আধুনিক

আমি খাজনা দেবো নাহ

আমি খাজনা দেবো নাহ নাহ
তুমি বাজনা বাজাও
দেখি কতো পারো

বুকের খাঁজে মনের ভাজে
সৈন্য পাঠাও আরো
আমার রাজ্যে আমি রাজা
আমি সর্বময়
ভালোবাসার বুলেট বোমা
আমার জন্য নয়
আমার জন্য নয়

আমি খাজনা দেবো নাহ নাহ
তুমি বাজনা বাজাও
দেখি কতো পারো

ওগো ক্ষেপা ঢেউয়ের নাবিক
ওগো মেঘের আকাশচারী
সত্যি করে বলো দেখি
তোমার কথা না ট্যাঙ্ক লড়ি
কেমন তোমার যুদ্ধনীতি
কেমন বাজারদর
আমার ওপর চাপিয়ে দিলে ভালোবাসার কর।

আমি খাজনা দেবো নাহ নাহ
তুমি বাজনা বাজাও
দেখি কতো পারো।

ওগো কানা গলির পথিক
ওগো আলোর পাগল পারা
আমার আছে জোনাক পোকা
আর আলোর পাহারা
আমার আছে সুরের মন্ত্র বাঁশি দোতারা

স্বপ্ন বোঝাই যুদ্ধ জাহাজ
রেখেছি প্রস্তুত
প্রতিরোধের কামান
দাগবে আমার শান্তিদূত।

আমি খাজনা দেবো নাহ নাহ
তুমি বাজনা বাজাও
দেখি কতো পারো।

বিবিধ

সোনাবন্ধুর গান

সোনাবন্ধুর গান শুনিয়া
আমার দিলের সুতায় লাগলো টান
আইজ আমারে আনিয়া দেওরে
আসমানেরও চাঁন।

মন্দিরার ঐ টুন্নুর টান্নুর
ভেলার হ্স্কো টান
ঢোলকের ও আলগা ঠেকায়
উড়াইয়া নিল পরাণ।

বাউলা বন্ধের আউলা চুল আর
মুখের হাসি খান
কলিজায় বিন্ধিয়া গেল
তেসরী চোখের নয়ন বাণ।

মনে না ধরিও আনাম
না করিও বারণ
নেশায় মাতাল হইয়া আজি
হারাই যদি কুলমান ।

পল্লীগীতি

কান্দিস না রে বিন্দিয়া

ও ও বিন্দিয়া ও ও বিন্দিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইব কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইব কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।
বাপ মা ভাই ব্রাদার
দেখতে যাইব তোরে আবার।।
স্বামীর ঘরে সুখে থাকিস
জীবন ভরিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইব কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।
মাইয়া মাইনষের এই তো জীবন
পর মানুষ হয় যে আপন
ও ও ও ও
মাইয়া মাইনষের এই তো জীবন
পর মানুষ হয় যে আপন
যাইতে হয় যে শ্বশুর বাড়ি
পালকি চড়িয়া।
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে বিন্দিয়া
কি আর হইবো কান্দিয়া
কবুল কইরা স্বামীর ঘরে
যাইবি চলিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।
ও ও বিন্দিয়া ও ও বিন্দিয়া
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে
কান্দিস না রে।

ছায়াছবি

কেহ গরিব অর্থের জন্য

কেহ গরিব অর্থের জন্য
কেহ গরিব রূপে
এই দুনিয়ার সবাই গরিব
কান্দে চুপে চুপে


যে রাজার হাজার দুয়ার
লক্ষ কুঠুরি
তাহার ঘরেও বসত করে
অভাব নামের বুড়ি
রূপার খাটে বইসা বুড়ি
মজার মোয়া খায়
ধনে মান্য রাজার সনে
অভাব কিচ্ছা গায়


ধন আছে জ্ঞান নাই
জ্ঞানের অভাব
ভবের কারখানায় দেখবা
ইহাই স্বভাব
মূল কথা কত কথা
হিমু পাগলায় কয়
এই দুনিয়ায় সবাই গরিব
ধনবান কেউ নয়


কেহ গরিব অর্থের জন্য
কেহ গরিব রূপে
এই দুনিয়ার সবাই গরিব
কান্দে চুপে চুপে রে
কান্দে চুপে চুপে

বাউল

হবিগঞ্জের জালালী কইতর

হবিগঞ্জের জালালী কইতর সুনামগঞ্জের কুড়া
সুরমা নদীর গাংচিল আমি শূন্যে দিলাম উড়া
শূন্যে দিলাম উড়া রে ভাই যাইতে চান্দের চর
ডানা ভাইঙ্গা পড়লাম আমি কইলকাত্তার উপর,
তোমরা আমায় চিননি… তোমরা আমায় চিননি
তোমরা আমায় চিননি…
ডানা ভাইঙ্গা পড়লাম আমি কইলকাত্তার উপর।

হাওরের পানি নাইরে হেথায় নাইরে তাজা মাছ
বিলের বুকে ডানা মেইলা নাইরে হিজল গাছ
বন্ধু নাইরে তাজা মাছ ।
তবু নিদহারা নগরের পথে রাইতের দুপুরে
মরমিয়া ভাটিয়ালী আমার গালায় ঝরে ।

এই সুরে আছেরে বন্ধু অশত্থ বটের ছায়া
এই সুরে বিছাইয়াদেরে শীতল পাটির মায়া
গো বন্ধু অশত্থ বটের ছায়া ।
এইনা সুরের পালের দোলায় খুশির হাওয়া বয়
এই সুরের দৌলতে আমি জগৎ করলাম জয় ।

হবিগঞ্জের জালালী কইতর সুনামগঞ্জের কুড়া
সুরমা নদীর গাংচিল আমি শূন্যে দিলাম উড়া
শূন্যে দিলাম উড়া রে ভাই যাইতে চান্দের চর
ডানা ভাইঙ্গা পড়লাম আমি কইলকাত্তার উপর,
তোমরা আমায় চিননি… তোমরা আমায় চিননি
তোমরা আমায় চিননি…
ডানা ভাইঙ্গা পড়লাম আমি কইলকাত্তার উপর।

জীবনমুখী গান

বারো টাকা

যখন ঘনায় রাত্রী পাথুরে শহরে
যখন ছড়ায় দীর্ঘশ্বাস আকাশ অধরে,
ঠিক তক্ষণি সস্তার মেকাপেতে মুখ ঢেকে
লাজ লজ্জার সংস্কারকে পিছে রেখে;
সেই সাধারণ মেয়েটা শহরে-
বিলোতে প্রেম রাস্তায় এসে দাঁড়ায়,
প্রেমহীন শহরের কদর্য লোকগুলো
তার কাছে প্রেম চেয়ে দু হাত বাড়ায়।
ঠিক তক্ষনি ঠিক তক্ষনি
মন্দির মসজিদ গীর্জায়
শুরু হয় পুঁজো আরাধনা,
বিশ্বপ্রেমের পাঠে শিক্ষিত হয় লোক
আঁকে প্রেমের আল্পনা;
সব পাপ দিয়ে আসে মানুষ দেবস্থানে
দেবতারা হাসে তুলে মাথা
মাঝ রাত্রীর হলে ফিরে যায় সেই মেয়ে
ঘরে রোজগার বারো টাকা।

সারা গায়ে কাল শীতে
ওও ক্ষিধের মাশুল
জীবন তরণী বায় স্রোত প্রতিকূল,
মুখ চেয়ে সন্ততি হাঁড়ি চড়েনা
বেজন্মা গালা গালে পেট ভরেনা;
ঠিক তক্ষনি এনে দিলো
এক রাশ সুবাতাস সেই রোজগার বারো টাকা
নেভাতে পেটের জ্বালা অবতার হয়ে এলো-
সেই রোজগার বারো টাকা
ঠিক তক্ষনি গোনা হয়-
প্রণামীর থালা লাটের ভাড়ার হয় পূর্ণ
দেবতাকে দিয়ে ঘুষ জমা রেখে সব পাপ
মানুষ বাড়ায় তার পূণ্য
সেই মেয়ে ভোর হলে শত বিদ্রুপ সয়
দেবতারা দেখে তুলে মাথা
সত্যি বিলোয় প্রেম সেই মেয়ে নিঃস্বারে
প্রণামী মাত্র বারো টাকা।

জীবনমুখী গান

পাগলা জগাই

নিশি কালো রাতটার
পিচকালো রাস্তাকে
চিঁড়ে দিয়ে ছুটে চলে ট্রাক
কুনো চোখ ড্রাইভার
চলে চাকা পরিবার
ফেলে আসা পথ হতবাক
সস্তার মদ খেয়ে ট্রাকের ছাদেতে শুয়ে
তারা গুনে ভবঘুরে হেল্পার পাগাল জগাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।।

ভূতুরে গাছের ছায়া
ফেলে আসা মহুমায়া
ঝাঁক বাঁধে জগাইয়ের চোখে
জগাই তবুও হাসে
নেশা করে অবকাশে
তারা গোনে আনন্দের শোকে
হয়ত মনের কোনে
জীবনের সুদ গোনে
বেহিসাবি জীবনের হাতে গোনা টাকা আনা পাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।।

ফেলে আসা তার গ্রাম
আরও কত শত নাম
ধূসর পথের ধুলো মেখে
তবে কি সেখানে কেউ
পথ চেয়ে বসে আজও
আঁখিজলে আলপনা এঁকে?
জগাই নির্বিকার
আকশাটা চোখে তার
পিছু ফিরে দেখা বা ভাবনার নেইকো বালাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।।

কখনো হিংসে হয়
অবকাশে অসময়
আমি কি জগাই হতে পারি
আমিও তো তারা গুনি
আকাশকে কাছে টানি
আমিও কি দিতে পারি পাড়ি
আসলেতো আমি লোভী
মন ধনে টাকা কড়ি
পারবনা হতে আমি হেল্পার মুক্ত জগাই
রাত বলে যায় যায় ডাক দিয়ে যায় ।

আধুনিক

যেভাবেই তুমি সকাল দেখো

যে ভাবেই তুমি সকাল দেখো
সূর্য কিন্তু একটাই
যত ভাগে ভাগ করোনা প্রেম
হৃদয় কিন্তু একটাই ।।
অনেকেই বলে মরন অনেক
জীবন সে নাকি একটাই
প্রতিভার প্রেমে নতুন জনম
জীবন কি করে একটাই
যত ভাগে ভাগ করোনা প্রেম
হৃদয় কিন্তু একটাই ।।
অনেকেই বলে অনেক কথা
কথার কথাতো সব টাই
কথার বাঁধনে হৃদয় ফেরার
সঠিক কথা একটাই
যত ভাগে ভাগ করোনা প্রেম
হৃদয় কিন্তু একটাই ।।

বাউল

মায়া নদী

মায়া নদী কেমনে যাবি বাইয়া
ও নাইয়া ….মায়া নদী কেমনে যাবি বাইয়া
ও রঙ্গিলা দেশের নাইয়া …..
মায়া নদী ……..(2)

ও নাইয়া ………..ও নাইয়া …..
এই না নদীর বাকে বাকে কুমির থাকে ঝাকে ঝাকে
সেই কুমিরে ফেলবে তোরে খাইয়া
ও নাইয়া ….সেই কুমিরে ফেলবে তোরে খাইয়া
বিবেক হলুদ গায়ে মাইখা …বিবেক হলুদ গায়ে মাইখা
অনাসে যাও না পারি দিয়া ….ও রঙ্গিলা দেশের নাইয়া
মায়া নদী কেমনে ……..(2)

ও নাইয়া ………ও নাইয়া …….ওরে এই নদীর তিনটি ঘাট
ছায়ামনি ধৈরা সেথা তাদের রূপ দেখিয়া যেওনা ভুলিয়া
তাদের রূপ দেখিয়া ভুইলা গেলে ..এ ..নাইয়া রূপ দেখিয়া ভুইলা গেলে
মরবি শেষে পার খাটায় কালিয়া
ও রঙ্গিলা দেশের নাইয়া ….মায়া নদী ……

ও নাইয়া …….এই না নদীর হুমার জোটে
পার ভাঙ্গিয়া পানি ছোটে
কত সাধের বাগান গেল রে ভাসিয়া
ও নাইয়া …সাধের বাগান গেল রে ভাসিয়া
কত সাধুর জনা ডুবে মরে রে নাইয়া …কত সাধুর জনা ডুবে মরে রে নাইয়া
এই নদীর হাবুডুবু খাইয়া
ও রঙ্গিলা দেশের নাইয়া …..মায়া নদী …..

বাউল

চাতক বাচে কেমনে

চাতক বাঁচে কেমনে
মেঘের বরিষণ বিনে।।

তুমি হে নব জলধর
চাতকিনী মল এবার
ঐ নামের ফল সুফল এবার
রাখ ভুবনে।।

তুমি দাতার শিরোমণি
আমি চাতক অভাগিনী
তোমাবিনে আর না জানি
রাখ চরণে।।

চাতক মলে যাবে জানা
ঐ নামের গৌরব রবেনা
জল দিয়ে কর সান্তনা
অবোধ লালনে।।

বাউল

পাবে সামান্যে কি তার দেখা!

পাবে সামান্যে কি তার দেখা!
(ওরে) বেদে নাই যার রূপ-রেখা।।
কেউ বলে, পরম মিষ্টি কারো না হইল দৃষ্টি ।।
বরাতে দুনিয়া সৃষ্টি ।।
তাই নিয়ে লেখাজোখা।
(ওরে) তাই নিয়ে লেখাজোখা।
নিরাকার ব্রহ্ম হয় সে সদাই ফেরে অচিন দেশে ।।
দোসর তাই নাইকো পাশে ।।
ফেরে সে একা একা।
(ওরে) ফেরে সে একা একা।
কিঞ্চিৎ ধ্যানে মহাদেব, সে তুলনা কি আর দেবো ।।
লালন বলে, গুরু ভাবো
যাবে রে মনের ধোঁকা।
(ওরে) যাবে রে মনের ধোঁকা।

বাউল

রাখিলেন সাঁই কূপজল করে

রাখিলেন সাঁই কূপজল করে,
আন্ধেলা পুকুরে..

কবে হবে সজল বরষা?
রেখেছি মন সেই ভরষা..
আমার এই ভগ্ন দশা,
যাবে কত দিন পরে?..

এবার যদি না পাই চরণ,
আবার কি পড়ি ফ্যাড়ে..
রাখিলেন সাঁই কূপজল করে,
আন্ধেলা পুকুরে..

নদীর জল কূপজলই হয়,
বিল-বাওরে পড়ে রয়..
সাধ্য কি সে গঙ্গাতে যায়?
গঙ্গা না এলে পরে..

তেমনি জীবের ভজন বৃথা,
তোমার দয়া নাই যারে..
রাখিলেন সাঁই কূপজল করে,
আন্ধেলা পুকুরে..

তোমার যন্তরে পুড়ি এই অন্তর,
রয় যদি সে লক্ষ বছর..
যন্ত্রী বিহনে যন্ত্র,
কভু না বাজতে পারে?..

আমি যন্ত্র তুমি যন্ত্রী,
সুবল বলাও আমারে..
রাখিলেন সাঁই কূপজল করে,
আন্ধেলা পুকুরে..

বাউল

সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে

সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে।
ও সে বাজিয়ে বাঁশি ফিরছে সদাই
কুলবতীর কুলনাশে।।

মজবি যদি কালার পিরিতি
আগে জান গে যা তার কেমন রীতি।
প্রেম করা নয় প্রাণে মরা
অনুমানে বুঝিয়েছে।।

ঐ পদে কেউ রাজ্য যদিও দেয়
তবু কালার মন নাহি পাওয়া যায়।
রাধা বলে কাঁদছে এখন
তারে কতো কাঁদিয়েছে।।

ব্রজে ছিল জলদ কালো
কী সাধনে গৌর হলো।
লালন বলে চিহ্ন কেবল
দুনয়ন বাঁকা আছে।।

বাউল

একটা চিঠি লিখি তোমার কাছে

একটা চিঠি লিখি তোমার কাছে ব্যাথার কাজলে
আশা করি পরান বন্ধু আছো কুশলে
আগে নিও ভালোবাসা অবলার না বলা ভাষা
আমার যত গোপন আশা ভিজাইয়া দেই নয়ন জলে

প্রথম যেদিন এসে তুমি মিলাইলে হাত
ফুটিল মনের বনে প্রেম পারিজাত
সেই বাসরে শুণ্যহিয়া আমি থাকি তবু পথ চাহিয়া
কান্দে আমার মন পাপিয়া গুঞ্জরিয়া বুকের তলে

যে বকুলের তলায় বসে শুনেছিলাম বাঁশী
সেই বকুলের মুকুলেতে গন্ধে অলি হাসে
ছিঁড়ে গেছে গাঁথা মালা বুকে জ্বলে দারুন জ্বালা
কুলবধু হইলা একলা কান্দি বসে নিরালে

ভুলে যাওয়া পথটি ধরে ভুল করে এসে
পার যদি দেখে যেও দিনের শেষে
(আমি) কেমন আছি পরের ঘরে দেখে যেও নয়ন ভরে
বনবিহঙ্গী থাকে যেমন বাঁধা শিকলে

কি যে লিখি কি বা বাকি পাইনা খুঁজিয়া
অভাগিনীর মনের বেদন (তুমি) লও বুঝিয়া
চিঠি লিখি করি ইতি নিও আমার প্রেম পিরীতি
(অধম) রসিক বলে শেষ মিনতি চরণ কমলে

আধুনিক

সেপারেশন

একলা জীবন কাটছে একা সাড়ি সাড়ি দুঃখ রেখা
নিঃসঙ্গতা আকড়ে ধরে রোজ পাইনা আমি তোমার কোন খোঁজ
দরজা বন্ধ ঘরের কোনে গান বেঁধে যাই অভিমানে
মাতাল স্মৃতির উজান আসে রোজ পাইনা আমি তোমার কোন খোঁজ
আমি এমন জীবন চাইনি যেখানে কান্না আসে রোজ…

কত আবেগের বাড়াবাড়ি কত আপন হবার পণ
সব ক্ষনিকের ভাল লাগা আমি বুঝতে পারি এখন
তোমার খেয়ালীপনা আর আমার বোঝার ভুল
আমি সত্যি চাইনি তোমার কষ্ট হোক একচুল ….
টাকার কাছে হার মানে সব গান কবিতা প্রেমানুভব
পিতার মুখে কন্য শূন্য শোক জল্লাদেরও একটু মায়া হোক
আমি এমন জীবন চাইনি যেখানে কান্না আসে রোজ

আমি অনেক পাষান হবো দেব আবেগে শিকল
যেন দু’চোখ গড়িয়ে আর না ঝরে অশ্রুজল
তুমি দেখে নিও ঠিক ঠিক আমি অনেক বদলে যাবো
আমার আদর্শ প্রেম সব বেনামে বিকোবো…
ভন্ডলোকেরা টাকার জোরে কিনছে মেধা দিন দুপুরে
ফাকতালে মহাপ্রেমিক কিছু লোক সত্যি প্রেমের একদিন জয় হোক
আমি এমন জীবন চাইনি যেখানে কান্না আসে রোজ…