ছায়াছবি

বিদায় দাও গো বন্দু তোমরা,

বিদায় দাও গো বন্দু তোমরা এবার দাও বিদায়,

বিদায় দাও গো বন্দু তোমরা এবার দাও বিদায়,
মায়ের ছেলে মায়ের কোলে ফিরে যেতে চায়।
মায়ের ছেলে মায়ের কোলে ফিরে যেতে চায়।
বিদায় দাও গো বন্দু তোমরা এবার দাও বিদায়,

স্রোতের শেওলা যামন ভাশে,
ভাসলাম আমি তেমন করে এই ভবের পরবাসে।
স্রোতের শেওলা যামন ভাশে,
ভাসলাম আমি তেমন করে এই ভবের পরবাসে।

কুলের দিশা তবু পেলাম নাতো কভু,
কুলের দিশা তবু পেলাম নাতো কভু,
সেথা ঘরে ঘরে গুরতেছি তবু,
পেলাম নাতো ঠাই,পেলাম নাতো ঠাই।

বিদায় দাও গো বন্দু তোমরা এবার দাও বিদায়,
মায়ের ছেলে মায়ের কোলে ফিরে যেতে চায়।
বিদায় দাও গো বন্দু তোমরা এবার দাও বিদায়,

স্নেহ মায়ার কাঙ্গাল হয়ে, দারে দারে ফিরলাম কত,
এই অবুজ মন্টারে লয়ে।
স্নেহ মায়ার কাঙ্গাল হয়ে, দারে দারে ফিরলাম কত,
এই অবুজ মন্টারে লয়ে।

এই বুজেছি শ্বার মিছে এ সংসার,
এই বুজেছি শ্বার মিছে এ সংসার,
হেথায় আপন বলে মানতে পারি,
এমন কেহ নাইরে, এমন কেহ নাই,
এমন কেহ নাই—-

ছায়াছবি

মনটা ছিলো পথে পড়ে,

মনটা ছিলো পথে পড়ে, বুকে ছিলো ব্যাথার ঢল,
সঙ্গে ছিলো তোমার চিঠি, বন্দু ছিলো আঁখিজল।
মনটা ছিলো পথে পড়ে, বুকে ছিলো ব্যাথার ঢল,
সঙ্গে ছিলো তোমার চিঠি, বন্দু ছিলো আঁখিজল।

তুমি আছো আর কিছু চাই না না গো,
তুমি আছ আর কিছু চাই না।

যে চোখে শ্রাবণ ছিলো, সে চোখে স্বপন আজ,
যে বুকে আগুন ছিলো, সে বুকে ফাগুন আজ।
যে চোখে শ্রাবণ ছিলো, সে চোখে স্বপন আজ,
যে বুকে আগুন ছিলো, সে বুকে ফাগুন আজ।

তোমাকে হারিয়েছি, তাইতো হারাই না,
তুমি আছো আর কিছু চাই না না গো,
তুমি আছো আর কিছু চাই না।

যে আশা ভিদুর ছিলো, সে আশা মধুর আজ,
যে মুখে বাদল ছিলো, সে মুখে বধুর লাজ।
যে আশা ভিদুর ছিলো, সে আশা মধুর আজ,
যে মুখে বাদল ছিলো, সে মুখে বধুর লাজ।

তোমাকে ফুরিয়ে গেছি, তাইতো ফুরাই না।
তুমি আছো আর কিছু চাই না, না গো
তুমি আছো আর কিছু চাই না।

মনটা ছিলো পথে পড়ে, বুকে ছিলো ব্যাথার ঢল,
সঙ্গে ছিলো তোমার চিঠি, বন্দু ছিলো আঁখিজল।
তুমি আছো আর কিছু চাই না না গো,
তুমি আছ আর কিছু চাই না।

ছায়াছবি

ওগো রূপসী তোমারে ভালবেসেছি,

ওগো রূপসী তুমারে ভালবেসেছি আমি,
কাছে এসো দূরে সরে যেওনা,
কেন এতো রাগ বুজনা কি গো অনুরাগ,
তুমি, বলিতে যা চাই কেন শোনো না।

দিতে পারি এনে ও রাঙ্গা চরনে,
আকাশের ও চাঁদ তারা সূর্য।
দিতে পারি এনে ও রাঙ্গা চরনে,
আকাশের ও চাঁদ তারা সূর্য।

হেলাতে সরিয়ে মরে দিও না,
ওগো রূপসী তুমারে ভালবেসেছি আমি,
কাছে এসো দূরে সরে যেও না।

রাতে নীদ হারা, দিনে দেখি তারা,
করেছো পাগল যে আমারে।
রাতে নীদ হারা, দিনে দেখি তারা,
করেছো পাগল যে আমারে।

কেন যে তবুও ধরা দাও না,
ওগো রূপসী তুমারে ভালবেসেছি আমি,
কাছে এসে দূরে সরে যেও না।

ওগো অভিমানী, তবু কি বুজো নি,
তুমারে বিনা মিছে সবই যে।
ওগো অভিমানী, তবু কি বুজো নি,
তুমারে বিনা মিছে সবই যে।

একবার ফিরে কেন চাও না।
ওগো রূপসী তুমারে ভালবেসেছি আমি,
কাছে এসো দূরে সরে যেও না,

কেন এতো রাগ বুজনা কি গো অনুরাগ,
তুমি, বলিতে যা চাই কেন শোনো না।
ওগো রূপসী তুমারে ভালবেসেছি আমি,
কাছে এসো দূরে সরে যেও না,

ছায়াছবি

তুমি কাছে এসো বন্দু,

তুমি কাছে এসো বন্দু আমি ভালোবাসা পেতে চাই,
আমি মনের মানুষ হতে চাই।
তুমি কাছে এসো বন্দু আমি ভালোবাসা পেতে চাই,
আমি মনের মানুষ হতে চাই।

আমার মনেরই আসা ওগো দাওনা মিটিয়ে,
ধন্য করো আমারে প্রেমের পরশ দিয়ে।
তোমার চলার পথে সাথী হতে যে চাই,
আমি মনের মানুষ হতে চাই।

তুমি কাছে এসো বন্দু আমি ভালোবাসা পেতে চাই,
আমি মনের মানুষ হতে চাই।

আমায় একাকি ফেলে দূরে যেওনা চলে,
দুঃখ নিয়ে জীবনে ভাসি চোখেরই জলে।
ভেঙ্গে পায়েরই শিকল হারিয়ে যেতে যে চাই,
আমি মনের মানুষ হতে চাই।

তুমি কাছে এসো বন্দু আমি ভালোবাসা পেতে চাই,
আমি মনের মানুষ হতে চাই।
তুমি কাছে এসো বন্দু আমি ভালোবাসা পেতে চাই,
আমি মনের মানুষ হতে চাই।

ছায়াছবি

শহর থেকে দূরে,

শহর থেকে দূরে বহু দূরে-
এই মন আমার হারিয়ে গেলো,
যেন রূপ কথারই দেশে।

শহর থেকে দূরে বহু দূরে-
এই মন আমার হারিয়ে গেলো,
যেন রূপ কথারই দেশে।
শহর থেকে দূরে বহু দূরে-

এখানে সুরের মেলা পাপীয়া দোয়েল এর গানে,
এখানে সুরের মেলা পাপীয়া দোয়েল এর গানে,
আলো আর ছায়ার লূকচুরী স্বপ্ন ছড়ায় প্রানে,
ঐ দূর বলাকার পাখায়, এই মন চলেছে ভেশে।

শহর থেকে দূরে বহু দূরে-
এই মন আমার হারিয়ে গেলো,
যেন রূপ কথারই দেশে।
শহর থেকে দূরে বহু দূরে-

এখানে দীঘির ও জলে হংস মিথুনের খেলা,
এখানে দীঘির ও জলে হংস মিথুনের খেলা,
বকুল এর গন্ধে মাতাল হাওয়া তুস্তূ সারা বেলা,
দূর আমলক্ষির ও বনে বাতাস ঘুমায় আভেশে।

শহর থেকে দূরে বহু দূরে-
এই মন আমার হারিয়ে গেলো,
যেন রূপ কথারই দেশে।
শহর থেকে দূরে বহু দূরে—

ছায়াছবি

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

সেই অঙ্গীকারের রাখী পরিয়ে দিতে,
কিছু সময় রেখো তোমার হাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

কিছু স্বপ্নে দেখা, কিছু গল্পে শুনা,
ছিলো কল্পনা জাল এই প্রানে বূনা।
কিছু স্বপ্নে দেখা, কিছু গল্পে শুনা,
ছিলো কল্পনা জাল এই প্রানে বূনা।

তার অনুরাগে রাঙা তুলির ছুয়ায়,
নাও বুলিয়ে নয়ন ও পাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

তুমি ভাসাও আমায় এই চলার স্রোতে,
চিরসাথী রইবো পথে।
তুমি ভাসাও আমায় এই চলার স্রোতে,
চিরসাথী রইবো পথে।

তাই যা দেখি আজ সবই ভাললাগে,
এই নতুন গানের সুরে ছন্দ রাগে।
তাই যা দেখি আজ সবই ভাললাগে,
এই নতুন গানের সুরে ছন্দ রাগে।

কেন দিনের আলোর মতো সহজ হয়ে,
এলে আমার গহন ও রাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

সেই অঙ্গীকারের রাখী পরিয়ে দিতে,
কিছু সময় রেখো তোমার হাতে।
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো,
হারিয়ে যাবো আমি তোমার সাথে।

আধুনিক

আমার বলার কিছু ছিলো না,

আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে,
তুমি চলে গেলে চেয়ে চেয়ে দেখলাম,
আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

সব কিছু নিয়ে গেলে যা দিয়েছিলে,
আনন্দ,হাঁসি,গান, সব তুমি নীলে।
সব কিছু নিয়ে গেলে যা দিয়েছিলে,
আনন্দ হাঁসি গান সব তুমি নীলে।

যাবার বেলায় শুধু নিজেরই অজান্তে,
সৃতিটাই গেলে তুমি ফেলে, তুমি চলে গেলে-
আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

দুঁহাতে তোমার ওগো এতো কিছু ধরে গেলো,
ধরলো না শুধু এই সৃতিটা,রয়ে গেলো শেষ দিন,
রয়ে গেলো সেদিনের প্রথম দেখার সেই ইতি টা।

কোথা থেকে কখন যে কি হয়ে গেলো,
সাজানো ফুলের বনে ঝড় বয়ে গেলো।
কোথা থেকে কখন যে কি হয়ে গেলো,
সাজানো ফুলের বনে ঝড় বয়ে গেলো।

সে ঝড় থামার পরে, পৃথিবী আঁধার হলো,
তবু দেখি দীপ গেছো জ্বেলে, তুমি চলে গেলে-
আমার বলার কিছু ছিলো না,

চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে,
তুমি চলে গেলে চেয়ে চেয়ে দেখলাম,
আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো,
আমার বলার কিছু ছিলো না।

ছায়াছবি

তুমি ছিলে না যখন,

তুমি ছিলে না যখন—
তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।

রঙে রঙে ভরা, এই যে পৃথিবী তুমি আছো বলে,
এতো আসা দোলে এই যে হৃদয়ে তুমি আছো বলে।
ওগো তুমি আমার শুধু তুমি আমার,
শত অনুরাগের জোছনা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।

আমি চেয়ে থাকি মুখদ্দ নয়নে, তোমার চোখের পানে,
যতো কথা আছে বন্দু তোমাকে বলি গানে গানে।
আমি তোমার বুকে, রবো চিরো সুখে,
ওগো এইতো আমার সাধনা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।
তুমি আমার হলে ভালোবাসা দিলে,
ওগো দিলে যে সুখের ঠিকানা।

তুমি ছিলে না যখন, চোখে ছিলো না স্বপন,
ভালোবাসা ছিলো অজানা।।

ছায়াছবি

চাঁদের সাথে আমি দেবো না,

ছেলে=
চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
মেয়ে=
নদির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
ছেলে=
তুমি চাঁদ হতে যদি দুরেই চলে যেতে,
মেয়ে=
তুমি নদী হতে যদি দূরে চলে যেতে,
সে কথা যেন ভুলনা, তুমি যে তোমারই তুলনা।
ছেলে=
ও চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
মেয়ে=
নদির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
ছেলে=
ফুলের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
ওলির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
ছেলে=
তুমি ফুল হতে যদি ঝরে পড়ে যেতে,
মেয়ে=
তুমি ওলি হতে যদি দূরে উড়ে যেতে,
ছেলে=
সে কথা যেন ভুলনা, তুমি যে তোমার ই তুলনা।
মেয়ে=
ও নদির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
ছেলে=
চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
কবির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা,
ছেলে=
ছবির সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
তুমি কবি হতে যদি সবার হয়ে যেতে।
ছেলে=
তুমি ছবি হতে যদি তবেই মুছে যেতে।
সে কথা যেন ভুলনা,তুমি যে তোমার ই তুলনা।
ও চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা।
মেয়ে=
নদির সাথে আমি দেবো না তয়াম্র তুলনা।
ছেলে=
তুমি চাঁদ হতে যদি দূরে চলে যেতে।
মেয়ে=
তুমি নদী হতে যদি দূরে চলে যেতে।
সে কথা যেন ভুলনা, তুমি যে তোমার ই তুলনা।

ছায়াছবি

আমি হবো পর, যেদিন আসবে রে তোর বর,

আমি হবো পর যেদিন আসবে রে তোর বর,
আমার এ ঘর শুন্য করে যাবি অন্য ঘর।
ওরে পাষাণী আমার চোখের ও পানি,
আচল দিয়ে মুছে তখন যাস মামুনী।

ওরে মায়ের বুকে সুখে দুঃখে নানা রঙের দিন,
সে তো রয়না চিরদীন,
ওরে খেয়ায় খেলায় যায় যে বেলা ফুরায় সুখের দিন,
থাকে ভালোবাসার ঋণ।

ওরে চাঁদের কণা আমার লক্ষ্মী সোনা,
দিনে দিনে বড় হবি আসবে শুভদিন।
ওরে পাষাণী আমার চোখের ও পানি,
আচল দিয়ে মুছে তখন যাস মামুনী।

ওরে স্নেহের বাধন যায় ছিড়া চোখের পলোকে,
সে যে থাকে অলোকে।
যেমন চাঁদের আলো যায় না ডাকা মেঘের পালোকে,
সে যে থাকে আলোকে।

ওরে মায়ের আদর থাকে জীবন ও ভর,
সন্তানেরা দুঃখ দিলেও হয় না মলিন।

আমি হবো পর যেদিন আসবে রে তোর বর,
আমার এ ঘর শুন্য করে যাবি অন্য ঘর।
ওরে পাষাণী আমার চোখের ও পানি,
আচল দিয়ে মুছে তখন যাস মামুনী।

ছায়াছবি

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে,

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,
ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া।
সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,

একটি দুটি তারা জ্বলে আকাশের ও কোলে,
ভিরু ভিরু চোখে কোন স্বপ্ন যে দোলে।
একটি দুটি তারা জ্বলে আকাশের ও কোলে,
ভিরু ভিরু চোখে কোন স্বপ্ন যে দোলে।

সাত রঙ্গা সেই রঙে মন হলে চাওয়া,
এই মন কখন ও কি যায় ফিরে পাওয়া।

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,
ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া।
সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,

আধারের ও শেষে যানি আছে শুধু আলো,
অচেনাকে চিনে নিতে তাই লাগে ভালো।
আধারের ও শেষে যানি আছে শুধু আলো,
অচেনাকে চিনে নিতে তাই লাগে ভালো।

সে চেনায় হয় যদি আরো কিছু পাওয়া,
এ মনের সাধ্য কি আর পিছু ফিরে যাওয়া।

সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,
ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া।
সন্ধ্যার ও ছায়া নামে এলো মেলো হাওয়া,

ছায়াছবি

বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি,

বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।
বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

আরে ও ও ও বেলা যায় বয়ে যায় রে যায়–
আরে ও ও ও বেলা যায় বয়ে যায় রে যায়,
খেতে আর খামারে কে চিনে আমারে,
একা একা রবো কোন ভরসায়।

খেতে আর খামারে কে চিনে আমারে,
একা একা রবো কোন ভরসায়।

কোথায় আছি কেমন আছি খবর নিলো না,
চিঠি দিলাম পত্র দিলাম মামা এলো না।
কোথায় আছি কেমন আছি খবর নিলো না,
চিঠি দিলাম পত্র দিলাম মামা এলো না।

অভাগিনির ভাগ্য আহা কত চমৎকার–
বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

আরে ও ও ও আমার নাই কেহ নাই রে নাই–
আরে ও ও ও আমার নাই কেহ নাই রে নাই,
এখানে সেখানে কি যানি কোন খানে,
ঢেউয়ের মতো আমি ভেসে বেড়াই।

এখানে সেখানে কি যানি কোন খানে,
ঢেউয়ের মতো আমি ভেসে বেড়াই।

কপাল দোষে ছোট্ট কালে মরে গেলো মা,
গর্বে থাকতে মরলো পিতা চোখে দেখলাম না।
কপাল দোষে ছোট্ট কালে মরে গেলো মা,
গর্বে থাকতে মরলো পিতা চোখে দেখলাম না।

এই দুঃখের কথা আমি বলবো কত আর–
বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিলো একদিন পদ্মার পার,
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।
মামার বাড়ি মধুপুরে নিজের বাড়ি নাই আমার।

ছায়াছবি

সে যে কেন এলো না,

দূর ছাই, কখন যে আসবে, কিচ্ছুই ভাল্লাগাছে না,
দেখা পেলেই হয়, আচ্ছা করে মজা দেখাবো।

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না,
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো।
যদি ফুল গুলো হায়, অভিমানে ঝরে যায়,
আমি মালা গেথে বলো কারে পরাবো।

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না—–

প্রজাপতি উড়ে গিয়ে বলনা,
আমি নই তার হাতের খেলনা, বলনা।
প্রজাপতি উড়ে গিয়ে বলনা,
আমি নই তার হাতের খেলনা।

সে যে যখন তখন, মোরে করে জ্বালাতন,
ভালোবাসা কারে বলে তারে সিখাবো।
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো।

সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না——

যারে পাখী তারে গিয়ে বলনা,
আমি কি এমনতর খেলনা।
যারে পাখী তারে গিয়ে বলনা,
আমি কি এমনতর খেলনা।

এই উতালা ফাগুন মনে জ্বেলেছে আগুন,
এই উতালা ফাগুন মনে জ্বেলেছে আগুন,
আমি কেমন করে বল তারে নিভাবো,
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো।

সে যে কেন এলোনা কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না—-

চিঠি নিয়ে ওরে মেঘ চলনা,
তার কানে কানে গিয়ে বলনা।
চিঠি নিয়ে ওরে মেঘ চলনা,
তার কানে কানে গিয়ে বলনা।

এই মধু অভিসার মিছে হবে কি আমার,
এই মধু অভিসার মিছে হবে কি আমার,
আমি কি গো পথ চেয়ে দিন কাটাবো,
আমি মালা গেথে বলো কারে পরাবো,

সে যে কেন এলো না কিছু ভালো লাগে না,
এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো,
যদি ফুল গুলো হায় অভিমানে ঝরে যায়,
আমি মালা গেথে বলো কারে পরাব।

সে যে কেন এলো না কিছু ভালো লাগে না,
না ভালো লাগে না—-

ছায়াছবি

দুধে আলতা বদন তোমার,

দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

তোমার নরম দুটি ঠোটে ফোটে লতার পদ্ম ফুল,
যেন রেশমি সূতার বোজা, তোমার মাথার ওইনা
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

তুমি ফেলবে যেথা চরন, সেই মাটি হবে ধন্য।
ধুলো হয়ে আসবে উড়ে, তোমার চরন ছোয়ার জন্য।
তোমার হাঁসি দেখে মুখ হিরশা হবে মন,
লজ্জাতে পড়বে ঝরে, যেও নাতো ফুল ও বোন।

তুমি নারী নাকি পরী, বিধি নিজেই করবে ভুল,
আমি তো হায় একটি মানুষ, খুজে পাইনা কোন কূল।
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

তোমার কন্ঠ শুনে কোকিল, যেন বোবা হয়ে যাবে,
এতো মিষ্টি সুর ও সারগাম, ও সে কোথায় খুজে পাবে।
তোমার মুখটি দেখে চাঁদের, মুখ হয়ে যাবে কালো,
ডুবে যাবে কালো মেঘে, বুজি দেবে না আর আলো।

তুমি নারী নাকি পরী, বিধি নিজেই করবে ভুল,
আমি তো হায় একটি মানুষ, খুজে পাইনা কোন কূল।
দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

দুধে আলতা বদন তোমার,চন্দনের শুভাস ভরা,
দুটি দিগল কাজল আখী, যেন মেঘের কাজল পরা।

ছায়াছবি

তুমি হলে তুমি,

তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তাই তো কিছুই মানি না।
কোথা হতে শুরু কোথা সেষ হবে,
তুমি হলে তুমি—-

ছিলাম আমি একা, তোমারই সাথে হলো দেখা।
একটু দুটি কথা,কখন একটু নীরবতা।
প্রেম এলো—–

প্রেম এলো জীবনে, জীবনে, জীবনে,
ঘর শেষ দারে, দার শেষ পথে,
প্রেম শেষ কোথায় যানিনা।
তুমি হলে তুমি—-

স্বপ্নের অভিসারে, চিনেছি আমার অচেনারে,
দেখি আঁখি মেলে, নিজেরে কখন গেছি ভুলে।
সুখ এলো——–

সুখ এলো জীবনে, জীবনে, জীবনে,
কথা শেষ সুরে, সুর শেষ গানে,
সুখ শেষ কোথায় যানিনা।

তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তুমি হলে তুমি, দূর এলো কাছে,
তাই তো কিছুই মানি না।
কোথা হতে শুরু কোথা সেষ হবে,
তুমি হলে তুমি—-