শ্যামল বরণ মেয়েটি
ডাগর কালো আঁখিটি
না না তার নাম বলব না

তোমরা তাকে দেখেছ
গল্প করে জেনেছ
শুধু তাহার নাম জান না

মিষ্টি তাহার সোনা মুখে হাসি ধরে না
এত বকা ঝকি তবু প্রাণ ভাঙে না।

এত করে বলেছি এত বারণ করেছি
বললে কারোর কথা শোনা না

এখানে এ দালান কোঠার ভীড়ে
কিংবা কোন গাঁয়ের কুঁড়ে ঘরে
তোমরা তাকে কত দেখেছ
শুধু নাম জান না
না না তার নাম বলব না।।

হায় রে সেই অভাগিনীর স্বপ্ন ছিল যত
তিলে তিলে নিভে হল পোড়াকূপের মত
আকাশ ভরা মিটিমিটি তারা জ্বলে যত
অভাগিনীর দুচোখ জুড়ে আশা ছিল তত

পথের পানে চেয়ে এবার
কেটে যাবে দিন
চোখের জলে গাঁথা মালা
ধূলায় হবে লীন

সকাল সাঝে কুড়িয়ে পাওয়া
ঝরা ফুলের মত
গানের মালায় গাঁথা হবে
তাহার কথা যত।

এখানে এ দালান কোঠার ভীড়ে
দেখেছি সে অভাগিনী কেঁদে কেঁদে ফিরে

সাগর সেঁচে খোঁজেনি সে হিরামতির মালা
কুঁড়ে ঘরে রাখবে কোথায় এত সুখের জ্বালা।

বসে ছিল খেয়ার আশে নদী হবে পার
ধূলোমাটির কড়ি কিছু আঁচল বাঁধা কার।

হায়রে কখন অথৈ জলে আঁচল গেল ছিঁড়ে
অভাগী তাই এপাড় ওপাড় কেঁদে কেঁদে ফেরে।

এখানে এ দালান কোঠার ভীড়ে
দেখেছি সে অভাগিনী কেঁদে কেঁদে ফিরে