ছায়াছবি

আমার বুকের মধ্যেখানে

আমার বুকের মধ্যেখানে মন যেখানে হৃদয় যেখানে
সেইখানে তোমাকে আমি রেখেছি কত না যতনে।।

তোমার বুকের মধ্যখানে মন যেখানে হৃদয় যেখানে
সেইখানে আমাকে রেখো আর কোথাও যাব না জীবনে

তোমায় নিয়ে নাও ভাসিয়ে যাব তেপান্তর ।।
ভালোবাসার ঘর বানিয়ে হব দেশান্তর
তোমার কত ভালোবাসি
বোঝাব বোঝাব কেমনে।।

আমার বুকের মধ্যেখানে মন যেখানে হৃদয় যেখানে

সাগরেরই টানে যেমন নদী ছুটে যায় ।।
তেমনি করে আমার এ মন
তোমায় পেতে চায়,
তুমি আমার জীবন তরী
তুমি আমার আলো নয়নে।।

আমার বুকের মধ্যেখানে মন যেখানে হৃদয় যেখানে
সেইখানে তোমাকে আমি রেখেছি কত না যতনে।।

তোমার বুকের মধ্যখানে মন যেখানে হৃদয় যেখানে
সেইখানে আমাকে রেখো আর কোথাও যাব না জীবনে

3 thoughts on “আমার বুকের মধ্যেখানে”

  1. গানের পেছনের গল্পঃ
    নয়নের আলো ছবির গান এটি। পরিচালক বেলাল আহমেদ। এ ছবির সবগুলো গান সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। ‘আমার বুকের মধ্যিখানে’ গানটির প্রসঙ্গ তুলতেই স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, আমার পূর্ণাঙ্গ সংগীত পরিচালনায় প্রথম ছবি ছিল নয়নের আলো। মনে পড়ে, ওই সময় এক জ্যোতিষ আমার হাত দেখে বলেছিলেন, তোমার তো গিটারের হাত। এ হাতে সুর হবে না। কিন্তু আমি তাঁর কথা মেনে নিতে পারিনি। নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে তখন আমাকে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল। প্রায় ১০০ জনকে শুনিয়ে জানতে হয়েছিল, এটি গান হয়েছে কি না। এমনকি, ছবির স্ক্রিপ্ট পড়ার সময় যেখানে গানের সিকোয়েন্স, সেখানে নিজের কণ্ঠে গাওয়া গান টেপরেকর্ডারে চালিয়ে শোনাতে হতো। সবাই যখন বলতেন ‘ওকে’ তারপর রেকর্ডিংয়ে যেতে হয়েছে।
    যা-ই হোক, সংগীত পরিচালক হিসেবে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ছবি করছি। তখন সৈয়দ আবদুল হাদী, রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীন প্লেব্যাকে ভীষণ ব্যস্ত। স্বপ্ন ছিল, আমার গানগুলো বড় মাপের শিল্পীদের দিয়ে গাওয়াব। কিন্তু আমার ছবির প্রযোজক বললেন, আপনি নতুন, বাজেট কম। তাই নতুন শিল্পী দিয়েই গানগুলো করেন। অগত্যা তখন এই গানটি এন্ড্রু কিশোর আর সামিনা চৌধুরীকে দিয়ে গাওয়াই। ছবিতে গানটি ঠোঁট মেলান জাফর ইকবাল ও কাজরী। ছবির বাকি গানগুলোও এই দুজন শিল্পীই গেয়েছিলেন। সবগুলো গানই তখন ভীষণ জনপ্রিয় হয়। বিশেষ করে ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান’, ‘আমি তোমার দুটি চোখে দুটি তারা হয়ে থাকব’, ‘এই আছি এই নাই দু দিন পরে কেউ বা ধুলো কেউ বা হব ছাই’ গানগুলো।

    সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১১

  2. অত্যান্ত ভাল লাগল। যখন ছোট ছিলাম কৈশোরে তখন রেডিও শুনতাম প্রচুর। বিশেষ করে সংগীতমালা অনুষ্ঠানগুলো, তখন এই গানগুলো কত-শত বার যে শুনেছি তার হিসাব নেই। আজকে এই সব গুলো গানের কথা শুনে মনটা আবার সেই কৈশোরে চলেগেছে। আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।