বিধাতার তুমি এক অপূর্ব সৃস্টি
ফেরানো যায় না এ আপলক দৃস্টি
তার উপর রংধনু সাত রঙ প্রসাধন লভিয়াছ
আনমনে প্রতিক্ষণ তনুমন

অঙ্গে অঙ্গে যেন রূপ আর ধরে না
রার হাত শাড়িতে অবয়ব ঢাকে না
হাতের কাকন বাজে রিনিঝিনি কিনিকিনি
মনে হয় সারাদিন দেয় যেন হাতছানি
তবুও বলছ তুমি ও ভাবে কী দেখছ
*** *** সাজ ঘরে পিছু পিছু ছুটছো

ও বলে দুষ্টু আমি, আমি নাকি নষ্ট লোক
এ দিক ও দিক যায় কেন আমার দুটি দশ্যি চোখ
আমি বলি চোখের কী দোষ
না দেখেই বা করবে কী
দৃষ্টিটাকে সেনসর করার নাই জানা যে পদ্ধতি
না হয় আমি দেখলাম তোমায়
তাতে তোমার কী ক্ষতি

পাঁচ ফুট শরীরে বার হাত শাড়ি
অঙ্গ ঢাকিতে তবে পারে না মোর নারী

এক প্যাচ দুই প্যাচ কোমরেতে মারে প্যাচ
তিন প্যাচ চার প্যাচ কুচি দিয়ে আরো প্যাচ
প্যাচাতে প্যাচাতে হল দশ হাত পুরো শেষ
বাকী থাকে দুই হাত, দুই হাত বাকি থাকে
দুই হাতে বল, কী করে অঙ্গ ঢাকে

পাঁচ ফুট শরীরে বার হাত শাড়ি

আমার প্রিয়ার রূপের বাহার, আমারই তো অধিকার
হাজার লোকের দুষ্টু চোখে করবে কে প্রতিকার
তুমি কী এমন ফুল, হাজার অলির বিনোদন
নিজেকে দেখ প্রশ্ন করে, বলে কী তোমার এ মন
এ কেমন লজ্জা তোমার, ওরে ও লজ্জাবতী
পাঁচ ফুট শরীরে বার হাত শাড়ি
অঙ্গ ঢাকিতে তবে পারে না মোর নারী

এক প্যাচ দুই প্যাচ কোমরেতে মারে প্যাচ
তিন প্যাচ চার প্যাচ কুচি দিয়ে আরো প্যাচ
প্যাচাতে প্যাচাতে হল দশ হাত পুরো শেষ

বাকী থাকে দুই হাত, দুই হাত বাকি থাকে
দুই হাতে বল, কী করে অঙ্গ ঢাকে
পাঁচ ফুট শরীরে বার হাত শাড়ি।