জানালা খুলেই দেখি
ও পাড়ার ঝাকড়া চুলের সেই শান্ত যুবক
মিছিলের পুরো ভাগে দাঁড়িয়ে
বিদ্যুৎ ছড়িয়ে চোখেরই তাঁরায়
মুষ্টিবদ্ধ হাত আগে বাড়িয়ে
চলছে আর বুকের গভীর থেকে বলছে
বাঁচার মত বাঁচতে চাই
বাঁচার মত বাঁচতে চাই
বাঁচতে চাই চাই

শুনেছি পাশের বাড়ির সেই আদুরে মেয়ে
যার কাছে মাঝে মাঝে লিখতো চিঠি
জীবনানন্দ থেকে কবিতা নিয়ে।

চাল নেই চুলো নেই বেকার যুবক
পায় না সে স্বপ্ন কন্যার খোঁজ
জীবনটা হয়ত হতো তার অন্য রকম

তাই চলছে আর বুকের গভীর থেকে বলছে
বাঁচার মত বাঁচতে চাই
বাঁচার মত বাঁচতে চাই
বাঁচতে চাই চাই।।

কখনো ভোরের শিশির ভেজা আঙ্গিনার পথে
মৃদু পায়ে হেটে হেটে আ সতো যদি
কৃষ্ণচূড়া রঙ শাড়িটি পড়ে।

ঘুম ভাঙ্গা তার অচেনা সুদূর
অবিনাশী কবিতার প্রতিবাদী সুর
জীবনটা হয়ত হতো তার অন্য রকম

তাই চলছে আর বুকের গভীর থেকে বলছে
বাঁচার মত বাঁচতে চাই
বাঁচার মত বাঁচতে চাই
বাঁচতে চাই চাই।।