ব্যান্ড

সপ্নচারিণী

সপ্নে বেধে গেছো কোনো সপ্ন চারিণী
বিষন্ন একাকী আমি তবু ভুলতে পারিনি
তোমার ই দুরে দুরে থাকা আমি সইতে পারিনি

ফেরারী সুখ হয়ে তুমি ছিলে
জানিনা কি তুমি আমায় দিলে
বুকের ই অনুভুতি গুলো তুমি বুঝতে পারোনি

পারিমি তোমাকে আর ফেরাতে
ফিরেছি এই আমি শুন্ন হাতে
দুচোখের সপ্ন তুমি তুমি সপ্ন চারিণী

ব্যান্ড

খোকন কোথাও নাই

ছুটোছুটি দৌড়ে পালাই বাবা এল তেরে
মিনি খুশি বড়ই খুশি বাবা হাতে পেলে
চুপটি করে দেখত মা আমার কোন খানে পালাই
জানতে এলে বলত হেসে নাই রে নাইরে নাইরে নাইরে মোর
খোকন কোথাও নাই

ভরদুপুরে চুপ্টি করে ঘর ছেরে যেতাম
কানামাছি ভো ভো করে সব ভুলে যেতাম
সন্ধে যখন চারদিকে তে দুষ্টুমি সব ছেড়ে
জানলা ডিঙ্গে আসতে দেখে বাবা এল তেড়ে
চুপটি করে দেখত মা আমার কোন খানে পালাই
জানতে এলে বলত হেসে নাই রে নাইরে নাইরে নাইরে মোর
খোকন কোথাও নাই

এমনি করে ভাংলো যখন শিশুমনের খোভ
বস্ল মাথায় ভুতটি চেপে বাধব সুখের ঘর
তুলসিতলায় বউ সাজিয়ে মিনির পাশে বসি
যেই না দেখা অম্নি তেড়ে এল মিনির মাসী
চুপটি করে দেখত মা আমার কোন খানে পালাই
জানতে এলে বলত হেসে নাই রে নাইরে নাইরে নাইরে মোর
খোকন কোথাও নাই

ব্যান্ড

প্রতিমার ছবি

প্রতি নিঃশ্বাসে দেখছো তুমি আমায়
দীর্ঘ নিঃশ্বাসে ভালোবাসা ব্যাকুলতায়
ভাবনা মেলে পাখা ক্লান্ত ধূলির
পথকে সাথি করে
আমি চেয়েছিগো সেই তোমায়
বর্নে বর্নে সুবর্না তুমি
একটি মাধবী রাত
ধোঁয়া ধোঁয়া ধোঁয়া
তুমি ছিলে আমার কামনায়
ও বিন্দু বিন্দু গড়া ভালোবাসার
পাহাড় গড়িয়ে
পেলাম তোমায় আমি
চুমু করি আকাশ এ সন্ধ্যায়
প্রতিমার ছবি ওহো প্রতিমার ছবি

চুপি চুপি চাওয়া চাই যে বড়
বুকে দুরু দুরু ভাবনা যে
নীলাম্বরীর নীলাভরন
লুকোচুরি করে তার মাঝে(২)
বর্নে বর্নে সুবর্না তুমি
একটি মাধবী রাত
ধোঁয়া ধোঁয়া ধোঁয়া
তুমি ছিলে আমার কামনায়
ও বিন্দু বিন্দু গড়া ভালোবাসার
পাহাড় গড়িয়ে
পেলাম তোমায় আমি
চুমু করি আকাশ এ সন্ধ্যায়
প্রতিমার ছবি ওহো প্রতিমার ছবি

সেই আদলে তোমার আগমন
প্রাণ তোলপাড় বারতা
মনোহরিনীর চঞ্চলতায়
ভেঙ্গেছে আমার স্তব্ধতা(২)
বর্নে বর্নে সুবর্না তুমি
একটি মাধবী রাত
ধোঁয়া ধোঁয়া ধোঁয়া
তুমি ছিলে আমার কামনায়
ও বিন্দু বিন্দু গড়া ভালোবাসার
পাহাড় গড়িয়ে
পেলাম তোমায় আমি
চুমু করি আকাশ এ সন্ধ্যায়
প্রতিমার ছবি ওহো প্রতিমার ছবি

ব্যান্ড

নুর হোসেন

জন্মানোর পর থেকে সংগ্রামকে বুকে চেপে যার জীবন হয় শুরু
সে নুর হোসেন
এই নুর হোসেন কে চলতে দাও উদ্দাম গতিতে
উড়তে দাও শান্তির পায়রার মত
আর মিছিল করতে দাও বজ্রকন্ঠে
এই নুর হোসেনকে করো না কোন বাক্তির
কিংবা কোন গোত্রের কিংবা কোন গোষ্ঠীর

যেই ছেলে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে ঢাকার রাজপথ রাঙ্গিয়ে যায়
যার কথা মিশে আছে বাংলার দিকে দিকে
সৃষ্টি হয়েছে এক ইতিহাস
যুদ্ধ জয় করে দিয়ে যায় ঘরে ঘরে
নতুন স্বপ্ন আঁকা শতাব্দীর
মিছিলের তালে তালে বজ্র কন্ঠে বলে
জিরো পয়েন্টে আমি সংগ্রামী
সে বঙ্গবীর নুর হোসেন তুমি

তোমার মৃত্যু যেন মৃত্যু হলো না
ছড়িয়ে পরলে তুমি শিখা হয়ে
আবার নতুন করে প্রমান করে দিলে
শক্তির অবিনাশী তাপ বারুদে
বাংলার আকাশে উঠেছে সুর্য
সে তো হায় অগভীর তোমারই কারণ
মনের প্রতিটি কাজে যুগে যুগে রয়ে যাবে
তোমার একেকটি প্রতিফলন
হে বঙ্গবীর নুর হোসেন শোনো

ব্যান্ড

চায়ের কাপে

চায়ের কাপে পরিচয় তোমার সাথে
পথে দেখা হল আবার
শান্তিতে হাত রেখে কিশোর ছেলে
ডাক দেয় সাথী হবার
মন যদি কাঁদে ওদেরই তরে
জনস্রোতে চল না

জান তো দুবেলা আহার
জোটেনা ওদের
কবিতা বিমুরত হয়
অভাবীর ছায়ায়
কিছু করার এই তো সময়
দিন চলে যায়

মন যদি কাঁদে ওদেরই তরে
জনস্রোতে চল না

আমরা দুজনে এখন
ওদেরই ভাষায়
সাহসী সব ছবি আঁকি
সুখেরই আশায়

মন যদি কাঁদে ওদেরই তরে
জনস্রোতে চল না

ব্যান্ড

স্বর্ণালী ভোরে

স্বর্ণালী ভোরে যদি তুমি রও
বিরহ ব্যাথা দূরে সরে রয়
তুমি হীনা জীবন বর ব্যাথাময়
নিরাশার বাকে প্রেম কেদে কয়

জোনাক জলা রাতে
মহুয়ার গন্ধে
মন আমার মাতাল
রাখালিয়া ছন্দে

এমন মধুর লগনে যদি তুমি রও
বিরহ ব্যাথা দূরে সরে রয়
তুমি হীনা জীবন বর ব্যাথাময়
নিরাশার বাকে প্রেম কেঁদে কয়

চাঁদ জাগা রাতে
আকাশের পানে
তাঁরাদল উদাস
মেঘেদের গানে

এমন মধুর লগনে যদি তুমি রও
বিরহ ব্যাথা দূরে সরে রয়
তুমি হীনা জীবন বর ব্যাথাময়
নিরাশার বাকে প্রেম কেঁদে কয়

ব্যান্ড

নির্জন শালবনে

নির্জন শালবনে গুঞ্জন মনে মনে
মন যেন চায় কিছু বলতে তোমায়

জোনাকিরা বসে আর থেকো না
মেঘ তুমি জোছনাকে ঢেকো না
চেয়ে দেখ পুরবিরা ঐ দুলছে
সুরের মাধুরী যেন জ্বলছে

এই ক্ষণ জানি থেমে রবে না
সময় তো কার কথা কবে না
মনে রাখা কথা গুলো ভুলে যেয়ো না
ফাগুনের রং এ মিশে থাকো না

ব্যান্ড

চাঁদ সাজালো

চাঁদ সাজালো আলো রুপালি
ভ্রমরেরা গান করে রাত রুপালি
সুরে সুরে পাগল আমার ভুবন

গোলাপের পাপড়ি সব ঝরে যায়
জীবন ভরে থাকে হাসি কান্নায়
তেমনি ভাবে শরতের দিন কেঁদে যায়
তুমি আমি রব শুধু দুজনায়

দেবদারু ফেলেছে শুভ্র ছায়া
মহুয়া তার সাথে দিয়েছে সাড়া
বসন্ত ফুলে ফুলে নেচে গেয়ে যায়
তুমি আমি রব শুধু দুজনায়

ব্যান্ড

তাজমহল

আমি তো বলতে পারি
যদি হতামর সম্রাট শাহজাহান
মমতার স্মৃতি গড়তাম আমি
প্রেমেরই সমাধি তাজমহল

দুঃখ ভরা ক্লান্ত মানুষ
এতটূকু অশ্রু কোথাও নেই
ভেঙ্গে গেল কত যে সখিনার সংসার

আমি ত বলতে পারি
যদি হতাম পামির মালভুমি
আমারই বিশাল ছায়া তলে
আস্রিত জনতা ঢল সংগ্রামী

সুখের পাখিরা উড়ে গেছে
এত টূকু শান্তি চিন্হ নেই
খালি হল কত যে মায়ের সোনা কোল

আমি তো বলতে পারি যদি হতাম মহাকাশ বন্ধনী
আমারই বিশাল বন্ধনে
বিশসের যত যাবতীয় ধংশালী

আমি অতি সাধারণ
সংগ্রামী আমরণ
খেটে খাওয়া কোন জীবন
জানিনা বুঝিনা ছলনা

ব্যান্ড

হারানো দিন

হারানো চোখ হারানো মন
হারানো গান হারানো সুর
হারানো রাত হারানো ভোর
হারানো প্রেম হারানো স্রিতি
পুরানো মোম্ বাতি শুধু এক দীরঘ শাস
ঝড় হয়ে করে মাতামাতি

যেখানে ছিল জল ছিল নদী
সেখানে জাগে চর জাগে মরুভুমি
যেখানে ছিল ভালবাসা
শেখানে এখন শুধু ঘ্রিনা
জলসা ঘরে নিভে গেছে ঝাড়বাতি

জেখানে ছিল ঘাস মৌমাছি
শেখানে চৌচির হয়ে আছে মাটী
যেখানে ছিল ভালবাসা
শেখানে এখন শুধু ঘ্রিনা
জলসা ঘরে নিভে গেছে ঝাড়বাতি
নিরবাসনে চলে গেছে সব প্রজাপতি

ব্যান্ড

জাদু

শোন ও প্রিয়া
কত যতনে একেছি যে তমায়
আমার এই মনে
কি জাদু তমার প্রেমে
কি জাদু তমার চোখে

নিরবে এসে দিয়েছ দলা
ম্রিদু হাওয়ার মত আমার এই মনে
কি জাদু তমার প্রেমে
কি জাদু তমার চোখে

আমি তুমায় যে চাই
কাছে যেন পাই চিরদিন

তুমায় করেছি আপন
তুমি আমার ই জীবন
তুমি যে সকল আসার প্রেরনা
ভেঙ্গে দিও না এ মন
কেড়ে নিও না সপন
তুমি যে আমার শেষ ঠিকানা

ব্যান্ড

এক ঝাঁক প্রজাপতি

এক ঝাঁক প্রজাপতি ছিলাম আমরা
এক ঝাঁক বুনো পাখি ছিলাম আমরা
বাধনহারা পাগল্ পারা ছিলাম আমরা

আকাশে রদ ছিল ঝলমল
কন্ঠে গান ছিল এলোমেলো
খুশির মেলায় দিয়েছি সাড়া
নিয়েছি কাছে ডেকে বন্ধু যারা

দেয়াল ছিল না চলার পথে
হয়নি পরিচয় পাপ এর সাথে
আলোয় ছিল ভরা চোখের ই তারা
মুক্ত মনের বন্যা ধারা

ব্যান্ড

এত কষ্ট কেন ভালবাসায়

চারিদিকে উৎসব পরিপুর্ণ নিয়ন আলোয়
আমার এ পৃথিবী ঘিরে আসছে আঁধার কালোয়
সানাইয়ের সুর নিয়ে যাবে দুর একটু একটু করে
আজকে রাতে তুমি অন্যের হবে ভাবতেই জলে চোখ ভিজে যায়
এত কষ্ট কেন ভালবাসায় ।

বিশ্বাস যেখানে অবিশ্বাসের সুরে বেজে উঠেছে
থাকবে না আমার সে কথা বুঝতে যেন দেরি হয়েছে
মগ্ন ছিলাম তোমার ভালবাসার ইন্দ্রজালে
মানুষ আমি কেন তলিয়ে গেছি আমারই ভুলে

সানাইয়ের সুর নিয়ে যাবে দূর একটু একটু করে
আজকে রাতে তুমি অন্যের হবে ভাবতেই জলে চোখ ভিজে যায়
এত কষ্ট কেন ভালবাসায় ।

ব্যান্ড

স্বদেশ (আমায় ক্ষমা কর মাগো)

আমায় ক্ষমা কর মাগো
আমি চির অপরাধী
চাই যে ক্ষমা আমার অনুনয়

আমায় ক্ষমা কর মা গো
আমি জানি এ জীবনে
আর তো তোমার ক্ষমা পাবার নয়
ক্ষমা পাব কি জানি না

নয়টি মাসের যত বেদনা
সয়েছো আমার কারণে
জন্মে আমি ভুলেছি তোমায়।

আমি তোমার অবুঝ ছেলে মা
বুঝি নি অপার স্নেহে
নষ্ট আমি করেছি আমায়।

অন্ধ অতিত আধার পেরিয়ে
দাড়িয়ে এখন আমি হারিয়ে ফেলে ঠিকানা তোমার
চাই যে একাকি পথে তবুও তোমার করুনা
তুমি ছাড়া কে আছে আমার

এই দেশ আমার মাগো
আমি চির অপরাধী
চাই যে ক্ষমা আমার অনুনয়
ক্ষমা পাব কি জানি না

ব্যান্ড

দূরে বহু দূরে

দূরে বহু দূরে গাঙচিল
উড়ে উড়ে কাকে খুঁজে বেরায়?
অসীম শূন্যতায়
যেখানে আকাশ নীল…

আমিওতো ঘোলাটে চোখে
পারি দেই তাকে হৃদয় অতলে।।

ক্লান্তি নিয়ে বয়ে যায়
বিরহী প্রহর
হৃদয়ে অসুখ ভাঙ্গাবে
প্রতিটি ভোর

এতটা ভেবে উড়ে চলে যাই
সকলেরও দিন যদি খুঁজে পায়