ছায়াছবি

খেলবো হোলি রঙ দেব না

খেলবো হোলি রঙ দেব না।
তাই কখনো হয়?
খেলবো হোলি রঙ দেব না
তাই কখনো হয়
এসো এসো বাইরে এসো এসো গো
এসো এসো বাইরে এসো
ভয় পেয়োনা ভয়
এসেছে হোলি এসেছে।।

খেলবো হোলি রঙ দেব না
তাই কখনো হয়?।

খেলবো হোলি রঙ দেব না
তাই কখনো হয়
এসো এসো বাইরে এসো এসো গো
এসো এসো বাইরে এসো
ভয় পেয়োনা ভয়
এসেছে হোলি এসেছে।।

(ও ও ও)লালে লালে অাবীর লালে
আকাশ হল লাল।

(ও ও)বৃন্দাবনে হোলী খেলে
নন্দের দুলাল।

শোন শোন গাইছে সবাই শোন গো
শোন শোন গাইছে সবাই
ফাগুনেরি জয়
এসেছে হোলী এসেছ।।

(ও ও)লুকোচুরি চলবে নাতো
আজকে হোলীর দিনে।

(ও)রঙ খেলা কি জমে বল,
আপন মানুষ বিনে?।

ছাড়বো নাতো আজকে তোমায়
ছাড়বো না,ছাড়বো নাতো
আজকে তোমায়,নয় কিছুতে নয়
এসেছে হোলি এসেছে।।

খেলবো হোলি রঙ দেব না
তাই কখনো হয়?।

এসো এসো বাইরে এসো এসো গো
এসো এসো বাইরে এসো
ভয় পেয়োনা ভয়
এসেছে হোলি এসেছে।।

জীবনমুখী গান

ধান্দাবাজের ধোঁকায় পড়ে

ধান্ধাবাজের ধোঁকায় পড়ে।
আন্দাজে করলে সাধন,
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।

(তুমি)কোন রূপেতে পাবে তারে।
নিরাকার সাঁই নিরাঞ্জণ
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন।।

যদি মক্কায় যেয়ে খোদা মিলতো,
শিব মিলতো কাশীতে,
বৃন্দাবনে কৃষ্ণ মিলতো,
কেউ আসতো না দেশেতে রে,
কেউ আসতো না দেশেতে।

(শুনেছি)জাহেরে বাতনে মওলা,
ভক্ত নিয়ে করে খেলা।

কোন রূপে তার নিত্য লীলা,
কে পেল তার দরশন?
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।

যদি ভোগ দিলে ভগবান মিলতো,
খোদা মিলতো শিন্নিতে,
বড় করে ভোগ লাগাইয়ে,
বাদশাহায় পারতো কিনিতে রে,
বাদশাহায় পারতো কিনিতে।

(সে যে)কোন মোকামে থাকে বদ্ধ,
কি ধন দিলে হয় রে বাধ্য।

যে বস্তু তার প্রিয় খাদ্য,
করছো নি তার আয়োজন।
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।

আবার মন্ডপেতে মূর্তি গড়ে,
ধ্যান করো মনে-মনে,
আসমানেতে হাত তুলিয়া,
সেজদা করো জমিনে রে,
সেজদা করো জমিনে।

(তুমি)দেখ নাই যার মূরতি,
তার সনে কি হয় পীড়িতি।

এই বল্লভের পাগলা গীতি,
বুঝবে শুধু পাগল জন।
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন?।।

কোন রূপেতে পাবে তারে।
নিরাকার সাঁই নিরাঞ্জণ
কোন সাধনে মিলবে রে
সেই পরম ধন।।

ভক্তিমূলক গান

ছি ছি আমরা লাজে মরে যাই

(রঙের রঙিন হইল মধুর বৃন্দাবন
লুকালো করে কালা কালার মোহন।।)
রঙের মাঝারে লুকাবো বধুঁয়ারে
আমরা হোলীরও আনন্দে রহিনু মগন
(লুকানো করে কালা কালার মোহন
রঙে রঙিন হইল মধুর বৃন্দাবন
লুকালো করে কালা কালার মোহন)
(সেই মধুর বৃন্দাবনে হোলী খেলায় রাই, কিশোরীর কাছে কৃষ্ণ হেরে যাওয়ার পর সখিরা বললেন)
হেদে হে শ্যাম,
নাগর হয়ে হারিলে হে
আ ছি: ছি: পুরুষ হয়ে,
নারীর সনে হারিলে হে
ছি: ছি: আমরা লাজে মরে যাই
(ছি: ছি: ছি: আমরা লাজে মরে যাই)
গোয়ালিনীর সনে,হেরে গেলে কানাই
(ছি: ছি: ছি: ছি:আমরা লাজে মরে যাই-২)
ললিতা ললিত হাসি,
প্রহেলিকা গায় গায় গায়
ললিতা ললিত হাসি
ওগো সাধুয়া নাগর
একবার খেলবে নাকি
(সাধুয়া নাগর খেলাবে নাকি)
একবার হেরেছ তাতে কি হয়েছে
(হারুয়া নাগর খেলাবে নাকি)
না হয় এইবার তোমায়
ঠিক জিতায়ে দেব
(হারুয়া নাগর খেলাবে নাকি)
ওহে হারুয়া নাগর খেলাবে নাকি
(হারুয়া নাগর খেলাবে নাকি)
চপলা চপল দীঠে সুধামুখী চায়
ছুঁয়া চন্দন গৌরি দেয় শ্যামরাই(তখন)(২)
শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি
(শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি)
শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি
(শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি)
ও ও হো হো রঙে হরি,
শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি
(শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি)(২)
বলি হারুয়া সামাল বনে,
গোপী সনে ফাগ কানাই
(শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি)(২)
আহা: শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি
(শ্যাম অঙ্গে দাঁড়ি দাঁড়ি)
জ্ঞানদাস গোবিন্দর শরমে লুটায়(২)
রাধে গোবিন্দ(রাধে গোবিন্দ)
প্রেমানন্দে বল জয় জয়
রাধে গোবিন্দ(রাধে গোবিন্দ)
ঐ মধুমাখা কৃষ্ণ নাম
রাধে গোবিন্দ(রাধে গোবিন্দ)
জয় জয় রাধে গোবিন্দ(রাধে গোবিন্দ)
রাধে গোবিন্দ,রাধে গোবিন্দ
(রাধে গোবিন্দ,রাধে গোবিন্দ)
রাধে গোবিন্দ,রাধে গোবিন্দ
হরিবল,হরিবল,হরিবল,হরিবল,হরিবল
হরিবল,হরিবল,হরিবল,হরিবল,হরিবল

ছায়াছবি

তুমি আছো বলে তারা নেভে জ্বলে

‘তুমি আছো বলে,
তারা নেভে জ্বলে(২)
সাগরেতে নদী খোঁজে মোহনা
তুমি আছো বলে বাঁচি,
পৃথিবীতে আমি আছি,
তুমি অন্য কারো হতে পারো না
আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো জানো না
যখন তোমাকে পাবো না’(২)
চোখে চোখ পড়লেই চোখ সরেনা
এত দেখি তবু মন ভরেনা(২)
মায়া মায়া তোমার হাসি
কথা যেন মধুর বাঁশি
আমি পাইনা খুঁজে তোমার তুলনা
আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো জানো না
যখন তোমাকে পাবো না’(২)
ভালোবাসা ছাড়া বল কে বাঁচে
থাক তুমি থাক প্রাণের কাছে(২)
তুমি আমার ভালোবাসা
তুমি আমার আলো আশা
তুমি আমার সে কথাটি মানোনা
যখন তোমাকে পাবোনা
‘তুমি আছো বলে,
তারা নেভে জ্বলে(২)
সাগরেতে নদী খোঁজে মোহনা
তুমি আছো বলে বাঁচি,
পৃথিবীতে আমি আছি,
তুমি অন্য কারো হতে পারো না
আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো জানো না
যখন তোমাকে পাবো না’(২)

ছায়াছবি

কখনো দেখিনি আমি কখনো আঁকিনি আমি

ও ও ও ও আ আ আ আ

কখনো দেখিনি আমি
কখনো আঁকিনি আমি
এমন রূপসী কোন ছবি
শিল্পী ছিলাম তোমাকে দেখে
হয়ে গেছি আমি কবি।।

অপ্সরা নই আমি নই উর্বশী
রূপসী বলনা বারে বার
ভালোবাসা ভরা আছে
তুমি ছাড়া কাউকে যে
সুন্দর দেখি নাতো আর
সুন্দর চোখে দেখছ বলেই
সুন্দর লাগে যে সবই।।

এত ভালোবাসা দিয়ে বিনিময়ে তা
জানিনা কি দেব তোমায়?
মন ছাড়া আর কিছু চাইনা আমি
মন শুধু দিওগো আমায়
মন শুধু নাও নাও এ জীবন
নাও তুমি আছে যা সবি
দেখিনি দেখিনি আমি
এমনি প্রেমিক তুমি
কাছে তুলে নাও হীরা ভেবে
ও শিল্পী ছিলাম তোমাকে ভেবে
হয়ে গেছি আমি কবি
দেখিনি দেখিনি আমি
এমনি প্রেমিক তুমি
কাছে তুলে নাও হীরা ভেবে
ও ও শিল্পী ছিলাম তোমাকে দেখে
হয়ে গেছি আমি কবি।
উ উ উ উ উ উ

ভক্তিমূলক গান

যমুনে এই কি তুমি সেই যমুনে

যমুনে এই কি তুমি
সেই যমুনা প্রবাহিনী
ও যার বিমল তটে,রুপের হাটে
বিকাত নীলকান্ত মণি।

কোথা সে ব্রজের শোভা
গোলোক হত মনোলোভা
কোথা শ্রীদাম বলরাম সুবল সুদাম
কোথা সে সুনীল তনু,ধেনু,বেনু
মা যশোদা রোহিনী।

কোথা নন্দ উপানন্দ
মা যশোদার প্রাণ গোবিন্দ
ধড়া চূড়া পরা কোথা ননী চোরা
কোথা সে বসন চুরি
ব্রজ নারীর পূঁজিতা মা কাত্যায়নী।

কোথা চারু চন্দ্রাবলী,
কোথা বা সে জলকেলি
কোথা ললিতা সখী সুহাসিনী
কোথা সে বংশীধারী রাসবিহারী
বামেতে রাই বিনোদিনী।

কোথা সে নূপুর ধ্বনি,
না বাজে কিঙ্কিনী
মধুর হাসি মধুর বাঁশি
আর নাহি শুনি
ও যার মোহন সুরে উজান ভরে
বইতে তুমি আপনি।

তোমারি তটে তটে
তোমারি ঘাটে ঘাটে
তোমারি সন্নিকটে কই সে ধ্বনি
ও যার মানের লাগি মোহন চূড়া লুটাইত ধরণী।

দেখাইয়া দাও আমারে
যমুনে সেই বামারে
অনাথের নাথ
হৃদি মাঝারে পা দু’খানি
পরিব্রাজক বলে চরণ তলে
লুটাই শির দিন যামিনি।।

ভক্তিমূলক গান

এখনও সেই বৃন্দাবনে বাঁশি বাজেরে

এখনও সেই বৃন্দাবনে
বাঁশি বাজেরে
কালার বাঁশি শুনে
বনে বনে ময়ূর নাচেরে।

এখনও সেই রাধারানী
বাঁশির সুরে পাগলিনী
অষ্টসখী শিরমনি
নবসাজেরে।

এখনও সেই গাভীগুলি
গোচরণে ছড়ায় ধূলি
সখার সনে কোলাকুলি
রাখাল রাজেরে

এখনও সেই নীল যমুনায়
জল আনিতে যায় ললনা
কদমতলে সেই ছলনায়
কৃষ্ণ আসেরে।

এখনও সেই ব্রজবালা
বাঁশি শুনে হয় উতলা
গাঁথে বন ফুলের মালা
বনমাঝেরে।

আশা ছিল মনে মনে
যাবো আমি বৃন্দাবনে
ভবাপাগলা রয় বাঁধনে
মায়ার বাঁধনে।।

ছায়াছবি

তুমি যেমনই নুপূর হও

তুমি যেমনই নুপূর হও
বাঁশি ডাকলে তোমায়
বাজতেই হবে
ও মনে রেখ
হও যত না দূরেরই মেঘ
মাটি ডাকলে তোমায়
ঝরতেই হবে
ও জেনে রেখ।।

তুমি মাটির ঘরেই থেকে
যদি মাটির প্রদীপই হও,
হও ময়ূর মহল জুড়ে
যদি ঝাড় বাতি হয়ে রও।

তবু ছড়াতে গেলে এই আলো-
কোন আগুনে তোমায়
পুড়তেই হবে
ও মনে রেখ।।

হও যতই না দূরের মেঘ
মাটি ডাকলে তোমায়
ঝরতে হবে
ও জেনে রেখ ও ও

যত সহজে সরলভাবে
তুমি যত সাধারণই হও,
হও অপরূপে রূপে তুমি
যদি প্রতিমা হয়েই রও।

তবু ভাল যে বাসতে গেলে
কোন ব্যথায় তোমায়
কাঁদতেই হবে
ও মনে রেখ।।

হও যতনা দূরেরই মেঘ
মাটি ডাকলে তোমায় ঝরতেই হবে
ও জেনে রেখ ও।।

ভক্তিমূলক গান

মন চল নিজ নিকেতনে

মন চলো নিজ নিকেতনে
সংসার বিদেশে বিদেশীর বেশে
ভ্রম কেন অকারণে
মন চলো নিজ নিকেতনে।

বিষয়-পঞ্চক আর ভূতগণ
সব তোর পর কেহ নয় আপন
পরপ্রেমে কেন হয়ে অচেতন
ভুলিছ আপনজনে
মন চলো নিজ নিকেতনে।

সত্যপথে মন কর আরোহণ,
প্রেমের আলো জ্বালি চল অনুক্ষণ
সঙ্গেতে সম্বল রাখো পূণ্যধন
গোপনে অতি যতনে

লোভ-মোহাদি পথে দস্যুগণ,
পথিকের করে সর্বস্ব সমশন
পরম যতনে রাখোরে প্রহরী
শম,দম দুইজনে
মন চলো নিজ নিকেতনে।

সাধুসঙ্গ নামে আছে পান্থধাম,
শ্রান্ত হলে তথায় করিবে বিশ্রাম
পথভ্রান্ত হলে শুধাইবে পথ সে
পান্থনিবাসী গণে।

যদি দেখ পথে ভয়েরই আকার
প্রাণপণে দিও দোহাই রাজার
সে পথে রাজার প্রবল প্রতাপ,
শমণ ডরে যার শাসনে।
মন চলো নিজ নিকেতনে।
সংসার বিদেশে বিদেশীর বেশে
ভ্রম কেন অকারণে।

ছায়াছবি

চরণধূলি ছাড়া চাইনা কিছু আমি

চরণধূলি ছাড়া
চাইনা কিছু আমি
থেকো মোর হৃদয়েতে
প্রভু সদা তুমি, প্রভু সদা তুমি।।

যেদিকে তাকাই দেখি
তোমার করুণা রাশি
স্বপনে শুনি শুধু
তোমার গহন বাঁশি
শ্যাম ঘনশ্যাম
ও শ্যাম ঘনশ্যাম
সকল কাজের মাঝে
তোমাকে যে নমি:
থেকো মোর হৃদয়েতে
প্রভু সদা তুমি

করুণা সাগর তুমি
ওগো করুনাময়
তোমার কৃপা শুধু
চাই যে কৃপাময়
শ্যাম ঘনশ্যাম
ওগো শ্যাম,ঘনশ্যাম
অগতির গতি
তুমি অন্তর্যামী
থেকো মোর হৃদয়েতে
প্রভু সদা তুমি।।

আধুনিক

ও ডাক্তার

ও ডাক্তার ও ডাক্তার।
তুমি কত শত পাস করে
এসেছ বিলেত ঘুরে
মানুষের যন্ত্রনা ভোলাতে।।

তোমার MBBS নামা
FRCS বোধ হয়
A to Z ডিগ্রী ঝোলাতে।।

ডাক্তার মানে সেতো, মানুষ নয়
আমাদের চোখে সেতো ভগবান;
কসাই আর ডাক্তার
একিতো নয়-
কিন্তু দুটোই আজ,প্রোফেশন
কসাই জবাই করে
প্রকাশ্য দিবালোকে;
তোমার আছে-
ক্লিনিক আর চেম্বার।।

ডাক্তার চাইবেন, রক্ত রিপোর্ট
ক্লিনিকের সন্ধানও
তিনিই দেবেন
একশত টাকা যদি
ক্লিনিকের বিল হয়,
অর্ধেক দালালী তিনিই নিবেন।

রোগীরা তো রোগী নয়
খদ্দের এখন;
খদ্দের পাঠালে কমিশন
ক্লিনিক আর ডাক্তার
কি টুপি পড়াচ্ছে
বুঝছেনা গর্দভ জনগন
কসাই জবাই করে
প্রকাশ্য দিবালোকে
ওদের আছে-
ক্লিনিক আর চেম্বার।।

নিজেদের ডাক্তার,বল কেন?
তার চেয়ে বলনাকো ব্লাকমেলার
রোগীর আত্মীয়দের-
ঘটিবাটি চাটি করে;
করো সুযোগের সদ্ব্যবহার।
সরকারী হাসপাতালের পরিবেশ,
আসলেই তোমরা করেছ শেষ।
হাসপাতাল না থাকলেই জনগন,
নার্সিংহোমে যাবে অবশেষ
সেখানে জবাই হবে,
উপরি কামাই হবে!
মানুষের সেবার কি দরকার।।

বাঁচানোর ক্ষমতাতো,তোমার হাতে
তুমি যদি মার,তবে কোথা যাই?
অসহায় মানুষের,তুমিইতো সবকিছু
করজোড়ে নিবেদন,করছি তাই
তোমার গৃহিনী যে গয়না পড়েন,
দেখেছ কি তাতো কত রক্ত?
তোমার ছেলের চোঁখে দেখেছ কি?
কতো ঘৃনা জমা অব্যক্ত !
তোমরা অসুখ হবে
তোমারি দেখানো পথে।।

ছায়াছবি

সাগরের ঢেউ বলে তীর পেয়েছি

সাগরের ঢেউ বলে তীর পেয়েছি
আকাশের পাখি বলে নীড় পেয়েছি
এই মন বলে-
আমি সুখী হয়েছি সুখী হয়েছি।।

একদিন দুটি চোখে স্বপ্ন ছিল
তোমাকে পেয়ে তা সত্যি হল
একদিন এ জীবনে আশা ছিল
তোমাকে পেয়ে তা পূর্ণ হল
আর কোন বাঁধা নেই
আর কোন জবাব নেই
সবি যেন পেয়ে গেছি।

আ আ আ আ ও ও ও ও
জীবনের যে এত সুখ
জানা ছিলনা;
মরণেও তুমি মোরে
ছেড়ে যেওনা
ও ও বন্ধন খুলে কভু যেওনাকো
চিরদিন আমাকে বুকে রেখো
আর কথা বলা নেই
আর পথে চলা নেই
ঠিকানা যে খুঁজে পেয়েছি।