ব্যান্ড

আমার ছোট ভাই

আমার ছোট ভাই
তারে কত যে বোঝাই
ওই ফুটবল খেলা
দেখা বড়ই ঝামেলা
ব্লাকে টিকেট কিনতে গেলে
পয়সা লাগে মেলা

একদিন সে
ছুটে এসে
বলল আপা পয়সা দে
আবহানি মোহামেডান
খেলবে আজ জমানো খেলা
পয়সা হাতে পেয়ে
ছুটল সে চারটি খেয়ে
খুশীতে ডগমগ
সে পেল যেন স্বর্গ

সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত্রি হল
ভাইটি তবু বাড়ি না এলো
দুশ্চিন্তায় মন ভরে গেল
দিকে দিকে লোক ছুটল
অনেক রাতে খবর এলো
আহত তাই ছাড়া পায় নাই
পরের দিন সকালে
সবাই হাসপাতালে
গেলাম তারে দেখতে
পেলাম সব শুনতে
একটি গোল নিয়ে
লেগেছিল গণ্ডগোল
চলছিল খেলা ঠিকই
দুই ভক্তের তর্ক জুরী
কথা কাটাকাটি
উঠল হাতে লাঠি

ইট পাটকেল লাঠিসোটা
পড়তে লাগলো গোটা গোটা
হট্টগোল আর হট্টগোল
গণ্ডগোল হল জমানো খেলায়
আমার ছোট ভাই কভু আর বলে নাই
দেখতে যাব ফুটবল খেলা আপা পয়সা চাই

আধুনিক

বন্ধু তুই

বন্ধু তুই আমার চোখের মাঝে
এক ফোটা স্বপ্ন এনে দে
বন্ধু তুই আমাএ ইচ্ছে গুলো কে
মেঘ হতে বৃষ্টি করে নে
বন্ধু তুই এখন আগের মত করে
আমায় ভাবিস ?
নিকষ আধারে আমার চোখে এক পলক
নীল জোছনা খুজিস

বন্ধু তুই আমার ছেলে বেলার
রঙ্গিন কাঠ পেন্সিলের মায়া
দূর আকাশের জমানো রংধুনু
বিকেল বেলা
বন্ধু তুই নতুন কথার নতুন কোন সুর
বন্ধু তুই রোধহিন একলা দুপুর
বন্ধু তুই আমার
বন্ধু হয়ে থাকিস
স্মৃতি গুলো একই বাধনে বেধে রাখিস

ব্যান্ড

আমার বাংলাদেশ

আমার বাংলাদেশ
দুঃখিনী মায়ের দেশ
মা-গো তোমার কোলে জন্ম যে আমার।
স্বপ্নে সাজানো দেশ
ভেঙ্গে চুড়ে আজ শেষ
মা-গো তোমার আকাশ জুড়ে কেন আঁধার।
সোনালি ফসলেই ঐ মাঠ
আজ পুড়ে হল ছারখার
বাউলের কণ্ঠে নেই গান…
কিষানের ঘরে আজ আধার
দুঃস্বপ্নের বিভীষিকাতে
আজ শুধু ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায় ঘুম
রাজনীতি সন্ত্রাস ছলনায়
দেশ জুড়ে শুধু হাহাকার ।

শত শহীদের প্রান
আনলো স্বাধীনতার গান
তবে কেন আবার এই দেশ রক্তে লাল ??
দেশ কে গড়ার শপথ
কেন হারালো এই পথ
নিঃস্ব বাতাস জুড়ে কেন আর্তনাদ ??

শহর নগর জুড়ে নদি বাঁকে বাঁকে
কেন শুনি লাখো মনে দীর্ঘশ্বাস
বাংলার দামাল ছেলেরা
জাগো আবার জাগো
যদি মায়ের মুখের হাঁসি ফিরে চাও
মা-গো তোমার কোলে জন্ম যে আমার।

আধুনিক

ঘাসফুল

ইচ্ছেতো ছিল ঘাসফুল হব, হব প্রজাপতি লাল নীল
ইচ্ছেতো ছিল রংধনু হব, ভাসবো আকাশে অনাবিল
ইচ্ছেতো ছিল স্বপ্ন হয়ে, ছুঁয়ে যাব আঁখিপাত
ইচ্ছেতো ছিল বাসবো ভালো, তোমায় আমি দিন রাত

ইচ্ছেতো ছিল জোনাকি হব, জ্বলবো আঁধারে ঝিলমিল
ইচ্ছেতো ছিল রাতের উঠোনে হব তারাদের মিছিল
ইচ্ছেতো ছিল থাকবো আমি, তোমার বুকেরই খাঁচায়
ইচ্ছেতো ছিল বাঁচবো আমি, শুধু তোমারই আশায়

ইচ্ছেতো ছিল বুনোহাঁস হব, কাটবো সাঁতার নিশিরাত
ইচ্ছেতো ছিল পদ্মপাতায় দেখবো, সোনালি প্রভাত
ইচ্ছেতো ছিল ছবি হব, তোমার চোখেরই পাতায়
ইচ্ছেতো ছিল রাখবো তোমায়, প্রাণ থাকে যেথায়

ব্যান্ড

আশা

জীবন আমার // বড় বদলে গেছে
তুমি কোথায় আছো কেমন?
আশা ছিল তোমাকে পাবার,
তুমি ছিলে হৃদয়ে আমার||

||প্রতিদিন আমার মনে পড়ে তোমায়
অতীত সৃতিগুলো
ভালোবাসা মনে আশা ছিল
কেন এমন হল?
তোমাকে ভেবে মন আমার
উদাস হতে চায়,
চলে গেলে কোথায়? কোন দূর অজানায়?||

||স্বপন নেই চোখে আশা নেই বুকে
ভেঙ্গে গেল ঝড়ে
আবেগ নেই মনে শুধু তোমায়
পড়ে আবার মনে
ব্যাথারই স্রোতে মন আমার
হারাতে যে চায় চলে গেলে
কোন দূর অজানায় ||

র‍্যাপ

ডেঙ্গু মশা

“কুরবান ভাই কুরবান ভাই সোহাগী আপা চিঠি পাডাইচে”

এই দেখিত কি লিখেছে চিঠিতে !!! ওফ, জানেমান, মেরি জান, চিঠি দিয়েছে ডেটিং করতে। মাঝ রাত, আকাশে জোসনার আলো , তার নিচে ঝোপঝাড়ের মধ্যে প্রেম হবে। মেরি তামান্না…… যাই যাই।

“এ মামু দোয়া রাখিস, সোহাগীর কাসে যাইতাসি, পরে কথা কমু।”

ডেটিং করতে যাচ্ছিলাম…
আন্ধার রাইতে পুকুর পাড়।
চাঁদনী রাতে পেচায় চিল্লায়,
হেইল্লা ধরে কুত্তার পাও।

(ওমা……)
শেষমেষ একটা ঝোপের ভিতর
… করে হাইন্দে যাই।
উকি ঝুকি মাইরা খুঁজি,
সোহাগী তুমি পৌছাও নাই।
ডেঙ্গু মশার কামড় খাইয়া গায়ে উঠে পেইন,
চুলকাইতে চুলকাইতে খুললাম প্যান্ট এর চেইন,
ও কি মহা প্রবলেম…… (ওমাগো)

চুলকাও খাউজাইয়া দাও… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা (আহা)…
পিঠ কাইত করে চুলকাও…কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।
কিল চর থাপ্পড় দেয়… সোহাগীর খালাম্মা আইসা ( ও ও ও )
পিরিত করতে চাইয়া রীতিমত খাইসি ধোঁকা,
রীতিমত হইসি বোকা… রীতিমত খাইসি ধোঁকা।

ওমা কি দজ্জাল বেটি,
গায়ে ঢালে কেরোসিন তেল,
বলল যদি আবার আবি,
মাথা চাইচ্ছা করব বেল।

ডেঙ্গু মশার কামড় খাইয়া গায়ে উঠসে পেইন,
চুলকাইতে চুলকাইতে খুললাম পেন্ট এর চেইন,
ও কি মহা প্রবলেম ( ওমা গো… )

চুলকাও খাউজাইয়া দাও… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা,
পিঠ কাইত করে চুলকাও…কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।
কিল চর থাপ্পড় দেয়…সোহাগীর খালাম্মা আইসা ( আম্মা গো)
পিরিত করতে চাইয়া রীতিমত খাইসি ধোঁকা,
রীতিমত হইসি বোকা… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।

ডেঙ্গু মশার কামড় খাইয়া গায়ে উঠে পেইন,
চুলকাইতে চুলকাইতে খুললাম পেন্ট এর চেইন,
ও কি মহা প্রবলেম।

চুলকাও খাউজাইয়া দাও… কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা,
পিঠ কাইত করে চুলকাও…কামড়াইসে ডেঙ্গু মশা।
কিল চর থাপ্পড় দেয়… সোহাগীর খালাম্মা আইসা।
পিরিত করতে চাইয়া রীতিমত খাইসি বোকা।

ব্যান্ড

এইটুকু খোলা রেখো পথ

এইটুকু খোলা রেখো পথ
যদি কোনদিন আসি ফিরে।।
খোলা জানালা থাক না খোলা,
তোমার দু’চোখ যেমন ছিল।

মন যদি কাঁদে দূর নিশ্চুপে,
তাঁরা হয়ে জ্বলে…
দেবো আকাশের ছোঁয়া…আর একটু আলো।
এইটুকু খোলা রেখো পথ
যদি কোনদিন আসি ফিরে।

ভালোবাসায় জানি ছিল ভুল,
তবু কেন মন হারালো? ।।
আজ বালুচরে ভেসে যাওয়া সব
সৃতির ঘর হয় এলোমেলো।
বর্ষার জলে মাধবীলতায় ব্যথা ভরে তুলে
মৌনতায় মুছে যাওয়া গান হৃদয়ে এলো।।

দেশাত্মবোধক গান

জয় বাংলা বাংলার জয়

জয় বাংলা বাংলার জয়
জয় বাংলা বাংলার জয়
হবে হবে হবে হবে নিশ্চয়
কোটি প্রাণ এক সাথে জেগেছে অন্ধ রাতে
নতুন সূর্য ওঠার এই তো সময়
জয় বাংলা বাংলার জয়
জয় বাংলা বাংলার জয়

বাংলার প্রতি ঘর ভরে দিতে চাই মোরা অন্নে
আমাদের রক্ত টগবগ দুলছে মুক্তির দীপ্ত তারুণ্যে
নেই ভয়
হয় হোক রক্তের প্রচ্ছদপট
তবু করি না করি না করি না ভয়
জয় বাংলা বাংলার জয়
জয় বাংলা বাংলার জয়

অশথের ছায়ে যেন রাখালের বাঁশরি হয়ে গেছে একেবারে স্তব্ধ
চারিদিকে শুনি আজ নিদারুণ হাহাকার আর ওই কান্নার শব্দ

শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র
বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র
আর নয়
তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়
আমি করি না করি না করি না ভয়
জয় বাংলা বাংলার জয়
জয় বাংলা বাংলার জয়

ভুখা আর বেকারের মিছিলটা যেন ওই দিন দিন শুধু বেড়ে যাচ্ছে
রোদে পুড়ে জলে ভিজে অসহায় হয়ে আজ ফুটপাতে তারা ঠাঁই পাচ্ছে

বার বার ঘুঘু এসে খেয়ে যেতে দেবো নাকো আর ধান
বাংলার দুশমন তোষামোদী-চাটুকার সাবধান সাবধান সাবধান
এই দিন
সৃষ্টির উল্লাসে হবে রঙিন
আর মানি না মানি না কোনও সংশয়
জয় বাংলা বাংলার জয়
জয় বাংলা বাংলার জয়

মায়েদের বুকে আজ শিশুদের দুধ নেই
অনাহারে তাই শিশু কাঁদছে
গরীবের পেটে আজ ভাত নেই ভাত নেই
দ্বারে দ্বারে তাই ছুটে যাচ্ছে।

মা-বোনেরা পরণে কাপড়ের লেশ নেই
লজ্জায় কেঁদে কেঁদে ফিরছে
ওষুধের অভাবে প্রতিটি ঘরে ঘরে,
রোগে শোকে ধুকে ধুকে মরছে
অন্ন চাই, বস্ত্র চাই, বাঁচার মত বাঁচতে চাই
অত্যাচারী শোষকদের আজ
মুক্তি নাই, মুক্তি নাই , মুক্তি নাই।

ব্যান্ড

শেখানো বর্ণনা

এই তো এই নিঝুম রাত
স্বপ্নীল এই তারার সাজ
ছন্দে গড়া এই তাজ
এই পৃথিবী
এই তো এই সবুজ মাঠ
আকাশের এই নীল বরণ
আমার দেহের গড়ন
এই পৃথিবী
এই তো এই পৃথিবী
শেখানো দৃষ্টির শেখানো ছবি
এই তো এই পৃথিবী
শেখানো বর্ণনা

এই তো এই নিঝুম রাত
স্বপ্নীল এই তারার সাজ
ছন্দে গড়া এই তাজ
এই পৃথিবী
এই তো এই সবুজ মাঠ
আকাশের এই নীল বরণ
আমার দেহের গড়ন
এই পৃথিবী
এই তো এই পৃথিবী
শেখানো দৃষ্টির শেখানো ছবি
এই তো এই পৃথিবী
শেখানো বর্ণনা

এই তো এই পৃথিবী
শেখানো দৃষ্টির শেখানো ছবি
এই তো এই পৃথিবী
শেখানো বর্ণনা

এই তো এই চেনা পথ
চেনা ঘর আর চেনা রথ
ছকে বাধা নিয়ম
এই পৃথিবী
এই তো আমার ধরন
খুজি শুধু কারণ
সুপ্ত আমার এ মন
এই পৃথিবী

এই তো এই পৃথিবী
শেখানো দৃষ্টির শেখানো ছবি
এই তো এই পৃথিবী
শেখানো বর্ণনা

ব্যান্ড

ফিরে এসো

ফিরে এসো এই হৃদয় নগরে,
মন ছুয়ে যাও প্রনয় সুরে।।
ফিরে এসো বড় নিঃস্ব একা লাগে,
ফিরে এসো সেই চেনা পথের ধারে।
জেনে রেখো সেই প্রেম রেখেছি ধরে,
রেখেছি তুলে অন্তরে।

রয়েছ দূরে দূরে…
শত অভিমান অভিযোগে।
সেই কথা তো বুঝিনি আগে।
জানিনা কোন ভুলে
তুমি দেখলেনা পিছু ফিরে,
রেখেছ আমায় শুন্য করে।
ফিরে এসো বড় নিঃস্ব একা লাগে,
ফিরে এসো সেই চেনা পথের ধারে।
জেনে রেখো সেই প্রেম রেখেছি ধরে,
রেখেছি তুলে অন্তরে।

সৃতির মায়াজালে আমি যে বাঁধা পড়েছি,
তবুও তো তোমাকে চেয়েছি।
চোখে শ্রাবণধারা নীরবে ভিড় করে,
যখন তোমায় মনে পড়ে।
ফিরে এসো বড় নিঃস্ব একা লাগে,
ফিরে এসো সেই চেনা পথের ধারে।
জেনে রেখো সেই প্রেম রেখেছি ধরে,
রেখেছি তুলে অন্তরে।।

বিবিধ

ফেরিওয়ালা

কষ্ট নেবে কষ্ট
হরেক রকম কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট।

লাল কষ্ট নীল কষ্ট কাঁচা হলুদ রঙের কষ্ট
পাথর চাপা সবুজ ঘাসের সাদা কষ্ট
আলোর মাঝে কালোর কষ্ট
‘মালটি-কালার’ কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট।

ঘরের কষ্ট পরের কষ্ট পাখি এবং পাতার কষ্ট
দাড়ির কষ্ট
চোখের বুকের নখের কষ্ট,
একটি মানুষ খুব নীরবে নষ্ট হবার কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট।

প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট নদী এবং নারীর কষ্ট
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট,
ভুল রমণী ভালোবাসার
ভুল নেতাদের জনসভার
হাইড্রোজনে দুইটি জোকার নষ্ট হবার কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট।

দিনের কষ্ট রাতের কষ্ট
পথের এবং পায়ের কষ্ট
অসাধারণ করুণ চারু কষ্ট ফেরীঅলার কষ্ট
কষ্ট নেবে কষ্ট।

আর কে দেবে আমি ছাড়া
আসল শোভন কষ্ট
কার পুড়েছে জন্ম থেকে কপাল এমন
আমার মত ক’জনের আর
সব হয়েছে নষ্ট
আর কে দেবে আমার মতো হৃষ্টপুষ্ট কষ্ট।

ছায়াছবি

ফেরারি মন

আলো আলো রং জমকালো চাঁদ হয়ে যায়
চেনা শোনা মুখ জানাশোনা হাত ছুয়ে যায়
ধীরে ধীরে মন ঘিরে ঘিরে গান রেখে যায়
কিছু মিছু রাত পিছু পিছুটান ডেকে যায়
আজো আছে গোপন ফেরারি মন
বেজে গেছে কখন সে টেলিফোন
চেনাশোনা মুখ জানাশোনা হাত রেখে যায়
ধীরে ধীরে মন ঘিরে ঘিরে গান ডেকে যায়
আজো আছে গোপন ফেরারি মন
বেজে গেছে কখন সে টেলিফোন
ছোট ছোট দিন আলাপে রঙ্গিন নুরিরি মতন
ছোট ছোট রাত চেনা মনটার পলাশের বন আহা
অগোছালো ঘর খড়কুটোময় চিলেকোঠা কোণ আহা হা হা আহা (২)

কথা ছিল হেটে যাবো ছায়াপথ
আজো আছে গোপন ফেরারি মন
বেজে গেছে কখন সে টেলিফোন
কিছু মিছু রাত পিছু পিছুটান অবিকল
আলো আলো রং জমকালো চাঁদ ঝলমল
আজো আছে গোপন ফেরারি মন
বেজে গেছে কখন সে টেলিফোন

গুড়ো গুড়ো নীল রং পেনসিল জোছোনার জল
ঝুরো ঝুরো কাচ আগুন ছোঁয়া ঢেকেছে আঁচল আহা
ফুঠপাথ ভিড় জাহাজের ডাক ফিরে চলে যায় আহা হা হা আহা (২)
কথা ছিল হেটে যাবো ছায়াপথ
আজো আছে গোপন ফেরারি মন
বেজে গেছে কখন সে টেলিফোন
আলো আলো রং জমকালো চাঁদ হয়ে যায়
চেনা শোনা মুখ জানাশোনা হাত ছুয়ে যায়
আজো আছে গোপন ফেরারি মন
বেজে গেছে কখন সে টেলিফোন

আধুনিক

স্মৃতিচারণ

আজ আমি পিছে তাকিয়ে দেখি
সব কিছু হারিয়ে যায়
শূন্য শুরুর শেষে আমার
গল্পগুলো কি ফিরে পাবো
থাকবে কি ঐ বাতাসে
যা হারিয়ে গিয়েছিল
আজ সবকিছু এলোমেলো
এলোমেলো এক ঘরে
বন্দী হয়ে আমি

কেনো হারিয়ে যায়
স্মৃতিগুলো
স্মৃতিগুলো কেনো হারিয়ে যায়??
তোমার জন্য সত্য মিথ্যা
গল্পগুলো কি সব বদলে গেলো?

এই গান আমি গাচ্ছি আজ
অন্ধকার ঘরে বসে
গেয়ে যাও আমার সাথে
তোমার জন্য ছিল এই গান
এখনো যে আছে, থাকবে
চিরকাল

আজ সবকিছু এলোমেলো
এলোমেলো এক ঘরে
বন্দী হয়ে আমি

কেনো হারিয়ে যায়
স্মৃতিগুলো
স্মৃতিগুলো কেনো হারিয়ে যায়??
তোমার জন্য সত্য মিথ্যা
গল্পগুলো কি সব বদলে গেলো?
কেনো হারিয়ে যায়
স্মৃতিগুলো
স্মৃতিগুলো কেনো হারিয়ে যায়??
তোমার জন্য সত্য মিথ্যা
গল্পগুলো কি সব বদলে গেলো?

ব্যান্ড

স্কুল পলাতক মেয়ে

রেশমী চূড়ি হাতে এলোমেলো চুল
স্কুল পলাতক মেয়ে করেছে ব্যাকুল
দুরু দুরু কাঁপে বুক যদি দেখে হায়
এভাবে কি তার সাথে প্রেম করা যায়
বুঝেও না বুঝে তুমি গেছো বহুদূর
ব্যথায় ভরা মন
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি

রোদে জ্বলা শিউলী তলায় ও হায়
তোমারি পথ চেয়ে দিন কেটেছে
এই চোখ যত দূরে দৃষ্টি মেলায়
শুধু দুচোখ তোমাকে খুজেছে(২)
বুঝেও না বুঝে তুমি গেছো বহুদূর
ব্যথায় ভরা মন
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি

রোজ তুমি স্কুল পলায়ে পলায়
হাত দুটি ধরে মোর খুচো দিয়ে বলতে
স্কুল ব্যাগ ছুড়ে ফেলে দিয়ে সুদূর
গীটার গীটারে ঝড় তুলতে(২)
বুঝেও না বুঝে তুমি গেছো বহুদূর
ব্যথায় ভরা মন
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি

রেশমী চূড়ি হাতে এলোমেলো চুল
স্কুল পলাতক মেয়ে করেছে ব্যাকুল
দুরু দুরু কাঁপে বুক যদি দেখে হায়
এভাবে কি তার সাথে প্রেম করা যায়
বুঝেও না বুঝে তুমি গেছো বহুদূর
ব্যথায় ভরা মন
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি
তুমি নাই, তুমি নাই, তুমি নাই বাসরী
কত ফাগুন যায় বলো কি করি

স্কুল পলাতক মেয়ে…………

আধুনিক

আইল শীত ঋতু হেমন্তের পরে

আইল শীত ঋতু হেমন্তের পরে,
শীতল ধরণী এবে চাহে দিবাকরে।।
কুন্দ শেফালিকা ফুলে
নীহারবিন্দু উছলে;
কুসুম কানন মূলে
শ্রীরাগ বিহার করে।।
রাগিনী নবরঙ্গিনী
শ্রীরাগ অনুসঙ্গিনী।
নাচিছে লাসভঙ্গিনী
গাহিছে মোহন স্বরে।।