ব্যান্ড

মাঝি

হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়াহো।

মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না
আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ
সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি
তুই তো জানলি না রে।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না
আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ
সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি
তুই তো জানলি না রে।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না।

হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়াহো।

পইড়া খবর পত্রিকাতে
বুক ভাইসা যায় চোখের জলে
দেখতাছি যে টেলিভিশনে
ভাইসা গেছে সাগর জলে
কুকুর গরু বাছুরের মাঝে উলঙ্গ তোর দেহ খানা।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না
আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ
সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি
তুই তো জানলি না রে।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না।

হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়াহো।

দেইখা ভীষণ অবাক লাগে
বড় মানুষ বড় মুখে
তারাই নাকি বড় হোটেলে
তোর কারনেই তোরই দুঃখে
সারা রাত্রি ডিস্কো নাইচ্চা
টোকাইতাছে টাকা আনা।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না
আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ
সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি
তুই তো জানলি না রে।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না।

হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়াহো।

তোর লাশেরে নিয়া সবে
লোক দেখাইয়া কাইন্দা মরে
এক সাধারণ শিল্পী হইয়া
দুঃখ জানাই কেমন কইরা
গানের সুরে চোখের জলে শোধ হয় কি দুঃখের দেনা?
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না
আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ
সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি
তুই তো জানলি না রে।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না
আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ
সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি
তুই তো জানলি না রে।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না।
মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না।

হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।
হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো।

ব্যান্ড

গিটার কাঁদতে জানে

ছয়টি তারে লুকিয়ে আছে
ছয় রকমের কষ্ট আমার।।
ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত
নির্ঘুম রাত জেগে জেগে
গিটার কাঁদতে জানে
গিটার কাঁদতে জানে।

অভিমানী একটি তারের নিজ চোখের মত
চিরদুখী একটি তারের বুকটা জমাট ক্ষত।
ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত
নির্ঘুম রাত জেগে জেগে
গিটার কাঁদতে জানে
গিটার কাঁদতে জানে।

একা নামের একটি তারের সুখের একটু পাশে
পরবাসী তারটি বড় বিষাদ ভালোবাসে।
ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত
নির্ঘুম রাত জেগে জেগে
গিটার কাঁদতে জানে
গিটার কাঁদতে জানে।

ছয়টি তারে লুকিয়ে আছে
ছয় রকমের কষ্ট আমার।।
ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত
নির্ঘুম রাত জেগে জেগে
গিটার কাঁদতে জানে
গিটার কাঁদতে জানে।

জীবনমুখী গান

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়
আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।।

চারিদিকে দেখো থৈথৈ পানি পানির নাইরে শেষ
অতি বৃষ্টির পাল্লায় পড়ে বন্যায় ভাসে দেশ
পানির তোড়ে যায়রে ভেসে হাজারো ঘর-বাড়ি
সাধের সংসার নিয়ে কেহ নৌকাতে দেয় পাড়ি
আবার এরই মধ্যে সখ করে কেউ ডাইল খিচুড়ি খায়।
হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়
আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।

সবাই জানে একটুখানি বৃষ্টি হয় যদি
ঢাকা শহরের রাস্তা-ঘাট হয়ে যায়রে নদী
ম্যানহোলের ঢাকনাটা খোলা যায়না কিছু বুঝা
একবার যে পড়েছে সে জানে উঠা নয় সোজা
হায় যানজটে জলজটে পড়ে যাত্রীদের জান যায়।
হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়
আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।

চলচ্চিত্রে বৃষ্টির সিন ধরে ক্যামেরায়
নকল বৃষ্টিতে নায়িকারে ভিজায় সিনেমায়
শ্রাবণ মাসে ছিদ্র থাকে যাদের ঘরের চালা
দুনিয়াতে তারাই জানে মেঘ-বৃষ্টির কি জ্বালা
তাই দুঃখের বৃষ্টি চায়না মনে সুখের বৃষ্টি চায়।
আয়রে বৃষ্টি আয়রে আয়
আয়রে সুখের বৃষ্টি আয়।

ব্যান্ড

আমি তো মরে যাবো

আমি তো মরে যাবো

আমি তো মরে যাবো
চলে যাবো রেখে যাবো সবই
আছস নি কেউ সঙ্গের সাথী
সঙ্গে নি কেউ যাবি
আমি মরে যাবো।।।

মরার সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যাবে কান্নাকাটির ভিড়
সবাই মোরে মাটি দিতে হইবে অস্থির।।
আমায় দেবে মাটি
আমায় দেবে মাটি ভুল ত্রুটি চেয়ে নেবে ক্ষমা
কেউবা এসে হিসাব করবে কোন ব্যাংকে কি জমা?
আমি মরে যাবো।
আমি তো মরে যাবো
চলে যাবো রেখে যাবো সবই
আছস নি কেউ সঙ্গের সাথী
সঙ্গে নি কেউ যাবি
আমি মরে যাবো।

মরে যাবো রেখে যাবো দুনিয়ার সম্পদ
সেই সম্পত্তি ডেকে আনবে আপদ আর বিপদ।।
সম্পদ ভাগের জন্য
সম্পদ ভাগের জন্য মন মালিন্য হবে সুত্রপাত
একজনকে করবে আরেকজন আঘাত অপবাদ
আমি মরে যাবো।
আমি তো মরে যাবো
চলে যাবো রেখে যাবো সবই
আছস নি কেউ সঙ্গের সাথী
সঙ্গে নি কেউ যাবি
আমি মরে যাবো।

গানের ছন্দে মন আনন্দে মাথা ঝোলাও তালে
বুঝলি না কি অন্ধ মানুষ গায়কে কি বলে।।
সবার হাতে ধরি
সবার হাতে ধরি পায়ে পড়ি বেঁধে নাও সামান
কিতাবে কয় ওপারের ডাক ভয়ঙ্কর নিদান
আমি মরে যাবো।
আমি তো মরে যাবো
চলে যাবো রেখে যাবো সবই
আছস নি কেউ সঙ্গের সাথী
সঙ্গে নি কেউ যাবি
আমি মরে যাবো।।।

ব্যান্ড

কবিতার মতো চোখ

কবিতার মতো সে চোখ দুটো
এখন কোথায় তোমার?
যে চোখে অপলক দৃষ্টিতে
আমায় আপ্লুত করে রাখতে।
কবিতার মতো তাকিয়ে থাকা
এখন কোথায় বাঁধা পড়লো?
যে দৃষ্টিতে ছিলো শুধু আবেগ
যে চোখে আমায় ভালোবাসতে।

মনে পড়ে অলস প্রহর আমার
তোমারই কোমল ছোঁয়ায় প্রাণ পেতো।
হঠাৎ ভাঙনের ঝড় কেন এলো?
কেন দুটি জীবন করে দিয়ে এলোমেলো?

ভুলে গিয়ে অতীতের সব ভুল
যদি আবার শুরু থেকে শুরু করা যায়।
কেন দুটি হৃদয়ে প্রেম আসে?
কেন যে মানুষ বারেবার ভালবাসে?

ব্যান্ড

একদিন তো চলে যাবো

একদিন তো চলে যাবো দুঃখ পেয়ো না
হাসি মুখে থেকো যেন কেঁদো না।।
স্মৃতিগুলো খুঁজে নিতে ভুল করো না
অন্তরে গেঁথে রেখো ছিঁড়ে ফেলো না।
একদিন তো চলে যাবো দুঃখ পেয়ো না
হাসি মুখে থেকো যেন কেঁদো না।।

হেসে খেলে ক্ষণ বয়ে গেছে কত না
নীরবে কেঁদেছি কত কেউতো জানে না।।
কষ্ট-জ্বালা সবই আছে বলা যাবে না
এই নিয়ে যাবো চলে মন ভেঙ্গো না।
একদিন তো চলে যাবো দুঃখ পেয়ো না
হাসি মুখে থেকো যেন কেঁদো না।।

স্বপ্ন কত এলো গেলো পূরণ হল না
মাটি চাপা রেখেছি সুপ্ত বাসনা।।
পরবাসী মনটা শুধু করে ঝামেলা
কখন হারিয়ে যাবো তাও জানি না।
একদিন তো চলে যাবো দুঃখ পেয়ো না
হাসি মুখে থেকো যেন কেঁদো না।।
স্মৃতিগুলো খুঁজে নিতে ভুল করো না
অন্তরে গেঁথে রেখো ছিঁড়ে ফেলো না।
একদিন তো চলে যাবো দুঃখ পেয়ো না
হাসি মুখে থেকো যেন কেঁদো না।।

ব্যান্ড

অ আ

অ আ ই ঈ উ ঊ ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ।
অ আ ই ঈ উ ঊ ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ।
অ আ ই ঈ।

ফেব্রুয়ারি আমার মায়ের
ফেব্রুয়ারি আমার ভাইয়ের
ফেব্রুয়ারি কোটি মানুষের
৮ ই ফাল্গুন বাংলাদেশের।।
একুশে ফেব্রুয়ারি
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি।।

মা ডাকে আয় আয়
খোকন আয়
দুধ দিয়ে মাখা ভাত কাকে খায়
আয়রে পাখি লেজ ঝোলা
খোকন কে নিয়ে কর খেলা।
মা ডাকে আয় আয়
চোখে ঘুম আয়
চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যায়।।

ঘুমায় সালাম ঘুমায় বরকত
ঘুমায় মায়ের রফিক জব্বার।।।।

ফেব্রুয়ারি আমার মায়ের
ফেব্রুয়ারি আমার ভাইয়ের
ফেব্রুয়ারি কোটি মানুষের
৮ ই ফাল্গুন বাংলাদেশের।
একুশে ফেব্রুয়ারি
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি।
একুশে ফেব্রুয়ারি
সারা বিশ্বের আমার ভাইয়ের ফেব্রুয়ারি।

ব্যান্ড

জীবনানন্দের কবিতা

জীবনানন্দের কবিতা উপমায় একটু মিথ্যে নেই
পৃথিবীকে তোমারই জন্যে ছাড়তে কোন আপত্তি নেই
তোমাকে ছাড়া যে বাঁচবো না এর চেয়ে বড় কোন সত্যি নেই
জীবনানন্দের কবিতা উপমায় একটু মিথ্যে নেই
তোমাকে ছাড়া যে বাঁচবো না এর চেয়ে বড় কোন সত্যি নেই
জীবনানন্দের কবিতা…

একটা অরণ্য সে শুধু আমার
সেখানে বিচরণ শুধুই তোমার
সে অভয়ারণ্যে আর কিছু নেই
একটা অরণ্য সে শুধু আমার
তোমাকে ছাড়া যে বাঁচবো না এর চেয়ে বড় কোন সত্যি নেই
জীবনানন্দের কবিতা…

বুকেরই সীমান্তে যে ছবি আঁকা
সেখানে উপমা ভরা কবিতা রাখা
সে কবিতাতে তুমি সবটা জুড়ে
বুকেরই সীমান্তে যে ছবি আঁকা
তোমাকে ছাড়া যে বাঁচবো না এর চেয়ে বড় কোন সত্যি নেই
জীবনানন্দের কবিতা উপমায় একটু মিথ্যে নেই
তোমাকে ছাড়া যে বাঁচবো না এর চেয়ে বড় কোন সত্যি নেই
জীবনানন্দের কবিতা উপমায় একটু মিথ্যে নেই।

“প্রতিটি মানুষের একটা নিজস্ব আকাশ থাকে
আমার সেই আকাশ তুমি
নিজস্ব যে অরণ্য আমি গড়েছি
সেখানে শুধুই তুমি
তোমারই বিচরণ
মিথ্যে বলবো না
আমার প্রতিটি ভোর আসে তোমাকে ভেবেই
রাতে ঘুমের দেশে যাওয়ার সময়
যে ভাবনা আমাকে আচ্ছন্ন করে
সে শুধু তোমাকে নিয়ে
তোমাকে পাওয়ার শর্তে
পৃথিবীকে হারাতে আপত্তি নেই
তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না
এর চেয়ে বড় কোন সত্যি নেই”।

ব্যান্ড

আবারও যুদ্ধে যেতে হবে

পৃথিবীতে বেড়াতে আসিনি এসেছি অনেক কাজ নিয়ে
শঙ্কাহীন মনের হোঁৎকার দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা নিজে
ক্ষমতা লোভী আর ক্ষমতা ভোগীদের যুক্তিতে লড়তে হবে
লক্ষ লক্ষ লোক শহীদ হয়নি এই ঠকবাজি মেনে নিতে
এই ইন্টারনেটের যুগে মরণ মানুষিকতা এখনি রুখতে হবে
বাক স্বাধীনতা মুক্ত চিন্তা সংস্কৃতি গড়তে হবে।

আয় তোরা আয়, নির্ভয়ে তোরা আয়
মানবো না কোনও নেতা নেত্রী কিংবা রাজনীতিক দলের সুবিধাবাদী অঙ্গীকার
আয় তোরা আয়, নির্ভয়ে তোরা আয়
নিরপেক্ষের পক্ষ নিয়ে লড়ে যাবো আমরা লড়াকু জনতা।

তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
মোদের আবারও যুদ্ধে যেতে হবে।

পালাবদল করে ক্ষমতা দখল আজ ব্যবসা বাংলাদেশে
দলীয়করণ আর মানুষের মরণ চলেছে হাতে হাত রেখে
পঁচিশ বছর পরে করুণার দৃষ্টিতে বিশ্ব তাকিয়ে আছে
দু’শটি বছর পিছিয়েছি মাগো তাতে বিশ্বের কি যায় আসে
আজ ধর্ষণ ধর্ষণ অ্যাসিড নিক্ষেপণ অস্ত্রধারী চারিদিকে
বিশেষ ক্ষমতা আইন বিশেষ ঘটনাকেই ক্ষমতায় অটুট রেখেছে
শান্তি দে, দে বাঁচতে দে
নইলে মোদের খুনি সন্ত্রাসীদের সম্মুখে লড়বার অস্ত্র হাতে তুলে দে
চাকরি দে, দে চাকরি দে
নইলে মোদের অসৎ পথে বেঁচে থাকবার অধিকারটুকু দে।

তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
মোদের আবারও যুদ্ধে যেতে হবে।

আয় তোরা আয়, নির্ভয়ে তোরা আয়
মানবো না কোনও নেতা নেত্রী কিংবা রাজনীতিক দলের সুবিধাবাদী অঙ্গীকার
আয় তোরা আয়, নির্ভয়ে তোরা আয়
নিরপেক্ষের পক্ষ নিয়ে লড়ে যাবো আমরা লড়াকু জনতা।

তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
মোদের আবারও যুদ্ধে যেতে হবে।

তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা সারা বাংলায় খবর দিয়ে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
তোরা দেয়ালে দেয়ালে চিকা মেরে দে
মোদের আবারও যুদ্ধে যেতে হবে।

ব্যান্ড

গীতি ভাষণ (মৃত্যুদন্ড)

আমি কিছু বাঙালির মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি কিছু বাঙালির মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আবার ভাবি মৃত্যুদন্ড বড্ড হালকা শাস্তি হয়ে যায়।

না না না না না না রাজাও না
জানামতে কোনো নীতিও নাই
তাই রাজনীতির জমজমাট ব্যবসা চলে নির্দ্বিধায়
না না না না না না আপত্তি নাই
উপরে বসে ঈশ্বর আল্লাহ্‌ দেখছে তামাশা
নিচে তোরাই মোদের হর্তাকর্তা আর ভাগ্যবিধাতা
রক্তপিপাসু দানবের দল
রক্ত ফিনকি আর মায়ের অশ্রুজল
আদিকাল হতে বাংলায় বসতি
ইতিহাসে ঘুর ঘুর ঘুর ঘুর ঘুর ঘুর ঘুর ঘুর ঘুর ঘুর করে ঘুরে এসেছে
শুধু এক পুনরাবৃত্তি।

আর তাই
আর তাই
আমি কিছু বাঙালির মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আবার ভাবি মৃত্যুদন্ড বড্ড হালকা শাস্তি হয়ে যায়।

শেখাবে অনেক কিছু
পায়ের রগ কাটা, হুমকি দেয়া, বোমা ছোড়া
আর ভচাত করে পেটের ভুড়ি সব নামিয়ে ফেলতে
সব কিছু দেওয়ার আশ্বাস দেবে,
দেবে না শুধু শিক্ষা, চাকরি আর শান্তিতে বসবাস করতে।
ক্ষমতা নামের শিল্প কারখানায় তৈরী হচ্ছে এক বিশাল ইন্দ্রজাল
আর তুই তাতে শিক্ষিত মূর্খ বিনে পয়সায় কেনা টাটকা কাঁচামাল (হাহ্‌ হা)
আর জানতে পারবো তোর মৃত্যুর খবর পত্রিকাতে পরদিন
আর জানতে পারবো তোর মৃত্যুর খবর পত্রিকাতে পরদিন
হরতাল, ছুট্টি, লাগাও ফুর্তি কেবল টিভিতে শ্রীদেবী নাচবে
ধিনাক নাতিন তিন, ধিনাক নাতিন তিন, ধিনাক নাতিন তিন।

তোর নেতা নেত্রী এসে চুক চুক চুক চুক চুক চুক চুক চুক চুক করে চুম্বন দেবে
তোর এতীম সন্তানকে,
ওদের “বীর শহীদ একনিষ্ঠ কর্মী” বলে দশটি হাজার টাকা সঁপে দেবে
তোর ষোড়শী বিধবাকে
পচবি তুই কোন কবরস্থানে
নতুবা গলবি চিতার আগুনে
আর বছর ঘুরতে না ঘুরতে
তুই হারিয়ে যাবি
ইতিহাসের কোনো ডাস্টবিনে।

খুব ভাগ্যবান হলে অবশ্য
একটি স্মৃতিসৌধও হতে পারে তোর নামে
সেথায় কুকুর পা তুলে পেচ্ছাবের পিচকারী ছুড়বে পথ হারানোর ভয়ে
আর তোর নেতা নেত্রী বাহ্‌ বাহ্‌ বাহ্‌
আর সালাম কুড়াবেন তোর কঙ্কালের উপরে দাঁড়িয়ে।

ইতিহাসের একটা সময় ছিল যখন বাঙালি ছিল জাতি
আজ বাঙালি নেহায়েতই এক রাজনৈতিক উপাধি
আর বাঙালির আনন্দ উৎসবের মাস ‘ফেব্রুয়ারি’।

ঘৃণ্য রাজাকারের পোস্টার, স্টিকার আর ধিক্কার
সবই শোভা পায় এই ‘একুশের আনন্দ মেলায়’
পাশাপাশি ইমরান খান আর পিয়ারা পাকিস্তানের ক্রিকেটারের পোস্টারও ঝোলে
দোকানে দোকানে
‘প্রগতিশীল বাঙালি’ দু’রাত ঘুমাতে পারেনি
পাকিস্তানের ক্রিকেটারের ব্যর্থতা চিন্তা করতে করতে
অথচ খবর রাখেনা তার দু’লক্ষ মা বোন
আজও আটক আছে
পাকিস্তানেরই কত পতিতালয়ে
সেথায় একাত্তরের ঘাতকের সন্তানাদি
আজও নির্মম ধর্ষণ চালায়
পরাজয়ের প্রতিশোধ হিসাবে
আর তুই শালা আঙুল চোষা বাংলাদেশি
দে হাত তালি ‘বাউন্ডারি বাউন্ডারি’ আর ‘ছক্কা ছক্কা’ বলে।

কোথায় তোমরা নারীবাদী পক্ষ কোথায় তুমি তসলিমা?
কোথায় আমার দুই দেশনেত্রী খালেদা আর হাসিনা?

আপনারা কি খোঁজ নেবেন এসব গুরুতর অভিযোগের
নাকি শুধু রাজনীতি করবেন নিজেদেরই আত্মপ্রচার আর আত্মপ্রসাদের
নাকি আখ্যা দেবেন কেবল আমায়
‘উন্মাদ’, অবাঞ্চিত, নতুবা ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ বলে
শুধু বলি “আমার দু’লক্ষ মা বোনের মুক্তির দাবিতে
আমি যে প্রস্তুত, আমি প্রস্তুত, আমি প্রস্তুত, ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে”।

আর যদি নীরব থাকেন জেনে নেবো এই মৌনতা
আপনাদেরই সম্মতির লক্ষণ আর বলবো,
শুধু উপহাস করে বলবো,
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আমি আমার নিজের মৃত্যুদন্ডের দাবি তুলতে চাই
আবার ভাবি নিজের বেলাও এ বড্ড হালকা শাস্তি হয়ে যায়।

আধুনিক

দুই রঙের ঘুড়ি

পুড়তে চাইলে চল দুজন
এক আগুনে পুড়ি
দুই রঙের এক ঘুড়ি হয়ে
এক আকাশে উড়ি।

বৃষ্টি এলে গা বাঁচাবো
একটি ছাতার তলে
ভিজতে চাইলে চল দুজন
ভিজবো একই জলে
ভুল হলে আর কি বা হবে
নয়তো উনিশ কুড়ি
দুই রঙের এক ঘুড়ি হয়ে
এক আকাশে উড়ি।

এই দুনিয়া ছেড়ে ছুড়ে
আরেক দুনিয়াতে
যাইতে চাইলে চল দুজন
পালাই একই সাথে
ভুল হলে আর কি বা হবে
দু আঙুলের তুড়ি
দুই রঙের এক ঘুড়ি হয়ে
এক আকাশে উড়ি।

ব্যান্ড

লেইস ফিতা লেইস

লেইস ফিতা লেইস
লেইস ফিতা লেইস
চুড়ি ফিতা রঙিন সুতা রঙিন করিবে মন
লেইস ফিতা লেইস
লেইস ফিতা লেইস
সাজিয়ে দেবো গুছিয়ে দেবো ছোট্ট সুখের ঘর
লেইস ফিতা লেইস
লেইস ফিতা লেইস।

এই ফিতা যার মাথায় রবে
আদর সোহাগ যতন পাবে
এই ফিতা তাই
জনম জনম বাইন্ধা রাখে
লেইস ফিতা লেইস
লেইস ফিতা লেইস।

রেশমি চুড়ি কাঁকন বালা
ছোট্ট নোলক ঝিনুক মালা
কোমর বিছা নূপুর বাজা
তাঁতের শাড়ি অঙ্গে প্যাঁচা
লেইস ফিতা লেইস
লেইস ফিতা লেইস।

আধুনিক

গল্পের জাদুকর

এই ব্যস্ত নগরের অলিগলি ধরে কোন এক জোছনা রাতে
হাঁটছিল সে নিয়ন আলোতে ক’টি নীলপদ্ম হাতে
হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে গেল ময়ূরাক্ষীর তীরে যেই
হঠাৎ দেখে শূন্য সবই কোথাও কেউ নেই

রুপা একা জানালায় এখনও জানে না সে হায়
হিমু আর কোনদিন, কোনদিন আসবে না
সব যুক্তির মায়াজাল রহস্যের সব দেয়াল
মিসির আলী আর কোনদিন, কোনদিন ভাঙবে না
পেয়ে গেছে খবর সে, তাই প্রার্থনা নিরন্তর
তুমি শান্তিতে ঘুমাও গল্পের জাদুকর!

আর কোন ট্রেনে হবে না ফেরা তার গৌরীপুর জংশনে
বিশুদ্ধ মানুষ হতে পারবে কি শুভ্র প্রশ্ন রয়েই যাবে মনে

গৃহত্যাগী জোছনায় দরদী গলায় গাতক মতি মিয়া গাইবে না
হাওরের মাঝি আর করবে না পারাপার, ভাটির দেশের নাও বাইবে না
চিত্রা, বাদল, জরী, পারুল হারালো অচিনপুরেই
শেষে, অনন্ত নক্ষত্রবীথি ছাড়া আর কোথাও কেউ নেই

রুপা একা জানালায় এখনও জানে না সে হায়— গল্পের জাদুকর

বিতর্কের জাল জানি রবে চিরকাল ঘিরে তোমারই চারিদিকে
তবু তুমি রবে বেঁচে তোমার সৃষ্টির মাঝে তোমারই এ নন্দিত নরকে
তোমারই সাথে কত অদ্ভুত পথে যে পথিক হেঁটে গেছে আলো আঁধারে
তুমি রবে বেঁচে সেই পথিকের বুকে ভালোবাসার শঙ্খনীল কারাগারে

ব্যান্ড

ক্রিকেট

কেউবা বোলার কেউ ফিল্ডার
উইকেট কিপার কেউ অলরাউন্ডার
জীবনের খেলা যে সীমিত ওভারে
তুমি আমি ব্যাটসম্যান সকলে প্লেয়ার।

জীবনের মাঠ বড় অসমান
হঠাৎ গড়ানো বল লাফাবে
সাবধানে ফিল্ড করো ফিল্ডসম্যান
কখন যে নাক মুখ ফাটাবে

সময়ের পিচও বড় অসমান
হেলমেট গার্ড করে করো ব্যাট
সাবধানে ব্যাট করো ব্যাটসম্যান
দেখে শুনে ব্যাকফুটে মারো কাট।

উইকেট ঘিরে আছে ফিল্ডারস
তুলেছ কি ক্যাচ তুমি মরেছ
দেখে শুনে গুগলিকে সামলাও
ফ্লাইট বুঝে খেলো নয় ঠকেছ

লেংথ বুঝে বল করো ও বোলার
লুজ বল দিলে মার খেয়েছ
ঠিক করে ফিল্ড করো ফিল্ডার
খেলেছ কি ক্যাচ ম্যাচ হেরেছ।

অনার ঝুলি সে তো স্কোরবোর্ড
তুলে নাও কত রান কুড়াবে
যত পারো মারো ফোর সিক্সার
একদিন শেষ বল ফুরাবে

হারজিত বলে দেবে স্কোরবোর্ড
সবশেষে নিজেকেও হারাবে
শুন্য বা সেঞ্চুরি যাই হোক
প্যাভিলিয়নে পা বাড়াবে।

আধুনিক

২১শে অক্টোবর

অঞ্জনা
তুমি জানলে না
ও অঞ্জনা
তুমি জানবে না
২১ শে অক্টোবর
তোমার জন্মদিনে
কত যন্ত্রণার ঝড়
বয়ে যায় আমার মনে
তবুও পালন করবই আমি তোমার জন্মদিন
তবুও পালন করবই আমি তোমার জন্মদিন
ভুলিনি আজ কোনদিন ভুলবো না।
আমার দুঃখ সুখের মাঝে কেবল তুমি সান্ত্বনা
আমার দুঃখ সুখের মাঝে কেবল তুমি একজনা।

কত আয়োজন কত লোকজন কেউ আসে ফুল হাতে
মোমবাতি জ্বেলে কেক কাটা হলো শুধু নেই তুমি সাথে।।
অঞ্জনা আমার অঞ্জনা
তুমি আজ অনেক দূরে
দূর হতে বহুদুরে
যেভাবেই পারি রাখবোই ধরে তোমার প্রেমের ঋণ
তোমার স্মৃতি কোনদিন মুছবো না।
আমার দুঃখ সুখের মাঝে কেবল তুমি সান্ত্বনা
আমার দুঃখ সুখের মাঝে কেবল তুমি একজনা।

সুখের নেশায় চলে গেছো তুমি এই বুক খালি করে
বুঝলে না তুমি কত হাহাকার জমে আছে অন্তরে।।
অঞ্জনা আমার অঞ্জনা
প্রবাসীর হাতটি ধরে
চলে গেছো আমায় ছেড়ে
পৃথিবীটা গোল যেভাবেই হোক দেখা হবে একদিন
দিনটি যে কবে সেই কথা নেই জানা।
আমার দুঃখ সুখের মাঝে কেবল তুমি সান্ত্বনা
আমার দুঃখ সুখের মাঝে কেবল তুমি একজনা।