এ যে সারাদিন শুধু কাটিয়ে দিলাম
তবুও তোমার দেখা পাব ভেবেছিলাম।

সেই সকাল সকাল উঠে ঘুম ঘুম চোখে
কোনরকম হাতে হাত মুখ ধুলাম
ঘরের কারো কথা কানে না তুলে
কিছু না খেয়ে হুট করে বেরুলাম
বেরিয়েই দেখি কোন বেবি রিক্সা নেই
তাই কিছুক্ষণ দুটো পা চালালাম
দৈবক্রমে এক রিক্সা পেলাম
আর তাই নিয়ে ঝড়ের বেগে ছুটলাম
সব কিছু বোধয় বুঝি গেলো বিফলে
রমনায় দেখি তুমি নাই আমি এসে।।

ঠিক ঘড়ির কাটা যখন ছুলো দশটায়
সেই তখন থেকের আমি আছি রমনায়
গেলো বারে আমি দেরী করেছিলাম
তাই তোমার মেজাজ ছিল ভেরী ভেরী হাই
ফোনে আমায় কত না কত ভাবে শাসালে
যেন দশটার মাঝে আমি পৌঁছে যাই
তাই আজ এসেছি আমি সময় মত
তুমি এসেই শুধু পৌঁছালেই হয়
এ যে ভীষণ জ্বালা রোদে দাঁড়িয়ে থাকা
যেনো চুলার উপর শিক কাবাব হওয়া।।

হেঁটে যায় প্রেমিকা প্রেমিক আর কপোত কপোতী
আসবে মজে আছে প্রেমালাপে মুখোমুখী
দেখে হিংসায় মেজাজটা তিরিক্ষি হয়
তখনও তোমার কোনো পাত্তা নেই
কোথায় কোথায় ছিল তোমার জাজমেন্ট
তবে কেন গত রাতে করলে ফোনে আর্গুমেন্ট
তোমাকে না পেয়ে বাযু চড়েছে মাথায়
আগুন জ্বলেছে পেটে ক্ষুধার ভীষণ জ্বালায়
ডাকি চা’ওয়ালা, এক চুমুক দিতেই কাপে-
গরমে গরমে মুখ গেলো পুড়ে
কপাল খারাপ হলে বুঝি এমনি ঘটে
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা টোকাই হেসে ওঠে
শুরু করি কিছুক্ষণ পায়চারী
দেখি রমনায় প্রেমিকাদের বাড়াবাড়ি।।

আহ! যদি বুঝতে তুমি আমার প্রবলেম
তবে তীর্থের কাক সেজে বসে থাকতে
আমি বুঝেছি বুঝেছি তোমার সব ফাঁকি
আমায় চটিয়ে কত মজা করবে তুমি
জানি চাইবে চাইবে ক্ষমা টেলিফোনে
তোমায় করবো ক্ষমা চিরতরে কাছে পেলে
তাই আজ চলি ভাঙ্গা মনে বাড়ির পথে
যেতে দু টাকার চিনা বাদাম খেতে খেতে।।