ব্যান্ড

এমনও নিশিরাতে

এমনও নিশিরাতে…
ও তুমি এসেছো বসেছো মোর পাশে,
মন আমার আনচান আনচান করে
ও বন্ধু ঠিক আছে… ঠিক আছে… ঠিক আছে…।
এমনও নিশিরাতে…

দেখা হলো আবার বন্ধু এত দিনের পরে,
ঘন সবুজ রাতের অরন্যে,
আমার শূন্য ঘরে
জ্বালো আলো আরো জ্বালো,
আলোয় আলোয় ভরে তোলো
ও এমনও নিশিরাতে…।

একলা ঘরে এলে তুমি আদিম গ্রন্থ হাতে
শোনাও বন্ধু কাব্য তোমার এই রাতে
যুগ-যুনান্ত ধরে…
ও বন্ধু ঠিক আছে… ঠিক আছে… ঠিক আছে…
ও এমনও নিশিরাতে…

ও এমনও নিশিরাতে…
ও তুমি এসেছো বসেছো মোর পাশে,
মন আমার আনচান আনচান করে
ও বন্ধু ঠিক আছে… ঠিক আছে… ঠিক আছে…।
এমনও নিশিরাতে…
এমনও নিশিরাতে…।

ব্যান্ড

সুধাংশু

মনে পড়ে সুধাংশু,
সেই উনিশ পাঁচ দুই
মনে পড়ে সুধাংশু,
সেই উনিশ পাঁচ দুই
শ্লোগানে, মিছিলে এক সাথে ছিলাম,
সেই আমি আর তুই রে
সেই আমি আর তুই…
মনে পড়ে সুধাংশু,
সেই উনিশ পাঁচ দুই…

আমি ভুলি নাই… ভুলি নাই… ভুলি নাই তোরে…
আমি ভুলি নাই বাংলা মায়ের সাত কোটি সন্তানেরে
আমি ভুলি নাই রে……….
আমি ভুলি নাই রে…
ভুলি নাই তোরে…
মনে পড়ে সুধাংশু,
সেই উনিশ পাঁচ দুই…

ওরে একবার আসি একবার যাই
ওরে আমি একবার আসি একবার যাই….
যাইয়া দেখি বন্ধু তুই আজো ঘরে ফিরিস নাই
যাইয়া দেখি বন্ধু তুই আজো ফিরিস নাই….

মনে পড়ে বন্ধু,
মনে কি পড়ে তোর?
মনে পড়ে সুধাংশু,
সেই উনিশ সাত এক
দুজনার ছিলো কাধে কাধ,
আর হাতে ছিলো রাইফেল…..
সেই আমি আর তুই
সেই আমি আর তুই…
সেই আমি আর সেই তুই রে….
কাঁধে কাঁধ ছিল,
হাতে ছিল রাইফেল
সেই আমি আর তুই রে…
সেই আমি আর সেই তুই রে…
আমি ভুলি নাই… ভুলি নাই রে…
ভুলি নাই আমি বাংলা মায়ের সাত কোটি সন্তানেরে….
আমি ভুলি নাই রে….
আমি ভুলি নাই… ভুলি নাই… ভুলি নাই…
আমি ভুলি নাই তোরে….

ব্যান্ড

জাত যায়

বাজো বিদ্যুৎ তার
বাজো বিদ্যুতে
বাজে জঞ্জাল হয়ে
বাজো উদ্ভট সুরে
বাজো গোলমাল
বাজো বেসামাল
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।।
জাত যায় জাত যায় লোকে বলে।।
আমি বলি ঠিক আছে
ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর, ঠিক আছে, ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।

বিষাক্ত সুর তোলো সর্বনাশী
গলা ছাড়ো আবোল তাবোল
বাজাও ঢোলক কাঁপাও ভূলোক
জাগো বাঙালী
জাগাও বাঙালী
জাগো জাগো…. জাগো জাগো…
জাত যায় জাত যায় লোকে বলে…।।
আমি বলি ঠিক আছে
ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর, ঠিক আছে, ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।

হোক কোলাহল থাক পড়ে সব
ওরে ও ন্যাংটা ছেলের দল
পাগলা সুরের পাগলা হাওয়ায়
আরো ঘোলা হোক শান্ত নদীর জল
জাগো জাগো… জাগো জাগো…
জাত যায় জাত যায় লোকে বলে…।।
আমি বলি ঠিক আছে
ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর, ঠিক আছে, ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।

বাজো বিদ্যুৎ তার
বাজো বিদ্যুতে
বাজে জঞ্জাল হয়ে
বাজো উদ্ভট সুরে
বাজো গোলমাল
বাজো বেসামাল
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।।
জাত যায় জাত যায় লোকে বলে।।
আমি বলি ঠিক আছে
ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর, ঠিক আছে, ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।

জাত যায় জাত যায় লোকে বলে।।
আমি বলি ঠিক আছে
ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর, ঠিক আছে, ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।

জাত যায় জাত যায় লোকে বলে।।।।
আমি বলি ঠিক আছে
ঠিক আছে…।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর, ঠিক আছে, ঠিক আছে…।।।
করো তাল ভুল, তোলো ভুল সুর।
জাত যায় জাত যায় লোকে বলে।।

ব্যান্ড

কথা

কথা নয় মুখে মুখে
কথা হবে মনে মনে
কথা নয় মুখে মুখে
কথা হবে মনে মনে
দূরে কাছে…. যত বন্ধু আছে…
কথা আছে…
কথা আছে তোমার সনে…

কথা হবে পথে,
কথা হবে বিপথে,
কথা হবে নিরজনে।
কথা হবে পথে,
কথা হবে বিপথে,
কথা হবে…
ও নিরজনে…
দূরে কাছে… যত বন্ধু আছে…
কথা আছে…
কথা আছে তোমার সনে…

কথা হবে চোখে,
কথা হবে গোপনে,
কথা হবে প্রাণ খুলে।
কথা হবে চোখে,
কথা হবে গোপনে,
কথা হবে…
ও… প্রাণ খুলে।
দূরে কাছে… যত বন্ধু আছে….
কথা আছে…
কথা আছে তোমার সনে…

কথা নয় মুখে মুখে
কথা হবে মনে মনে
কথা নয় মুখে মুখে
কথা হবে মনে মনে
দূরে কাছে…. যত বন্ধু আছে…
কথা আছে…
কথা আছে তোমার সনে…
কথা আছে…
কথা আছে… তোমার সনে…
কথা আছে… কথা আছে…
কথা আছে তোমার সনে…
কথা আছে………….।

ব্যান্ড

শরাবে শরাব

ডুবে আছি বিষে,
ডুবে আছি পাপে,
ঐ আমার এক পা কার্নিশে
আরেক পা শূন্যে।
শরাবে শরাব…
ঘোরে ঘোর….
ঘোরে ঘোর…
তারপর ঘনঘোর…

মুঠো খুলে চেয়ে দেখি,
ওরে রেখায় রেখায় দুঃখ লেখা
মুঠো খুলে চেয়ে দেখি,
রেখায় রেখায় দুঃখ লেখা
বেদনার নদী বইছে আমার
বুকের ভেতর একা একা
শরাবে শরাব…
ঘোরে ঘোর….
ঘোরে ঘোর…
তারপর ঘনঘোর…

দুচোখ বুঝে আজও দেখি
চোখের পাতায় স্বপ্ন আঁকা
দুচোখ বুঝে আজও দেখি
ওরে চোখের পাতায় স্বপ্ন আঁকা
স্বপ্ন মুছে গেলে আমার
পৃথিবীটা ভীষন ফাঁকা
শরাবে শরাব…
ঘোরে ঘোর….
ঘোরে ঘোর…
তারপর ঘনঘোর…

ডুবে আছি বিষে,
ডুবে আছি পাপে,
ঐ আমার এক পা কার্নিশে
আরেক পা শূন্যে।
শরাবে শরাব…
ঘোরে ঘোর….
ঘোরে ঘোর…
তারপর ঘনঘোর…
শরাবে শরাব…
ঘোরে ঘোর….
ঘোরে ঘোর…
তারপর ঘনঘোর…
শরাবে শরাব…
ঘোরে ঘোর….
ঘোরে ঘোর…
তারপর ঘনঘোর…

ব্যান্ড

পাখি উড়ে যা

দিনের শেষে নীড়ের টানে
মন যদি কাঁদে
দিনের শেষে নীড়ের টানে
মন যদি কাঁদে
তবে খুলে দাও
খুলে দাও খাঁচা
তবে খুলে দাও
খুলে দাও খাঁচা
পাখি উড়ে যা যারে… পাখি উড়ে যা…।।

মুক্ত ডানায় যেখানে খুশি
যেতে যদি চাও
মুক্ত ডানায় যেখানে খুশি
যেতে যদি চাও
তবে খুলে দাও
খুলে দাও খাঁচা
পাখি উড়ে যা যারে… পাখি উড়ে যা…।।

গাছের শাখায়
পাতার ফাঁকে
কুহু কুহু সুরে
গান গেয়ে যাও
সীমানা ডিঙিয়ে আকাশে আকাশে
মেঘের দেশে
মেঘ ছুঁয়ে যাও… খুলে দাও….
খুলে দাও খাঁচা
তবে খুলে দাও
খুলে দাও খাঁচা
পাখি উড়ে যা যারে… পাখি উড়ে যা…।।।

মাঘের শেষে ফাগুন মাসে
প্রেম যদি চাও
প্রেমের বাতাসে
শিকারি শোন শিকার ভুলে
জীবন বাঁচাও
শুধু খুলে দাও… খুলে দাও…
খুলে দাও খাঁচা
তবে খুলে দাও
খুলে দাও খাঁচা
পাখি উড়ে যা যারে… পাখি উড়ে যা…।।

দিনের শেষে নীড়ের টানে
মন যদি কাঁদে
দিনের শেষে নীড়ের টানে
মন যদি কাঁদে
তবে খুলে দাও
খুলে দাও খাঁচা
তবে খুলে দাও
খুলে দাও খাঁচা
পাখি উড়ে যা যারে… পাখি উড়ে যা…।।।
যা যা পাখি উড়ে…
পাখি উড়ে যা…
যা যা পাখি উড়ে… উড়ে…
উড়ে উড়ে… দূরে দূরে…
উড়ে উড়ে… যা রে যা…
উড়ে… যা রে যা…।

ব্যান্ড

পত্র দিও

যেখানেই থাকো,
যেভাবেই থাকো,
যেখানেই থাকো,
যেভাবেই থাকো,
ছন্নছাড়া দুঃখের ভোরে
এক চিলতে রোদের ভিড়ে
পত্র দিও… পত্র দিও… পত্র দিও …
নিজের প্রতি যত্ন নিও… যত্ন নিও…

দুপুর বেলার আলসেমিতে
পুরনো দিনের ভাবনা এলে
তুখোড় কোন গল্পের ফাঁকে
মনে পরে গেলে এই আমাকে
ছন্নছাড়া দুঃখের ভোরে
এক চিলতে রোদের ভিড়ে
পত্র দিও… পত্র দিও… পত্র দিও…
নিজের প্রতি যত্ন নিও… যত্ন নিও…

বৃষ্টির রাতে একলা ঘরে
ভেজা হাওয়ার পরশ পেয়ে
ঘুম ভেঙ্গে উঠে উদাসী হলে
মনে পরে গেলে এই আমাকে
ছন্নছাড়া দুঃখের ভোরে
এক চিলতে রোদের ভিড়ে
পত্র দিও… পত্র দিও… পত্র দিও…
নিজের প্রতি যত্ন নিও… যত্ন নিও…

যেখানেই থাকো,
যেভাবেই থাকো,
যেখানেই থাকো,
যেভাবেই থাকো,
ছন্নছাড়া দুঃখের ভোরে
এক চিলতে রোদের ভিড়ে…
নিজের প্রতি যত্ন নিও………………….

ব্যান্ড

তুমি যদি নদী হও

তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর
তুমি যদি গতি হও
আমি হব অনন্ত পথ
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর
তুমি যদি গতি হও
আমি হব অনন্ত পথ
আমার চাতক চোখে তুমি হবে দূরের আকাশ।।
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর

তুমি লাজ রাঙ্গা গোধূলী হলে
আমি হব সন্ধ্যা কবি
আবীর রং এ রাখবো তুলে
তোমার লাজুক হাসি
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর

যদি তুমি সাগর নুড়ি হও
আমি হব ঝিনুক সৈকত
যদি তুমি রাতের আঁধার হও
আমি হব প্রভাত পাঞ্জেরী
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর

তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর
তুমি যদি গতি হও
আমি হব অনন্ত পথ
তুমি যদি নদী হও
আমি হব জেগে থাকা চর
তুমি যদি গতি হও
আমি হব অনন্ত পথ
আমার চাতক চোখে তুমি হবে দূরের আকাশ।।
তুমি যদি নদী হও আমি হব জেগে থাকা চর।।।।।।।।

ব্যান্ড

যদি কখনো ভুল হয়ে যায়

যদি কখনো ভুল হয়ে যায়,
তুমি অপরাধ নিওনা
যদি কখনো ভুল হয়ে যায়,
তুমি অপরাধ নিওনা
জানিনা কোনদিন ব্যথার প্রদীপ জ্বেলে
চেয়ে থাকা পথ শেষ হবে কিনা
যদি কখনো ভুল হয়ে যায়
তুমি অপরাধ নিওনা।

মুসাফির আমি খুঁজে খুঁজে ভুল পথে
যদি হাড়িয়ে যাই একদিন
হয়ত কখনো আর ফেরা হবেনা
অভিমানী পথ চেয়ে দিন গুন না।
যদি কখনো ভুল হয়ে যায়
তুমি অপরাধ নিওনা।

এই গান যদি সেই রাগীনিতে
সুর হয়ে বাজে তোমার কানে
যেনে নিও তুমি সেদিনের মত
আজো তোমাকে ভালবেসে ভাল আছি।
যদি কখনো ভুল হয়ে যায়
তুমি অপরাধ নিওনা।
যদি কখনো ভুল হয়ে যায়,
তুমি অপরাধ নিওনা
জানিনা কোনদিন ব্যথার প্রদীপ জ্বেলে
চেয়ে থাকা পথ শেষ হবে কিনা
যদি কখনো ভুল হয়ে যায় তুমি অপরাধ নিওনা।।
অপরাধ নিওনা।।।

ব্যান্ড

ঈশ্বর আছে

খেটে খাওয়া মজুরের ঘামে ভেজা ফসলে
ঈশ্বর আছে
খেটে খাওয়া মজুরের ঘামে ভেজা ফসলে
ঈশ্বর আছে
ঈশ্বর আছে দুঃখিনী মায়ের এক মুঠো সম্বলে।।
ঈশ্বর আছে…।।।।

সবহারা মানুষের বুকের মাঝে ঈশ্বর আছে
ঘর ছাড়া পথিকের অচেনা পথে ঈশ্বর আছে
ঈশ্বর আছে দুঃখিনী মায়ের এক মুঠো সম্বলে।।
ঈশ্বর আছে…।।।।

ঈশ্বর আছে ঈশানে, অগ্নীতে, নৈঋতে, বাতাসে
ঈশ্বর আছে বৈরাগী বৃক্ষের পাতাহীন শাখাতে
ঈশ্বর আছে দুঃখিনী মায়ের এক মুঠো সম্বলে।।
ঈশ্বর আছে…।।।।

খেটে খাওয়া মজুরের ঘামে ভেজা ফসলে
ঈশ্বর আছে
খেটে খাওয়া মজুরের ঘামে ভেজা ফসলে
ঈশ্বর আছে
ঈশ্বর আছে দুঃখিনী মায়ের এক মুঠো সম্বলে।।
ঈশ্বর আছে…।।।।

ব্যান্ড

সুস্মিতার সবুজ ওড়না

সুস্মিতার সবুজ ওড়না উড়ে যায়।।
উড়ে যায়।।
ছুঁয়ে যায় নিঝুম মফস্বলের সবুজ মাঠ,
ছুঁয়ে যায় দুখিনী মায়ের দুখিনী ললাট,
দূর আধারে দূর জঙ্গলে,
ঐ পাহারে, ঐ সাগরে
ছুঁয়ে ছুঁয়ে চলে যায়…

বাধাহীন উড়ে যায়,
নীল আকাশ ছুঁয়ে যায়,
রাতদিন উড়ে যায়,
কাজল দিঘি ছুঁয়ে যায়,
ছুঁয়ে যায় যমুনার বুকের মলাট,
ছুঁয়ে যায় আকাশের নীল সীমানা।

পথে পথে উড়ে যায়,
সাওতাল ছুয়ে যায়,
ছোট নদী বটগাছ,
সমতট ছুয়ে যায়,
ছুঁয়ে যায় পথিকের পায়ে হাটা পথ,
ছুঁয়ে যায় আমার বুকের জমাট।

সুস্মিতার সবুজ ওড়না উড়ে যায়।।
উড়ে যায়।।
ছুঁয়ে যায় নিঝুম মফস্বলের সবুজ মাঠ,
ছুঁয়ে যায় দুখিনী মায়ের দুখিনী ললাট,
দূর আধারে দূর জঙ্গলে,
ঐ পাহারে, ঐ সাগরে
উড়ে উড়ে চলে।।।।

ব্যান্ড

লাগ ভেলকি লাগ

লাগ ভেলকি লাগ, চোখে মুখে লাগ
দিল দিল দিল দরিয়ার বুকে বুকে লাগ
লাগ ভেলকি লাগ, চোখে মুখে লাগ
দিল দিল দিল দরিয়ার বুকে লাগ

দেখ খেলা দেখে যা
মন খুলে গেয়ে যা
দেখ খেলা দেখে যা
যা যা যা পাখি
ভাইঙ্গা যা খাঁচা
যা যা যা পাখি, যা যা…।

ছুঃ মন্তর ছুঃ দেখে যাও যাদু
দেখ দেখ জীবনের কত রঙ দেখে যাও
ছুঃ মন্তর ছুঃ দেখে যাও যাদু
দেখ দেখ দেখ জীবনের রঙ দেখে যাও
খুইলা যা… খুইলা যা
উড়াল দিয়া যা
খুইলা যা খুইলা যা
যা যা যা মনটা ছুটে যা ছুটে যা
যা যা যা মনটা যা যা…।

পোড় খাওয়া এই মনে
মেতেছি কত ঢঙে
পোড় খাওয়া
এই মনে
মেতেছি কত ঢঙে
শান্তির মাঝে তবু
আমি জ্বলন্ত নটরাজ
যৌবন জ্বলে যায়
যাক উড়ে যাক
যাক জ্বলে যাক
যাক উড়ে যাক… যা যা…।

লাগ ভেলকি লাগ, অন্তর খুইলা
পাপ যত আছে সব দূর হইয়া যাক
লাগ ভেলকি লাগ, অন্তর খুইলা
পাপ যত আছে সব দূর হইয়া যাক
পাপ ছেড়ে পথে আয়
পথে আয়… পথে আয়…
নেক দিলে চলে আয়
ভাইস্যা ভাইস্যা
নাইচ্যা নাইচ্যা
উড়াল দিয়া আয়…।

ব্যান্ড

সিনায় সিনায়

নিমন্ত্রণ রইল আমার বাড়ি,
নিমন্ত্রণ রইল সবার,
ফিরতি পথে এসো তুমি,
ঠিকানা আমার পথের ধূলি।
নিমন্ত্রণ রইল আমার বাড়ি,
নিমন্ত্রণ রইল সবার,
রোদের ভিতর রোঁদ হয়ে
ওম দেব তোর বুকের ভিটায়।
সিনায় সিনায় লাগে টান, সিনায় সিনায়।।

এসো চোরা পথ ধরে
এসো চোরা ময়দানে,
এসো জোছনা ধোয়া দীঘির জলে,
এসো চোরা পথ ধরে
এসো চোরা ময়দানে,
এসো জোছনা ধোয়া দীঘির জলে,
মুক্তির স্নান শেষে।
সিনায় সিনায় লাগে টান, সিনায় সিনায়।।

এসো বুকের গহীনে,
বাড়ীর শিথানে,
এসো পথভোলা সেই নদীর কিনারে…
এসো বুকের গহীনে,
বাড়ীর শিথানে,
এসো পথভোলা সেই নদীর কিনারে…
মুক্তির স্নান শেষে।
সিনায় সিনায় লাগে টান, সিনায় সিনায়।।

নিমন্ত্রণ রইল আমার বাড়ি,
নিমন্ত্রণ রইল সবার,
ফিরতি পথে এসো তুমি,
ঠিকানা আমার পথের ধূলি।
নিমন্ত্রণ রইল আমার বাড়ি,
নিমন্ত্রণ রইল সবার,
রোদের ভিতর রোঁদ হয়ে
ওম দেব তোর বুকের ভিটায়।
সিনায় সিনায় লাগে টান, সিনায় সিনায়।।।।।।।

ব্যান্ড

খুলে দেখ মনটা

খুলে দেখ মনটা
জন প্রতি জনটা
যারে ছুটে যা পথে ঘাটে
কাছে দূরে দিনটা
চলে যাবে প্রানটা
যারে নেমে যা নিশিরাতে
বুকের পেন্ডেলে হ্যাজাক বাতি
যৌবন আজ জ্বলছে
মঞ্চে আলোর পাগলা নাচন
দুলছে ভূবন, দুলছে দুলছে।
অন্তরে, পথে ঘাটে, প্রান্তরে নিশিরাতে চল সবে প্রেম ধরে আনি।

নয়ন গেলো রুপের পানে,
প্রানযে গেলো মনের টানে
হাত বাধিবে,
পা বাধিবে তোর
মন বাধিবে কে রে আপন মনে
বুকের প্যান্ডেলে হ্যাজাক বাতি…
যৌবন আজ জ্বলছে….
মঞ্চে আলোর পাগলা নাচন দুলছে ভূবন
দুলছে দুলছে!!!!
অন্তরে, পথে ঘাটে, প্রান্তরে নিশিরাতে চল সবে প্রেম ধরে আনি

সঙ্গী-সাথী যাক দূরে চলে যাক
কলঙ্ক ভয় নিসনা মনে
বিনামূল্যে বিকিয়ে দে রে
সদাই দূরের দূর টানে

বুকের পেন্ডেলে হ্যাজাক বাতি
যৌবন আজ জ্বলছে
মঞ্চে আলোর পাগলা নাচন
দুলছে ভূবন, দুলছে দুলছে।
অন্তরে, পথে ঘাটে, প্রান্তরে নিশিরাতে চল সবে প্রেম ধরে আনি।

খুলে দেখ মনটা
জন প্রতি জনটা
যারে ছুটে যা পথে ঘাটে
কাছে দূরে দিনটা
চলে যাবে প্রানটা
যারে নেমে যা নিশিরাতে
বুকের পেন্ডেলে হ্যাজাক বাতি
যৌবন আজ জ্বলছে
মঞ্চে আলোর পাগলা নাচন
দুলছে ভূবন, দুলছে দুলছে।
অন্তরে, পথে ঘাটে, প্রান্তরে নিশিরাতে চল সবে প্রেম ধরে আনি।।।।
অন্তরে…
পথে ঘাটে…
প্রান্তরে…
নিশিরাতে….
চল সবে প্রেম ধরে আনি….

ব্যান্ড

দে দৌড়

চলছে জীবনরথ
যত মত তত পথ
কার আগে কি পবো কি হারাবো
দে দৌড়!

উত্তরে যেতে মানা
দক্ষিণে আনাগোনা
পূর্বের হাতে লাঠি
পশ্চিমে দে দৌড়!

ছোটাও রেসের ঘোড়া
হারজিৎ পরে হবে
ও দেখ জগৎ জোড়া ময়দান আছে
দে দৌড়!!
নেই ভয় নেই লাজ
এসো তবে হয়ে যাক
এগিয়ে চলার
দে দৌড়!!!

কানে কানে বলি শোন
এ যে মিনি ম্যারাথন
গতি আছে যতক্ষন
দে দৌড়!!!
আঁকাবাঁকা সোজা পথে
দলবলে যেতে যেতে
ফিরে আসা নেই তাই
দে দৌড়!

চলছে জীবনরথ
যত মত তত পথ
কার আগে কি পবো কি হারাবো
দে দৌড়!

উত্তরে যেতে মানা
দক্ষিণে আনাগোনা
পূর্বের হাতে লাঠি
পশ্চিমে দে দৌড়!
দে দৌড়!!!!!!!