কানার মাঝে ঝাপসা’রা সব, হেথায় করে রাজ
নিজেকে তাই রবীন্দ্রনাথ হচ্ছে মনে আজ
তোমারও তো চলন বলন সলিল চৌধুরী
পড়লে ঝড়ে ঘুমায় পাহাড়, ডিগবাজি খায় নুড়ি
খালি কলস বাজে বেশী সেই হয়েছে দশা
সিংহ ভাবতে ভালোবাসে নিজেকে আজ মশা

গীটার হাতে ছুটছি কতো Satriani’র বাবা
আওয়াজ শুনে মূর্খ বলে “মারহাবা মারহাবা”
স্বর-সাধনার খ্যাতায় আগুন, কারণ বাজার খালি
কোনমতে ‘সা’ বলিলেই বড়ে গোলাম আলী
তাতেও যদি না হয় তবে কায়দা আছে জানা
ভেড়ার কণ্ঠ বানায় যন্ত্র পারভিন সুলতানা

শিল্পী হবার শখ হয়েছে, গান যদি না শেখো
সুকৌশলের বিদ্যা চুরি রপ্ত করে রেখো
এটার মাথা, ওটার হাঁটু, সেটার কনুই জুড়ে
গেয়ে ওঠো সরল গলায় আনকোরা এক সুরে
সে গান শুনেই মুগ্ধ শ্রোতার হারিয়ে যাবে ভাষা
মূর্খ-কুলের সহসা নেই জ্ঞান-প্রাপ্তির আশা

গানের যোগান বন্ধ হলে পড়বে ভাতে টান
ঘাবড়িওনা, বুদ্ধি করে বাঁচিও সম্মান
এসো তখন পুরোনো গান সংরক্ষণ করি
কর্তা-শচীন পুত্র তাহার একে একে ধরি
আছে সবার লালন ঘোড়া চড়ো তাহার ঘাড়ে
লালন তোমার চালাবে পেট অভাবের বাজারে

গানের শেষে তোমার জন্য রেখে গেলাম ধাঁধা
আশাবরীর বাসিন্দা কে কুন্তী নাকি রাধা?
কাকেশ্বর না ওরাং-ওটাং, কাহার ভালো গলা?
আশে-পাশেই শুনছি কত, শক্ত তবু বলা
বলো দেখি আমার এ গান আসল নাকি চুরি?
উৎস যদি বলতে পারো মানবো বাহাদুরী!