নজরুল গীতি

প্রজাপতি! প্রজাপতি!

প্রজাপতি! প্রজাপতি! (২)
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা, (২) (।।)

টুকটুকে লাল–নীল ঝিলিমিলি আঁকা–বাঁকা।। (কোথায়..) (স্থায়ী)

তুমি টুলটুলে বন-ফুলে মধু খাও
মোর বন্ধু হয়ে সেই মধু দাও (মধু দাও) (।।)
ওই পাখা দাও সোনালী –রূপালী পরাগ মাখা।। (কোথায়…) (স্থায়ী)

মোর মন যেতে চায় না পাঠশালাতে
প্রজাপতি! তুমি নিয়ে যাও সাথী ক’রে তোমার সাথে। (প্রজাপতি) (-।।)
তুমি হাওয়ায় নেচে নেচে যাও
আজ তোমার মত মোরে আনন্দ দাও (-।।)
এই জামা ভাল লাগে না, (।।) দাও জামা ছবি–আঁকা।। (কোথায়…) (স্থায়ী)

বাউল

যারে ঘর দিলা সংসার দিলা রে, তারে বৈরাগী মন কেন দিলা রে

যারে ঘর দিলা সংসার দিলা রে।।
তারে বৈরাগী মন কেন দিলা রে।।

যে অন্তরে ভালোবাসা স্বপন জীবন ভর
সে অন্তরে কত জ্বালা কত ঘৃণা পর।।
যারে নয়ন দিলা…….
যারে নয়ন দিলা আলো দেখিতে।।
গুরু, আঁধার জীবন কেন দাও তারে।।

নিজের হাতে নিজের মতে গড়ো এ ভূবন
সে ভূবনে ওলট পালট হয় কেন এমন ?
যারে জীবন দিলা …….
যারে জীবন দিলা জীবন গড়িতে।।
তারে, মরার আগে মারো কেন রে।।

কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু; সুরঃ আলী আকবর রুপু; অ্যালবামঃ শিকারী; বছরঃ ১৯৯৬

ছড়াগান

লালঝুটি কাকাতুয়া ধরেছে যে বায়না

লালঝুটি কাকাতুয়া ধরেছে যে বায়না
চাই তার লাল ফিতে চিরুণী আর আয়না।।

ঝেল বড় লাল পেড়ে টিয়া রঙ শাড়ি চাই
মন যে ভরা রাগ নিয়ে হলো মুখ ভাড়ি তাই
বাটা ভরা পান দেবো… চাই না

ছোট থেকে কোনো দিন বড় যদি হতে চাও
ভালো করে মন দিয়ে পড়াশুনা করে যাও
দুষ্টুমি করে যে কেউ তারে চায় না

(লেখা প্রক্রিয়াধীন ভুল থাকলে কমেন্ট করুণ)

আধুনিক

তোমায় দিলাম ভূবন ডাঙার হাসি

সোনার মেয়ে, তোমায় দিলাম ভূবন ডাঙার হাসি।।
তোমায় দিলাম মধ্য দিনের টিনের চালের বৃষ্টি রাশি
আরো দিলাম রোদ্র ধোয়া সবুজ ছোঁয়া পাতার বাশি
মুখে বললাম না বললাম না যে ভালোবাসি
তোমাকেই, তোমায় দিলাম ভূবন ডাঙার হাসি।।

তোমাকেই, তোমায় দিলাম ভূবন ডাঙার হাসি।।
তোমায় দিলাম মধ্য দিনের টিনের চালের বৃষ্টি রাশি
আরো দিলাম রোদ্র ধোয়া সবুজ ছোঁয়া পাতার বাশি
মুখে বললাম না বললাম না যে ভালোবাসি
তোমাকেই, তোমায় দিলাম ভূবন ডাঙার হাসি।।

হারাবো হৃদয় টানে, ভালোবাসার ইকটু মানে
ইচ্ছে করছি দু’জন মিলেই খুঁজি
আবেগী মেঘের ভেতর পৃথিবীর সব আলো
তুমি হবে আমার ভেবে দু’চোখ বুজি
প্রজাপতী হৃদয়টায়ে আমাতে নেই
এযে কি হলো আমার কোথায় আমি ভাসি?

তোমাকেই, তোমায় দিলাম ভূবন ডাঙার হাসি।।
তোমায় দিলাম মধ্য দিনের টিনের চালের বৃষ্টি রাশি
আরো দিলাম রোদ্র ধোয়া সবুজ ছোঁয়া পাতার বাশি
মুখে বললাম না বললাম না যে ভালোবাসি
তোমাকেই, তোমায় দিলাম ভূবন ডাঙার হাসি।।

আধুনিক

নিশীরাতে আঁধারেতে বাঁশি বাজায় কে?

শিল্পীঃ শুভমিতা

নিশীরাতে আঁধারেতে বাঁশি বাজায় কে?।।
স্বপ্নে রাব ছায়া তেপান্তর সবুজে সাজায়ে কে?
স্মৃতীর বাস ছিল দেশান্তর, স্বদেশে ফেরায়ে কে?
হারানো দু’কূলে, সঠিকে বা ভুলে, দু’হাত বাড়ায় কে?
নিশীরাতে আঁধারেতে বাঁশি বাজায় কে?।।

সে বাঁশির সুরে কি বিষ, না না কেউ জানে না।
অবিরাম ডেকে যায়, না না মন মানে না।
লোক লাজ ভাসে আজ কোন উজানে জানে কে।।
স্বপ্নে রাব ছায়া তেপান্তর সবুজে সাজায় কে?
স্মৃতীর বাস ছিল দেশান্তর, স্বদেশে ফেরায়ে কে?
হারানো দু’কূলে, সঠিকে বা ভুলে, দু’হাত বাড়ায় কে?
নিশীরাতে আঁধারেতে বাঁশি বাজায় কে?।।

আকাশে হাজার তারা দিশেহারা ইমনে
ইমন কি করে জানি, না এ মনের সব জানে
সাত সুরের তেপান্তরে, ডাকে যে আমায় কে।।
স্বপ্নে রাব ছায়া তেপান্তর সবুজে সাজায়ে কে?
স্মৃতীর বাস ছিল দেশান্তর, স্বদেশে ফেরায়ে কে?
হারানো দু’কূলে, সঠিকে বা ভুলে, দু’হাত বাড়ায় কে?
নিশীরাতে আঁধারেতে বাঁশি বাজায় কে?।।

আধুনিক

এই জাদুটা যদি সত্যি হয়ে যেত

শিল্পীঃ সামিনা চৌধুরী

এই জাদুটা যদি সত্যি হয়ে যেত
তাহলে আমি তা শিখে নিতাম
প্রথমে আমি তাকেই জাদু করতাম।

কামনার আঁখিতে আমাকে বেঁধে সে ধরা দেয় না
হৃদয়ে ঝড় তুলে ভালোবাসিবাসি বলে ভালোবাসে না
যদি পারতাম আমি জীবনের সবটুকু দিয়ে
তবে ভেল্কিতে তার দৃষ্টিপাখিটা ধরতাম।

ছলনার বাঁশিতে আমাকে ডেকে সে দূরে সরে যায়
ভাবনায় বিষ ঢেলে ছলেবলে কৌশলে পালিয়ে বেড়ায়
যদি জানতাম সম্মোহনের মন্ত্রটা
তবে মন্ত্র দিয়েই মনপিঞ্জরে ভরতাম।

আধুনিক

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে মনে পড়লো তোমায়

শিল্পী: নিয়াজ মুহাম্মদ চৌধুরী
সুর: লাকী আকন্দ
কথা: কাওসার আহমেদ চৌধুরী

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে মনে পড়লো তোমায়
অশ্রু ভরা দুটি চোখ
তুমি ব্যাথার কাজল মেখে লুখিয়েছিলে ওই মুখ।

বেদনাকে সাথী করে পাখা মেলে দিয়েছ তুমি
কতদুরে যাবে বল (২)
তোমার পথের সাথী হব আমি

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে মনে পড়লো তোমায়।

একাকিনী আছ বসে পথ ভুলে গিয়েছ তুমি
কোন দূরে যাবে বল (২)
তোমার চলার সাথী হব আমি।

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে মনে পড়লো তোমায়
অশ্রু ভরা দুটি চোখ
তুমি ব্যাথার কাজল মেখে লুখিয়েছিলে ওই মুখ।

বিবিধ

আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার

আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার
মেরি চাহাতে তো ফিজা মেবহেঙ্গে
জিন্দা রেহেঙ্গে হোকে ফানা
তানা নানা তুং, তানা নানা তুং, তানা নানা তুং
তানাদেরে তানাদেরে দেরে নাঃ
আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার

সাথীরে সাথীরে মারতেভি তুঝকো চাহেগা দিল
তুঝেহি বেয়চেনিও মে আয়েগা দিল।।
মেরি গে ছুওকি ছাহেমে, তেরি রাহাতোকে খুশবুহে
তেরে বাগার কেয়া জিনা, মেরে রোম রোম মে তুহে
মেরি চোড়িওকি খান খানছে, মেরি ছাদায়ে আতিহে
ইয়ে দূরিয়া হামেসাহি, নাজদি কাহাম বুলাতিহে
ও পিয়া…

সনধ, নধম, মগসনধনসগম-..-’
মগসন ধনসগ মগসন ধনসগ মঃ গঃ মঃ গঃ
সনধম গমধন সনধম গমধন সঃ নঃ ধঃ নঃ
ধনসঃ ধনসঃ ধনসঃ ধনসঃ, মধনঃ মধনঃ মধনঃ মধনঃ
ধনঃসঃ ধনঃসঃ ধনঃসঃ, মধঃনঃ মধঃনঃ মধঃনঃ
মধনস মধনস মধনস মধনস, সনধম সনধম সনধম সনধম
মমগগ সসনন সসনন ধধনন সসনন ধধমম গগসস ননধধ
ধন সঃসঃসঃ, নধ সঃসঃসঃ, মধ সঃসঃসঃ
আমি যে তোমার, শুধু যে তোমার

ছাছোমে ছাছোমে তেরি স্যারগামেহে আব রাত দিন
জিন্দেগী মেরি তো কুছ না, আব তেরি বিন।।
তেরে ধারকানো কে ছারগোসি, মেরি ধারকানোমে বাজতিহে
মেরি রাগাতি নিগাহোমে খোয়াইশ তেরিহি ছাজতিহে
মেরে খ্খায়াল্মে হারপার তেরে খ্খায়াল্ শামি্লহে
লামহে জুদায়িও আলে মুশকিল ব্ ড়ি হি মুশকিলহে
ও পিয়া

নর্সনর্সনর্সনর্স ধনধনধনধন, পধপধপধপধ গমপধনর্রর্স ।।
পননস পননর্স পননর্স পননর্স।।
গমপধ নধপধ নধপধ নর্স..।।
গমপধ নধপধ পমগম গরসন
ধনসগ মগসগ মপধপ ধনসা
নস নস নস নস নস, ধন ধন ধন ধন ধন
গমপধ নধপম গমপধ নধপম, গমপম গমগর সরসন ধনসঃ

ধধননসঃ সগগ মগ, সসগগমঃ পধধ নধ
ধনসগ সনধন সনধন ধপমগ, মধনস ধনধম গমগর সনধন
সগমধ নসনধ পমগম গরসন, সগমধ নসনধ পমগম গরসন
ধধনন সসগগ ননসস গগমম, সসগগ মমধধ গগমম ধধনন পপধধ ননসস র্গ…………

বাউল

সাদা দিলে কাঁদা লাগাই গেলি

চাতোরী করিয়া মোরে, বান্ধিয়া পিরিতের ডোরে
(ওরে) বিচ্ছেদ সাগরে ভাসাই গেলি রে বন্ধুয়া {দ্বিতীয়বার ওরে নেই}
সাদা দিলে কাঁদা লাগাই গেলি
আমার সাদা দিলে, (হায় হায়) {দ্বিতীয়বার হায় হায় নেই}
সাদা দিলে কাঁদা লাগাই গেলিরে বন্ধুয়া
সাদা দিলে কাঁদা লাগাই গেলি (আবার প্রথম থেকে)

পিরিতি আগে বুঝি নাই, তুই পিরিতি শিখাইলি তাই
তুই নিষ্ঠুরে ক্যামনে কইরা ভুলি (হায়) (।।)
কত না সোহাগ করিয়া, হাউসে পিরিত শিখাইয়া…।।
কোন পরাণে গেলি আমায় ফেলি রে বন্ধুয়া
সাদা দিলে কাঁদা লাগাই গেলি

কত দিনের কত কথা, হৃদয়ে মোর আছেরে গাঁথা
তুই কি নিঠুর ভুইলাছি সকলই (হায়) (।।)
আমি কানতে কানতে ঘুমাই যখন…..।।
আমি কানতে কানতে ঘুমাই যখন, স্বপ্নে তোরে দেখি তখন।।।।
পাইনা তোরে আবার চোক্ষু মেলিরে বন্ধুয়া
সাদা দিলে কাঁদা লাগাই গেলি

পিরিতি আগে বুঝি নাই, তুই পিরিতি শিখাইলি তাই
তুই নিষ্ঠুরে ক্যামনে কইরা ভুলি (হায়) (।।)
কত না সোহাগ করিয়া …….।।
কত না সোহাগ করিয়া, হাউসে পিরিত শিখাইয়া।।
কোন পরাণে গেলি আমায় ফেলি রে বন্ধুয়া
সাদা দিলে কাঁদা লাগাই গেলি

পল্লীগীতি

ছোড ছোড ঢেউ তুলি ফানি

ছোড ছোড ঢেউ তুলি ফানি।।
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে যার গৈ কর্ণফুলী।

এক কূলদি শহর বন্দর নগর হত আছে
আর এক কূলত সবুজ রুয়ার মাতাত সোনালী ধান হাসে।।
হালদা ফাডা গান হুনাইয়ারে সাম্পান যারে গৈ পাল তুলি।।
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে যার গৈ কর্ণফুলী। (স্থায়ী)

হত না গিরস্তের বৌ যি ফানি আইনতো যায়
হত ফাকি গাছর আগাত বই হত গান হুনায়।।
গাছর তলাত মালহা বানুর গান গোরুপ পোয়া গায় পরাণ খুলি।।
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে যার গই কর্ণফুলী। (স্থায়ী)

পাহাড়ী কন সুন্দরী মাইয়া, ঢেউঅর ফানিত যাই
সিয়ন গরি উডি দ্যাকের হাতত খানর ফুল তার নাই।।
যেই দিন খানের দুল হারাইয়ের হেই দিনত্তুন নাম কর্ণফুলী।। (হায়রে)
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে সাই গরজ্জায় ছলি। (স্থায়ী)

ছোড ছোড ঢেউ তুলি পানিত
লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে সাই গরজ্জায় ছলি।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ গানে কথায় কিছু ভুল থাকতে পারে। শতভাগ নিশ্চিৎ হলেই সংসোধন কমেন্টে লিখুন। গানটির সুরকারের নাম কারো জানা থাকলে অবশ্যই কমেন্টে লিখুন।