হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটাকে যে দিন করেছে
তারই নীচে বাঈজী নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে
তবলচিটা দিচ্ছে ঠেকা সারেঙ্গীটা সুর ধরেছে
পিচকিরিটা ঢালছে আতর ধূপের ধোঁয়া যাচ্ছে উড়ে।।

পরোয়া তো নেই দু’দশলাখ হয় যদি হোক দেনা,
একটি রাতের মেজাজটা হোক অনেক টাকায় কেনা,
আঙ্গুর ফলের রঙ্গীন রসে পান পেয়ালা ঐ ভরেছে
স্বপ্নে দু’চোখে জড়িয়ে আসুক সুরভি আর সুরায় সুরে।।

(ধরো না, ধরো না সীতাপতি)

রাজা যে টাকাটা মারছে ছুঁড়ে ‘সুবহানআল্লা’ দিয়ে
সেই টাকাটাই পড়তো যদি একটু ঘুরে গিয়ে,
বেঁচে যেতো হয়তো কারো কঠোর জঠোর জ্বালা
খুলে যেত বন্ধ ঘরের অন্ধকারের তালা।
অনাহারের শীতে কেঁপে যে গাছেরই ডাল মরেছে
হয়তো বাঁচার আশা জাগতো শেকড় ফুঁড়ে।।

শেকড় ফুঁড়ে গাছের মতো (বুঝলে সীতাপতি) আগাছাও তো হয়,
মেজাজটাই তো আসল রাজা আমি রাজা নয়,
তোমরা কেন এত বোকা সেই কথাটাই ভাবি,
আমার হীরের আংটি না পেলে ওর,জ্বলতো কি ওই নাকচাবি।।