আমার গোধূলিলগন এল বুঝি কাছে গোধূলিলগন রে।
বিবাহের রঙে রাঙা হয়ে আসে সোনার গগন রে।

শেষ ক’রে দিল পাখি গান গাওয়া, নদীর উপরে পড়ে এল হাওয়া;
ও পারের তীর, ভাঙা মন্দির আঁধারে মগন রে।
আসিছে মধুর ঝিল্লিনূপুরে গোধূলিলগন রে।।

আমার দিন কেটে গেছে কখনো খেলায়, কখনো কত কী কাজে।
এখন কী শুনি পুরবীর সুরে কোন্‌ দূরে বাঁশি বাজে।

বুঝি দেরি নাই, আসে বুঝি আসে, আলোকের আভা লেগেছে আকাশে–
সারা হল কাজ, মিছে কেন আজ ডাক মোরে আর কাজে।।

আমি জানি যে আমার হয়ে গেছে গণা গোধূলিলগন রে।
ধূসর আলোকে মুদিবে নয়ন অস্তগগন রে।

তখন এ ঘরে কে খুলিবে দ্বার, কে লইবে টানি বাহুটি আমার,
আমায় কে জানে কী মন্ত্রে গানে করিবে মগন রে–
সব গান সেরে আসিবে যখন গোধূলিলগন রে।।