বলদে চড়িয়া শিবে শিঙ্গায় দিলা হাঁক
আর শিঙ্গা শুনি মর্ত্যেতে বাজিয়া উঠল ঢাক
শিবের সনে কার্তিক গণেশ লক্ষ্মী সরস্বতী
আশ্বিন মাসে বাপের বাড়ি আসেন ভগবতী

গৌরী এল, দেখে যা লো…
ভবের ভবানী আমার ভবন করিল আলো।

দেখি সিংহের উপর উইঠ্যা ছুঁড়ি
আরে! সিংহের উপর উইঠ্যা ছুঁড়ি
অসুরের পিঠটি ধরি
গলায় দিছে খাপ ছড়াইয়া, বুকে দিছে খোঁচা।।
কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচা! কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচী!

ওই যে এক থোম্বা বদন
দাঁত দুইডা তার মূলার মতন
কান দুইডা তার কুলার মতন
মাথা লেপা-পোঁছা
কী ঠাকুর দেখলাম চাচা! কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচী!

আছে ডাইনে বাঁয়ে দুইডা ছেমড়ি
পইরা আছে ঢাহাই শাড়ি
ঘুরতে দেখছি বাড়ি বাড়ি
ফশম (ফ্যাশন) দেখায় ভারি!
আবার ময়ুরের ‘পরে বইছেন যিনি
এনার বড় চিকচিকানি
ধুতি করছেন কোঁচা
কী ঠাকুর দেখলাম চাচা!
কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচী! কী দুগ্‌গী দেখলাম চাচা!

সপ্তমীতে মা জননী মণ্ডপে মণ্ডপে
অষ্টমীতে মা জননী ফুলে-ফলে-ধূপে
নবমীতে মা জননী নিশি পোহাইলা
দশমীতে পাগলা ভোলা নাচিতে লাগিলা
শিবে দুর্গারে লইয়া যাবে কৈলাস ভবন
বিসর্জনের বাজনা বাজে বিজয়া গমন।
জয় জয় বিজয়া গমন।

হে, আইল আমার ভোলানাথ রে
আইল আমার কাশীনাথ, আইল আমার তিন্নাথ
আইল আমার ভোলানাথ রে

ভোলানাথের শিঙ্গায় বলে
বব বম্‌, বব বম্‌, দিদি দিম্‌, দিদি দিম্‌, দিম্‌
বব বম্‌, বব বম্‌, দিদি দিম্‌, দিদি দিম্‌, দিম্‌।।