঁদালে উড়াল দেবো আকাশে

অহংকারী মানুষ উড়ায় রঙ্গিন ফানুস
টাকা ছাড়া তার দৃষ্টিতে নেই কিছু আর পৃথিবীতে
জায়গা জমি কিনতে শুধু থাকে সে বেহুশ
জমিদার বেটা জানে সব বেটা তারে মানে
পৃথিবীটা তার দখলে সবকিছু তার বগলে
এক নিঃশ্বাসের বিশ্বাস নাই জমিদার কী জানে

আর কত এভাবে আমাকে কাঁদাবে
আর বেশী কাঁদালে উড়াল দেবো আকাশে
এই বুকে যন্ত্রণা বেশী সইতে পারি না
আর বেশী কাঁদালে উড়াল দেবো আকাশে

যখন যাবে চলে কাকে যাবে বলে
কেউ যাবে না সঙ্গী হয়ে
পার পাবেনা পালিয়ে গিয়ে
সব কিছু শুধু ঘটে যাবে চোখের পলকে
হেরে যাবো আমি হেরে যাবে তুমি
তাই বলি কেউ না জেনে
ব্যাথা দিওনা কারো মনে
কারো মনে দুঃখ দিয়ে সুখ তো পাবে না

আর কত এভাবে আমাকে কাঁদাবে
আর বেশী কাঁদালে উড়াল দেবো আকাশে
এই বুকে যন্ত্রণা বেশী সইতে পারি না
আর বেশী কাঁদালে উড়াল দেবো আকাশে।।

ব্যান্ড

কারে আর মন দিবি তুই

দন্তন্ন না মুধন্ন কোনটা আসল মন
কান্দে না ঐ দুই চক্ষু কান্দে দুই নয়ন
কারে আর মন দিবি তুই।
আর কারে মন দিবি তুই।
কেউ আসল জানেনা কার মনের ঠিকানা

কি বাচাইলি কি বা পাইলি
কিসে আছে সুখ
চিনলিনা আয়নার মাঝে
নিজেই নিজের মুখ
কেউ আসল জানেনা
কারো সুখের ঠিকানা
কেউ আসল জানেনা
কারো মনের ঠিকানা

মন মাজারে আছাড় খাইলি
হারাইলি রে কুল
সারাজীবন অংক কষলি
হয়নি তো তার ভুল
কেউ আসল জানেনা
কার ভুলের ঠিকানা
কেউ আসল জানেনা
কারো মনের ঠিকানা

ব্যান্ড

ঘর

একচালা টিনের ঘর
এই আপন এই পর
সবাই তো যাযাবর
তবুও বানাই ঘর

ভেতরে নেই ঠিক ঠাক
বাইরে বেশ ফিটফাট
সম্পর্কের কাঁটা ছেড়া
সবশেষে বাশের বেড়া

জীবনের যত প্রয়োজন
তবুও মানে না মন
নানান রঙের শান্তি খোজে
না পেলে দুচোখ বুজে

এই কূলে আমার
তুমি একটাই বিশ্বাস
তোমারই এক ইশারায়
চলে যাবে নিঃশ্বাস

ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ
করে দাও সব বন্ধ
ভাই ছাড়া তোমার জীবন
হয়ে যাবে অন্ধ

লেনদেন সব গুছিয়ে নাও
যার কাছে তুমি যা কিছু পাও
ঈমানের খুটি টা যেনো
না হয় তোমার যেনোতেনো

আমার মনে বিশ্বাস নাই
এ কুল ও কুল যেখানে যাই
তুমি ছাড়া বিশ্বাস নাই
তুমি ছাড়া এ কূল নাই

সময় থাকতে সাবধান হও
লেনদেন সব গুছিয়ে নাও
ঈমানের খুটিটা যেন
না হয় তোমার যেন তেন

দুদিনের এই সংসারে
কেউ আগে কেউ পরে
চলে যাব সব ছেড়ে
শুধু ঘরটা রয় পরে

ব্যান্ড

নয়না

নয়না বোঝে না প্রেম কারে কয়
আমার মন না লইয়া যারে তারে লয়

চাঁদ জাগে তারা জাগে সবাই সুখী হয়
আমার সুখ নয়না সেতো আমার নয়।

তোম রা আমায় বলো
কিভাবে মেনে নেব
সে যদি অন্ন কারো হয়

এমন ভালবেসে কেউ বলবে না
নয়না ছাড়া জীবন আমার চলবেনা।

তোমরা আমায় বলো
কিভাবে মেনে নেব
সে যদি অন্ন কারো হয়

ব্যান্ড

চান্দের বাতির কসম দিয়া

চান্দের বাতির কসম দিয়া ভালবাসলি
সুর্যের আলোয় ঝলমলাইয়া আমায় পুড়াইলি
এখন তো চান্দের চিনে না আমারে সুর্যও চিনে না
চিনবো কেমনে যে চিনাইব সেও তো চিনে না

ইট বালি আর সিমেন্ট দিয়া ঘর বানানো যায়
সেই ঘরেতে যায় না থাকা মিল যদি না হয়
চান্দের বাতি দিয়া আমার যে ঘর সাজাইলি
সুর্যের আলোয় ঝলমলাইয়া সে ঘর ভাঙ্গিলি
এখন তো চান্দের চিনে না আমারে সুর্যও চিনে না
চিনবো কেমনে যে চিনাইব সেও তো চিনে না

যে আঘাতে চোখের পাতা ঘুমটি দিয়া যায়
ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি ঘুম যদি না দেয়
চান্দের বাতি দিয়া আমায় যে ঘুম পাড়াইলি
সুর্যের আলোয় ঝলমলাইয়া সে ঘুম ভাঙ্গিলি
এখন তো চান্দের চিনে না আমারে সুর্যও চিনে না
চিনবো কেমনে যে চিনাইব সে ও তো চিনে না

ব্যান্ড

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে
গান গাইতে পারি নি বলে
নাইরে আমার দুঃখের কোন শেষ
মনের বেতার কেন্দ্রে তবু
গান গেয়ে যাই দিনে রাতে
আমার মাটি সোনার বাংলাদেশ
ওরে মানুষ গাও সকলে বাংলাদেশের গান
আল্লাহ তুমি থাইকো সহায় রাইখো দেশের মান

দেশটা আমার দেশটা তোমার
নাই ভেদাভেদ নাই
হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান
আমরা সবাই ভাই
স্বাধীনতা যুদ্ধে আমি
রক্ত দিতে পারি নি বলে
নাই রে আমার দুঃখের কোন শেষ
মনের বেতার কেন্দ্রে তবু
গান গেয়ে যাই দিনে রাতে
আমার মাটি সোনার বাংলাদেশ
ওরে মানুষ গাও সকলে বাংলাদেশের গান
আল্লাহ তুমি থাইকো সহায় রাইখো দেশের মান

জন্ম আমার এই দেশেতে অন্য কোথাও নয়
সবুজ শ্যামল এই মাটিতে মরণ যেন হয়
স্বাধীনতা যুদ্ধে আমি জীবন দিতে পারিনি বলে
নাই রে আমার দুঃখের কোন শেষ
মনের বেতার কেন্দ্রে তবু
গান গেয়ে যাই দিনে রাতে
আমার মাটি সোনার বাংলাদেশ
ওরে মানুষ গাও সকলে বাংলাদেশের গান
আল্লাহ তুমি থাইকো সহায় রাইখো দেশের মান

ব্যান্ড

ফ্রাসট্রেশান

আধারে ঘেরা জীবন মোদের
না পাওয়ার স্রোতে ভেসে
অজানার পথ ধরে দুরে চলে যায়
দুচোখে আঁকা যত ছবিগুলো
ধুসর মলিন হয়ে হৃদয়ের ফ্রেমটাতে শুধু পরে রয়
ফ্রাসট্রেশান আমি হতে চাই সেনসেশান
জীবনের এক্সপেকটেশান্সগুলো শুধু বাকি রয়ে যায়

আশা নিরতাশার মরিচিকা হয়ে
হতাশার ডানা মেলে
বেদনার আকাশেতে পথ খুজে হায়
জীবনের দাম বেঁচে থাকা পরিনাম
হিসেবের যন্ত্রে বছরের অন্তে শোধ হয়ে যায়
ফ্রাসট্রেশান আমি হতে চাই সেনসেশান
জীবনের এক্সপেকটেশান্সগুলো শুধু বাকি রয়ে যায়

শেষ হবে নাকি হতাশার
এ হৃদয় পাবে কি ভালবাসা
রাত কাঁটে না এ দুঃখে
জীবন যাবে কি এভাবে