ব্যান্ড

জন্মেছি এই যুগে

শুনিনা পুরনো দিনের ওই গান
আমার বুঝিনা তোমার রাগ-রাগিনীর গান
প্রথম যেদিন হলো আর্তনাদ আর পাগল পাগল বলে দিলে অপবাদ, আমাকে
আমি জন্মেছি এই যুগে, আমার অহংকার আমি গান গাই এই যুগে

বুঝিনা শুদ্ধ গানের ওই সুর
আমি শুনি না তোমার সেতার সক্তুর
দোহাই তোমার থামাও ওই মতবাদ
আর আমূল শাস্তিতে দিলে অপবাদ, আমাকে
আমি জন্মেছি এই যুগে, আমার অহংকার আমি গান গাই এই যুগে

পৃথিবী চলছে তীব্র গতিতে
আমার বাংলাদেশ কেনো পিছিয়ে থাকে?
তথা কথিত কিছু আতেলের দল
ভঙ্গ করছে আমার ওই মনোবল তারা যে
জন্মেছে এই যুগে, আমার দুঃখ মাগো তারা জন্মেছে এই যুগে

ব্যান্ড

পর্ ওয়ারদেগার

কোন পথে ওরা চলছে হায় পর্ ওয়ারদেগার
যে হাতে ওদের কোরআন শরীফ তবে সেই হাতে কেনো তলোয়ার
নালায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার বলে দিচ্ছে জিহাদের ডাক
হত্যা করছে ওরা মানব্ জাতি তোমার আশ্ রাফুল মাখলুকাত

কোন পথে আম্ রা চলছি হায় পর্ ওয়ারদেগার
বাড়িতে বাড়িতে আছে কোরআন শরীফ
তবে নেই তার কোনো তেলাওয়াত
আল্লাহ আইন কায়েম হোক ওরা তুলছে দাবি প্রতিদিন
লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়াদিন আমার লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়াদিন

প্রতিদিন বৈষম্য আর বিদ্বেষ দেশ জুড়ে
প্রতি ওয়াক্ত প্রতিবাদ শুধু আযানের সুরে সুরে
ওরা জাইতুনের ডাল মাটিতে ছুড়ে ফেলে অস্ত্র তাক করেছে
ওরা শান্তির পায়রাকে হত্যা করে শকুন পুষতে শিখেছে

কোন পথে আম্ রা চলছি হায় পর্ ওয়ারদেগার
তোমার অস্তিত্ত স্বীকার করি আমতা যে গুনাহগার
ধর্মান্ধ উগ্রবাদীদের নাম দিলাম মৌলবাদ
পাল্টে জবাব ওরা দিলো আমাদের তোরা নাস্তিক মোরতাদ

একি আম্ রা দেখছি হায় পর্ ওয়ারদেগার
হত্যাকারী আর জেনাকারীরা সেজেছে নব্য পায়গাম্বার
একাত্তরের কাফের সর্দারকে ক্ষমা করেছে আদালত
রোজ হাশরে তুমি ক্ষমা করবেনা এই আমাদের ইবাদত

দেশকাল আর শান্তির কথা ভেবে রয়েছি আম্ রা নীরব
যখন নীরবতা ওরা দুর্বলতা ভাবে রক্ত করে টগবগ
ওদের প্রতিটি হুমকি প্রতিটি আঘাত রুখতে আম্ রা শিখেছি
ওদের স্বাধীন বাংলার পতাকাতলে আশ্রয় করে দিয়েছি(২)

কোন পথে আম্ রা চলব হে পর্ ওয়ারদেগার
বাংলাদেশের সব ধর্মে আছে সম অধিকার
অনেককাল তোমার কেটে গেছে মাবুদ মন্দিরে মসজিদে
এখন সময় এসেছে মাবুদ তুমি ফিরে এসো অন্তরে

কোন পথে আম্ রা চলছি হে পর্ ওয়ারদেগার
পৃথিবীর তামাম কালাম কিতাবে তুমি ফিরে এসেছো বারেবার
তাই বেহেশ্তি দ্বীন দুনিয়া যাদের অধিক মাথাব্যাথা
ওরা ভুলে গেছে তোমার ভালোবাসা আর প্রাচীন পরম্পরা

প্রতিদিন বৈষম্য আর বিদ্বেষ দেশ জুড়ে
শঙ্খ আর আযানের ধবনি উঠুক মন্দিরে মসজিদে
ওরা উতকৃষ্ট মানব্জাতির দাবিতে অস্ত্র তাক করেছে
ওরা তোমার বিধান লঙ্ঘন করে জল্লাদ হতে শিখেছে
ওরা জাইতুনের ডাল মাটিতে ছুড়ে ফেলে অস্ত্র তাক করেছে
ওরা শান্তির পায়রাকে হত্যা করে শকুন পুষতে শিখেছে

ব্যান্ড

হৃদয়ের দাবি

আগুনের কথা বন্ধুকে বলি দুহাতে আগুন তারো
কার মালা হতে খসে পড়া ফুল রক্তের চেয়েও গাড়
যার হাতখানি পুড়ে গেলো বধু আচলে তাহার ঢাকো
আজ ও ডানাভাঙ্গা এক্ টি শালিক হৃদয়ের দাবি রাখো
একজন ডাকে দুরবরতীকে মাস্তুলখানি দোলে
কে হায় বসিয়া অঙ্গ ভরিয়া গোধুলীর মায়া মাখো
আজ ও ডানাভাঙ্গা এক্ টি শালিক হৃদয়ের দাবি রাখো

পাতালের মেয়ে সুর্য চেনেনা আধারে তাহার ভাই
প্রজাপতি বলে বুকে নাও তারে আলোয় তারে সাজাই
কে তবে জ্বালায় ছায়ার শিখাটি কার মুখ চেয়ে থাকো
আজ ও ডানাভাঙ্গা এক্ টি শালিক হৃদয়ের দাবি রাখো

জলের ঝিয়ারি তিনভাগ জলে মিশিয়ে দিয়েছে বালি
বালি তাই ডাকে কাছে আয় তোরা পাতালে আগুন জ্বালি
পথ ছুটে যায় যার আঙ্গিনায় সেই পথ মেলে না কো
আজ ও ডানাভাঙ্গা এক্ টি শালিক হৃদয়ের দাবি রাখো

একজন ডাকে দুরবরতীকে মাস্তুলখানি দোলে
কে হায় বসিয়া অঙ্গ ভরিয়া গোধুলীর মায়া মাখো
আজ ও ডানাভাঙ্গা এক্ টি শালিক হৃদয়ের দাবি রাখো

ব্যান্ড

আহা জীবন

আমি তোমার দুরে থাকি কাছে আসব বলে
আমি তোমার কাছে আসি না দুরে যেতে হবে বলে
তোমাকে ভালোবাসিনা তোমাকে হারাবার ভয়ে
এ কেমন অনিয়ম কাদায় আমায় প্রতিক্ষণ আহা জীবন

লিখতে বড় ইচ্ছে করে ফেরারী ওই পথটি ধরে
যেথায় তুমি দাড়িয়ে আছো বহুদুরের ঘরে
কন্ঠে আমার হারাবার গান অনেক পাওয়ার অনেক পরে
পাওয়া না পাওয়া ম্লান হয়ে যায় অভিমানী ঝড়ে
এ কেমন অনিয়ম কাদায় আমায় প্রতিক্ষণ আহা জীবন

দেখতে বড় ইচ্ছে করে তোমায় অনেক না দেখা
বোবা ভাষা প্রাণ ফিরে পায় আমার ভালোবাসায়
রাত ফুরালেই রাতের কাছে জমিয়ে রাখি অনেক আশা
আধারগুলো দেয় ফিরিয়ে আমার সারাদিন
এ কেমন অনিয়ম কাদায় আমায় প্রতিক্ষণ আহা জীবন

ব্যান্ড

এই নষ্ট শহরে

এই নষ্ট শহরে নাম না জানা যে কোনো মাস্তান
সকালে ঠিক খিস্তি খেউর রাজা উজির মেরে মাস্তানি সব ছেড়ে
বিকেল বেলা তোমার বাড়ির লাগোয়া পথ ধরে যাচ্ছে যখন ফিরে
ভুলে না হয় দিয়েই ছিল শীষ হাত ছিল নিশপিশ
ছুড়ে না হয় দিয়েই ছিল চিঠি
আর স্বীকার করে বলি এসব কান্ড খারাপ ছেলে করে(২)
তবু মেয়ে প্রেম তবু তার মিথ্যে ছিল না(২)

তার প্রেমের উপস্থাপন জানি তেমন ভদ্র শোভন নয়
তার চিঠির ব্যাকরণ ভর্তি ভুলে বলার মত নয়
শুধু তোমার নামটি ছাড়া শুদ্ধ কিছুই লিখতে জানে না
আর স্বীকার করে বলি সে কিছুতেই যোগ্য তোমার নয়(২)
তবু মেয়ে প্রেম তবু তার মিথ্যে ছিল না(২)

সে যে বছর যুদ্ধে গিয়েছিল ভেবেছিলো পাবে তোমার প্রেম
ইস্পাতে বারুদে সে তার প্রাণ তোমার পায়ে সপে দিয়েছিল
আজ স্বীকার করে বল তুমি তাকে মিথ্যে বলেছিলে
ও মিথ্যেবাদী মেয়ে তুমি তাকে মিথ্যে বলেছিলে
আজ স্বীকার করে বল তুমি তাকে মিথ্যে বলেছিলে
ও মিথ্যেবাদী মেয়ে কেন তাকে মিথ্যে বলেছিলে(২)

ব্যান্ড

এখন আমি বিদ্রোহী

একা একা চলেছি এ পথ
মনে মনে জ্বেলেছি শপথ
এখন আমি বিদ্রোহী
এখন আমি আর নই অভিমানী

দুঃখের ই মেঘ দেখে ঝড় ওঠে এই অন্তরে
খেদ যত ভেদ তত শেষ হল যে সেই ঝড়ে
সব কিছু আমি শেষ করেছি আজ
এখন আমি বিদ্রোহী
এখন আমি আর নই অভিমানী

সাজানো ফেরানো ঝড়ভাঙ্গা এই পথটাকে
সাজাতে এ জীবন ঘর ফেরা ওই পথ ডাকে
প্রত্যাশা নিয়ে এবার চলেছি আজ
এখন আমি বিদ্রোহী
এখন আমি আর নই অভিমানী

ব্যান্ড

ঝল্ মলে বিকেলে

ঝল মলে এক বিকেলে দেখেছি তোমায়
এলো চুলে হাটছিলে উদাসী হাওয়ায়
নিশ্চুপ তুমি চেয়েছিলে অজানা মায়ায়
বুঝিনি কি ভাষা ছিলো চোখের ই তারায়
কিভাবে কখন রাঙ্গালে আমার ভুবন

ঝল মলে এক বিকেলে দেখেছি তোমায়
এলো চুলে হাটছিলে উদাসী হাওয়ায়
শব্দেরা সব ভীড় করে গানের ই খাতায়
সুরে সুরে চায় যে মন তাই তোমায়
কিভাবে কখন রাঙ্গালে আমার ভুবন

স্বপ্নীল মোহনায় সুখ ভেজা ভাবনায়
অনুরাগের ছোয়ায় ভরা মন
সময় যে চলে যায় চঞ্চল মন যে চায়
আরো কাছে তোমায় সারাক্ষণ
কিভাবে কখন রাঙ্গালে আমার ভুবন

অন্তরালে ছিলে ধীরে ধীরে কাছে এলে
বন্ধনে জড়ালে এ জীবন
হৃদয়ের স্পন্দনে একাকী নির্জনে
জাগে শুধু এই মনে শিহরণ
কিভাবে কখন রাঙ্গালে আমার ভুবন

ব্যান্ড

দৃষ্টির সীমানায়

দৃষ্টির সীমানায় বুকেরই আঙ্গিনায়
তুমি আছো সব ই আছে
তুমি নেই কিছু নেই

তুমি এলে মনে ওঠে আবেগেরই ঝড়
তোমারই দুচোখে আঁকি স্বপ্ন সাগর
তুমি আছো বলে আছে প্রেমেরই বাসর
তুমি আছো সবই আছে
তুমি নেই কিছু নেই

তুমি এলে জেগে ওঠে ভালোবাসা ভোর
ফুলেরই সুরভি শুধু তোমাতে বিভোর
তুমি আছো বলে আছে মায়াবী প্রহর
তুমি আছো সবই আছে
তুমি নেই কিছু নেই

ব্যান্ড

ফিরে চাই

আমি ফিরে পেতে চাই সেই বৃষ্টি ভেজা সুর
আমি ফিরে পেতে চাই সাত সুখের সমুদ্দুর
শুধু একটিবার। তুমি বৃষ্টি ঝরাও ফিরে চাও
শুধু একটিবার। তুমি স্বপ্ন ওড়াও ফিরে চাও
আমার সুরের সাথে তোমার সুর মেলাও।।

তীরহারা এই দুঃসময়ে স্বপ্ন ডাক দেয়
হাতছানিতে যাই হারিয়ে আধার অচেনায়।।

আমার গানের সাথে তোমার গান মেলাও।।

কোন গভীরে ডুবে ছিলে কোন সে মোহনায়
যায় সীমানা যায় পেরিয়ে তোমার আঙ্গিনায়।।

চোখের পলক চোখের সুর কি একাকার।।

ব্যান্ড

সবুজ যখন

সবুজ যখন বাধে বাসা
গাছের পাতায় বনে
মনে তখন দুঃখ লুকাই
অন্তগহীন কোণে
বৃষ্টি যখন সুরের সাথে
রিনঝিনিয়ে ঝরে
কান্নাগুলো চোখের মায়া
ছিন্ন করে পড়ে

সুর্য যখন জাগায় ভুবন
পাখির শীষে ভোর
আমার তখন উদাস দুপুর
বিরহী প্রহর।।

বৃষ্টি যখন সুরের সাথে
রিনঝিনিয়ে ঝরে
কান্নাগুলো চোখের মায়া
ছিন্ন করে পড়ে

চাদকে যখন দেখি আমি
আলো দিয়ে ঘেরা
আমার কেন হয়না তবু
আলোর পথে ফেরা।।

বৃষ্টি যখন সুরের সাথে
রিনঝিনিয়ে ঝরে
কান্নাগুলো চোখের মায়া
ছিন্ন করে পড়ে

ব্যান্ড

ও দুনিয়ার মানুষ

ও দুনিয়ার মানুষ ও ভাই
আল্লাহ’র নাম লও সময় নাই
আসিলে ডাক যাইতে হবে ভাই
পুন্যের ভাগ বেশী হওয়া চাই

আছো তুমি দুনিয়াদারী নিয়ে
দম গেলে আসিবে বিপদ
বৌ ছেলে ভাই বোন হিসেব করতে বসবে
রাইখা গেলা কি সম্পদ
আন্ধার ঐ কবরে যাইতে হবে রে
দুদিন আগে আর পরে
ফেরেশতার আসর বইবো
ইহকালের খাতা খুলবো
কি পুন্য আন্ সো সাথে কি আনো নাই।।

কার মনে কষ্ট দিসো
কারে দিস গাল
কার ধন কইরা চুরি
হইসো লালে লাল।

চোখ বুইজা করস সবই
তার কাসে তোলা ছবি
বিচারে কোন ক্ষমা নাই
ভাবের মন উদয় হইব
তখনি সব ই মনে পরব
ঈমানের কথা শোন নাই।।

মা তোমার কাইন্দা কইবো
বাজান আমার নাই
মাটির পৃথিবী তুমি
ছাইড়া গেসো ভাই।

বাপ ভাইয়ে কান্ধে নিবো
ঠিকানার দিকে লইয়া যাইবো
সাদা কাফন বড়ই আপন অন্তিম সময়।।

ব্যান্ড

ডাকপিয়ন

ডাকপিয়নের হাজার চিঠির ভিড়ে
তোমার চিঠি আসবে কি গো
আমার কাছে ফিরে।

কোথায় আছো তুমি কেমন আছো
নাকি হারিয়ে গেছো প্রলয় ঝড়ে।।

নদী ছুটে চলে একেবেকে
কাছে পেতে চায় সমুদ্রকে
চাঁদের ও আছে কলঙ্ক
তবুও আকাশ তারে ঢাকে।

নদী গেছে সাগর
আকাশে আছে চাদ
তবু তুমি আছো বহুদুরে।

কোথায় আছো তুমি কেমন আছো
নাকি হারিয়ে গেছো প্রলয় ঝড়ে।।

আমার সঙ্গীহীন শূন্যঘরে
জ্বেলেছি মিছে প্রদীপমালা
আসবে তোমার চিঠি
মিটাবে আমার মনের জ্বালা।

চিঠি তো আসে না
জ্বালা তো মিটে না
বিষন্নতা এই হৃদয়জুড়ে

কোথায় আছো তুমি কেমন আছো
নাকি হারিয়ে গেছো প্রলয়ঝড়ে।।

ব্যান্ড

সুনিতা

সুনিতা ফিরে এসো না
একা থাকার এই জ্বালা
কেনো বোঝ না

তোমায় ভেবে লেখি গল্পকবিতা
তোমার সৃতি চোখে স্বপ্নময়তা
থেকো না তুমি ওই দুরে
মন যে মানে না

হৃদয় ছোয়া সুখে নেই যে ভাষা
তবু ডাকি তোমায় মিশে শা শা
তুমিহীনা ভুবনে ভাল লাগেনা

ব্যান্ড

মীরাবাঈ

মীরাবাই হেইলা দুইলা হেইলা দরবার নাচায়
ঝাকানাকা ঝাকানাকা ঝাকানাকা দেহ দোলা না
মন বলে মন বলে মন বলে দেহ ঝোকা না

বাকা ঠটের হাসিতে
হরিণী চোখের ইশারায়
সারা অঙ্গে ঢেউ তুলিয়া
ধামাক ধামাক কোমর দোলাইয়া
মীরাবাঈ ঝাকানাকা ঝাকানাকা ঝাকানাকা দেহ দোলা না
মন বলে মন বলে মন বলে দেহ ঝোকা না

বুনো ফুলের সুবাসে
বিরহী মনের কামনায়
সারা জলসায় মাতম উথাইয়া
ঝানাক ঝানাক ঘুঙ্গুর বাজাইয়া
মীরাবাঈ ঝাকানাকা ঝাকানাকা ঝাকানাকা দেহ দোলা না
মন বলে মন বলে মন বলে দেহ ঝোকা না

ব্যান্ড

মন ছুয়েছো

মন ছুয়েছো মন দিয়েছি
আছে কিছু দেনা
তাই বলে কি ভাবছো নাকি
মনটা তোমার কেনা
হায় মন্ টা তোমার কেনা

জলের ঘাটে কলসীকাখে
জল যে ছলাতছল
জলের ছোয়ায় নুপুর বাজে
মন করে অচল
অচল মনের কাছে আছে
আমার কিছু দেনা
তাই বলে কি ভাবছো নাকি
মনটা তোমার কেনা
হায় মন্ টা তোমার কেনা

জল্ কুমারী চকিতচোখে
এমন কেনো চাও
মনের ভেতর মেঘ ভেসে যায়
ময়ুরকন্ঠী নাও
চকিতচোখের কাছে আছে
আমার কিছু দেনা
তাই বলে কি ভাবছো নাকি
মনটা তোমার কেনা
হায় মন্ টা তোমার কেনা